EMDADUL HUQ TUHIN ট্যাগের সব লেখা
কবিতার খাতারা আজ বড্ড বড় একা
আনন্দ নয় বেদনারা উঠে আসতে চায়
কবিতার খাতার পাতায় পাতায়, কিন্তু
কেন এই বিরহ বেদনার শিহরিত কষ্ট!
হয়ত তুমি জান, নতুবা তোমার ঐ বিধাতা
কি বিরহ ব্যথায় ব্যথিত করেছে এই পৃথিবী
এসে দেখে যাও, এখানে কত কষ্ট, এসে
চোখ মেলে তাকাও এখানের আকাশে
বাতাসে শুধুই ভালবাসা-হীন
স্মৃতিগুলো বেদনায় ভস্মীভূত হতে হতে মূর্তির প্রতিরূপ
তোমার সমস্ত অবয়বে পরিতুষ্ট হয়ে বলেছি কতবার অপরূপ,
ভালবাসা যেন স্মৃতির পদচারণায় শুভ্রতাময় আপেক্ষিকতা
হৃদয়ের লেনাদেনায় ঘটছে কত অবিরত আথিতেয়তা,
প্রতিনিয়ত পদদলিত হচ্ছে সমাজ সংসারে নম্রতা, ভদ্রতা!
পবিত্র নামাযের সময়ও পাওয়া যায় না আবেগের সেই শুভ্রতা
শুধুই
জান ও জানগো তোমার কেশে এত মিষ্টি গন্ধ কেন?
তোমার ব্যবহৃত মেকআপ আর পারফিউমের স্মেল যেন
আমার শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে ফিসফিসিয়ে কি যেন বলে
তোমার উত্তপ্ত-তাময় অঙ্গরা আমায় খুব কাছে টানায় ব্যাকুল হয়ে
কয়, আমার প্রতিটি অঙ্গের নগ্ন ছবি ভেসে উঠবে তোমার চোখে।
প্লিজ
তোমার চেহারায় নেই কোন রূপ লাবণ্য
কি করে তোমার প্রশংসায় পঞ্চমুখে করি ধন্য,
তোমার শারীরিক অবয়ব আমার চাহিদার নয়, অন্য
রকম সম্পূর্ণই অন্য রকম, তাইতো ভালবাসে আজ বন্য।
তুমি হবে আমার জ্যোৎস্না
তুমি হবে অন্ধকারের আলো
তুমি হবে সৌন্দর্যের প্রতীক
তুমি হবে অপরূপ যৌবনবতী
ব্যথাতুর হৃদয়ে আজ বলতে হয়
আমারা ভাই নাস্তিক নয়,
হে হেফাজত-কারী তোমার তো ধর্মের
হেফাজত-কারী নও, আর যদি তাই বল
তাহলে আমাকে বলতে হয়
মহান রাব্বুল আলামীনের কথাকে
অসত্য প্রমাণিত করে তোমারা নিজেদের
সুপ্ত ভাষণকে পূর্ণ করতে সেজেছ প্রহরাধার !
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন ইসলাম
আমার হৃদয় তটিনীতে প্রবাহিত তোমার নাম
বার বার মন বলে তোমার কথা এটাই বুঝি আমার কাম;
প্রতিনিয়ত গুণন করি করি তোমার ভালবাসার দাম
কবে গড়ব তোমায় নিয়ে ভালবাসায় সজ্জিত আমার ধাম?
যে দিন প্রথম ছুঁয়েছিলাম তোমার কায়া
সমস্ত দেহে আর নেত্রে প্রতিফলিত ভালবাসার ছায়া,
বুঝতে
আমার চোখের সামনে অশ্রু ঝরছে টপটপ
তালেতালে বেড়ে চলছে এখন বৃষ্টির ঝপঝপ,
বিজলিতে বিজলিতে প্রকম্পিত সাদা আকাশ
উদাস আর উন্মাদনায় পাগলকরা বাতাস।
বৃষ্টির দিকে একপানে চেয়ে থাকা দৃষ্টি
আমায় উদাস থেকে উদাসতর
উন্মাদ থেকে উন্মাদতর
করে চলছে অবিরত,
মাদকতা আর উন্মাদনার শেষ সীমা-লগ্নে
বৃষ্টির
শুধু ভালবাসা আর প্রেমের সঙ্গ
প্রেমময় হয়ে উঠুক আজ বঙ্গ
প্রেমেই ডুবে হোক অনেক রঙ্গ
ভুলে যাওয়ার পরে তা কেন ঢঙ্গ?
আকাশ বাতাস সব কিছুতেই ভালবাসা
মানুষে মানুষে আপন হোক আপনতর
দিকে দিকে আজ শুধু ভালবাসার জয়গান,
ভালবাসার ফলেই আজকের এই পৃথিবী
যা শুধুই আমার
অঞ্জনা আজ শুধুই তোমার কাছে মার্জনা
জানি তা সম্ভব নয়
তারপরও বলছি-
যে দিন তোমার সাথে প্রথম কথোপকথন
দুষ্টুমিতেই সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম ইতিহাসের পত্তন,
ভুলে যাব না যখন প্রচণ্ড দাবদাহে মাথার উপর বরুণ
বলেছিলাম সারাজীবন থাকব তোমারই পাশে আমরণ ।
কিন্তু জানো এ আবেগ গুলো
পৃথিবী যখন অনুকূলে নেই
সব কিছু যখন অন্ধকার আর আঁধার
ঘন কুয়াশায় ডেকে যাওয়া দৃষ্টি
তোমার ছবি ভেসে উঠলেই মন হয় তুষ্টি !
তারপরও কেন অঞ্জলি
ভুলে যেতে হয় সব, জানা আছে কি তোমার?
শত কল্পনা আর প্রতীক্ষাকে মুছে দিয়ে
আজ অন্য গ্রহে নিজেকে নিয়ে
আতর্বের পরিবর্তে দিকে দিকে স্ফূর্তি
আনন্দে উল্লাসে উদ্ভাসিত মনে সবার স্ফীতি,
প্রকৃতি আবার অপার অবয়বে যা তার রীতি
বৃষ্টির ধারায় উচ্ছ্বাসিত লালসা নাই তার ইতি।
বৃষ্টিরও বাধল ধারায় চক্ষু-পটে কারো প্রতিমূর্তি
ভেসে উঠে আবেগের ছলচাতুরী যত সব আর্তি,
মনের পানেই বিচরিত থাক সব আজ শুধু
ডেসটিনির কিছু আধ্যাত্মিক গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে গেছে। মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে এরা শুধু মানুষের কাছে স্বপ্নই বিক্রি করে নি, এদের মনুষ্যত্ব-বোধ ও বিক্রি করেছে এরা। নিজের নিকট অতি আপনজনকে ডেসটিনির অপকর্ম জেনেও শুধু লোভে পড়ে ও কিছু কমিশন পাওয়ার জন্যে ভর্তি করিয়েছে
প্রতিটি মাসের প্রথম প্রহরে
প্রেমের সমীরণ লাগে অনেকের অন্তরে,
সারা মাসে জমিয়ে রাখা ছোট্ট ছোট্ট অনুভূতি
প্লাবিত হয় ক্ষণে ক্ষণে চাওয়া পাওয়ার আকুতি ।
সবকিছুতেই কিসের জানি আকুলতা
প্রতিফলিত হয় সবার মুখে উজ্জ্বলতা,
বণিতা কাছে ডাকে, বলে পেতে চায় তোমায় নরেন্দ্র
নরেন্দ্র বিমোহিত হয়ে বলে
কি হল জীবন চলার গতিপথে আমার
বুঝেই উঠতে পারি না শত চেষ্টাতেও একবার,
আমার পৃথিবীটাই মনে হচ্ছে অন্য এক গ্রহ
আছে শুধু মরণ-যন্ত্রণা, জীবন-যুদ্ধ ও বিরহ!
কিছু ভাবতে গেলেই অবাক হয়
শুন্যতাময় অনুভূতি গ্রাস করে,
বিরহ নামক পাখিরা এসে ভর করে
প্রতিক্ষণ মনে হয় এই
উৎসর্গ- মেঘলা ও মেঘলা মেয়ের শান্তকে।
আজ কটা দিন যাওয়া হচ্ছে না ছাদে
পরীক্ষার ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও মনটা পড়ে রয়েছে তাতে
বুঝতে পারছিলাম এরই নাম ভালবাসা
ছাদের পানেই বিচরিত আমার সব আশা ।
লেখাপড়ায় আজ অনেক ক্লান্ত
মনটা থাকে না বদ্ধ ঘরে শান্ত,
এরই মাঝে মায়ের