রুপালি গিটারের টুংটাং ট্যাগের সব লেখা
আমার আশ্রয় বায়ান্ন বাজার আর তেপ্পান্ন গলির এই বিশাল শহরের ঘিঞ্জি আর সস্তা এক শহরতলীতে। আমি যে রুমটাতে থাকি, সেখানে দিন-রাত অহর্ণীশ কেবল রাত্রির রাজত্ব। ছোট্ট গরাদআঁটা জানালার কল্যাণে আমার একটা চারকোণা আকাশ আছে। গ্রামের খুব সাধারণ
যমুনার তীরবর্তী ছোট্ট একটি গ্রাম রসপাল। প্রায় ১৩২ বছরের পুরনো ভগ্নপ্রায় মসজিদের ছাঁয়াঢাকা বারান্দায়, বহুকাল আগে লেখা হয়েছিলো একটি অনন্য জাগরণী কবিতা। কবিতাটির নাম ‘আজান’। লিখেছিলেন কায়কোবাদ নামে পরিচিত কাজেম আল কোরায়শী নামক ক্ষনজন্মা এক কবি।
‘‘কে অই শুনালো মোরে
আজানের ধ্বণি
মর্মে মর্মে সেই সুর
কেউ নেই
কিছু নেই
সব শূণ্য
সাদা শ্লেটের মতো
কেউ কখনো থাকে না।
কতো সহজে সবকিছু ফাঁকা হয়ে যায়
শহরতলীর সুনসান রাতের মতো।
আমার আয়নায়ও বহুকাল ধরে প্রতিবিম্ব
আঁকে না কোন রূপালি ছাঁয়া
বেদনার নীল শুধু একলা
হেঁটে চলে ক্যানভাস
জুড়ে অবিশ্রান্ত।
তুমি
ছোট বেলা থেকেই আমি একা একা থাকতাম , জানি না কেন জানি বরাবরই নীরবতা আমাকে টানতে থাকত । আমি মাথা নিচু করে স্কুলে যেতাম , আবার বাসায় ফিরতাম । বাবার অফিসের গাড়িতে যখন আর ভাইবোনেরা বাসায় ফিরত আমি হেলে দুলে বাসায় ফিরতাম গাছ ,
উৎসর্গঃ একজন ভীষণ প্রিয় মানুষকে। যাকে কখনো বলতে পারিনি, ভীষণ ভালোবাসি তোমায়। আমার অসম্ভব প্রিয় এই মানুষটার নিজেকে নিয়ে কখনো ভাবনা হয়না। জীবনটা তার কাছে কেবলই সময় কাটিয়ে দেয়া।
=====================
প্রগাঢ় অন্ধকারে ধীরে ধীরে ডুবে যেতে থাকি
আমার আত্মার ক্ষয়ে যাওয়া দেখতে দেখতে
ফুল,
সুপ্রিয় ব্লগারবন্ধুগন,
আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি সুস্বাগত। আজকের এই পোষ্টটি একটি অন্যরকম পার্টিপোস্ট। আমাদের সবার প্রিয় ব্লগার, ছায়েদা আলীর একমাত্র মেয়ে, সুহার আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ, ১০ আশ্বিন ১৪১৯ বঙ্গাব্দ , ১৯ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী , রোজ মঙ্গলবার, শুভ জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে এই পার্টির
জনাব/জনাবা,
অভিবাদন জ্ঞাপনপূর্বক শুরু করিলাম। পরম করুণাময় সুমহান স্রষ্টার অশেষ অনুগ্রহে, আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ, ১০ আশ্বিন ১৪১৯ বঙ্গাব্দ , ১৯ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী , রোজ মঙ্গলবার, আমার অসম্ভব প্রিয়, বড়ো আপির অতি আদরের একমাত্র কন্যা, সুহামণির শুভ জন্মদিন। উক্ত
জনাব/জনাবা,
অভিবাদন জ্ঞাপনপূর্বক শুরু করিলাম। পরম করুণাময় সুমহান স্রষ্টার অশেষ অনুগ্রহে, আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ, ১০ আশ্বিন ১৪১৯ বঙ্গাব্দ , ১৯ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী , রোজ মঙ্গলবার, আমার অসম্ভব প্রিয়, বড়ো আপির অতি আদরের একমাত্র কন্যা, সুহামণির শুভ জন্মদিন। উক্ত
“অদ্ভূত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে”। নাগরিক সভ্যতা চলমান সময়ে টিকে থাকছে প্রাণহীন প্রাত্যহিকতায়। এখানের পৃথিবীতে উদার আকাশ নেই। ঘাস-মেঘ-নদী, সারি সারি বলাকার ঝাঁক কিংবা মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা নেই। নিঃসীম অন্ধকারে ঢেকে আছে চারদিক। এই স্থবির সময়ে তবুও কল্পনাবিলাসী কেউ কেউ আমাদের শুনিয়ে যান আশা
যদি এমন হতো, একটি পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বাড়ি সাথে নিয়ে আপনি ভেসে বেড়াচ্ছেন আটলান্টিক মহাসাগরে! কিংবা, আপনার ড্রইংরুমের জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে প্যারিস নগরী! অথবা, ভিয়েতনামের সুবিখ্যাত উপসাগর হা লং বেতে নিজের বারান্দায় বসে প্রিয় মানুষের হাতে হাত রেখে ভিজছেন ভিনদেশী জোৎস্নায়! কেমন লাগবে আপনার?
মনে করুন, কোন এক সুন্দর আলো ঝলমলে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন, আপনার চারপাশ জলমগ্ন হয়ে আছে। কি করবেন তখন ? গ্রীণ হাউজ এফেক্টের প্রভাবে উষ্ণ হয়ে উঠছে ক্রমান্বয়ে পৃথিবী। বরফের রিজার্ভ গলে যাচ্ছে আশংকাজনক হারে। দেখা দিচ্ছে নানা রকমের প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রকৃতির
এক্সক্লুসিভ
ছোটবেলায় বহুলপঠিত একটি সংজ্ঞা দিয়ে আজকের লিখা শুরু করছি। আমাদের চার পাশে যা কিছু আছে তা নিয়েই পরিবেশ। এই পরিবেশই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। সৌরজগতের বিশাল বিস্তারের মাঝে ছোট্ট সবুজ গ্রহ, আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী। প্রতিনিয়ত অপরিকল্পিত আর অনিরাপদ পদ্ধতির
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ছোটবেলার পাঠ্যবই থেকে ওঠে আসা কিংবদন্তি। আমার এক অসম্ভব প্রিয় চরিত্রের নাম। শুধু আমারই নয়, বরং, বিংশ শতাব্দীর হাজারো বাঙালির কাছে তিনি ছিলেন জনপ্রিয়তম কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, দার্শনিক। বাংলা সাহিত্যে অগ্রগামী ভূমিকার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার
ছোট্ট একটা কৌতুক দিয়ে শুরু করছি। কোন এক মৌখিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞেস করা হলো, ভারতবর্ষে কে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন? পরীক্ষার্থী উত্তরে বলেছিলো, যে ঘোড়াটি প্রথম ভারতবর্ষে আসে, সেই ঘোড়াটি নিশ্চয়ই!! উপমহাদেশে ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তক কে ছিলেন, সেটা নিয়ে ইতিহাসের নীরস তত্ত্ব
আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলে আকাশ দেখে হাসবো কেন ?
মানুষগুলো অন্যরকম, হাত থাকবে,
নাক থাকবে, তোমার মতো চোখ থাকবে,
নিকেলমাখা কী সুন্দর চোখ থাকবে
ভালোবাসার কথা দিলেই কথা রাখবে ।
বাবাকে আমি ভীষণ পছন্দ করতাম। ছোটবেলায় বাবা বলেছিলেন, আরে ধূর!