হাদীছের-গল্প ট্যাগের সব লেখা
আবু হুরায়রা (রা) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছা) বলেন, এক ব্যক্তি একটি মাঠে অবস্থান করছিল। এমন সময় সে মেঘের মধ্যে একটি শব্দ শুনতে পেল : ‘অমুকের বাগানে পানি দাও’। অতঃপর মেঘমালা সেই দিকে সরে গেল এবং এক প্রস্তরময় স্থানে বৃষ্টি বর্ষণ করল। তখন দেখা গেল,
উসাইর ইবনু জাবির (রা) বলেন, ইয়ামানে বসবাসকারীদের পক্ষ থেকে ওমর (রা)-এর নিকট সাহায্যকারী দল আসলে তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করতেন, ‘তোমাদের মাঝে কি উয়াইস ইবনু আমির আছে’? অবশেষে (একদিন) উয়াইস (রহ) এসে গেলেন। তাকে ওমর প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি কি উয়াইস ইবনু আমির’? সে বলল, হ্যাঁ।
আবূ নাজীহ আমর ইবনু আবাসাহ আস-সুলামী (রা) বলেন, জাহেলী যুগে আমি ধারণা করতাম যে, লোকেরা পথভ্রষ্টতার উপর রয়েছে এবং এরা কোন ধর্মেই নেই। আর ওরা প্রতিমা পূজা করছে। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির ব্যাপারে শুনলাম যে, তিনি মক্কায় অনেক আশ্চর্য খবর বলছেন। সুতরাং আমি আমার
আবু জামরাহ (রা) হ’তে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) আমাদেরকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে আবূ যর (রা)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা করব না? আমরা বললাম, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বললেন, আবূ যর (রা) বলেছেন, আমি গিফার গোত্রের একজন মানুষ। আমরা জানতে পারলাম যে,
আবূদ্দারদা (রা) হ’তে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ছা)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় আবূ বকর (রা) পরনের কাপড়ের একপাশ এমনভাবে ধরে আসলেন যে, তার দু’হাঁটু বেরিয়ে পড়ছিল। নবী (ছা) বললেন, তোমাদের এ সাথী এই মাত্র কারো সঙ্গে ঝগড়া করে আসছে। তিনি সালাম করলেন
আবু হুরায়রা (রা) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছা) বলেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির বিচার করা হবে, সে হবে একজন (ধর্মযুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী) শহীদ। তাকে আল্লাহ্র নিকট উপস্থিত করা হবে। অতঃপর আল্লাহ পাক তাকে (দুনিয়াতে প্রদত্ত) নে‘মতসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। আর সেও তা
ইবনু ওমর (রা) সূত্রে নবী (ছা) হ’তে বর্ণিত। তিনি বলেন,এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গিয়েছিল, সে তাকে বেঁধে রেখেছিল। সে তাকে খাবারও দেয়নি, ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেতে পারত। {বুখারী হা/৩৩১৮ ‘সৃষ্টির সূচনা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১১, মুসলিম, মিশকাত হা/১৯০৩}।
আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে
সপ্তম হিজরী, ৬২৯ খৃষ্টাব্দ। মক্কার কাফেরদের কুরাইশদের সাথে রাসূলুল্লাহ (ছা)-এর হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যে ইসলামের নাম শুনলে জ্বলে উঠত কুরাইশদের গা, আজ সেই কুরাইশগণ স্পষ্টতঃ স্বীকৃতি দিল ইসলামকে একটি শক্তিশালী ধর্ম হিসাবে। রাসূলুল্লাহ (ছা) নদীর মোহনায় এসে তাঁর সাধনার স্রোতধারায় শুনতে পেলেন মহাসাগরের
জাবের (রা) বলেন, খন্দকের যুদ্ধের প্রাক্কালে আমরা পরিখা খনন করছিলাম। এমন সময় একটা শক্ত পাথর দেখা দিল। তখন লোকেরা রাসূলুল্লাহ (ছা)-এর নিকট এসে বলল, পরিখা খননকালে একটি শক্ত পাথর পাওয়া গেছে। তিনি বললেন, ‘আচ্ছা আমি নিজেই খন্দকের মধ্যে নামব’। অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন, সে সময়
বারা ইবনু আযেব (রা) তাঁর পিতা হ’তে বর্ণনা করেন যে, একদা আযেব (রা) আবূ বকর (রা)-কে বললেন, হে আবূ বকর! যে রাতে আপনি রাসূলুল্লাহ (ছা)-এর সাথে (হিজরতের উদ্দেশ্যে) সফর করেছিলেন, সে রাতে আপনারা কি করেছিলেন আমাকে অবহিত করুন। আবূ বকর (রা) বললেন, আমরা একদিন
মুজাহিদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রা) বলতেন, আল্লাহ্র কসম, যিনি ছাড়া কোন (হক্ব) ইলাহ নেই। আমি ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকতাম। আর কখনও পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। একদা আমি তাঁদের (রাসূলুল্লাহ (ছা) এবং ছাহাবীদের) রাস্তায় বসেছিলাম, যেখান দিয়ে তারা বের হ’তেন।
হযরত আনাস (রা) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছা) এরশাদ করেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন মুমিনগণকে (হাশরের ময়দানে স্ব স্ব অপরাধের কারণে) বন্দী রাখা হবে। তাতে তারা অত্যন্ত চিন্তিত ও অস্থির হয়ে পড়বে এবং বলবে, ‘যদি আমরা আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ তা‘আলার নিকট কারো মাধ্যমে সুপারিশ কামনা করি, যিনি
আবু হুরায়রা (রা) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, একবার রাসূল (ছা) নাজদের দিকে কিছু অশ্বারোহী (সৈন্য) পাঠালেন। তারা বনী হানীফা গোত্রের জনৈক ব্যক্তিকে ধরে আনল। তার নাম ছুমামাহ বিন উছাল। সে ইয়ামামাবাসীদের সরদার। তারা তাকে মসজিদে নববীর একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখল। রাসূল (ছা) তার
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব তার পিতা মুসাইয়্যাব (রহ) হ’তে বর্ণনা করেন, যখন আবূ ত্বালিব মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হ’লেন, রাসূল (ছা) তার নিকট গেলেন। আবূ জাহলও সেখানে ছিল। নবী (ছা) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, চাচাজান! ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হ’ কালেমাটি একবার পড়ুন, তাহ’লে আমি আপনার জন্য আল্লাহ্র
হযরত ইবনু আব্বাস (রা) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, হযরত উবাই ইবনু কা‘ব (রা) রাসূলুল্লাহ (ছা) হ’তে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মূসা (আ) একদা বনী ইসরাঈলের এক সমাবেশে ভাষণ দিতে দাঁড়ালে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হ’ল, কোন্ ব্যক্তি সর্বাধিক জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমিই সর্বাধিক