এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
লেখক : লেখক : লেখক : রকি : ফরিদুল আলম সুমন : ছন্দ হিন্দোল : ছন্দ হিন্দোল : লেখক : রাজিন : লেখক : লেখক : লেখক : লেখক : লেখক : আফরোজা হক : আফরোজা হক : চারুমান্নান : নাজমুল হুদা : ছন্দ হিন্দোল : কাহন : লেখক : লেখক : বিষণ্ণময়ী : লেখক : লেখক : বিষণ্ণময়ী : বিষণ্ণময়ী : লেখক : সাইক্লোন : লেখক : বিষণ্ণময়ী : ভালবাসার দেয়াল : লেখক : নীল নক্ষত্র : লেখক : লেখক : ডা. দাউদ : দীপক সাহা : লেখক : লেখক : মুক্তিযোদ্ধা : সাইক্লোন : লেখক : সাহাদাত উদরাজী : সাহাদাত উদরাজী :
ভালবাসার দেয়াল » ব্লগবুক স্ট্যাটাস ১৪.০৫.২০১৩
আমি সামি » জীবন নদীর ডুব সাঁতার
কে এম রাকিব » মানুষ
কে এম রাকিব » নীলকষ্ট
কে এম রাকিব » আমি বেশ্যা হতে চাই
অমানিশা » একান্ত নিজস্ব একটি দিনের কথা
তীর্যক নীল » ব্লগবুক স্ট্যাটাস-জন্ম শুদ্ধি চাই
ভালবাসার দেয়াল » ভালো থেকো প্রিয়তমা
রাবেয়া রব্বানি » প্রজন্ম চত্বরের নেতাদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি
কাজলাদিদি » শব্দনীড় ব্লগের কাছে একটি দাবি
কাজলাদিদি » প্রজন্ম চত্বর-আমি আশাহত নই তবে সাবধানি হতে চাই
কাজলাদিদি » রাজাকার মুক্ত পলাশ বিছানো বাংলাদেশ চাই
কাজলাদিদি » অভিশাপ দিচ্ছি
কবিরনি » ব্লগবুক স্ট্যাটাস-রাজাকারের ফাঁসি
মুরুব্বী » ফুল ফুটুক বা না ফুটুক
আনু আনোয়ার » ব্লগবুক স্ট্যাটাস ২৭-১১-২০১২
হরবোলা » ছবির ধাঁধা
ফৈরা দার্শনিক » ব্লগবুক স্ট্যাটাস- হারিয়ে গেলো সোনার কলম
দীপক সাহা » শাহরুখ খান লজ্জিত, আমি লজ্জিত নই
ভালবাসার দেয়াল » জয়পুরহাটের যুদ্ধাপরাধের কাহিনী
ছন্দ হিন্দোল » ব্লগবুক স্ট্যাটাস
শব্দ » একটি চিঠি
শব্দ » পিকনিকের হাসি-কাঁন্না
যাত্রা শুরু : ২০১০-১১-১৭
প্রকাশিত পোস্ট : ১৫৬
খসড়া পোস্ট : ২১
মিডিয়া আপলোড : ৫৮০
মন্তব্যকৃত পোস্ট : ১৭৪৮
মন্তব্য করেছেন : ৪০৫৫
নিজের পোস্টে : ২০৪৪
অন্যের পোস্টে : ২০১১
মন্তব্য পেয়েছেন : ৫১৫৫
নিজেরগুলো বাদে : ৩১১১
মন্তব্য পেয়েছেন : ২৫২ জনের
মন্তব্য দিয়েছেন : ২৮৫ জনকে
প্রকাশিত পোস্ট : ১৫৬
খসড়া পোস্ট : ২১
মিডিয়া আপলোড : ৫৮০
মন্তব্যকৃত পোস্ট : ১৭৪৮
মন্তব্য করেছেন : ৪০৫৫
নিজের পোস্টে : ২০৪৪
অন্যের পোস্টে : ২০১১
মন্তব্য পেয়েছেন : ৫১৫৫
নিজেরগুলো বাদে : ৩১১১
মন্তব্য পেয়েছেন : ২৫২ জনের
মন্তব্য দিয়েছেন : ২৮৫ জনকে






খড়ম পেলেন কোথায়? এটা তো এখন শুধু যাদুঘরে দেখা যায়!
ধামরাই এর কুমার পল্লীতে।
এতা পুজার ফুল। ওরা খড়মকে পুজা করে। আমি অবাক। অনেক জানার বাঁকি এখনো।
কিন্তু এখন আমার খুব রাগ হচ্ছে এই জন্য যে, আমি তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে দারুন একটা সাবজেক্ট মিস করেছি। মানে ঠিক মত ছবিটা তোলা হয়নি। কিছুই আর করার নাই।
ধন্যবাদ আপনাকে কারন বিষয়টি পয়েন্ট আউট করেছেন।।
ও বলতে ভুলে গেছি খড়মে আবার কে ফুল দিল! মাথায় বুদ্দি আছে বটে!
“খড়ম জোড়া খুব সম্ভবত তাঁদের বাবা-দাদা কারও হবে। পূজা কিনা জানিনা, সম্ভবত ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানও হয়। “
শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা,
শুধু আলো-আঁধারে কাঁদা-হাসা ॥
শুধু দেখা পাওয়া, শুধু ছুঁয়ে যাওয়া,
শুধু দূরে যেতে যেতে কেঁদে চাওয়া,
শুধু নব দুরাশায় আগে চ’লে যায়–
পিছে ফেলে যায় মিছে আশা ॥
আর কিছু বলার নাই
সত্যি স্মৃতিময়। আঙ্কেল কেমন আছেন।
ধন্যবাদ আঙ্কেল। আমি জানি এই ৩টি ছবি আপনাকে পেছনে নিয়ে যাবে আপনি নস্টালজিক হবে। আমিও হচ্ছি।
তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করা।
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?
প্রথম ছবিটার বিষয় বুঝিনাই, শেষের ছবিটা অসাধারণ।
খড়ম জোড়া খুব সম্ভবত তাঁদের বাবা-দাদা কারও হবে। পূজা কিনা জানিনা, সম্ভবত ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানও হয়।
প্রথম ছবিতে ৩টি সাবজেক্ট আছে।
১) চিরায়ত গ্রাম বাংলার অবাধ শৈশব যা এখন হারানোর পথে
২) নিজের ও গৃহপালিত পশুর যত্ন
৩) আমাদের সোনালী ইতিহাস সোনালী আঁশ
সব কটি একটি নদীকে কেন্দ্র করে। আজ নদী তার নিজেকেই হারাতে বসেছে।
ধন্যবাদ।
আসসালামুয়ালিকুম স্যার
আজকের স্ট্যাটাসের জন্য আপনাকে থ্রী ষ্টার প্রদান করা হলো
তিন টি ছবিই তিনটি ঐতিহ্য বহন করছে
বিষয়টি অনুধাবনের জন্য ধন্যবাদ প্রিয়।
এই বছরের শেষে বুঝি গাও গেরাম আর থাকবে না
বউ কথা কও সুরে পাখি সকাল সাঁঝে ডাকবে না।।
হু, খুব সত্যি কথা।
সত্যি হারিয়ে ফেলবো আমরা একদিন এইসব।
সাবজেক্টগুলো দুর্দান্ত পছন্দ করেছেন আপনি ছবি তোলার ক্ষেত্রে।
ধন্যবাদ দেয়াল।
জিয়া ভাই সোনালী আশের ছবিটা আরো পরিস্কার ভাবে পাট ধোয়ার ছবিটা উঠলে আরো জীবন্ত হতো। এখন মনে হচ্ছে গরুকে গোসল করাচ্ছে।
খড়মেরও পূজা করে তারা কেনো যে করে তাই বুঝলাম না।
শেষ ছবিটা অসাধারণ লাগলো। পাল তুলে নৌকা চলে যায় দূর অজানায়।
এটা শিবলীর শ্বশুড় বাড়ী যাবার পথে পরে আমি দেখেছি এই ভাবে পাট শুকাতে।
ভাইয়া,
ছবিটা কি আমাদের নদীর?
জিয়া ভাই সোনালী আশের ছবিটা আরো পরিস্কার ভাবে পাট ধোয়ার ছবিটা উঠলে আরো জীবন্ত হতো। একমত। তেমন ছবি আছে তবে কমপোজিশন হয় না। ছবির জন্য কম্পোজিশন খুব গুরুত্ব বহন করে। ছবিটা বড় কতে দেখলেও পাট সেটা বোঝা যাবে না কারন এখানে মোশন ব্লার আছে।
এখন মনে হচ্ছে গরুকে গোসল করাচ্ছে। একমত নই কারন গরুর উলটো দিকে মানুষটি কাজ করছে।
খড়ম পূজা নয় কারন উপরে দীপক সাহার মন্তব্যটাই ঠিক বলে আমার মনে হচ্ছে।
খড়ম জোড়া খুব সম্ভবত তাঁদের বাবা-দাদা কারও হবে। পূজা কিনা জানিনা, সম্ভবত ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানও হয়।
হু, নৌকা সব সময় নিরুদ্দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
নোটঃ আপনার জন্য পাট কাটা এবং পাট ধোয়ার আরো দুটি ছবি এড করলাম।
মনে হয় বুঝতে আমার ভুল হয়েছে।
পরের ছবিটায় পুরো পরিস্কার । পাট এইভাবে কাটে আমি আগে কখনো দেখিনি।
ধন্যবাদ জিয়া ভাই ছবি দুটো শেয়ারের জন্য।
লুবনা, পাট নিয়ে কিছু কাজ করেছি আরো করার ইচ্ছে আছে।
আপনাদের ভালোলাগা আমার প্রেরণা।
শুভ কামনা।
নদী ও নৌকোর ছবিটি খুব সুন্দর ।
ধন্যবাদ।
শুভ কামনা জানবেন।
এটা মনে হয় রামের খড়ম। রাম যখন বনবাসে যায় ১৪ বছরের জন্য রানী কৈ কৈ্এর প্রোরচনায়।রানী চেয়েছিলেন রামের বদলে ভরত রাজা হবে।আর রামের বনবাস হবে। রাজা কিছুতেই রানীকে মানাতে না পেরে দু:খে মৃত্যু বরন করেন । সেই সময় ভরত তার নানাবড়ীতে ছিলো । ভরত এসে মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি। ভাইকে বনবাস থেকে ফিরিয়ে আনতে যায় কিন্তু রাম সিদ্ধান্তে ্অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত ফয়সালা হয় রাম যতদিন বনবাসে থাকবে ততদিন ভরত রাজ্যশাসন করবে রাজা রামের হয়ে ।ফিরে আসার সময় রাজা রামের স্মৃতি স্বরূপ রাজারামের খড়ম চেয়ে নেয় ও তা মাথায় ধারন করে।এবং নিয়ে এসে সিংহাসনে রাখে রাজা রামের প্রতিক হিসাবে আর তাই প্রতি দিন ফুল দিয়ে পুজা করত বলে শুনেছি তা থেকে মনে হয় রেওয়াজটা চলে এসেছে।
বিষয়টি জানাবার জন্য ধন্যবাদ সুপ্রিয়।
কেমন আছেন আপনি?
আল্লাহর রহমতে ভালো আছি জিয়া ভাই ।
আপনার ছবি তো নয় এক একটা গল্প এক একটা কালের সাক্ষী।
খুব সুন্দর।
প্রথম ছবিটা তো দারুন! একই সাথে অনেক কিছু ধারণ করে আছে। দূরন্ত শৈশব, গরুর গা ধোয়ানো আর জাগ দেওয়া পাট ছাড়িয়ে তা ধোওয়া!! একই ছবিতে এত সাব্জেক্ট আটকে ফেলতে পারার মত ক্যানভাস খুঁজে পাওয়া কঠিন। সেই কঠিন কাজটি অবলীলায় করতে পারা তো যেমন তেমন কর্ম নয়।
হারিয়ে যাওয়া খড়মের এই যুগে সন্ধান পাওয়া আর তার ছবি তোলার সুযোগ নিতে পারার মাঝেও বুঝা যায় ছবিগ্রাহকের ছবির প্রতি দরদ। এ বিষয়ে ছন্দ হিল্লোলের ব্যাখ্যা সব চেয়ে গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে।
পালতোলা নৌকা ইঞ্জিন বোটের ধাক্কায় তলিয়ে যাচ্ছে ক্রমেই। এই ছবিটাও হতে পারে এমন কি পালতোলা নৌকার শেষ ছবি।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
হুদা ভাই, ভালো লাগলো আপনার সুন্দর বিশ্লেষণ।
ধন্যবাদ।
শুভ কামনা জানবেন।
অলেরডি কাঠের খড়ম আর দেখা যায় না তয়,,,,,,,, রাবারের খড়ম আইছে বাজারে,,,,,,,
গাঙে গরুর গসল,,,, ইদানিং পাওয়াটিলার ধৌত পর্ব সম্পর্ন হয়।
আর পালতোলা নৌকা, সেতো এখন ইন্জিনে চলে,,,,,,,,,,ভাল লাগলো জিয়া ভাই আপনার থিম,,,,,,,,,,,,,
হু, তাই হয়েছে। তবু অতীত খুঁজতে ভালো লাগে।
শুভ কামনা।
অসাধারণ থিম !
আমি আমার শৈশবকে দেখতে পাচ্ছি………পষ্ট……… নৌকার পালের মতো উদ্দাম…সবুজ পাটের পাতার মতো সজীব শৈশব!
পিছনে ডেকে নিয়ে যাবার জন্য কৃতজ্ঞতা।
ভালো থেকেন ভাইয়া।
আমিও ফিরেছিলাম পেছনে। স্মৃতি কুড়ানোর সুখ অন্য রকম।
ধন্যবাদ প্রিয়।
শুভ কামনা।
কত বছর পর খড়ম দেখলাম…
শুধু দেখে যাও। পড়তে চেও না প্লিজ।
আল্লাহর রহমতে ভালো আছি ভাইয়া ।
আপনার ছবি তো নয় এক একটা গল্প, এক একটা কালের সাক্ষী।
খুব সুন্দর।ভালো থাকবেন।শুভ কামনা সব সময়।
ধন্যবাদ । আপনিও ভালো থাকবেন সব সময়।
খড়মের ছবিটাই সবচেয়ে সুন্দর।
শুকরিয়া।
জোস ………
ধন্যবাদ সুপ্রিয়।
শুভ কমনা।