দেখেছি প্রশস্ত পরিবারে ভাঙ্গনের দাগ
সবুজ ঘাসের বুকে হলুদ ডোরা কাটা শাড়ি।
সকালে ঘুম থেকে জেগে এক কাপ চায়ের সাথে
দুটো টোষ্ট বিস্কুটে এখন আর হয় না, বিস্মৃতির তলোয়ার
কেটে দু-ভাগ করে তেপান্তরের মাঠ,ঘরের খাট, খাবার টেবিল
আর পাশের সঙ্গীনি, চুম্বনের দাগ বয়স কালে বেশ বিভ্রম ধরায়,
কীর্তনখোলার তীরে
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৮৪ শব্দ
এক দিন পা ফেলে ফেলে
গেরুয়া মেঠো পথে যুগল হাত,
বাতাস চুলের সৌখিনতায় হাত বুলিয়ে যায়,
ভিন্ন হাতে তুমি সামলাতে অস্থির শাড়ীর আঁচল;
কি কথায় মাতাল সময় গুড়িয়ে তরল সন্ধ্যা নেমেছিলো
আজ আর তা মনে নেই ।শুধু জানি ভালোলাগার রেশ
আজো একাকি কষ্টের বিলাস বসনের ঘরে।
মরুভূমি হারিয়ে যায়
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ১০৫ শব্দ
ভুলকরে ঘোলা জলে নেমে মগ্ন চৈতান্ন কুমিরের কাছে;
বাধা ধরা জীবনে কি স্বাধ কুমির তার কতটুকু জানে।
আজন্ম জীবন বেচা কেনার মাঝে খুচরো পয়সা হয়ে থেকে গেলাম;
যে সমুদ্র দেখব বলে বেলাভুমিতে বসত ভিটা সেখানেই মরুঝড়,
যে ঝড়না দেখবো বলে পহাড় চূড়ায় উঠি
সেখানে শুধুই শ্যা্ওলা ধরা পাথর।
রং উঠে
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৯১ শব্দ
আজো আমি তোমার পাশে আছি হাজারো নক্ষত্র এর মত
আজো আমি তোমাকে অনুভব করি বৃক্ষের ডালে ডালে পাতায় কিংবা ফুলে;
আজো আমি ভালোবাসায় ভিজে চলি কুয়াশার পথে
আজো আমার জীবন বীজ মরুভূমিতে বৃক্ষের ডালপালা
হয়তো তোমার জন্য সবুজ আনতে পারিনি কোন দিন সিক্ত বসন্তে,
হ-য-ব-র-ল
|
কুবিতা
|
|
| ১৫৮ শব্দ
নীল আকাশে উড়বো বলে কিনে আনি
প্রজাপতির ডানা
তখন কি আর জানতাম
ডানা গুলো বেচে থাকে তিন কিংবা চার দিন।
এক অভীমানি নদীতে ভেসে যায়
সুখের বসতভিটা,
সমান্তরাল ধূলো শরীর; আর
নীল পোশাকের আকাশ।
তুমি আমি বাতাসে পারাপার;
সময়ের চিহ্ন খুব কি ঢেকে রাখে
সামাজিক বুনন!
আজো সুখ ফেরি করে যাই
কষ্টের মূল্য
কবিতা
|
কুবিতা
|
|
| ৮৬ শব্দ
আপন সাজাই, আপন ভাবাই, আপন নিয়ে কান্নাকাটি
আপন ভুবন দুয়ার খুলে স্মৃতি নিয়ে ঘাটাঘাটি।
আপন মানুষ, আপন ফানুস, আপন চোখের জল
আপন নিয়ে রঙ্গ মঞ্চে সাজাই আপন ঘর।
আপন সুজন, আপন উজান, বুকে আপন ভার
আপন থেকে আপন হতে দুঃখ কুড়াই তার।
আপন হাতে আপন চুড়ি, অনেক আপন সুখকে চুরি,
আপন
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৯৯ শব্দ
কক্ষ পথে ঘুরতে গিয়ে
বক্র পথে দূর
তোমার আমার মিলন রেখা
সাত সমুদ্দুর।
হিসেব থেকে অংক গুলো
তারার মত খসে
তবু আমার সরল গনিত
তিন ব্রাকেটে বসে।
অগ্র বুজি পিছন তাকাই
চলার পথে বাঁক
আমার চোখে গভীর রাতে
হাজার তারার ঝাঁক।
চিকন চোখের গাঢ় কাজল
তোর ঘরে বিন্যাস
আমার শুধু ধুত্রা ফুলে
জীবন হা হুতাস।
রেলিং ধরে দারিয়ে থাকি
মনের কোনে
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৫০ শব্দ
কেমন করে জীবন পোড়াই,
কেমন করে কান্না উড়াই
কেউ জানে না, কেউ জানে না।
কেমন করে নষ্ট প্রহর দুঃখ গুলো
চৈত্র মাসের হা্ওয়ায় উড়াই
কেউ জানে না, কেউ জানে না।
কেমন করে সুখকে বাঁধন
যত্ন করে আগলে রাখি – স্মৃতির ঘরে
কেউ জানে না,
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৭৮ শব্দ
বুকের মাঝে কষ্ট জমাট
বুকের মাঝে রংধনু রং;
বুকের মাঝে মুখ লুকানো
বুকের মাঝে বাসন্তী ঢং।
বুকের মাঝে সাগর হারায়
পৃথিবীটা ছোট অনেক;
চোখের মাঝে যা দেখা যায়
বুকে থাকে হাজার জমিন।
তুমিও কি স্বপ্ন লুকাও
দু’চোখ বুজে বুকের মাঝে;
স্বপ্ন পোড়া ছাই গুলো সব
জমে থাকে বুকের
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ১১৩ শব্দ ১টি ছবি
বহুদিন পরে আবার হীমঘরে
খুঁজে যাই নিজের লাশ,
জীবন না থাকুক কিছু বেঁচে আছে,
শুকনো ফুলের কিছুটা সুবাস।
বেআব্রু নেশা, বর্ণালী রাতে; মাতাল স্মরণ দিন,
তেরদশী চাঁদ তবুও হতাস স্মৃতিরা ক্লীবহীন।
নাবিকের নোঙর ভুল জলে হলে
জাহাজ পায় না কূল,
চুরি করা ফুলে দেবী খুশী
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৬৩ শব্দ
ভালোবাসা একটা নদী
তোমার পায়ের কাছে,
ইচ্ছে হলে নূপুর ভেজাও
গল্প বলার ছাঁচে।
পথের থেকে চোখ ঘুরিয়ে
তৈরী করো বাঁক,
বাঁকের থেকেই তৈরী পথের
দুঃখ চূলায় যাক।
আমার মনে বসন্ত রাগ
তোমার দাদরা তাল,
আমার মনে এক্কা দোক্কা
তোমার দাবার চাল।
আমি খুঁজি শব্দ কথা
তোমার প্রিয় সুর
তুমি আমি
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৫৭ শব্দ ১টি ছবি
যে সুখে বেঁধেছিলাম পৌষের ঘর, জ্বলন্ত আগুন দিয়ে গেলো তাপ
তবু আশাঅনুপাত হৃদয় ভাঙ্গা সুর
স্বাধীনতা হয়তো সব দিতে পারেনি কিংবা পারে না।
লক্ষ্মন রেখা ভেঙে অনেকেই সীতা হয় অধিক মমতায়।
প্লাবনে পরে টিকে থাকা ভেলায় কেউ কেউ
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ১২৬ শব্দ ১টি ছবি
হায়রে ছুড়ি তোর হাতের চুড়ি
হলুদ রঙ্গে বাজে,
তোর হাতেই সাজবে বলে
বসন্ত আজ আসে ।
তোর কপালের হলুদ টিঁপে
এক বিকেলের রং,
ভালোবাসাই সাজিয়ে রাখে
ভালোবাসার ঢং।
শোনরে ছুড়ি হলুদ শাড়ী
তোকেই মানায় বেশ,
তোর আচলে বেশ খুঁজে পাই
স্বপ্ন
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৪৩ শব্দ ২টি ছবি
এইতো সে দিন
চাঁদের আলো ধরতে গিয়ে
তপ্ত রোদে গা ভেজালে;
আগুনটাকে জ্বালবে বলে
দু’হাত ভরে ছাই উড়ালে।
এইতো সে দিন
ফুল গুলোকে ছোঁবে বলে
রক্ত দিয়ে হাত রাঙ্গালে;
পাখির পালক ধরতে গিয়ে
স্বপ্ন গুলো খুব আঁড়ালে।
এখন তোমার হিসেবি মন
প্রজাপতির ডানায় আঁকে
চাওয়া পাওয়ার
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ৬৫ শব্দ ১টি ছবি
আমি নদীর জল দুই হাতে তুলে নিজের ছায়া দেখতে চেয়েছি,
ধীরে খুব ধীরে কাঁপন ধরা আরশীতে যখনি নিজেকে
দেখবো বলে ঝুঁকি, আঙ্গুলের ফাঁক গলে হারিয়ে যায়
সব তরল সৌন্দর্য্য। আর নিজেকে খুঁজে পাইনা।
নদীর বুকে সপাং সপাং শব্দ তুলে,
বিবিধ
|
কুবিতা
|
|
| ১৯৫ শব্দ ২টি ছবি