
দোয়া বা মোনাজাতের পূর্বে দরুদে ইব্রাহিম পড়া উত্তম।
এক হাদীসে বর্নিত আছে, আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা নির্ধারিত আছেন যখন কোন ব্যাক্তি ৩ বার “ ইয়া আর হামার রাহেমিন ” ( হে সকল দয়াশীলদের চেয়ে বড় দয়াশীল) তখন উক্ত ফেরেশতা ঐ ব্যাক্তিকে বলেন, নিশ্চয়ই সবচেয়ে বড় দয়াশীল তোমার প্রতি মনযোগী আছেন, এখন তুমি যা ইচ্ছা তাই চাও(তোমার দোয়া নিশ্চয়ই কবুল হবে)
এরপর আল্লাহতায়ালার গুনবাচক নামগুলো বলা যেতে পারে এবং সেভাবে চাওয়া যেতে পারে
আউজুবিল্লাহি আন আকুনা মিনাল জাহেলিন। (আমি আল্লাহতায়ালার নিকট মূর্খের ন্যায় দোয়া করা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)
কেননা অনেক সময় আমরা এমন কিছু চেয়ে ফেলি যা হয়ত আখের আমাদের জন্য ভাল নয়।
রাব্বানা জালাম না আন ফুছানা ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তার হামনা লা নাকুনান্না মিনাল খসিরিন। (হে আমাদের রব, আমরা আমদের নিজেদের উপর অত্যাচার করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের দল ভুক্ত হয়ে যাব।)
রব্বানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আন্তাছ সামিয়্যুল আলীম ওয়া তুব আলাইনা ইন্নাকা আন্তাত তাওয়াবুর রহীম। (হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের যাবতীয় সতকর্মসমূহ কবুল করুন। অবশ্য আপনি সব কিছু শুনেন ও জানেন এবং আমাদের তওবাকে কবুল করুন। আপনিই এক মাত্র বান্দার তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।)
লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সোবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালিমিন। (কোন মাবুদ নেই আপনি ছাড়া। আপনি পূত ও পবিত্র, অবশ্য আমি আমার আত্নার উপর অত্যাচারকারী।)
এছাড়া এস্তেগফার পড়া যেটা আপনার জানা আছে
আল্লাহুম্মা ইন্না নাস আলুকা জান্নাতি ওয়া ইন্না নাউজুবিকা মিনান নার।(হে আল্লাহ নিশ্চয়ই আমরা আপনার নিকট জান্নাত চাই এবং দো্যখ থেকে আশ্রয় ভিক্ষা চাই।)
এক হাদীসে বর্নিত আছে যে, যখন কোন ব্যাক্তি ৩ বার আল্লাহর নিকট জান্নাত কামনা করে তখন জান্নাত বলে হে আল্লাহ এই ব্যাক্তিকে জান্নাতে দাখিল করে দিন এবং যখন কোন ব্যাক্তি ৩ বার আল্লাহর নিকট জাহান্নাম থেকে নাজাত চায় তখন জাহান্নাম বলে হে আল্লাহ আপনি এই ব্যাক্তিকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দান করুন।
লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আযীম।(কোন লক্ষ্য অর্জনের শক্তি মহান আল্লাহতায়ালার কাছ থেকেই পাওয়া যেতে পারে।)
রাব্বানা লা তু ওয়া খিজ না ইন্না ছি না আও আখ ত না রব্বানা ওয়া তাহ মিল আলাইনা ইছ্রান কামা হামাল তা হু আলাল্লাঝী না মিন কাব লিনা রব্বানা ওয়ালা তু হাম্মিল না মা লা ত কা তা লা না বিহী ওয়া ফু আন্না ওয়াগ ফির লানা ওয়ার হাম না আন্তা মাওলানা ফান ছুর না আলাল কাওমিল কাফেরিন। (আয় আল্লাহ ! আমাদের ভুল ত্রুটি ধরবেন না ।আয় আল্লাহ ! আমাদের উপর জারি করবেন না কোন কঠোর আইন পূর্ববর্তী উম্মতগনের ন্যায়। আয় আল্লাহ ! আমাদের শক্তির বাইরে কোন হুকুম জারি করবেন না এবং আমাদের অন্যায় ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের ত্রুটি মার্জনা করে দিন। এবং আমাদের প্রতি দয়ার নজর দান করুন ।আপনিই আমাদের একমাত্র মালিক অতএব আমাদের কাফিরদের মোকাবেলায় জয়যুক্ত করুন।)
রাব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা অজুররিই ইয়াতিনা কুররাতা আউনিউ ওয়াজআল্না লিলমুত্তাকিনা ইমামা।(হে আমাদের প্রভু। আমাদের প্রতিপালক, তুমি আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মাধ্যমে চক্ষুর স্নিগ্ধতা দান কর। আমাদেরকে মুত্তাকীদের ইমাম বানাও)
রাব্বানা আ তিনা ফিদ দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আযাবান নার (হে আল্লাহ আপনি আমাদের দুনিয়াতেও শান্তি দান করুন এবং আখেরাতেও শান্তি দান করুন এবং আমাদের আযাব হতে মুক্তি দিন )
সুবহানা রাব্বিকা রাব্বিল ইজ্জাতি আ’ম্মা ইয়াসিফুনা।ওয়া সালামুন আ’লাল মুরসালিনা। ওয়ালহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আ’লামিনা (পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।পয়গম্বরদের প্রতি সালাম র্বষিত হোক।সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত)
সবার প্রতি অনুরোধ রইল কুরআন থেকে আরবী উচ্চারণ দেখে পড়ার
এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নেকীর দোয়া
যে ব্যাক্তি দৈনিক ১০০ বার “সুবহানাল্লাহী ওয়া বিহামদিহী “ পড়বে তা আমল নামায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নেকী লেখা হবে
বিশ লক্ষ নেকীর দোয়া
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছামাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউ লাদ ওয়া লাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
যে ব্যাক্তি এই দোয়া একবার পাঠ ক রবে তার আম ল নামায় বিশ লক্ষ নেকী লেখা হবে
রিযিক বৃদ্ধির দোয়া
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহীল আজীমি ওয়া বিহামদিহী আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থ “ আল্লাহতায়ালার পবিত্রতা বর্ননা করিতেছি এবং তাঁর প্রশংসাগীতির সাথে তাঁকে স্মরন করছি, মহান আল্লাহতায়ালার পবিত্রতা বর্ননা করিতেছি এবং তাঁর প্রশংসা বর্ননার সাথে আল্লাহ তায়ালার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছি। ”
হুজুর সাঃ বলেন, এই দোয়া প্রত্যহ ফজর নামাজের পূর্বে বা পরে ১০০ বার করে পড়, সংসার দুনিয়া আপনা আপনি তোমার দিকে ফিরবে অর্থাত দুনিয়া তোমাকে হেয় ও লাঞ্ছিত অবস্থায় ধরা দিবে এবং এতদ্ভিন্ন আল্লাহতায়ালা এর একেকটি শব্দ হতে এক একেক জন ফেরেশতা তৈরী করে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত তসবীহ পাঠে নিযুক্ত করে দিবেন উহার সমুদয় সোয়াব তুমি পাবে
এর মুল বক্তব্য হচ্ছে এস্তেগফার। বলাবাহুল্য গুনাহের কারনেই মানুষের রিজিকের সঙ্কীর্নতা এবং সকল প্রকার দুঃখ কষ্ট ও পেরেশানী ঘটে থাকে।
এই আমল নিয়মিত করার মাধ্যমে সংসারে কোন অভাব অনটন থাকতেই পারে না।
আরবী উচ্চারন ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী



করি মোনাজান ধরনীতে তোর সুপথেরী লাগি।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য
যাযা কাল্লাহ খায়ের

যাযা কাল্লাহ খায়ের
আমিন।
আমিন
যাযা কাল্লাহ খায়ের জামান ভাই
অনেক দিন আপনার সাথে ফোনে কথা হয় না
যাযা কাল্লাহ খায়ের

ভাল লাগল
যাযা কাল্লাহ খায়ের
ছোট নায়ক
আল্লাহ আপনাকে এই পোস্টের জন্য পুরুষ্কৃত করুক এই দোয়া করছি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
তাঁর রহমত যেন আমাদের সবার উ প র থাকে —- আমিন

যাযা কাল্লাহ খায়ের
অত্যান্ত সুন্দর কমেন্টস করায়, বেদুঈন ভাই কে আমার পক্ষ থেকে অভিনন্দন।

তাঁর রহমত যেন আমাদের সবার উ প র থাকে —- আমিন
আমিন

সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহীল আজীমি ওয়া বিহামদিহী আস্তাগফিরুল্লাহ
এটা আমি পড়ি , ধন্যবাদ ভাই
প্রিয় তে রাখলাম পোষ্ট
যাযা কাল্লাহ খায়ের সাইক্লোন ভাই

প্রিয়তে
যাযা কাল্লাহ খায়ের
শুভেচ্ছা
ভাল থাকুন
প্রিয় তে।

একবারই দেখা হল আপনার সাথে
যাযা কাল্লাহ খায়ের
শুভেচ্ছা
হে আল্লাহ আমাকে দোয়া গুলি পালন করার তৈফিক দান করো।
amin
যাযা কাল্লাহ খায়ের
“ ইয়া আর হামার রাহেমিন ” “ ইয়া আর হামার রাহেমিন ” “ ইয়া আর হামার রাহেমিন ”
যাযা কাল্লাহ খায়ের

আমিন।
অনেক ধন্যবাদ তুস
ভালো থাকুন সব সময়
তুস ভাই কেমন আছেন ? নতুন পোস্ট কই ?
সাইদ ভাই আর মেহেদী ভাই
আছি ভাল আলহামদুলিল্লাহ
ধন্যবাদ