ধারাবাহিক ট্যাগের সব লেখা

বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-১০
(পূর্ব প্রকাশের পর)
নির্ধারিত তারিখের দু’দিন আগেই আরমান আলী ইউসুফকে সাথে নিয়ে হাজির হলেন সামাদ সাহেবের বাড়িতে। বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন রিক্সায়, কিন্তু বাস স্টেশনে যাওয়ার আগেই তিনি একটি প্রাইভেট কার ডেকে নিলেন। ইউসুফ মৃদু প্রতিবাদ করেছিল, ধমক দিলেন আরমান আলী। বললেন, পড়ুন
উপন্যাস | | ১২ টি মন্তব্য | ২৯৩ বার দেখা | ৭৩৭ শব্দ ১টি ছবি
রুনের ঘটনাপঞ্জী (ক্রম-২)
এক/
অপেক্ষার প্রহর অনেক কষ্টের। ধৈর্যেরও। সাতটা দিন রুনের খুব অস্থিরভাবে কাটে। বিজ্ঞানী জেডনের সাথে একজন প্রায়শূণ্য মহাকর্ষবলীয় এলাকা ঘুড়ে এসেছেন, এমন একজন আসছেন। নোরা নক্ষত্রপুঞ্জ, বৃত্তাকারে ঘুড়ে বেড়ানো কয়েক কোটি মাইল বিস্তৃত ধূমকেতু, পর পর দশটি মৃত নক্ষত্র, নক্ষত্রের কবরস্থান, মহাকাশে হটাৎ করে সৃষ্টি হওয়া মহাজ্যোতি, পড়ুন
উপন্যাস | , | ৪ টি মন্তব্য | ২৫৫ বার দেখা | ১০৯৯ শব্দ
বৈজ্ঞানিক ভালবাসা-৯

দুইমাস পর ইউসুফ তার প্রয়োজনীয় বইপত্র আর জামা কাপড় নিয়ে নানা বাড়িতে গিয়ে উঠল। নিজেদের বাড়িতে থাকা যেত কিন্তু ইউসুফের মা হাফসা বেগম সেটা মানতে রাজী হলেন না। ইউসুফের নানা-নানী নেই। নানী মারা গেছেন ও ছোট থাকতেই পড়ুন
উপন্যাস | | ১০ টি মন্তব্য | ২৮২ বার দেখা | ৭৮১ শব্দ ১টি ছবি
রুনের ঘটনাপঞ্জী
(ব্লগ এ নাম লেখালাম। কি লিখব কি লিখব ভেবে ভেবে একটা বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি লেখা শুরু করলাম। ) শেষবার যখন পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেল তখন রুনের বাবা এক অজ্ঞাত অসুখে হটাৎ করেই মারা যান। রুনের বাবা ছিলেন বসতির দলপতি। বসতিটি খুব একটা বড় নয়। নামও নেই। কদিন পড়ুন
উপন্যাস | , | ৮ টি মন্তব্য | ২৫৪ বার দেখা | ৪৬১ শব্দ
বৈজ্ঞানিক ভালবাসা-৮
‘বাবা, আপনি ভিতরে আসুন। মা ডাকছেন।’ বলতে বলতে সদর দরজা বন্ধ করতে যাচ্ছিল ইউসুফ। তখনই দেখতে পেল গ্রাম থেকে আসা সেই দু’জন লোক প্রচুর জিনিসপত্র ধরাধরি করে বাসায় নিয়ে আসছে। দরজা বন্ধ না করে প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকালো পড়ুন
উপন্যাস | | ৮ টি মন্তব্য | ২৫৫ বার দেখা | ৮৮৪ শব্দ ১টি ছবি
বৈজ্ঞানিক ভালবাসা-৭

এক বিকেলে বাসার ছাদে দাঁড়িয়ে থেকে কি যেন ভাবছিল ইউসুফ। হয়তো বা নিজের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা। ঠিক এমন সময় তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো পাশের বাসার ব্যালকনি থেকে তার দিকে তাকিয়ে আছে দু’টি নজর কাড়া চোখ। পড়ুন
উপন্যাস | | ৪ টি মন্তব্য | ২৩৪ বার দেখা | ৬৭৬ শব্দ ১টি ছবি
বৈজ্ঞানিক ভালবাসা-৬
(পূর্ব প্রকাশের পর)
ইউসুফ আদনানের নাগরিক জীবন (!) সুখে শান্তিতে কাটতে শুরু হলো। ঘরে বসে বসে বড় ভাই সাব্বির সোলায়মানের বুক সেলফে রাখা শতাধিক উপন্যাসের বই পড়ে শেষ করার পর এখন বিভিন্ন বইয়ের দোকানের দিকেই তার দৃষ্টি। হুমায়ুন আহমেদ, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সুনীল গঙ্গোপধ্যায় পড়ুন
বিবিধ | | ৪ টি মন্তব্য | ২৪৯ বার দেখা | ৬৪৮ শব্দ
বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-৫
পাঁচ
‘মা, কোথায় তোমরা? আমি তোমাদের নিতে এসেছি’ বলেই বাড়িতে প্রবেশ করল ইউসুফ। ইউসুফের মা ছেলেকে জড়িয়ে ধরলেন। এ কয়দিন ছোট্র ইউসুফকে ছাড়া বেশ কষ্টে ছিলেন তিনি।
‘মা এবার তোমাদেরকে আমার সাথে যেতেই হবে, ভাইয়া বলে দিয়েছে’। মাকে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়েই বলে পড়ুন
উপন্যাস | | ১৪ টি মন্তব্য | ৩৬৮ বার দেখা | ৫৫৭ শব্দ ১টি ছবি
পথে পথে -১৫
পথে পথে-১৪ পুলিশের কথা শুনে মাহরুফ চৌধুরীর চোখ মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আচ্ছামতো ঠ্যাঙ্গানি খাইয়ে তারপর ছাড়বে ওকে। বেয়দব। মনেহয় ওর চৌদ্দ পুরুষের রক্তের ভেতর দিয়ে বেয়াদব মার্কা একটা রক্তের ধারা প্রবাহিত হয়ে আসছে। ক্ষনকাল ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন মাহরুফ চৌধুরী। তার দেরী সহ্য পড়ুন
উপন্যাস | | ৫ টি মন্তব্য | ২৮৯ বার দেখা | ৫৪৮ শব্দ ১টি ছবি
পথে পথে -১৪
পথে পথে-১৩ মেইল বক্সে আর একটা মেইল এসেছে। তাহমিনা সাথী লিখেছে। রোমন্টিক চিঠি। তার অনেক অভিমান, অভিযোগ। লিখেছে, তুমি একটা অমানুষ। যে তার জন্য নি:স্বার্থপর, আপন মানুষটার পবিত্র হৃদয়টাকে উপলব্ধি করতে পারেনা তার চাইতে খারাপ পৃথিবীতে আর কেউ নেই। তাহমিনার সাথে পরিচয় অনেকদিন আগে। পড়ুন
উপন্যাস | | ১১ টি মন্তব্য | ৩২০ বার দেখা | ৬৪৫ শব্দ
বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-৪
যে আনন্দ ডানায় ভর দিয়ে বড় ভাইয়ের সাথে শহরে এসেছিল ইউসুফ তা মাত্র দুই দিনেই কষ্টময় এক কঠিন জীবনে পরিণত হলো। শহরের অভিজাত এলাকায় সুন্দর একটি ফ্লাট ভাড়া করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য যোগদানকারী প্রভাষক সাব্বির সোলায়মান। নিজের বেডরুমে একটি বেড আর কিছু আসবাবপত্র ছাড়া পড়ুন
বিবিধ | | ৪ টি মন্তব্য | ২৬৬ বার দেখা | ৩২৫ শব্দ ১টি ছবি
বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-৩
ভালোবাসা কাকে বলে জানা ছিল না ইউসুফ আদনানের। তবে ফারিয়ার প্রতি তার যে একটা অন্যরকম আকর্ষণ ছিল তা ঠিকই টের পেত ১৪ বছর বয়সী এই কিশোর। ফারিয়া তাদের গ্রামেরই এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। তখনো মাত্র ক্লাস সেভেনের ছাত্রী! প্রতিদিন অন্তত একবার দু’জনের দেখা পড়ুন
উপন্যাস | | ১৯ টি মন্তব্য | ৩৫৭ বার দেখা | ২৬২ শব্দ ১টি ছবি
বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-২
‘চাকুরী তো তারাই করে যারা চাকর, আর আমার পক্ষে চাকর হওয়া সম্ভব না। তার চেয়ে বরং বাদাম বিক্রেতা হয়ে ঘুরে বেড়াবো।’ মুখে হাসি টেনে ইউসুফ আদনান এমন কথা বললেওে এটাই যে তার মনের কথা সেটা মানতে চাইলেন না বড় ভাই প্রফেসর ড সাব্বির সোলায়মান। পড়ুন
উপন্যাস | | ১২ টি মন্তব্য | ৩২৯ বার দেখা | ৭২১ শব্দ ১টি ছবি
বৈজ্ঞানিক ভালোবাসা-১
নিজ অফিসের চেয়ারে বসে কফির মগে চুমুক দিচ্ছে ইউসুফ আদনান। ভাবখানা ঠিক যেন ‘আয়েশ করে পায়েশ’ খাওয়ার মতো! দৃশ্যটি দেখলে যে কারো মনে হবে এমন সুখী মানুষ পৃথিবীতে বোধ হয় আর দ্বিতীয়টি নেই। স্যূট টাই পরে প্রতিদিন এমনভাবে অফিসে আসা যাওয়া করে যেন বারাক পড়ুন
উপন্যাস | | ১২ টি মন্তব্য | ৩১২ বার দেখা | ৯৯৪ শব্দ ১টি ছবি
প্রিয়ন্তী-০৫ (সংস্কারের প্রাচীর ভাঙ্গা তরুণী)
রাজশাহী রেল স্টেশন থেকে রিক্সায় দুজনে প্রিয়ন্তীর মেস পর্যন্ত এলো কিন্তু প্রিয়ন্তীর মুখে কোন কথা নেই। গম্ভীর মুখ কালো মেঘে ঢেকে গেছে। চোখ দু’টো টলমল করছে, বার বার করে সুশান্তর মুখের দিকে তাকাচ্ছে, পড়ুন
উপন্যাস | | ১৭ টি মন্তব্য | ২৫০ বার দেখা | ৮৩৮ শব্দ ১টি ছবি