তাহমিদুর রহমান-এর ব্লগ
লেখালিখি করি। পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
বিড়ালগুলো দল বেঁধে ঘুরতে যায়
আজও ঘুরতে গিয়েছিল,
আজ ঘুরতে গিয়ে বাসের নিচে চাপা পড়ল;
অফিস থেকে ফেরার পথে
রাস্তার আইল্যান্ডে মৃতদেহগুলোকে পড়েথাকতে দেখলাম;
আমার সামান্যতম দুঃখবোধ হল না
তবে চিন্তিত হলাম বটে,
গণকবরের জায়গায় কই?
এই নিয়েই কবিদের মিটিং বসবে, মিছিল হবে
এই নিয়েই
কবিতা
|
|
| ৫৫ শব্দ
বুকে কি বাতাস জমল?
মেঘ উঠে বৃষ্টি হবে?
ডাক্তারদের আর বিশ্বাস নেই
গেলেই বলে গ্যাস গ্যাস গ্যাস
নিয়মিত তিন বেলা তিন মাস
নিওট্যাক খান।
পেটে কি তবে বাসা বেঁধেছে ব্যাকটেরিয়া
ছত্রাক, নাকি নতুন বাসা ছারপোকার?
ইদানিং অবশ্য তরকারিতে বেশ ঝাল খাচ্ছি
নতুন বউ, বুঝে
কবিতা
|
|
| ১২০ শব্দ
“জীবন যেখানে দ্বীপশিখা
শেষান্তে তাতো নিভবেই।”
গুলশানের এক আলিশান বিল্ডিং থেকে বের হয়েই অজিতের কান্না পায়, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে তার কিন্তু অজস্র কান্নার অশ্রুও তাকে এ মুহূর্তে শান্তি এনে দিতে পারে না। তার পা সামনে একধাপও এগুতে চায় না যেন পঞ্চাশ কেজি ওজনের কিছু বেঁধে
গল্প
|
|
| ১১০৭ শব্দ
দিনকে পেলাম রাত্রির সমান
আমি সর্বদা জেগে থাকি
অপমানিত হওয়ার সেই পুরনো স্বাদ পেয়ে
হাতের রেখায় আরেকটি নতুন রেখা যোগ হয়।
সকল খেলা সাঙ্গ হল, হলে
নতুন পিঁপড়ের সারি আবিষ্কৃত হওয়ার পর
শেষবেলায় ভুল ভাংগলেই
নারী মাত্রই নগ্নতার ফ্যাশন বলে প্রমাণিত।
এরপর লাখ লাখ টাকার ছড়াছড়িতে
শব্দেরা দু’বেলা দু’মুঠো খাদ্য হারালো তবু
বাণিজ্য জাহাজের
কবিতা
|
|
| ১৯৮ শব্দ
সেটা অন্য কোন নারীর শরীর নয়
ছুঁয়েই বুঝতে পারি
সেটা ক্লিওপেট্রার শরীর।
হাতে উষ্ণতা ছোঁয়া পাই,
ছুঁয়ে দিয়েই ভাবি
এই হাতই কি প্রথম পুরুষ?
উষ্ণতা শোষন করতেই নিঃশ্বাসের সাথে সাথে
দু’বুকের উঠানামা বেড়ে যায়;
ঠিক এসময় এক হাতে এক বুক খামচে ধরে
অন্য হাতে চাপা দেই ক্লিওপেট্রার শরীরের মুখ।
এরপরই আমার পিঠে আঁকা হয়
কবিতা
|
|
| ৬৮ শব্দ
নির্নিমেষ যন্ত্রণা
তাহমিদুর রহমান
ডিসেম্বর মাসের কনকনে শীতের রাত্রি। রাত নয়টার ট্রেনে বাসায় ফিরছে কবির, অনেকদিন পর বাসায় যাচ্ছে। মোটা একটা জ্যাকেট পড়েও শীতকে হার মানাতে পারছে না, ঠান্ডায় তার শরীর কিছুক্ষন পর পরই কেঁপে কেঁপে উঠছে । সে আর তার এক বন্ধু
গল্প
|
|
| ১২৯২ শব্দ
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
তাপনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।
এসেছে নতুন বাঙলা
প্রথমে বলে নেই যে কোন বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে এই পোস্ট না বা ব্যক্তিআক্রমনও কাম্য নয়।
ব্লগারস ফোরাম যখন শুরু হয় তখন এর নাম ছিল প্রথম আলো ব্লগারস ফোরাম। কিন্তু নাম জনিত সমস্যার কারনে পরে এর নাম দাঁড়ায় ব্লগারস ফোরাম। পরে যে নামটি হয়েছে সেটা
আড্ডা
|
|
| ২১২ শব্দ
বের হয়েছে কবিতা স্টলের প্রথম সংখ্যা।
প্রাপ্তিস্থানঃ চর্চা, কনকর্ড এ্যাম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, কাঁটাবন, ঢাকা
যারা লিখেছেন এই সংখ্যায়ঃ
কাজী মামুন
নীলসাধু
আজিজুল হক
অনিকেত রায়হান
সরসিজ আলীম
বাবুল হোসাইন
ফয়সল অভি
ফকির ইলিয়াস
হাসান সুমন
হামিদা রহমান
তাহমিদুর রহমান
মুরাদুল ইসলাম
অহর্নিশ অশ্রুস্মিতা
নিস্তব্ধ শৈশব
মামুন ম আজিজ
আহমেদ মাহির
মনিরুল মনির
———————————————————————–
যুগে যুগে সভ্যতা পরিবর্তিত হয়ে নতুন সভ্যতা পেয়েছি আমরা। নতুনকে
সাহিত্য
|
|
| ১৪৭ শব্দ
১
ইথার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে।প্রতিদিনের মত আজকেও স্কুলে এসেছে সে।আজ বৃহস্পতিবার হওয়ায় সে খুব খুশি।কালকে শুক্রবার। ছুটির দিন। বাবা বলেছে, তাকে কালকে বই মেলায় নিয়ে যাবে।সে অনেকগুলো বইয়ের লিস্ট করেছে। জাফর ইকবালের গল্পের বই তার লিস্টের সর্বপ্রথমে আছে।সেই বইটায় আগে কিনবে বলে মনস্থির করেছে।
গল্প
|
|
| ১১৪২ শব্দ
আশফাক আহমেদের ফিরে আসা
তাহমিদুর রহমান
আমার নাম আশফাক আহমেদ। পেশায় বিজ্ঞানী। বাংলাদেশে আমার মত বিজ্ঞানী আর একটিও জন্মায়নি। আমি ২০৫৩ ও ২০৬৬ সালে দুইবার নোবেল পুরুস্কার পাই। আমার সবচেয়ে বড় আবিষ্কারটি হচ্ছে মৃত্যুর পরও মানুষের মস্তিষ্ক সচল রাখা। তবে এর একটি সীমাবদ্ধতা আছে। আমি মানুষের
গল্প
|
|
| ১৮২৯ শব্দ
যুগে যুগে সভ্যতা পরিবর্তিত হয়ে নতুন সভ্যতা পেয়েছি আমরা। নতুনকে পেতে বার বার নিয়মকে জলাঞ্জলি দিয়ে নতুনকেই নিয়ম বানিয়েছি আমরা। নতুনের খোঁজে চিরকাল সাধনার সাধক হওয়া সেই থেকেই শুরু।
কবিতা স্টল সেই সাধনার পথে হাঁটতে চায়। গড়তে চায়
সাহিত্য
|
|
| ১১০ শব্দ ১টি ছবি
যুগে যুগে সভ্যতা পরিবর্তিত হয়ে নতুন সভ্যতা পেয়েছি আমরা। নতুনকে পেতে বার বার নিয়মকে জলাঞ্জলি দিয়ে নতুনকেই নিয়ম বানিয়েছি আমরা। নতুনের খোঁজে চিরকাল সাধনার সাধক হওয়া সেই থেকেই শুরু।
কবিতা স্টল সেই সাধনার পথে হাঁটতে চায়। গড়তে
সাহিত্য
|
|
| ১২২ শব্দ ১টি ছবি
তোমার বয়েস বাড়ল,
পাড়ায় কত কিছু রটল,
তবুও চল যাই
শালুকদের বিয়ে দিয়ে আসি;
বিশ্বাস করলে না?
নিউরণে দুটা পা গজিয়েছে আর
মেমব্রেণে তৃতীয় হাত;
আমি নোবেল পাইব এবার!
কবিতা
|
|
| ২২ শব্দ
ওরা পড়ে থাক, ঝুলে থাক, দূরে দাঁড়িয়ে কাঁদুক
তবুও চাই নতুন হেয়ালিতে ওরা আসুক,
ঠিক ঐ সন্ধ্যার পরে আমিও কাঁদব সাথে,
হাতে তুলে সেই হেয়ালি ফুটপাতে ফেলে দিব
তাই ওরা একা পড়ে রবে, একা পরে থাক,
একদিন অবশেষে, ওদের হরিপুরের বাসে উঠিয়ে দিব
কবিতা
|
|
| ৩৮ শব্দ