কাব্য ও যন্ত্রণা! ট্যাগের সব লেখা
নন্দিতার সাথে আমার পরিচয়টা হয়েছিলো খুব সাধারণভাবে। আমি ঢাকা থেকে বাসে করে সিরাজগঞ্জে আসছিলাম, আমার পাশের সিটটাতেই বসেছিলো নন্দিতা। বয়স আঠারো-উনিশের মতো হবে (মেয়েদের বয়স বলার ক্ষেত্রে বেশীরভাগ সময়ই আমার ধারণা ভুল হয়ে থাকে), একটু লম্বাই হবে, ধরুন পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি, দেখতে শিল্পা
তুমি নেই, তুমি নেই ,
আমি শুকনো গাছের পাতা ।
তুমি নেই , তুমি নেই ,
আমি কৃষ্ণদার , ফুটো পড়া ছাতা ।
তুমি নেই ,তুমি নেই
বিষণ্ণ মহাকাল ।
তুমি নেই ,তুমি নেই
তবু
কৃষ্ণচূঁড়া লাল ।
তুমি নেই ,তুমি নেই
নেই সেলফোনে
নিরাশ্রয় এই আমি
স্বপ্ন খুঁজে ফিরি
কবিতার মাঝে
ওরা আমাকে বুক ভরা ভালোবাসা দেয় ।
স্বপ্ন দেয়
দেয় দগ দগে কিছু ক্ষত
আমি তার শুস্রশা করি
কবিতা আমাকে সব দেয়
মায়ের হাসি , রাখালের বাঁশী ।
বাবার জায়নামাজ ও দেখায় ।
আমি আশ্রিত
কবি ও কবিতার কাছে
আমি
কাল
নয়ত কোন কালের এর পর
হঠাৎ একদিন ।
আমার তৃষ্নার্ত দুচোখ
হয়তো ভিজবে
তুমি আসবে বলে ,
কালের পর কাল
আমি, তৃষ্নার্ত
অপেক্ষায়,তুমি
আসবে বলে ।
মেঘলা আকাশ
মেঘলা মন
মেঘলা দিনে
মেঘের ক্রন্দন ।
সুপ্ত আশা
সুপ্ত মন
সুপ্ত চাওয়ার
সুপ্ত রোদন ।
শুকনো ঠোট
শুকনো হাসি
শুকনো প্রান্তর
করুন বাঁশি ।
শুভ্র সকাল
নিকষ আঁধার
চড়ুই বুকে
কষ্ট পাহাড় ।
এক্সক্লুসিভ
অন্তরালে মুচকি হাসে
স্বর্গীয় দেবারা,
নৈতিকতার ফেরিওয়ালা আজ
নষ্ট ও নষ্টারা।
*
*
*
বৃথা পন্ডশ্রম
শতক ধুলে,
কয়লার ময়লা
কাটে না কোনোকালে।
*
*
*
বেলা বয়ে যায়
নিরন্তর,বসে
থাকে না সময়।
দিনে দিনে অনুভূতিহীন হয়ে পড়ছি
তুমি আমার অনুভূতি খাচ্ছ প্রতিনিয়ত ।
শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে সব দগদগে ক্ষত…………………………
তুমি চলে যাও, বিবেকহীন হয়ে,
তোমার সৃষ্ট কষ্ট গুলো আমাকে
ফিরিয়ে দিক সেই সব যন্ত্রনা যত……………………
বেঁচে থেকে লাভ কি বলো,
যদি অনুভূতিহীন হই ?
কষ্ট গুলো নেশার মত না হলে …………
আনন্দের
মায়াবী নিবিড় নিশি
যায় কেটে তন্দ্রায়
বিষাদে ডানা মেলে
ছেয়ে দেয় আঙিনায়;
সেই প্রিয় মুখ
স্বপ্ন দেখতে চোখ
থাকে উন্মুখ।
তীব্র তাড়ন তার
পাগলপারা
দু’চোখ উপচে ঝরে
জলের ধারা।
দুই ফোটা জল
নয়তো কেবল
শুধু জল বিন্দু
বুকেতে তার
আর্তনাদ আর
হাহাকার এক সিন্ধু।
নীরব সঙ্গী করে
নীল ধ্রুবতারা
মায়াবী মায়া রাত
চোখ ঘুমহারা।।
আজও সেই প্রিয় মুখ
মনে দেয় দোলা,
বলি বলি বলি করে
কোনও এক অবসরে
মনের গোপন কথা
হয়নি তা বলা।
*
*
*
পরম অনাদরে
জীবন থেকে প্রতি
দিন যায় ঝরে।
মুখ পেতে রই মুখোশধারী
গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী
স্বার্থান্ধ হায়েনা পানে
বিভ্রান্ত হই বারংবার-ই
চর্বিত চর্বণে।
আবার যুদ্ধে যেতে হবে
ত্রিশ বছর পরেও আজো
অন্তিম | ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১১ | ২০:৩৩
১।
আজ তোমার দ্বান্দ্বিক মনের শহরে
অন্ধ শালিক ও গোখরার সহাবস্হান
আমি ঠিকই জানি,
শেষরাত্রেই তুমি গোখরার চুম্বনে
পরিপূর্ন বিষাক্ত হবে,
নীলবর্ন হবে,
প্রশান্তি আনবে আপাদমস্তক
আর এও জানি,
অন্ধশালিকও ঘুমাবে তখন শশ্মানে
টেবিলে কয়েকটি কবিতা লিখে রেখে
২।
কি চাও তুমি?
একটি কবিতা!
একটি সুর!
একটি গান!
নাকি ডালকাটা বৃক্ষের কষ্ট?
৩।
বলতো এখানে সাদৃশ্য কোথায়?
” বিদ্যুৎভ্রষ্ট একটি রাখালের বিকৃত মুখ
কবিতা, জীবন
|
কাব্য ও যন্ত্রণা!
|
|
| ২০০ শব্দ ১টি ছবি
আমি তো তোর ছুঁইনি দেহ
ছুঁয়েছিলাম মন,
সেইখানেই একটু ছিলো
অবাধ বিচরণ।
উচ্ছিন্ন নুড়ি আমি
ঠিক তো ছিলাম ভালো
জুতোর ডগার ঠোকরেতে
ভাসতাম এলোমেলো।
কোন খেয়ালে তুললি
আবার ছুঁড়ে ফেললি!
উড়েই যদি যাবি ময়না
বুকে দিয়ে ক্ষত,
স্বপ্ন দিয়ে পাথর দেহে
প্রাণ ফেরালি কীসের মোহে
দেহ খাঁচা বেড়াই বয়ে
আত্মাটা আজ মৃত!
পাখি যতোই থাক যতনে
স্বর্ণ খাঁচায় বন্দি
খাঁচা ভেঙ্গে নিত্য পাখির
মুক্ত হবার ফন্দি।
ফিকির সারাক্ষণ,
এ ডাল হ’তে ও ডালেতে
অবাধ বিচরণ।
অজানার ওই হাতছানি-
গড়ায় ভাটিতে পানি
অনাবিল উচ্ছ্বাসে অবগুন্ঠিত
হয় গ্লানি।
মায়া-মমতা বহতা
চির অচ্যুত নয়,
ক্ষনিক তরের মোহ মায়া
মরিচীকাময়।
যা হয় আগে-পরে,
সীমাহীন স্বাধীনতা
স্বেচ্ছাসারী করে।
************
প্রতিদিন,একদিন
জোয়ার ও ভাটাহীন।
************
জ্যোস্নাবিধুর পূর্ণিমাতে
সবাই যখন বনে
আমি তখন চাঁদটা খুঁজি
নিভূত এক কোণে।
চাঁদ আসে না দৃষ্টিতে
ডুবি আঁধার বৃষ্টিতে!