আড্ডা প্রিয় মানুষদের জন্য জায়গাটাই বড় কথা। সাহস করে কেহ ডাক দিয়ে দিলেই হল। আমি শুধু সেই ডাকের অপেক্ষায় থাকি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার এই আড্ডা দেয়ার অভ্যাস আরো চাঙ্গা হয়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে। ছোট বেলা বা স্কুল জীবনের বন্ধুদের সাথে এখন আর তেমন দেখা হয় না। বছরে একবার ইফতারে দেখা হয় এবং সেটায় আমরা থাকতে চেষ্টা করি এবং কমলাপুরে এবারো তা কয়েকদিন আগে হয়ে গেল।
আজকাল আড্ডা এবং বন্ধু বলতে অনলাইনে থাকা এবং নানান ব্লগ, ফেইসবুকের বন্ধুদেরই বুঝিয়ে থাকি। নেটে থাকা এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। নেটে থেকে পাওয়া এই সব বন্ধুরাই এখন প্রানের বন্ধু আর এদের সাথে আড্ডা, উছুল্লা পেলেই হল! হা হা হা।।

নেট এখন জীবনেরই অংশ।
নিজকে গুটিয়ে রেখেছিলাম অনেক দিন। এখন আর তা পারি না, দুই দিনের দুনিয়ায় গুটিয়ে আর কত! চুটিয়ে বাঁচতে চাই। চুটিয়ে বাঁচতে চাইলে নিজকে বের করে নিয়ে আসতেই হয়! গত কয়েক বছরের এমন বহু নেট ফ্রেন্ডদের সাথে গ্রুপ আড্ডা দিয়েছি, সময় কাটিয়েছি এবং পিকনিকে পরিবার নিয়েও গিয়েছি। একদম অপরিচিত কাউকে দেখেও নিজের পরিচয় দিয়ে মিশে থাকার চেষ্টা করেছি।
ফলাফল আমি মন্দ দেখছি না, পুরাই পজেটিভ! কত কত ভাল বন্ধু পেয়ে গেলাম। কাকে বাদ দিয়ে কার নাম বলব! এখন এই জানে জিগার বন্ধুদের নিয়ে কত কি ভাবি! ব্লগারস ফোরাম আসলে এই কাজটা আরো দ্রুত করে দিচ্ছে, আমাদের মিলিয়ে দিচ্ছে একটা মিলন মেলায়। গতকাল ব্লগারস ফোরাম এর ইফতারে থেকে আমার কাছে তেমনি মনে হয়েছে।
ব্লগারস ফোরাম এর ইফতারের আসল উদ্দেশ্য ছিল কিছু দুঃস্ত, পথ শিশুদের ইফতার করানো। চমৎকার এই উদ্যোগ যারা চিন্তা করেছেন তাদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমাদের ছোট ছোট পথে এগিয়ে আসতেই হবে। ছোট ছোট ভাল কাজ একদিন বড় হয়ে সমাজের সাফল্য বয়ে নিয়ে আসবেই।

ধনী দরিদ্র সবার জন্য এমন ইফতার আমাকে অভিভুত করেছিল।
(কষ্টের ছবি আমি কখনোই তুলি না, তুলতে চাই না কোনদিন)
ইফতারের পরের অংশের আড্ডা ছিল বেশ প্রাণবন্ত। ইয়ে, মানে আমাদের দলে সদ্য আগত সাইক্লোন ভায়ার জন্মদিন! বিয়ের পর এটাই তার প্রথম জন্মদিন! আহ, কোথায় যাই কি খাই! ভাগিস্য আমাকে কোথায়ও যেতে হয় নাই, জন্মদিনের কেক ছিল! তা খেয়েছি। আসে পাশে ডাক্তার এর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে ভেবে আনন্দ পাচ্ছি!

শুভ জন্মদিন বন্ধু। ভাল থাকুন আজীবন।



শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ উদরাজী ভাই।
কেমন আছেন নজরুল ভাই। আপনি আসেন নাই কেন?
ইফতারে নীল নক্ষত্র ভাই এবং বোন ইজি রেসিপি আপার অনুপস্থিতি আমাকে ভীষণ ভাবিয়েছে। কিন্তু কেন তারা এলেন না, তা জানতে পারলাম না! আপনারা কি কেহ জানেন কিছু…। জানলে শেয়ার করুন। হা হা হা…।
নীল নক্ষত্র ভাই অসুস্থ, ভাবী আমাকে কল করে জানিয়েছেন… উনাদের আসার কথা ছিল চুরান্ত, হতাত করে ভাইয়া অসুস্থ হওয়ায় আসতে পারেননি।
ওহ, স্যড নিউজ! আশা করি তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হয়ে উঠবেন। দোয়া করি। কারন আমি তাকে চিনি, তিনি আমার চেয়েও বেশি আড্ডাবাজ!
ব্যাপার না, আগে সুস্থ্যতা।
আড্ডা বা আয়োজনে আপনার প্রনবন্ত উপস্থিতি সবসময়ই আমাদের জন্য প্রেরনা দেয়। আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য রইল শুভকামনা। ভালো থাকুন সবসময়
ধন্যবাদ সাইক্লোন ভায়া, আপনাদের মত বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। আমি ভাগ্যবান।
(কত কথা বলি/লিখি, মাইন্ড করবেন না! দুই দিনের দুনিয়া!)
সহমত আপনার সাথে।
ছবিটা তো আপনার কাছ থেকেই নেয়া
হা হা হা…।। ভালবাসা ভাই, এবার ছবি তোলার চেষ্টা করি নাই! তেমন ভাল ছবি নাই। আমাদের একটা গ্রুপ ছবি তোলা দরকার ছিলো, যা তোলা হয় নাই!
আসলে সবাই ব্যাস্ততার মাঝেও একটূ সময় বের করে এই দেখা-সাক্ষাতই মনের খোরাক পুরন করে
হা হা… এটাও এক ধরনের ভালবাসা।
দুস্থ ও পথশিশুদের কালকে হাসিমাখা মুখটা খুব আনন্দ দিয়েছে আমাকে এর চেয়ে বেশী আনন্দ পেয়েছি যাবার সময় এরা আমাকে সালাম আপু বলে বিদায় নিয়েছে। ওদের এই আদবটা অসম্ভব ভাল লেগেছে আমার। আর বয়স্ক যিনি ছিলেন যাবার সময় খালা ডেকে দোয়া করে গেছেন আমাদের সবাইকে। আমি কখনো এই পথ শিশুদের নিয়ে কোথাও ইফতার বা কিছু করিনি। কেনো জানি মনে হচ্ছে এদের নিয়ে মাঠে বসে খেতে পারলে আরো ভাল হতো। আমার ইচ্ছা সামনের বছর আমি আমার সাধ্যমতো কিছু পথশিশুদের নিয়ে ইফতার করবো, এই আনন্দটা অনেক আনন্দকে ছাপিয়ে গিয়েছিল কাল। আর সবার একই ইফতার এটাও অনেক বড় বিষয়। কারো সাথে কারো কোন ভেদাভেদ ছিল না।
ফোরামের এই ধরনের মহতি কাজ আমাদের উদার হতে শেখায়। এই উদারতা সবার মাঝে বিরাজ করুক তাই চাই।
কাল সবাই মিলে বেশ মজার ছোট আড্ডা হলো। আর শিবলীর জন্য প্রাণের অন্ত:স্থল থেকে দোয়া রইল।
নীল দা কাল বেশ বড় দূর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেচেছেন। সবাই মিলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি যেনো আল্লাহ আমাদের সবার প্রতি এমন দয়াময় সব সময় থাকেন।
আপা, এরশাদ ভাই ব্যাপারটা মনে হয় আগেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তাই তিনি দুই কেজি ছোলাবুট বাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। আসলে, একটা খোলা জায়গা বেছে নিয়ে (অনেক অনেক কে নিয়ে) আগামী বছর সবাই এক একজন বাসা থেকে কিছু কিছু নিয়ে একটা বড় যোগাড় করে ফেলে মনের আনন্দে ইফতার করব।
সেটা আরো আনন্দের হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
এরশাদ ভাই কাল ওভাবে খাবার নিয়ে আসলে সমস্যা হতো। কারণ শুধু ছোলা বুট দিয়ে ইফতারি করা দুস্কর। আগামী বার তাহলে আমরা কয়েকজন মিলে এইভাবে ইফতার করবো ইনশাল্লাহ। যার যা আনার সেদিন বাসা থেকে নিয়ে আসবো। পার্কে বসে যাবো যার ইচ্ছা আমাদের সাথে ইফতার করবে। কথাটা মনে রাখবেন। সামনের বার ইনশাল্লাহ।
হা, আপা আমি রাজী আছি। এভাবে এক জন এক এক আইটেম আনলেই হবে। ইনশাল্লাহ, আগামীবার।
ব্লগারস ফোরাম এর ইফতারের আসল উদ্দেশ্য ছিল কিছু দুঃস্ত, পথ শিশুদের ইফতার করানো।
এভাবে তাঁদের ছোট ছোট মহতী কাজের ধারা অব্যাহত থাকুক এই প্রত্যাশা। তাদের জন্য শুধু ধন্যবাদ নয়,
মন থেকে ভালোবাসা অনেক অনেক।
ধন্যবাদ সেতুবন্ধন ভায়া।
আসে পাশে ডাক্তার এর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে ভেবে আনন্দ পাচ্ছি!

ধন্যবাদ রাজিন ভায়া। উই মিস ইউ।
আমার চোখে (দাড়ি, কমা সহ, সেমিকোলন বাদে)-
আমি ভে্বেছিলাম ঈদের ছুটি শুরু হবার আগে শেষ শুক্রবার। মার্কেট পাগলের মানুষের জন্য প্রচন্ড জ্যাম হবে রাস্তায়। একটু আগে ভাগেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। কিন্তু সবকিছু মিথ্যা প্রমান করে দিয়ে 4:22 এ আমি বিজয় সরনী। অনুষ্ঠানের সময় সূচী দেওয়া আছে বিকাল 5টা। এত আগে উপস্থিত হওয়ায় নিজের উপর নিজেই বিরক্ত হলাম। রেষ্টুরেন্ট এ ঢুকে দেখলাম যা ভেবেছি তাই। সবার আগে আমি উপস্থিত। কোথাও কেউ নেই। কোথাও কেউ নেই বলাটা ঠিক হলো না। ব্লগার তানিম আছে। কিন্তু তার সাথে পূর্ব পরিচয় নেই। ফলে দু জনার কেউ কাউকে চিনতে না পেরে আমি রেষ্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে গেলাম। বাইরে বেড়িয়ে দুজন পরিচিত ব্লগারকে ফোন করলাম। দুজনেই জানাল নানাবিধ কাজে আটকে তারা আসতে পারছে না। আরকেজনকে ফোন দিলাম। সে নিশ্চিত জানি আসবে। কিন্তু তার মোবাইল বন্ধ।
যাই হোক একটু ঘুরে ফিরে আবার রেষ্টুরেন্ট এ ঢুকেছি। এবার নিরাশ হতে হলো না। ব্লগার চারুমান্নান আর তানিমকে পেলাম। তানিমের সাথে পরিচয় হল। তিনজনে আড্ডা দিতে শুরু করলাম। আড্ডার বিষয় বন্তু ব্লগ আর ব্লগারদের লেখা। চারুমান্নান ভাই সম্পর্কে আমার একটা ভুল ধারনা ছিল। উনি পোষ্ট না পড়েই কমেন্টস করেন। কিন্তু দেখলাম আসলে তা না। তিনি প্রতিটি পোষ্টই পড়েন। এবং তার মন্তব্যর একটা স্টাইল আছে। তার সে স্টাইল দেখে বোঝা যাবে পোষ্টটা তিনি পছন্দ করেছেন কি করেন নি। তবে সেটা তিনি কথার জালে প্রকাশ করতে চান না। একটু নির্ভেজাল থাকতে চান অনলাইনে। আফসোস নির্ভেজাল থাকতে চাওয়া মানুষগুলোকে আমরা শান্তিতে থাকতে দিচ্ছি না। প্রথম আলো, শব্দনীড় এবং চতুরমাত্রিক তিনটা ব্লগার তিনি নিয়মিত ব্লগার। এছাড়াও আরও বেশ ক’টি ব্লগে তিনি স্বপ্তাহে একদিন করে সময় দেন। ব্লগিং রাউন্ড দ্যা ক্লক বোধহয় একেই বলে। আমি এক শব্দনীড় আর ফেসবুকে সময় দিয়ে আর কোথাও ঢু মারারও সুযোগ পাই না। চারু মান্নান ভাইয়ের কথা শুনতে ভালই লাগছিল। কিছুক্ষনের মধ্যে যোগ দিলেন কাল পুরুষ দা। লেখালেখির জগৎ থেকে একটু দূরে আছেন পারিবারিক সমস্যায়। সমস্যা বলতে রোগ, শোক, মৃত্যূ। তিনিও বিভিন্ন ব্লগে লেখালেখি করেন। চার জনের বিষয় বস্তু আড্ডার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর তালা ত্বত্ত থেকে শুরু করে হুমায়ুন। আমি তো বরাবরই হুমায়ুনের ভক্ত, সাথে চারু মান্নান আর কালপুরুষ দা কে পেলাম। ফলে তানিম হুমায়ুনকে নিয়ে নেগেটিভ কিছু বলার চেষ্টা করলেও ধোপে টিকল না। তানিমের জানার পরিধি ভাল। উনার সাথে আগে পরিচয় ছিল না কেন ?
আমাদের আ্ডায় ইতিমধ্যে আন্জামান আন্দালিব উপস্থিত হয়েছেন। তিনি মেঘনাপাড় বিদ্যানিকেতন থেকে একটা পত্রিকা বের করেন নিয়মিত। তার সর্বশেষ সংখ্যাটি দেখতে দিলেন। সবার হাত ঘুরতে ঘুরতে আমি আর দেখার সুযোগ পেলাম না। আন্দালিব তরুন উদ্দ্যেক্তাদের নিয়ে বর্তমানে কাজ করছেন। মানিক গন্জে কৃষি ইপিজেড গড়ে তুলবেন সবাইকে নিয়ে। তার স্বপ্নের কথা শুনতে বেশ লাগছিল।
জিয়া ভা্ই আসলেন। সাথে ভালবাসার দেয়াল ভাই। তাদের দুজনকে দেখে আস্বস্ত হলাম। না ফোরামের ইফতারি এখানেই। একে একে স্বস্ত্রীক আ.শ.ম এরশাদ ভাই, মুক্তিযোদ্ধা আঙ্কেল, উদরাজী ভাই, স্ব স্ত্রীক ডাক্তারের রোজ নামচা ভাই, স্ব স্ত্রীক শিবলী ভাই, স্ব স্বামীক লুবনা আপা (মানে স্ব স্ত্রীক ব্লগারস ফোরাম সভাপতি জামান ভাই) উপস্থিত হলেন। বিক্ষিপ্ত ভাবে আড্ডা চলতে লাগল। আমি আগের গ্রুপেই আছি। চারুমান্নান ভাইয়ের সাথে। উদরাজি ভাই জয়েন করলেন। তিনি চারু মান্নান ভাইয়ের উপর রাগ করেছেন। প্রচন্ড ভালবাসা থেকে রাগ। পুরোটা না জানতে পারলেও আন্দাজ করতে পারলাম। কোন একটা ব্লগ কেন্দ্রীক ঝামেলা। ডাক্তারের রোজ নামচা যিনি কিছু দিন আগে ডয়েচ ভেল থেকে সেরা ব্লগার হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছেন তার সাথে আলাপ ছিল না। পুরস্কার নিতে জার্মানি যান নি। প্লেন ফেয়ার লাখের উপরে। তার উপর আবার ভাবীকে সাথে নিতে পারবেন না।
মিষ্ট ভাষী উইথ হাসি ডাক্তার সাহেবের সাথে অন্তরঙ্গ অনেক আলাপ হলো। মেডিকেল এ চ্যান্স পাওয়ার পর কিভাবে তিনি তার ক্লাশ থ্রিতে পরা বন্ধুদের খুজেঁ বের করেছিলেন। স্বামী স্ত্রী দুজনেই ডাক্তার। একজন ঢাকায় থাকেন আরেকজন সিরাজগন্জ। মন খারাপ এ জন্য। তবে মন ভাল হচ্ছে। দুজনারই পোষ্টিং সামনে মাস থেকে সিলেট। আড্ডার এক পর্যায়ে আবার হুমায়ুন আহমেদ আলোচনায় এল। এবার ঠিক হুমায়ুন না শাওন। উদারাজী ভাই আর ভালবাসার দেয়াল ভাই প্রধান আলোচক। সাথে সবাই সাথ দিচ্ছে। উদরাজী ভাই নারী চরিত্রের উপর একখানা প্রানবন্ত আলোচনা উপহার দিলেন। ভাগ্যিস তার স্ত্রী আজ উপস্থিত ছিলেন না। আলোচনা শুনলে ডিনার নিয়ে সন্দেহে থাকতে হত। যদিও উদারাজী ভাই রাধঁতে পারেন বেশ গর্বের সাথেই বললেন।
দুস্থ আর পথশিশুদের দল উপস্থিত হয়েছে। পথ শিশুদের অনেকের হাতে ফুল্। ফুল গুলো একপাশে রেখে তারা আসন গ্রহন করল। উদরাজী ভাই, দেয়াল ভাই আর লুবনা আপা আসন গ্রহন করতে সহযোগীতা করছে। আ.শ.ম এরশাদ ভাই আর জামান ভাইয়েও তাদের তদারকিতে ব্যস্ত। ইফতারির সময় ঘনিয়ে আসছে। ব্লগার মুক্তিযোদ্ধা আঙ্কেল সংক্ষিপত্ মোনাজাত পরিচালনা করলেন। শেষ হতেই সাইরেন আর আজানের ধ্বনি শোনা গেল। ইফতারির খাওয়া শুরু হল। ইফতারি শেষের পর্যায়ে কেউ কেউ নামাজ পড়তে উঠলেন। আমরা এক দল উঠলাম ধোয়া খেতে। নব বিবাহিত শিবলী ভাইকে এ দলে দেখে বিস্তিত হলাম। শিবলী বীকে বলতে হবে এরশাদ ভাবীর সাথে বেশী মিশতে। এরশা্দ ভাই দেখলাম এই পাঠ পড়া ছেড়ে দিয়েছেন।
ইফতারী শেষ হলেও আড্ডা শেষ হলো না। বিবাহের পর ব্লগার শিবলীর প্রথম জন্মদিন। সেই উপলক্ষে কুপারস থেকে কেক আনা হয়েছে। জিয়া ভাই, মুক্তিযোদ্ধা, আঙ্কেল, চারু মান্নান ভাই কাল পুরুষ দা সব মুরব্বীদের তত্বাবধানে কেক কাটার পর্ব শেষ হল। লুবনা আপা দূর থেকে গান ধরেছিলেন : “হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ”। কেক কাটা, কেক খাওয়া সব পর্বের শেষে বিদায়ের পালা। একে একে সব ব্লগার বিদায় নিতে শুরু করল। আমার বড় একটা কাজ বাকী ছিল একজন ব্লগারের সাথে। মাত্র 30 সেকেন্ডে গুরত্বপূর্ণ কাজটি সবার অলক্ষ্যে শেষ করলাম। তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা আহবানে সাড়া দেওয়ায়।
ভেবেছিলাম ফেরার পথে জ্যাম হবে। ঢাকা শহর কি পাল্টায় গেল নাকি?আমার শহরের দিকে খুব একটা যাওয়া পড়ে না। সত্যিই বিস্মিত হয়েছি।
ধন্যবাদ রনি ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে আর কিছু বলার থাকে না। একটা আলাদা পোষ্ট লিখে ফেলুন।সাব্বাস।
শুভেচ্ছা।
জানলাম। শুভ উদ্যোগগুলো অব্যাহত থাকুক।
ধন্যবাদ ফরিদ ভাই। আপনি যদি ঢাকা থাকেন তবে এই ধরনের আড্ডা/ইফতারে আসতে পারেন। এতে আন্তরিকতা বেড়ে যায় অনেকগুণ।
শুভেচ্ছা।
পোষ্ট আর মন্তব্যগুলো পড়ে উপস্থিত থাকতা না পারার আফসোস বেড়ে গেল আরও! কবিরনির মন্তব্য তো এই পোস্টকে ঊজ্জ্বল করে তুলেছে, তাকে অনেক ধন্যবাদ।
উদরাজীর আন্তরিকতা, সকলের প্রতি তার বন্ধুত্বের উদার হস্ত বাড়িয়ে দেওয়ার তুলনা হয় না। শিবলীর (সাইক্লোন) জন্মদিনে জানাই অনেক শুভ কামনা, তাদের দাম্পত্য জীবন হাসিখুশি আর সুখশান্তিতে ভরপুর থাক এই কামনা করি।
সবাই ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ হুদা ভাই, আপনাকে মিস করেছি আমরা। আপনি থাকলে আরো আড্ডা জমত। যাই হোক, ভাল থাকুন। ঈদে প্রান ভরে বেড়ান আর ছবি তুলে আমাদের শেয়ার করুন।
শুভেচ্ছা।
চেয়ে চেয়ে দেখলাম
অক্ষর আর ছবিতেই স্বাদ মেটালাম
প্রিয় মানুষ গুলোর সান্নিধ্য সব সময় সুখকর!!

আর তা যদি এমন মহতি আয়োজনের মাঝে হয় তাহলেতো সোনায় সোহাগা
কিন্তু আমিতো সবার মত সোভাগ্যবান নই
তবু ভালো লাগছে সকলের প্রানভন্ত উপস্থিতি দেখে
অভিনন্দন ফোরাম কে
আর নেপথ্যের সকল আয়োজক কে।
হা হা হা…।।
দাউদ ভাই, আমরা আপনাকেও মিস করেছি। যাই হোক, আশা করি আবারো কোথায়ও দেখা হয়ে যাবে…।
শুভেচ্ছা।
অনেক মজা হয়েছে বুঝলাম কিন্তু ছবি এত কম কেনো? নতুন ডাক্তারের ছবি নাই কেনো । আপনার জমিয়ে আড্ডা না হয় দিলেন আমদের না হয় ছবি দেখিয়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতেন। নীল দা থাকলে মনে হয় আরও জমজমাট হতো্ তাড়াতাড়ি সুস্হ হয়ে উঠুন এই কামনা।
ভালো লাগলো পোস্ট । শুভেচ্ছা শুভকামনা আপনার জন্য সবার জন্য।
আপা ধন্যবাদ।

ও আপনি আমাদের নুতন ডাক্তার দেখতে চাইছেন! আগে বলবেন তো? এই নিন -
এবার বলুন কিছু?
শুভেচ্ছা।
শিবলী ভায়া, ছবিটা অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করে দিলাম। হা হা হা…।
ধন্যবাদ রাজী ভাই।নতুন বউ দেখার লোভ কে সামলাতে পারে বলুন।

আমি ও তার মাঝে একজন ।নতুন জীবনের জন্য অনেক শুভ কামনা।
আর আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা
আমার ছবিগুলো যে হারিযে গেল বুঝলাম না,,,,,,,,,,,,,,,,
ধন্যবাদ সাহাদত ভাই
চারুমান্নান ভাই, আমি এবার বেশি ছবি তুলি নাই। দাঁড়ান আপনার একটা আছে কিনা দেখি…।

হা হা হা…
এখানে আছেন…।