৪৫৯।
বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাবার কথা ছিল, যে সময় বাংলাদেশ জন্মের পর পার করেছে তা ভাবলে শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়। ইস, কত সময়, কত বছর! যদি প্রতি বছরে একটা/দুটো করেও জাতীয় সমস্যার সমাধান হত, তবে আমাদের দেশের অবস্থান কোথায় থাকত। সরকার গুলো সময় কাটিয়েছে হেলে দুলে, এমন কি কোন অবকাঠামোও গড়ে তুলতে চেষ্টাও করে নাই। রাষ্ট্রের মানুষ সরকারের কাছে কি চায় তা এখনো সরকার বুঝতে পারছে না। অবকাঠামো উন্নয়ন ও সুষ্ট বিচার ব্যবস্থা না থাকায় ব্যক্তি প্রচেষ্টায় কিছু মানুষ এগিয়েছে (চুরি চামারী, ঘুষ, দখল, ট্যাক্স/ভ্যাট ফাঁকি) বটে! এতে আসলে রাষ্ট্রেরই ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশী।

ছবিঃ নেট থেকে
৪৬০।
আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ। মানুষ আর মানুষ। এত মানুষ দিয়ে আসলে কি হবে? (আমি ব্যক্তি মানুষের কথা বলছি না, যে মানুষটা জন্মের পর কোন সুবিধাই পায় নাই, তার কি দোষ?) একজন মানুষ দুনিয়াতে আসার পর তার যা যা পাবার কথা ছিল, যা যা জানার কথা ছিল, তা যদি সে না পায় তবে সে কাজের যোগ্য হবে কি করে? চাকুরীর প্রযোজনে আমাকে অনেক অনেক মানুষের কাছে যেতে হয়, কথা ও ইন্টারভিউ নিয়ে চাকুরীর জন্য নিয়োগ দিতে হয়। আপনারা বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, এত মানুষের ভিড়ে আসলে সঠিক মানুষ তেমন একটা নেই! বললে অত্যুত্তি হয়ে যাবে না, এখনো দেশে ‘চৌকষ মিড লেভেলের ম্যানেজার’ হতে পারে এমন মানুষের সংখ্যাও হাতে গনা। উচ্চ শিক্ষা নিয়েছে বটে কিন্তু তার সামাজিক শিক্ষার অভাবে তার বিবেকই খুলে নাই! ফলাফল শূন্যই!

ছবিঃ নেট থেকে
৪৬১।
চোখের সামনেই দেখছি, দেশে হাজার হাজার মানুষ নানা শারীরিক জটিলতায় শেষ হয়ে যাচ্ছে (একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু একটা পরিবারকে ধংস করে দেয়)। ক্যান্সারের মত রোগ আমাদের শরীরের জাঁকিয়ে বসছেই! শারীরিক এই সকল জটিলতার জন্য দায়ী একমাত্র খাদ্য। আমরা যা খাই তা শক্তিতে রূপান্তরিত (খুব সহজে বলে গেলাম) হয়ে আমারা চলতে ফিরতে পারি। কিন্তু চোখ বন্ধ করে একবার ভেবে দেখুন। প্রতি নিয়ত আমরা কি খাচ্ছি? কোন খাবারটা ভেজাল মুক্ত, কোন খাবারটাকে আপনি বলবেন, ভাল! আমি খুঁজেই কিছু আর দেখি না! চাল, ডাল, আটা, সবজি, মাছ, মাংস, মশলা সব কিছুতে ভেজাল! মনের দুঃখে চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা হয়, সরকার কি এই দিকটা থেকেও আমাদের বাঁচাতে পারে না! আমাদের পরিবার গুলোকে একটু নিশ্চয়তা দিতে পারে না! এক প্লেট সাধারন ভাত, সাধারন একটু তরকারী দিয়ে কি আমরা নিশ্চিন্ত হয়ে খেতে পারব না!
৪৬২।
দেশের রাস্তা ঘাটের যে কি অবস্থা তা আর অলোচনা করাই চলে না। গত রাতের হালকা বৃষ্টিতে আজ সকালে ঢাকা শহরের যে কি অবস্থা হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! আমি নিজে সাক্ষী হয়ে আছি। মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর – দেআর সিংকিং দ্রিংকিং ওয়াটার! দুঃখজনক।

ছবিঃ কালের কণ্ঠ থেকে।
৪৬৩।
অনেক সিরিয়াস কথা হল! এবার আসুন, একটু ফান করি! ছেলেরা তাদের স্ত্রীর সাথে মার্কেটে যেতে চায় না। কিংবা ছেলেরা তাদের স্ত্রীদের ঈদে চান্দেও কাপড় চোপড় কিনে দেয় না, ইত্যাদি নানান অভিযোগ প্রায় শোনা যায়। কিন্তু কেন ছেলেরা তাদের স্ত্রীদের টাকা দিয়ে কেটে পড়ে তার একটা হিসাব নেয়া দরকার। আমি আমার চারপাশের প্রায় সকল বন্ধুদের আমি এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছি। তারা যা বলল, তাতে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যাবার দশা! আসলে বিবাহের পর সবাই চেষ্টা করেছিল এবং প্রথম প্রথম তাদের স্ত্রীদের কত কি কিনে খুশি করার চেষ্টা করেছিল! আহ, একজন ছেলেও সফল হতে পারে নাই! তাই তারা এখন আর এই পথেই মাড়ায় না! প্রথম শাড়ী কিনে স্ত্রী থেকে যে কমেন্ট গুলো পেয়েছিল তার কয়েকটা বলি -
* এ যে বিধবাদের শাড়ী!
* এটা বাটারফ্লাই কাপড়, কাজের বুয়ারাও পরে না!
* চি চি, কি তোমার পছন্দ! কি কটকটে রং!
* এই ডিজাইন তিন বছর আগের, দোকানী তোমাকে ধরিয়েছে!
* তোমারটা তুমিই পর! (ছেলেরা কি মেয়েদের কাপড় পরতে পারে!)

ছবিঃ আমার দেশ থেকে
৪৬৪।
আপনার যারা পত্রপত্রিকা (নামকরা) পড়েন তারা বিভিন্ন ‘ইন্টারভিউ’ নামের কিছু কলাম লক্ষ্য করে থাকবেন। কি সুন্দর, কত কথা বলছেন ইন্টারভিউ দাতা! আজ একটা সত্য কথা বলে যাই, এই ধরনের ইন্টারভিউতে কিছু না কিছু লেনদেন হয়ই! গিভ এন্ড টেক! কোন না কোন কিছুর আদান প্রদান হয়ই হয়! হা হা হা… ছেলে হলে টাকা বা অন্য কোন অনুদান। আর মেয়ে হলে করতে হয় কাউকে না কাউকে __দান! (আমি জেনেই বলছি! সাংবাদিকতার খেলা!)

পূর্বের পোষ্টঃ ছোট ছোট কথামালা ৭২



উস্তাদ,
বহুদিন আপনার কথামালায় আসলাম। এতদিনের অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমা চাহিয়া ভালো লাগা রেখে গেলাম।
আমি না আপনে উস্তাদ তা জাতি বলবে! হা হা হা…
কেমন আছেন কবি! মোবাইল ছেড়ে কম্পিউটারে আসেন।
শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
আরে আপনি উস্তাদ।
কম্পিউটারে আসার চেষ্টা করতেছি।
শুনে ভাল লাগল। কম্পিউটারে আসুন। এখন ল্যাবটপের দাম কমেছে! এই ঈদে একটা কিনে ফেলুন……।
৪৫৯- এদেশের মানুষের কোন দরকার নেই আমার চাই মাটি! যেমন বলেছিল আইউব খান, টিক্কা খান তাদের ভুলি কেমনে? এমন ছবির জন্য নেটের দরকার নেই আমার অফিসে আসেন হাজার ছবি তুলে নিয়ে যাবেন।
৪৬১- সরকারের দোষ ধরা অভ্যাস হয়ে গেছে নাকি? খালি সরকারের দোষ? কি দামী মাছের কারি দিয়ে সেহরী খাইলেন, খাইয়াই বদনাম?
হা হা হা…। মাছ না ফরমালিন খেলাম! বুঝতে পারাই কষ্ট!
হাজিরা দিয়ে গেলাম। 59-62 আপনার সাথে সাথে উৎকন্ঠিত হলাম, 463 তে আমার বাস্তব প্রাপ্তি হাসি। তবে সেটার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আনন্দের না বিদ্রুপের আজও উপলদ্ধি করতে পারি নি।
এবং ডাঃ দাউদের স্বাক্ষাতকার আমার এই স্বাক্ষাতকার পোষ্টে কোন রকম লেনদেন ঘটেনি জানিয়ে গেলাম। তাই যা রটে কিছুতো বটে, কিন্তু পুরোটাই বটে না। অন্য ছবিও আছে।
ধন্যবাদ কবি ভাই।
আমাদের ডাক্তার দাউদ ভাইয়ের সাক্ষাতকার আগেই দেখেছি। কি লিখব কি লিখব ভেবে গতকাল ইফতার করতে চলে গিয়েছিলাম।
আজ সকালে যাব যাব করে যাওয়া হয় নাই, এখন যাচ্ছি। তবে আপনার বুদ্দির আমি তারিফ করি। চমৎকার…
আসলেই এতো মানুষ আসে কই কই থেকে, খালি মানুষ আর মানুষ। ঢাকা শহরে বাড়ীর সংখ্যা মনে হয় আরো বেশী গুগল মামা পুরানো ছবি দিয়েছে আপনারে। খাবারে যে ভেজাল আছে যার জন্য আমরা শারিরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছি আপনার দেয়া ছবি দেখে ভাবছি এই চিংড়ি ভুনা মাসে কয়েকবার খেলে সে নির্ঘাত হার্টের রুগী হবে।
মার্কেটে যাওয়া নিয়ে একটা কথা বলি, ছেলেরা বিয়ের আগে খুব মার্কেট যেতে পছন্দ করে কিন্তু বিয়ের পরে নয়। কারণটা কি আর ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন আছে, সমাঝদারকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়।

হা হা হা…
আপা, আমাদের দুলাভাই আপনার জন্য প্রথম যে শাড়ীটা নিয়ে এসেছিল তা দেখে আপনি কি বলেছিলেন! মনে পড়ে কি! দুলাভাইকে কিন্তু হাতের কাছে পেলেই জিজ্ঞেস করব!
দুলাভাইকে আবার সাইজ করে রাখবেন না!
শুভেচ্ছা।
এই ধরনের ইন্টারভিউতে কিছু না কিছু লেনদেন হয়ই! গিভ এন্ড টেক! কোন না কোন কিছুর আদান প্রদান হয়ই হয়! হা হা হা… ছেলে হলে টাকা বা অন্য কোন অনুদান।
এই সিরিজ চলুক
আরমান ভাই, কথা কিন্তু মিথ্যা বলি নাই! আমার দেখা অভিজ্ঞতা থেকেই লেখা।
দুনিয়া আসলে টাকার খেলা। টাকা ছাড়া কিছুই চলে না!
আপনি কেমন আছেন?
অনেকদিনপর পড়লাম । একমত একমত ।সবমিলিয়ে ভয়াবহ অবস্থায় আছি আসলেই । প্রতিকার ও নেই এভাবেই এগুবে ।
বোন, প্রতিকারের কথা যাদের ভাবলে দ্রুত ভাল হত তারাও হেসে খেলে সময় পার করছে। পরিণাম ভাল হবে না কিছুতেই!
দেখেন এতদিন পরে বি এন পি স্বীকার করে, তারা ভুল করেছিল বিচারপতি আমীম্ন চৌধুরীকে না মেনে!
আওয়ামীলীগের জন্য মনে হচ্ছে আবারো করুন পরিণতি হবে। আমাদের মাঝারি পরিবার গুলো এখন প্রায় শেষ। কেহ বুঝতেই চাইছে না!
বদলে যাই বদলে দেই- এই শ্লোগানটি নিজেকে বলি বারবার। সামনে এগুতে গিয়েই দেখি………………………………………… আমি নিজেই
হা হা হা…
আমারও কমুনিকেশোন গ্যাপ আছে! আসলে আমাদের চারিপাশ ভাল না হলে আমিই ব্যক্তি ভাল হলেও সেটা গ্রহণ হচ্ছে না!
শুভেচ্ছা আপনাকে।
ভালো লাগলো ,
বাস্তব কথা তবে এগুলো থেকে মুক্তি পাবো কি ??????
ধন্যবাদ আপানাকে ।
ধন্যবাদ বোন, একটা ভাল সরকার (মোট জনা ২০শেক হলেই হল) হলে অনেক আগেই মুক্তি মিলে যেত।
শুভেচ্ছা।
বাংলাদেশের জনগণের ওভারঅল পেশাদারিত্বের কথাটা দারুন বলেছেন। ডিগ্রীপ্রাপ্ত লোকের সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু পেশাদারিত্বের জায়গাটায় আমরা এখনো অনেক বেশি দুর্বল। সামান্য ছাতা মেকানিক থেকে শুরু করে বড় ইঞ্জিনিয়ার অথবা অন্য যে কোনো কিছুই বলেন, দক্ষতার বড় অভাব। সবাই কেমন যেন ‘কোনরকম’ টিকে থাকার জন্যেই সবকিছু করছে।
আর স্ত্রীর জন্যে কাপড়চোপড় কিনবেন? ভুলেও ওই কাজ করতে যাবেন না। অনেক খেটেখুটে গাঁটের পয়সা খরচ করে যেই কিছু নিয়ে এলেন,

১. দোকানী তোমাকে ঠকিয়ে ভুত বানিয়েছে। (তারা মনে হয় জীবনেও ঠকেনা)
২. এই শাড়ি তো আরো তিন মাস আগে অমুক ভাবীরা কিনেছে। (তো? তিন মাসের মধ্যেই কি এই শাড়ির ফ্যাক্টরী বন্ধ হয়ে যাবার কথা নাকি? অমুক ভাবী কিনলে আর কেউ কিনতে পারবেনা এটা কোন সংবিধানে লেখা আছে?)
৩. কিনতে না জানলে কে বলেছে কেনাকাটা করতে? (না কিনলেও কিন্তু খবর আছে, সামলান ঠ্যালা)
ধন্যবাদ সুমন ভাই। আপনার সাথে আমার মতের অনেক মিল।
শুভেচ্ছা জানবেন। আর পারলে এই লিঙ্কটা একটু দেখে আসবেন।
শুভেচ্ছা।
আমার কিন্তু ভষিতে ব্যবসা করার প্লান আছে! তবে লোক ঠকানোর ইচ্ছে নেই।
সৈকত ভায়া, আসলে পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, ভালরা হারিয়েই যাচ্ছে। তবে আমাদের চেষ্টা চলবেই চলবে।
শুভেচ্ছা আপনাকে এবং আপনাকে আমি একজন ভাল ব্যবসাহী হিসাবেই দেখতে চাই।
আসলে বিবাহের পর সবাই চেষ্টা করেছিল এবং প্রথম প্রথম তাদের স্ত্রীদের কত কি কিনে খুশি করার চেষ্টা করেছিল! আহ, একজন ছেলেও সফল হতে পারে নাই! তাই তারা এখন আর এই পথেই মাড়ায় না! প্রথম শাড়ী কিনে স্ত্রী থেকে যে কমেন্ট গুলো পেয়েছিল তার কয়েকটা বলি -

* এ যে বিধবাদের শাড়ী!
* এটা বাটারফ্লাই কাপড়, কাজের বুয়ারাও পরে না!
* চি চি, কি তোমার পছন্দ! কি কটকটে রং!
* এই ডিজাইন তিন বছর আগের, দোকানী তোমাকে ধরিয়েছে!
* তোমারটা তুমিই পর!
হা হা হা… কত সুখে এখনো আছেন। বিবাহ করলে বুঝবেন, কত দিনে এক মাস!
ছোট ছোট কথা মালা
গল্পে গল্পে বলি-বলা
বলতে বলতে বলে চলা
জীবন থেকে জীবন গলা
পুড়তে পুড়তে জ্বলে-জ্বলা
সইতে সইতে সহে-চলা
কথায় কথায় কথা-মালা
ভাল থাকুন,সুন্দর থাকুন।
ধন্যবাদ ফিরোজ ভাই।
নোট করে নিলাম। কাজে লাগিয়ে দেব।
কোন খাবারটা ভেজাল মুক্ত, কোন খাবারটাকে আপনি বলবেন, ভাল! আমি খুঁজেই কিছু আর দেখি না! চাল, ডাল, আটা, সবজি, মাছ, মাংস, মশলা সব কিছুতে ভেজাল! মনের দুঃখে চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা হয়,

ধন্যবাদ সাইক্লোন ভায়া, আশা করি আমার সাথে একমত হবেন। দাম দিয়ে জিনিষ কিনেও আজকাল আর মনে শান্তি পাচ্ছি না। এত ভেজালের জন্য এখন আসল চেনাই মুস্কিল।
আমি নিয়মিত বাজার করি বলে আমার চোখে এসব বেশি ধরা পড়ে।
শুভেচ্ছা।