সহজ কথা সহজ ভাবে ট্যাগের সব লেখা
আমার মন খারাপ হলে- আমার মন খারাপ হয়েছে, তা বলবোই। বাংলাদেশটার বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও তেমনি মনে হয়েছে- কেউ ধাক্কা দিয়া, নয়-তালা বিল্ডিংরে তিনতালা বানাইয়া দিছে। এতে তো ভাই আমি দোষের কিছু দেখি না। হাজার হইলেও সেও মানুষ, আমিও মানুষ,
“আগে আপন সামাল কর, পরে গিয়ে পরকে ধর” অর্থঃ কোন কিছু ঘটলে আমরা সাধারণত তার দায়ভার অন্যের উপর বর্তাতে চেষ্টা করি। কিন্তু সেক্ষেত্রে হয়তো আমাদের নিজেদের দোষ ও কম ছিলোনা। নিজের দোষটা না জানলে কিন্তু পরবর্তীতে নিজের ভুলের জন্য একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
‘উপকারী গাছের ছাল থাকে না’ এই প্রবাদবাক্যটি অনেক দুর্দান্ত সত্য হয়ে উঠতে দেখেছি জীবনে অনেকবার। এ জীবনে কতটা মানুষের জন্য করেছেন, এই হিসেব যদি কেউ মেলাতে যান। মিলবে না নিশ্চিত। অংক কষে আর যাই হোক উপকার হয় না। তেমনি এক উপকারী
বসে ছিলাম শাহবাগের আইল্যান্ড এর উপর। এরই মধ্যে পাশ থেকে একজন বলে উঠলো কথায় কথায় শহীদ রুমী স্কোয়াডের সমালোচনা করে- “না খাওয়া মানুষের জিদ বেশি”! ব্যাপারটি আমার কানে শেল এর মতন বিঁধল যেন। পরক্ষনেই ভাবলাম- এখানেও কি তাহলে শাহবাগ বিরোধী! তাকিয়ে
রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত “নষ্ট” শব্দটির বিপরীতে, আমি অধমের ব্যাখ্যা-
দুধ কে পচিয়ে নষ্ট করে ঘোল অথবা দই বানানো হয় বলে জেনেছি। দুইটাই উপকারী বস্তু। কিন্তু পচানো হয় ভালো দুধ!
তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম- আমি নষ্ট! কিন্তু আমি খারাপ না, যে আমাকে ডাষ্টিবিনে ফেলে দিতে
শাহবাগে যাওয়া আরও অনেকের সাথে আলাপ-চারিতায় জেনেছি, শাহবাগ চত্বরে সশরীরে উপস্থিতি, প্রজন্ম চত্বরের সংবাদ শোনা-দেখা-পড়া, এ সংশ্লিষ্ট টক-শো আর শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন বাধ্য হয়ে দেখা ছাড়া আর কোন বিনোদন তারা গ্রহণ করেন নি, ছিল না, এখনও নেই। নিন্দুকেরা বলতে পারেন সবাই-মায়ের চেয়ে
জ্ঞানার্জনের জন্য সুদুর চীনেও যেতে বলা হয়েছিল আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রন্থে। আর চট্রগ্রাম গনজাগরন মঞ্চের সমাবেশ প্রতিরোধ এর হুমকি দেয়া ‘হেফাজতে ইসলাম’ এর উনারা একটু ব্লগ এবং ব্লগার কি তা নিয়ে জ্ঞানার্জন এর জন্য নুন্যতম চেষ্টা করবেন না!!!
একটু জানার চেষ্টা
আমি পতাকা উড়িয়েছি, আমার বিরুদ্ধেও মামলা করেন ইউনুস শেখ। আমিও গনজাগরন মঞ্চ এর কর্মসুচী অনুযায়ী অনেককে পতাকা উত্তোলন করতে বলেছি। শেষে আমার হাতের পতাকাটি বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধে একটি স্কুল পড়ুয়া ছেলে নিয়ে নিয়েছে সে উড়াবে বলে। আমি চোখে জল নিয়ে দেখেছি,
ব্যাপারটি আমার কাছে সবসময়ই সাধারণ, যে যেমন সে সেরকমই আচরণ করবে। জামাত-শিবির তাদের অস্তিস্ত্ব রক্ষার জন্য সবদিকই চেষ্টা করবে, তা এক্কেবারে স্বাভাবিক। ধর্ম আমাদের দিক নির্দেশনা এবং দৃষ্টান্ত সামনে আনে সবসময় ভালো কিছুর। কিন্তু ধর্মকে পুঁজি করে খেলা একাত্তরের রাজাকার চক্র
শিরোনামের লাইনটি একটি টিভি চ্যানেলের নিজস্ব প্রচারনামুলক বিজ্ঞাপন। দেশে যে হারে ককটেল, গুলি আর ভাংচুরের আওয়াজ হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের লাইনটি আমি অধমের আপাতত মনে ধরেছে। পড়াশুনায় কাচা আমি, বিজ্ঞানের একটি সূত্রও মনে পড়ছে- যে কোন ক্রিয়ারই একটি প্রতিক্রিয়া আছে। শাহবাগের ক্রিয়ায়ও
মানূষ স্বাভাবিক ভাবেই তার জ্ঞানকে সবসময় কাজে লাগাতে পারে না। মানূষ নাকি তার একশ ভাগ মেধার পুরোটা ব্যবহার করতে পারে না। আর তাতেই দেখেন তো কি অবস্থা! পোষ্টে এ দেয়া ছবিগুলো দেখেন একবার প্লিজ। পুরো মেধা খাটাতে পারলে আমরা মনে হয় অনেক আগেই মঙ্গল