আমাদের এক সিনিয়র বন্ধু (নামধাম গোপন থাক)। কিছুদিন আগে তার বাড়ী মানে বাগানবাড়ী থেকে আমরা কয়েকজন বন্ধু ঘুরে এলাম। এবার প্রায় বছর দুয়েক পর আবার গেলাম। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল, এমন একটা কিছু করার। সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব। চলুন সে কথা শুনি এবং দেখি।

ছোট বেলা থেকেই তিনি মাছের স্বপ্ন দেখতেন। পুকুর থেকে বড়শিতে বড় বড় মাছ ধরার সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব।

এটা বিদেশ নয় দেশেই।

প্রায় সাতটা এই রকম পুকুর (এগুলোকে লেক বলাই ভাল) নিয়ে বিরাট মাছের চাষ।

প্রতিটা পুকুরেই শান বাধা ঘাট।

গাছ গাছালিতে ভরপুর। কি গাছপালা নেই, ফলফলাদি, ওষধি ও বনজ কাঠ।

হাজার দশেক লোক এই চাউনিতেই রাতদিন গল্প করে কাটিয়ে দিতে পারবে।

আপনি রুমে বসেই পুনির্মার আলোয় পৃথিবী কল্পনা করতে পারেন।

সুইমিং পুল।

পুকুরের পাড়ে এমন করিডোরে আড্ডা দিয়ে রাত কাটাবেন।

এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যাবেন।

এমন করে সময় কাটাবেন।

বৃষ্টিতে বন্ধুদের মাছ ধরা দেখবেন।

আটতলা এই টাওয়ারে উঠে মোটামুটি দুনিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। ইচ্ছা হলে রাতে এই টাওয়ারে থাকা যায়! কিন্তু সাহস হবে কি!

রাতের সৌন্দর্য্য আরো চমৎকার।
মানুষের যে কোন স্বপ্ন যে একদিন বাস্তব হয় তা স্বীকার করে আমাদের এই বন্ধু। তিনি জানালেন, যদি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হয় তবে তাতে লেগে থাকতে হয় এবং যেহেতু এটা একদিনেই গড়ে উঠে না তাই দিনের পর দিন চেষ্টা করেই যেতে হয়। স্বপ্নের লালন ও পরিচর্যা এবং সেই মত নিজকে চালিত/কাজ করলে সাফল্য আসবেই। ভুল করা চলবে না।
সামান্য ভুলে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যেতে পারে, তাই দেখে শুনে বুঝে!
বিঃদ্রঃ ছবিগুলোতে ডাবল ক্লিক করে (ভিউ) বড় করে না দেখলে ছবির মজা বুঝা যাবে না।



বিশাল-বিপুল ও মনোমুগ্ধ কর বাড়ী – লেক । সবই নজর কাড়ে। শেয়ার করার জন্য আঙ্কেল ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আংকেল। কেমন আছেন? রোজায় কেমন করে দিন পার করছেন।
শুভেচ্ছা।
আঙ্কেল, আমার সময় মূলত: কাটে পড়াশুনা করে এবং লিখালিখি করে।
আর ঐশী সাথে আছে । আমার ছোট ছেলের ৪ মাসের এক বাচ্চা।
সর্বপরি নামাজ কালামতো আছেই। আর মাঝে মধ্যে ব্লগে বসা। একটু আধটু আপনার আন্টির হুকুম শোনা যে এটা আনো ওটা আনো।
দোয়া করিয়েন আঙ্কেল এবার হজে যাবো পরিকল্পনা দৃঢ়তরভাবে করেছি। আল্লাহ যেনো সহায়তা দেন। বাসায় মা মণিকে বলবেন দোয় করতে। আপনার ছেলে অর্থাৎ আমার দাদুকে স্নেহ দিবেন।
আংকেল, আল্লাহ পাক আপনার ইচ্ছা অবশ্যই পুরন করবেন। আমাদের দোয়া থাকল।
* আপনার “একটু আধটু আপনার আন্টির হুকুম শোনা যে এটা আনো ওটা আনো” এই কথা পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি! আমাদের আন্টিকে সালাম জানাবেন, তিনি আপনার জন্য সঠিক কাজটাই করছেন। একটু হাটাহাটির দরকার আছে, শরীরের জন্য।
খুব খাঁটি কথা ভাই, স্বপ্নে যদি ভুল না হয়! জায়গার নামটা জানা েগল না?
মান্নান ভাই, ধন্যবাদ নিন।
মাওনা, গাজীপুর এলাকায়।
১। টাওয়ারে বসে রাত কাটানোর ইচ্ছা করছে।
২। চলেন একদিন সেখানে এক আড্ডা হয়ে যাক
আগে ঘরের পারমিশন নেন! তার পর বলেন! ফ্যাক্স পাঠানোর দরকার লাগলে বলবেন। আমরা আমাদের নানান বন্ধুদের টুরের ব্যবস্থা করে থাকি!
* আড্ডা হতে পারে।
ঘরের পারমিশন

স্বপ্নের মত
সুন্দর
আর প্রশান্ত
ধন্যবাদ দাউদ ভাই। আসলেই ভিতরে প্রবেশ করে মনে হয়েছিল ‘দেশে নাই, বিদেশে!’
আপ্নে তো ভাই বিরাট ধনী! এমন ধনী বন্ধু আছে যার, তার চাইতে বড় ধনী আর কে আছে এ দুনিয়ায়?? ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয়!
ছবিগুলো হয়েছে দারুন! প্রত্যেকটা ছবির জন্য ১০০ করে দিলাম!!
হা হা হা… হুদা ভাই সারাজীবন বলতে গেলে ধনী শ্রেণীর সাথে কাটিয়ে দিলাম কিন্তু নিজের জন্য কিছুই করা হয় নাই। এই বিষয়ে একটা লেখা শুরু করেছি…। আশা করি আগামীতে দেখতে পারেন।
অনেকদিন কোন আড্ডা হয় না!
নজর কাড়ার মত, শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ বোন। হা, না দেখলে বুঝা যায় না।
আমাদের যাবার আয়োজনের কথা মনে আছে না কী মাথায় বারি মেরে মনে করিয়ে দিতে হবে। ঈদের পরে একটা ব্যবস্থা কইরেন। একটু মজা করা আসা যাক।
বাগান বাড়ীটা সত্যি চমৎকার।
আপনার এই কমেন্ট উনাকে দেখালেই চলবে! রাজী না হয়ে পারবে না।
হা, দেখা যাক, একদিন ঘুরে আসা যেতে পারে।
হুম এমন একটা জায়গায়, বন্ধু বান্ধব নিয়ে হৈ হুল্লোড়, আড্ডাবাজি, খিচুড়ি আর পিকনিক ……………… ইস ভাবতেই এতো আনন্দ!!!!!
ধন্যবাদ বোন। একদিন একরাত পরিবার পরিজন নিয়ে আড্ডা মারতে পারলে বেশ আনন্দ হত।
স্বপ্নের সীমানা আসলেই নাই। যদি অর্থায়নের সমস্যা না হয় স্বপ্নকে বাঁধাও তেমন কঠিন হয়তো নয়।
জুলি দা, এই বয়সে এসে মনে হচ্ছে, টাকা কোন সমস্যা নয়। সমস্যা হচ্ছি আমরা নিজে! বুকে হাত রেখে বলেন, টাকার পথে কি হেঁটেছেন কখনো! বেশির ভাগ লোকের উত্তর হবে ‘না’। টাকা চাইতে হয়! আপনি ভুল পথে হাঁটবেন আর টাকা চাইবেন তা হবে না!