জ.ই মানিক-এর ব্লগ
কঠোর-কোমল
আদলজুড়ে
ছাপ যা ফুটুক বন্য,
বুকে নীরব রক্তক্ষরণ;
দহন এক অরণ্য।
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ ও প্রচারণার জন্য – বিজ্ঞানি জীবন উত্সর্গ করে; সেখানে তার সমস্ত মেধা, শক্তি ও অর্থ
ঢেলে দিয়েছিলেন, বিজ্ঞানী মশিউর রহমান। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে, আজ তিনি সবার সাহায্যপ্রার্থী। পশ্চিমা বিশ্বে
জন্মালে বা পড়ালেখা শেষে সেখানে থেকে গেল, আজ হয়তো হাত
বিজ্ঞান
|
মানুষ মানুষের জন্য
|
|
| ৪৫৪ শব্দ ২টি ছবি
রাজনীতি রাজনীতি
কী যে ছলা-কলা!
নেত্রী প্রাসাদে রয়
রাজপথে চ্যালা;
অকাজের বাতচিতে
জমে ওঠে খেলা,
ইনি দেন ধাক্কা তো
তিনি মারে ঠ্যালা।
আঙুলি ইশারায়
রক্ত গঙ্গা বয়
দশের স্বার্থে এতো
সামান্য;কিছু নয়।
কাজেতে ঠনঠন
মুখে গণতন্ত্র,
হাঁড়ি নিয়ে কাড়াকাড়ি
সেই মূলমন্ত্র।
দেশ যাক রসাতল;
দেশ নয়,আগে দল।
ছড়া ও পদ্য, রাজনীতি
|
|
| ৩১ শব্দ ২টি ছবি
তিলোত্তমা জীবন
দুর্বিসহ যাতন
গ্যাঁড়াকলে ভরা,
কী আর করা!
একটু নামলে ঢল
রাস্তায় হাঁটু জল
উপচে পড়া,
কী আর করা!
রাজপথ গাড়ি হাট
যানজটে জান জট
সময়কে সময়ে
যায় না ধরা,
কী আর করা!
সাপ্লাই নেই পানি
শুকনো পাইপখানি
বারোমাস-ই খরা,
কী আর করা!
এই আসে এই যায়
তাল সামলানো দায়
লোডশেডিং যেনো
বিশাল এক খাঁড়া,
কী আর করা!
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৩৯ শব্দ ১টি ছবি
ফাগুনের মাদকীয় কোনো
এক সন্ধ্যায়
অলিন্দে বসে
হয়ে তন্ময়,
শিহরিত মৃদু হাওয়া
বইছিলো অল্প;-
এক পরীর মুখে শুনেছিলাম
অন্য পরীর গল্প।
সেই থেকে মন
কী উচাটন
অস্থিরতায়-
যায় সারাক্ষণ
কথা ভেবে তার,
সদা মন উড়ু-উড়ু
অন্তবিহীন শুরু
তীব্র তোলপাড়ে
কী যে জেরবার!
সারাটা দিনমান
শুধু করে আনচান
বিমনা মন ছোটে
তার প্রান্তরে।
সময় কাটে ঘোরে
পড়ে রাহু ফেরে
পর্যুদস্ত মন
ভালোবাসা জ্বরে।
*উত্সর্গ: ইলা এবং
এক্সক্লুসিভ
সমসাময়িক কালে
সভ্যতা বেড়াজালে
আদিমতা ঘুমন্ত
পোশাকের আড়ালে।
হায়া তো সুশীল নয়!
মাথা চারা দিতে চায়;-
লজ্জার ভেঙ্গে বাঁধ
অজান্তে খোঁজে পথ
প্রকাশে প্রয়াসী হয়
অবদমিত খায়েশ।
দমে কী-তা ফুত্কারে!
বিজ্ঞের ভাব ধরে
দুধের স্বাদ তখন
মেটাতে ঘোলে,
মুগ্ধতার আবেশ মুখে
ফুটিয়ে তুলে
অল্প-স্বল্প-
বিমুগ্ধের অগোচরে
লুলামীও শিল্প।
এক্সক্লুসিভ
অন্তরালে মুচকি হাসে
স্বর্গীয় দেবারা,
নৈতিকতার ফেরিওয়ালা আজ
নষ্ট ও নষ্টারা।
*
*
*
বৃথা পন্ডশ্রম
শতক ধুলে,
কয়লার ময়লা
কাটে না কোনোকালে।
*
*
*
বেলা বয়ে যায়
নিরন্তর,বসে
থাকে না সময়।
বাতাসে লাশের গন্ধ
রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
'আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিত্কার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে-
এ-দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত,সেই রক্তাক্ত সময়?
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে,
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।
এই রক্তমাখা মাটির ললাট ছুঁয়ে
কবিতা, মুক্তিযুদ্ধ
|
|
| ১৬৬ শব্দ ২টি ছবি
‘তোমাকে ভালোবাসি তাই ভালোবাসার কবিতা লিখিনি।
আমার ভালোবাসা ছাড়া আর কোনো কবিতা সফল হয়নি,
আমার এক ফোঁটা হাহাকার থেকে এক লক্ষ কোটি
ভালোবাসার কবিতার জন্ম হয়েছে।
আমার একাকীত্বের এক শতাংশ হাতে নিয়ে
তুমি আমার ভালোবাসার মুকুট পরেছো মাথায়!
আমাকে শোষণের নামে তৈরি করেছো আত্মরক্ষার মৃন্ময়ী যৌবন।
বলো বলো হে ম্লান মেয়ে,এতো
কবিতা
|
|
| ১৩৩ শব্দ ১টি ছবি
চেয়েছিলে নিরুপদ্রব সুখ মাদুরী
অনুকূল স্রোত দেখে
ভাসিয়েছো তরী।
বেহাল নাবিক তাই
ভাসি স্রোতে,ডুবে যাই;-
নিদাঘে গলেছি জ্বলে
ভুলে অভিশাপ
যেটুকু ছুড়েছি ঘৃণা আজ
পোড়ায় অনুতাপ;
সেও ছিলো ভালোবাসা
বুকে তার সুপ্ত আশা
ভত্সনার অনলে যা
হারিয়েছে খেই
ভালোবাসায় অনুযোগ আছে
অভিশাপ নেই।
চাওয়া সে-কী মরিচীকা
সব-ই তার ভুল,
নাহলে দিকভ্রান্ত কেনো
হারিয়ে দু’কূল!
কথা ছিলো,সুখ সমুদ্রে
ভাসবে অপার
হাহাকার ভুলে সুখে
কাটবে সাঁতার
তবে কেনো হাসিতে
‘আমার ভুলের মধ্যে আমি তলিয়ে গেলে, বলবে সবাই বেশ হয়েছে বাউন্ডুলের, আপদ গেছে তলিয়ে গেছে ভুলের জলে, লাশ ভেসে যাক, দু একটা
কাক খেলাচ্ছলে শোক করে না, স্মরণসভার সভাপতির আসন নিয়ে ঝগড়া করে মুখ ও বধির,এই আঁধারে সবাই দ্যাবা সবাই
দেবী,
খুবলে তোলে দুচোখ আমার স্বেচ্ছাসেবী।
কবিতা
|
|
| ৪৪ শব্দ ১টি ছবি
এক্সক্লুসিভ
নিতু,
কেমন আছিস?
উদভ্রান্তের মতো ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম অবশেষে আজ একটু বাধ্য।
ভীষণ রকমের খারাপ করেছে শরীরটা।
শরীরের আর দোষটা কী বল্!কম তো আর অনিয়ম-অত্যাচার যায়নি তার উপর দিয়ে!সব মাত্রা ছাড়িয়েছে যার গত কয়েকদিনে।
আটকা পড়েছি ছোটভাই ও বন্ধু সুমনের বাড়িতে এসে।বলছে,শরীরটা একটু সুস্থ না হওয়া
বিবিধ
|
|
| ৫৬৭ শব্দ ১টি ছবি