ব্লগবুক স্ট্যাটাস- হুমায়ূনের লাশ

শাওন, তোমার জন্য আমার রইলো শুধুই করুনা।
গুলতিকিন, বাবার ছায়া ছাড়াও তুমি তোমার সন্তানদের মানুষ তৈরী করতে পেরেছো। তোমাকে সালাম।

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 3.0/5 (1 vote cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: 0 (from 0 votes)
ব্লগবুক স্ট্যাটাস- হুমায়ূনের লাশ, 3.0 out of 5 based on 1 rating

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

২৬ টি মন্তব্য (লেখকের ১১টি) | ৯ জন মন্তব্যকারী

  1. কাহন : ২৪-০৭-২০১২ | ৯:৩৩ |

    কাউকেই আমরা করুণা করতে পারি না …

    শুভকামনা ।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ৯:৫৮ |

      মনে হয় পারি। আমাকেও কেউ কেউ করুনা করে, আপনিও কাউকে না কাউকে করুনা করেন।
      বলার সময় বা লেখার সময় আমরা উদার হই। আমি ততোটা উদার হতে পারিনা।
      ধন্যবাদ আপনাকে।
      শুভ কামনা আপনার জন্য।

    • কাহন : ২৪-০৭-২০১২ | ১০:২৩ |

      গোস্তাকি মাফ করবেন জনাব Smile

      কিন্তু তাকে আপনি করুণা করতে পারেন না যার জন্য আপনি কিছুই করেন নি …
      এত উদার আমি নই কাউকে হেয় করতে Smile

  2. সাহাদাত উদরাজী : ২৪-০৭-২০১২ | ১০:৪১ |

    শাওন রাইট, আমি শাওনের পক্ষে বলছি…।।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১১:০১ |

      আপনি করতেই পারেন এটা আপনার মত বা পছন্দ। এতে দোষের কিছু নাই।
      আমি শুধু আমারটা বলেছি। তাতে কেউ সহমত হবেন কেউ আবার দ্বিমত প্রকাশ করবেন।
      শুভ কামনা।

  3. কবিরনি : ২৪-০৭-২০১২ | ১০:৫৬ |

    রাষ্ট্র কত সহজেই ভুলে গেল হুমায়ুনের জীবন সাত বছরের না। সাত বছর আগেও তার সাতান্ন বছরের জীবন ছিল। সেখানে তার মা ছিল, ভাই ছিল, বোন ছিল, সন্তানেরা ছিল। এক জন স্ত্রীও ছিল। সাত বছরের মতামতের চেয়ে সাতান্ন বছর যাদের বাধনে বাধা ছিলেন তাদের ইচ্ছার প্রাধান্য দেওয়াটাই কি গুরত্বপূর্ন না।
    তবে যা হবার হয়েছে। নুহাশ পল্লীকে জনগণের সম্পত্তি করা হোক। হুমায়ুন ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। একটা জাদুঘর নির্মানের পাশাপাশি ব্যক্তি হুমায়ুনকে স্মরনের জন্য সেখানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১১:০৬ |

      সময় সময়ের কথা বলবে।
      আমাদের শুধু দেখা।
      সময় সুযোগ হলে গিয়ে ফোটো তুলে আনবো আর আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।

  4. কৃতদাসের নির্বাণ : ২৪-০৭-২০১২ | ১১:১৬ |

    নোংরামী জয়যুক্ত হোক। শাওনের প্রতি করুনা নয় ঘৃণা, শুধুই ঘৃণা….. ।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১১:৩০ |

      আমরা আমাদের মতামত , ভালো লাগা , মন্দ লাগা বলবো। আমার সাথে আপনার সাথে কারো দ্বিমত থাকতেই পারে। তাই বলে আমি উত্তম আর আপনি অধম তা মনে করাটা ভুল হবে।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

    • কৃতদাসের নির্বাণ : ২৪-০৭-২০১২ | ২১:১১ |

      সর‍্যি জিয়া ভাইয়া,কোন এক্সকিউজ দিবো না, শুধু বিনম্র চিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করলাম। সতত শুভকামনা রইলো।

    • জিয়া রায়হান : ২৬-০৭-২০১২ | ১৫:২৬ |

      ক্ষমা প্রার্থনা কেন ভাই?

  5. সাইক্লোন : ২৪-০৭-২০১২ | ১২:৪০ |

    এক বাচ্চাকে নিয়া দুই মহিলা গেলেন কাজির দরবারে বাচ্চার আসল মা নির্ধারণ এর জন্য। কাজি কি করবেন বুজতে পারছিলেন না কি করবেন। পরে ঠিক করলেন বাচ্চাটা কে দুই খণ্ড করে দুই মা কে ভাগ করে দেয়া হউক। আসল মা বলে উঠলেন ” আমার বাচ্চার দরকার নেই, ওনা কে বাচ্চাটা দিয়া দেন, সে বেঁচে থাকুক।” মায়ার standard দেখে কাজি আসল মা চিনতে পারলেন। শাওন এর ভালভাসা নকল, আর নোভা, নুহাসদের ভালভাসা বাবার প্রতি আসল, এ থেকেই বুজা যায়।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১৩:২১ |

      ধন্যবাদ শিবলী সুন্দর একতা উদাহরন দেবার জন্য।
      তোমার জনে এই লিঙ্ক।
      শাওন

    • বিষণ্ণময়ী : ২৪-০৭-২০১২ | ১৪:২১ |

      এতোই যদি বিপাশা আর নোভার ভালবাসা আসল হয় তাহলে এই পাচটি বছর বাবাকে না দেখে কেমন করে থেকেছে তারা। আর যে সন্তার আমেরিকায় থাকে বিপাশা সে কেনো একবারো বাবাকে দেখতে আসলো না।

      আর শাওনের সাথে নোভা আর শিলার ভালবাসার মিল কি করে খুজলেন, একজন তার স্ত্রী অন্যরা সন্তান।’ তুলনা করা উচিৎ ছিল গুলতেকিন আর শাওনের সাথে। মৃত্যুর সময় কিন্তু শাওনই পাশে ছিল গুলতেকিন নয়।
      বাংলাদেশে দ্বিতীয় বউ কখনো সম্মানের হয় না আপনিও তা প্রমাণ করলেন। উদাহরণ দিলেন এমন উদাহরণ যা শুধু সন্তানদের জন্য কার্যকর বউ এর সাথে নয়।

  6. মুহাম্মদ সাঈদ আরমান : ২৪-০৭-২০১২ | ১৩:৩৮ |

    করুনা! কার জন্য ?
    দুঃখিত পারলাম না ।

    • জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১৩:৫৩ |

      কি পারলেন না?

    • মুহাম্মদ সাঈদ আরমান : ২৪-০৭-২০১২ | ১৩:৫৬ |

      আপনার মত করুনা দেখাতে।
      গুলতিকিন এর প্রতি সালাম পৌছানোর মাধ্যম নেই । আমার অনুভুতি লিখছি।

  7. বিষণ্ণময়ী : ২৪-০৭-২০১২ | ১৪:১৪ |

    বুঝলাম না করুনা দেখানো কি আছে?? আর আমরা করুনা দেখানোর কে।
    শাওনের সাথে বিয়ের আগেই হুমায়ূনের বাচ্চারা বড় হয়ে গিয়েছিল সেখানে গুলতেকিন একা কি করে বাচ্চাদের বড় করল।

    শাওনের সাথে যাই করুক বৈধ সম্পর্ক তো ছিল। আর যারা অবৈধ সম্পর্ক করে নাজায়েজ সন্তানের জন্ম দেয় আর সেই সন্তানেরা যুগ যুগ বাবার পরিচয় পাবার অপেক্ষায় থাকে তাদের জন্য কি করবো আমরা করুনা, দয়া না কী অন্য কিছু। শাওনের সাথে অবৈধ কিছু থাকলে তখন করুনার প্রশ্নটা উঠতো।

    হুমায়ূন যা করেছিলেন অন্যায় মনে হয়েছে আমার কাছে কারণ একটাই উনি আমাদের সবার ছিলেন উনি সাধারণ কোন মানুষ ছিলেন না তাই তার ওই বয়সে এমন কাজটা কষ্ট দিয়েছে আমাদের মতো ভক্তদের। কিন্তু উনার চলে যাবার পরে তার পরিবারের কাউকে কিছু করার অধীকার কি আমাদের আছে। শুধু দোয়া করা ছাড়া।???

    তবে কষ্ট লেগেছে কাল তার আগের পরিবারের সন্তান আর ভাইরা এতো টানা হেচরা না করলেও পারতো লাশকে নিয়ে। আমিও চেয়েছি তার দাফন নুহাশ পল্লীতে হোক, যে পল্লী তার নিজের হাতে গড়া, যে পল্লীতে তার অবসরের সাথী গাছ গুলো আছে। সেখানেই সে ভাল থাকবে। হ্যা জনসাধারণের জন্য তার কবরের প্রবেশের জায়গাটা উন্মুক্ত করা হোক যেনো সবাই গিয়ে তার কবরে দোয়া দরুদ পড়তে পারে।

    নোংড়ামি কোন পরিবারের লোকেরা না করে থাকতে পারে না এটাই প্রমাণ করলেন হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের লোকেরা।

    যাই হোক ওদের যা খুশী করুক, মাটির মানুষ মাটি স্পর্শ পেলো অবশেষে এটাই শান্তির কথা। এর পরে সম্পত্তি নিয়ে শুরু হবে হৈচৈ । শুরু হবে কাদা ছোড়াছুড়ি। চাই না আমরা এই সব আর জানতে চাই না তার পরিবারের কোন ভিতরের কিছু জানতে। তার পরিবারের প্রতি যে শ্রদ্ধা আর সহানূভূতি ছিল তা তারা গতকাল নষ্ট করে ফেলেছে।

    • বিষণ্ণময়ী : ২৬-০৭-২০১২ | ১৬:২৩ |

      জিয়া ভাই সব কিছু যেমন মানা যায় না আবার অনেক ক্ষেত্রে মানতে হয়। হুমায়ূন আহমেদ যেদিন মারা যান সেদিন টিভিতে ডলি জহুরের একটা সাক্ষাতকার দেখাচ্চিল, সেই অনুষ্ঠানে শুনলাম উনি বলছেন শাওনকে উনি টিভিতে এনেছেন হুমায়ন আহমেদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, শাওনের মা তার পরিচিত, শাওনের মায়ের অনুরোধে শাওনকে নাটকে আনা। হুমায়ূণ আহমেদ একটি নাটকের জন্য শ্যামলা আর শুকনা মেয়ে খুজছিলেন ডলি জহুর তখন শাওনকে নিয়ে আসেন। সেই নাটকে শিলাও অভিনয় করেছিল। এই অভিনয় সূত্রেই শাওনের সাথে তার বন্ধুত্বতা। আমিও এই বিয়ে মানতে পারিনি। আমি যে দিন শুনেছি সেদিন থেকে হুমায়ূণ আহমেদের আর কোন বই পড়িনি বা কিনিনি। আমি ও এই বিষয়টাকে প্রাধান্য দিচ্ছিনা। হুমায়ূন আহমেদ যা করেছেন অন্যায় করেছেন ভুল করেছেন। কিন্তু যখন তাদের পারিবারিক ছবি দেখি তখন ভাল লেগেছে যে এই বয়সের ব্যবধানে করা বিয়ে আর পরিবার নিয়ে তারা ভাল আছেন। হুমায়ূণ আমাদের সবার সম্পত্তি তাই আমরা এইভাবে রিএ্যাক্ট করছি। আমার জানা মতে এই রকম সম্পর্ক বহু মানুষের আছে। মেয়ের বান্ধবীকে বিয়ে ছেলের বন্ধুকে বিয়ে এমন ঘটনা অনেক আছে। আমরা সবাই এই বিষয়ে এতো কথা বলছি কারণ হুমায়ূণ আহমেদ আমাদের সবার শাওন বা গুলতেকিনের একার নয়।
      কিন্তু যে মানুষটিকে নিয়ে আমাদের এতো কথা সে তো আর বেচে নেই। সেই মানুষটি যদি কাউকে ভালবেসে ভাল থেকে থাকে তার জীবনদশায় তাহলে তার ভালবাসার মানুষকে গাল মন্দ কেনো আমরা দিচ্চি। আমরা যদি হুমায়ূণকে শ্রদ্ধা করে থাকি তবে তার মৃত্যুর পরে এই সব কথা তুলে তাকে কি অপমান করছি না। যে মানুষকে নিয়ে আমাদের এতো কিছু সে মানুষ এখন সব কিছুর উর্ধ্বে। আমাদের রাগারাগি গালাগালি কোনটাই আর তাকে স্পর্শ করবে না। তাই আমি বলতে চেয়েছে তাকে আর তার পরিবারকে নিয়ে আমরা আর টানাহ্যাচরা নাই বা করলাম। যিনি চলে গেছেন তার আত্নার শান্তির জন্য দোয়া করতে পারি আমরা এর বেশী কিছু কি আর আমাদের করার আছে।
      এখন গরম গরম কতো কথা আসবে ধীরে ধীরে সব মাটি চাপা পড়ে যাবে যেমন পড়ে যাচ্চে সাগররুনী, ইলিয়াস আলীদের ঘটনা। তবে যুগে যুগে হুমায়ূণ আহমেদ বেচে থাকবেন তার করে যাওয়া সৃষ্টির মাধ্যমে। রবীন্দ্রনাথকে অনেকে লুইচ্চা বলে কারণ তার বহু নারীর সাথে না কি সম্পর্ক ছিল কিন্তু সেই সব ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে রবীন্দ্রনাথ কিন্তু অমর তার সৃষ্টি দিয়ে।
      আমার আর আপনার পরিবারের কেউ করলে অবশ্যই এটা খারাপ লাগতো আর তার ভুক্তভুগি কিন্তু আমি, আমার বাবা এই কাজটি করেছিলেন যার দরুন আমি সারাটি জীবন বাবার আদর থেকে বঞ্চিত। কিন্তু তারপরেও আমি আমার মা কে কিছু বলিনি কারণ উনি আমাকে বড় করেছেন কষ্ট করে । যেদিন বাবার লাশ দেখেছি বাবাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম কারণ এই মানুষটি আর কখনো ফিরে আসবে না।
      আমি শাওনের পক্ষে বা বিপক্ষে নই আমি শুধু চাই যে মানুষটিকে আমরা শ্রদ্ধা করি যে মানুষের লেখা আমাদের উজ্জিবিত করে সেই মানুষটির করা একটি ভুলকে আর বড় করে না দেখি, নোংড়ামি আর কাদা ছোড়াছুড়ি করে তার নামকে হেয় না করি।। উনার আত্নার জন্য শুধু শান্তি কামনা করি।

      বেশী কিছু বলে থাকলে ক্ষমা করবেন।

  8. জিয়া রায়হান : ২৪-০৭-২০১২ | ১৪:৪৫ |

    আপনার কাছে যা ভাল লাগার আমার কাছে তা নয়। আপনার মত আপনি দিয়েছেন। ধন্যবাদ তবে আমি আপনার সাথে একমত নই। বিস্তারিত লিখতে ইচ্ছে করছে না। তবে ভালো লাগলো আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি জেনে।
    আপনার বিতর্কের স্টাইলটা ঠিক মত প্রকাশের মতো না ।

    নিউজ ওয়ার্ল্ড, নিউ ইয়র্ক থেকে: হুমায়ন আহমেদ তাকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের কথা বলে গেছেন, মেহের আফরোজ শাওনের এমন বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাদের ঘনিষ্ঠ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী কয়েকজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী।
    জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেনের স্ত্রী সেলিনা মোমেন শাওনের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শনিবার হুমায়ন আহমেদের মরদেহ দেশে নিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে জেএফকে এয়ারপোর্টে প্রকাশ্যে মেহের আফরোজ শাওন লাশ দাফনের ব্যাপারে হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলে যাননি বলে জানান।
    সেলিনা মোমেন বলেন, শাওনকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সেখানে আমি, হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ঠ মুক্তধারা নিউইয়র্কের প্রধান বিশ্বজিৎ সাহা, তার স্ত্রী রুমা সাহা এবং সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সাবেক চীফ রিপোর্টার ও ইটিিিভর নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি শাখাওয়াত হোসেন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
    সবার সামনেই তাকে লাশ দাফনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাওন বলেন, হুমায়ুন আহমেদ এবিষয়ে কিছুই বলে যাননি। এজন্য দেশে গিয়েই সিদ্ধান্ত হবে।
    এবিষয়ে সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, শাওন বললেন, হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলে যাননি। তাই তিনি বলতে পারছেন না দাফন কোথায় হবে। তার এ্ই কথা রেকর্ড করতে গেলেই বাঁধা দেন শাওনের মা তহুরা আলী। তিনি বলেন, এখন কোন কথা রেকর্ড করা যাবে না। শাওনকে তিনি বারণ করেন এবিষয়ে কোন কথা না বলতে।
    এবিষয়ে হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সাথে জড়িত প্রধান ব্যক্তি বিশ্বজিৎ সাহার বত্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাওনের বক্তব্য আমাকে বিস্মিত ও স্থম্ভিত করেছে। কারণ এয়ারপোর্টে তিনি প্রকাশ্যে বললেন, লাশ দাফনের বিষয়ে হুমায়ুন আহমেদ কিছুই বলে যাননি। কিন্তু দেশে গিয়েই তিনি একেবারেই উল্টো কথা বললেন।
    গত ৯ মাস আমরা চিকিৎসার স্বার্থে কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু শাওন এধরনের কথা কখনো বলেনি। ড. হুমায়ুন আহমেদও আমাদের দাফন নিয়ে কোন নির্দেশনা দেননি।
    বিশ্বজিৎ সাহার স্ত্রী রুমা সাহা বলেন, আমরা স্যারের মরদেহ ও শাওনকে বিদায় দিতে এয়ারপোর্ট গেলাম। সেখানে শাওন সবার সামনেই বলেছেন, স্যার দাফনের বিষয়ে কোন কিছু বলে যাননি। এখন তিনি একেবারেই অন্য কথা বলছেন। অবশ্য এ সময় তার মা তহুরা আলী এসে তাকে থামিয়ে দিয়ে নিয়ে যান বলে জানান।
    http://www.mzamin.com/details.php?nid=MTUwMjY=&ty=MA==&s=MzY=&c=MQ==

    • বিষণ্ণময়ী : ২৪-০৭-২০১২ | ১৫:০৩ |

      জিয়া ভাই সমস্যা হলো শাওন দ্বীতিয় স্ত্রী। এই কথাটা যদি গুলতেকিন বলতো তবে কোন সমস্যার সৃষ্টি হতো না। শাওনকে কেউ মেনে নিতে পারেনি বলে এই ধরনের কথা আসছে। একবার ভেবে বলুনতো আজ যদি গুলতেকিন এই কথা বলতো কেউ কি বিরোধীতা করতো?? তার বাচ্চারাও কি বিরোধীতা করতো??
      শাওনকে পুরো পরিবার প্রচন্ড রকম ঘৃণা করে বলে দাফন নিয়ে এতো কিছু হয়েছে। একজন স্বামী তার নিজ শয়ন কক্ষে কি বলেন তা কি আম জনতা জানবে। এমনও তো হতে পারে হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে এই ভাবেই বলে গিয়েছেন। আর সেদিন এতো বিমর্ষ অবস্থায় এই কথাটা শাওন হয়তো মনে না করেই বলেছিলেন যে দাফন নিয়ে কিছু বলেননি।
      নুহাশ পল্লির যে পরিচালক যে গাছের দেখভাল করে সে ও কিন্তু বলেছে হুমায়ূন চেয়েছিলেন লিচু তলায় তার কবর হোক আবার এই হুমায়ূন আহমেদ ই কিন্তু বলেছিলেন দাফন হলে এটা আবার মাজার না হয়ে যায় আর এই কথাটা উনি বলেছেন কারণ উনার ভয় ছিল ওখানে মাজার হলে তার সখের পল্লি নষ্ট হয়ে যাবে নষ্ট হয়ে যাবে তার লাগানো গাছ গুলো।
      তার কোন কথাকে এখন আমরা প্রাধান্য দিবো?? আর একজন স্ত্রী হয়ে সে কি স্বামীর এই ইচ্ছাটার মর্যাদা দিবে না?? তার নিজ রক্তের সন্তানেরা কেনো এতো কিছু করলো কাল। তারা তো প্রথমেই মেনে নিয়ে উদরতার পরিচয় দিতে পারতো। শেষে কিন্তু শাওনের কথাই রাখতো হলো সবাইকে। যে কথা রাখতেই হবে সে কথাকে এতো টানা হেচড়া না করে কি পারতো না তার সন্তানেরা কাল তার বাবাকে দাফন করতে।

      সত্য যাই হোক না কেনো শাওন যদি মিথ্যাও বলে থাকে আমার একটাই প্রশ্ন নুহাশ পল্লিতে দাফন করতে এতো অনিহা কেনো তার পরিবারের সাথে কিছু মানুষদের যারা শাওনের মিথ্যাচারকে হাইলাইট করতে চাইছেন। নুহাশ পল্লি তো হুমায়ূন আহমেদের পছন্দের জায়গা। আর আমাদের বাপ দাদাদের কবর দেখতাম বাড়ীর আঙিনায় দেয়া কারণ সে আঙিনায় সে বড় হয়েছে তাই তার দাফন সেখানেই করে। যদি আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদের এই ভাবে দাফন হওয়াকে মানতে পারি তবে কেনো নুহাশ পল্লিতে দাফন টা মানতে পারছি না কারণ কি একটাই এটা শাওন চেয়েছে তাই??? যে চলে গেছে তার মর্যাদাটা টুকু কি তারা কাল নষ্ট করেনি ।

      আমি হুমায়ূন আহমদের এই বিয়ে করা নিয়ে তার কোন বই পড়িনি কারণ রাগ আর ক্ষোভ কারণ সে আমাদের সবার ছিল তার এমন কাজটি মানতে পারিনি। কিন্তু সে পরিবার তো টিকে ছিল সে পরিবারে দুটো সুন্দর বাচ্চাও আছে। যদি ভেঙে যেতো তাহলে আজ শাওনকে আমরা গাল দিতাম। কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই শাওনই স্বামীর পাশে থেকেছে যার কারণে শাওনকে আজ আমি ক্ষমা করে দিলাম। আর হুমায়ূন আহমেদ আর কোন কিছু লিখবেন না যদি লিখতে পারতেন হয়তো লিখেতন” আমার ভালবাসা ছিল শাওন তাকে নিয়ে আমি ৭টি বছর ভাল থেকেছি তোমরা আমাদের কাউকে ঘৃনা করো না”
      আমাদের সবার উচিৎ এখন শুধু তার জন্য দোয়া করা।

    • জিয়া রায়হান : ২৬-০৭-২০১২ | ১১:০৭ |

      লুবনা, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। খুব সহজ করে নিলেন বিষয়টিকে। আপনি উদার মনের মানুষ। আমি হয়ত তেমনটি নই। ধরুন আমার স্ত্রী সন্তান আছে, এখন আমার ১০ জন রক্ষিতা নিয়ে সারাদিন ঘুরি, কিম্বা আমার বর্তমান স্ত্রীর অমতে তিনটি বিয়ে করি সেটিকে আপনি সমর্থন করবেন কিনা সেটাও জানা দরকার। আপনার উদাহরন গুলি যদি আমাদের সমাজের জ্ঞানী গুনি ব্যক্তিরা তাদের জীবনে ঘটাতে থাকেন তাহলে সমাজের সুস্থতা কতটুকু থাকবে? একটু ভিন্ন ভাবে বলি- ব্যক্তিগত ভাবে নেবেন না আশা করি , জাস্ট উদাহরন হিসেবে বলা। ধরুন আপনি আমার বন্ধু , অনেক ভালো এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবার একই সাথে আমার মেয়ে আর আপনার মেয়ে সমান ভাবে তারাও বন্ধু। দেখা গেলো আপনার মেয়ের সাথে আমার একটা হৃদয় ঘটিত ব্যপার ঘটে গেলো এবং আমি আপনার মেয়েকে বৈধ্য ভাবে বিয়ে করলাম। এই পরিস্থিতে আপনার অবস্থান কি হবে ? একই সাথে আমার মেয়ের অবস্থান কি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? আশা করি এই দুই প্রশ্নের উত্তরে আপনার অবস্থান পাঠকের কাছে পরিস্কার হয়ে উঠবে। আর শাওন বা হুমায়ন আহমেদ এর সর্ব ব্যপারে আমাদের সকলের সব কিছু বলার অধিকার তিনি ও শাওন নিজেই দিয়েছেন, যে দিন তিনি জনগন ( আমাদের) টাকায় চিকিত্সা করেছেন এবং শাওন ও তার লাশ আমাদের টাকায় আনা হয়েছে বিমানে করে। সরকার যে টাকা দিয়েছেন তাদেরকে তা শেখ হাসিনা বাবার টাকা না, সেই টাকা আমার আপনার , আমাদের টাকা। তাই আমরা অনেক কিছু বলার অধিকার রাখি। যা আমাকে বা আপনাকে নিয়ে শাওনের নাই। তেমনি আমি গুলতিকিন কে নিয়ে কিছু বলার অধিকার রাখি না কারন তিনি আমার বা আপনার কাছ থেকে হাত পেতে কিছু গ্রহন করেননি। শুভ কামনা আপনি বিপাশা বা শিলার কথা বলেছেন। নিজেকে শিলার জায়গায় একবার দাড় করিয়ে চোখ বন্ধ করে বুকে হাত দিয়ে ভাবুন তো এমনটি আপনার বেলায় ঘটলে আপনি কি করতেন? লুবনা, বলা সহজ, হজম করা সহজ না। শুভ কামনা।

  9. নাজমুল হুদা : ২৪-০৭-২০১২ | ১৫:৪৬ |

    আমার মনে হয় কেউই কোন নোংরামী করেনি। সকলেই যা করেছে তার ভালবাসা থেকেই করেছে। গুলতেকিন আর তার ছেলেমেয়েরা কেউ কম ভালোবাসতো নাকি? নাকি তাই পারে? ভালবাসা যেখানে যত প্রবল, অভিমানও সেখানে ততই বেশি। এভাবে কেন চিন্তা করতে পারছি না আমরা!
    শাওনের আছে দুটো ছোট্ট বাচ্চা, তাদের নিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হবে। নুহাশ পল্লীটা যদি তার একার হয় তবে সেটা হবে তার বিরাট অবলম্বন। বাস্তবতাই শাওনকে তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকতে সহায়তা করেছে। অন্যরাও যার যার মত করে চিন্তা ভাবনা করেছে হয়তো। আর তাতেই জটিল হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি।
    আমাদের যখন কিছু করার নেই, অযথা তর্ক-বিতর্ক করে নিজেরা কেন পরস্পরকে আহত করি, অপেক্ষা করি, দেখি না কী ঘটে!! আমরা তো শুধুই দর্শক!!!!

    • জিয়া রায়হান : ২৬-০৭-২০১২ | ১১:০৯ |

      ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
      অপেক্ষা করি, দেখি না কী ঘটে!! আমরা তো শুধুই দর্শক!!!!
      তবে আমার কাছে যা সত্য ও সুন্দর তা বলবো। তাতে কারো দ্বিমত থাকতে পারে।
      শুভ কামনা।

  10. ডা. দাউদ : ২৪-০৭-২০১২ | ১৬:৩৮ |

    কিছুই বলার নাই
    শ্রদ্ধা তখনি অন্তর থেকে আসে যখন শ্রদ্ধার জন্য কেউ উপযুক্ত হয়
    আর
    ভালবাসা কোন সম্পত্তি নয় যে সম্পদ দিয়ে ইচ্ছে করলে ধরে রাখতে পারবে-

    • জিয়া রায়হান : ২৬-০৭-২০১২ | ১১:১০ |

      দারুন বলেছেন ডাক্তার।
      আমার কাছে যা সত্য ও সুন্দর তা বলবো। তাতে কারো দ্বিমত থাকতে পারে।
      শুভ কামনা।