দূর ছাই! কি যে করি? কোথায় লুকাই তারে?
খুশির খবরে যদি চোখে আসে জল?
জীবনের প্রতি পদে হোঁচট খাওয়া
কষ্ট দুঃখ নিয়ে নিত্য পথ চলা
না থাকে সঙ্গী যদি কেউ,
থাকে অশ্রুজল!
সেলফোনে আসে যদি কোন আনন্দ বারতা,
যা শুনে জুড়ায় এ প্রাণ, ভরে যায় মন,
নিরাশার মাঝে করে আশার সঞ্চার
তবু সে
ছবি | মার্চ ২৩, ২০১১ | ১০:৫৭
জী বন ও জীবিকার ধান্ধায়
ব য়ে যায় সময় কালের চাকায় ।
ন তি স্বীকার করতে হবে বয়সের কাছে
এ মনই তো মোদের জীবন
ম নের অনেক আশা রবে অপূরণ ।
ন ই কোন বিখ্যাত মনে রাখবে না কেউ
ই চ্ছা-আশা-আকাংখা সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে সময়ের ঢেউ ।।
কবিতা
|
অ-কবিতা, অণুকাব্য
|
|
| ৪২ শব্দ ১টি ছবি
ভয়ঙ্কর ঝড় হয়ে ঠিক দেখো
একদিন উড়িয়ে নিয়ে যাবো
অভিমানী তোমাকে।
আমাদের সাথে যাবে
সব সুখ, সব আশা
সব পাখি, সব নীড়
সমস্ত পাড়াগাঁ আর
সৌন্দর্যের যত ভীড়।
কবিতা
|
অণুকাব্য
|
|
| ২৮ শব্দ
তোমার উপমা দিতে গিয়ে
শীতের চাদর, জামার বোতাম, কোমরের বেল্ট
হাতঘড়ি, নোটবুক – কোনোটাই
যথাযথ মনে করতে না পেরে
অবশেষে বুঝলাম
তুমি আমার জুতোর ভেতর
জেগে ওঠা গোপন কাঁটা
যে কাঁটার আঘাত শুধু একাই বুঝি
পুরো পৃথিবী জানে আমি সুখী একজন।
কবিতা
|
অণুকাব্য
|
|
| ৪২ শব্দ ১টি ছবি
যা হয় আগে-পরে,
সীমাহীন স্বাধীনতা
স্বেচ্ছাসারী করে।
************
প্রতিদিন,একদিন
জোয়ার ও ভাটাহীন।
************
জ্যোস্নাবিধুর পূর্ণিমাতে
সবাই যখন বনে
আমি তখন চাঁদটা খুঁজি
নিভূত এক কোণে।
চাঁদ আসে না দৃষ্টিতে
ডুবি আঁধার বৃষ্টিতে!
শব্দনীড়
চুপ! শব্দকে ওভাবে জাগাতে নেই। শব্দেরা ঘুমিয়ে
থাক নিঃশব্দের ঐ শব্দহীন ঘরে। এসো, তুমি আমি
নৈঃশব্দের প্রহর গুনি। দেখি শব্দেরা কী করে ভীড়
জমায় হৃদয়ের শব্দকোষে। প্রেমের পরিভাষা সমৃদ্ধ
হোক শাব্দিক প্রেমালাপে, শব্দে গাঁথা হোক নির্বাক
ভালবাসা, শব্দময় হয়ে উঠুক জীবন। শব্দ ব্যঞ্জনায়
মেতে
কবিতা
|
অণুকাব্য
|
|
| ৮১ শব্দ ১টি ছবি
অংশ | জানুয়ারি ১৭, ২০১১ | ০৯:০৩
(১)
রাতকে রাখো সাক্ষীর কোটায়
দাঁড়াও নিজে কাঠগড়ায়
তার সাথে কত কাটিয়েছি সময়
বুক ভাসিয়ে কেঁদেছি, কত যন্ত্রনায় |
(২)
তুমি আর আমি, চাঁদ আর সূর্য্য
সময়
কবিতা
|
অণুকাব্য
|
|
| ৫০ শব্দ ১টি ছবি
| জানুয়ারি ১৩, ২০১১ | ১৫:৫৬
আজ আমি অনেক দূরে, ইচ্ছে করলে ও তুমি আমার কাছে আসতে পারবেনা,বলতে পারবেনা আমার অনেক কিছুর প্রয়োজন,অনেক অনেক অর্থ তোমার অপচয় করবো? আমাকে দূরে ঠেলে দিয়ে তুমিত ভালইআছো?আমি জানি আমোকে বাদ দিতে তোমার একটু ও কষ্ট হয়নি?ঠিকই নতুনকে মেনে নিয়েছ।কখনো কি মনের অজান্তে তোমকে
বলে জ্ঞানীজনে,
মানুষ তা ঘরে তোলে
যা ক্ষেতে বোনে।
*
অনেক হলো ভাবনা নিয়ে
আঁকড়ে ধরি ঘর,
নিদারুণ অবহেলায়
ঘর করে দেয় পর!
*
দেখাতে হদ্দ হয়ে
বুঝি আজ অল্প,
নির্বাচনী ওয়াদা
আষাঢ়ের গল্প।
দেখতে তুমি কী অপরূপ
চোখ যা ফাটাফাটি;
অহংকারের নাই কিছু তাই
মাটি খাবে, মাটি।
আমি আধা
পৌনে তুই
সোয়া-জনে
মিলে দুই।
নেই কাজে খই ভাঁজে
বসে গেড়ে ঝান্ডা,
ভেবে দিশেহারা আগে
মুরগী না আন্ডা!
মানা, মানে জানা
***
অনুতাপে গলে পাপ
ঝরে-ঝাড়ে উত্তাপ।
***
এক মনে
ক্ষণে ক্ষণে
রাঙে রংধনু রঙে।
তণ্বী
বিশ্বাস করো তণ্বী
তোমা ছাড়া বুকে জ্বলে
সর্বগ্রাসী বহ্নী।
ফুল
একলা এক বনে
তুমি একলা ফুল
আমি মধুকর করি
মধু ছেঁখে ভুল।
পদ্মদীঘি
তুমি আঁক জলছবি
পদ্মদীঘির জলে
কতজন ডুবে মরে
অনন্ত অতলে।
রাত
রাত নামে যবে
আমি কিগো তবে
বসে বসে গুনব তারা
তোমা ভেবে ভেবে।
পাপ
পাপ হবে কি
তোমার চোখে
রাখি যদি চোখ
খুলে দিতে বদ্ধ কারা
তোমার দয়া হোক।
গোমটা
তুমি বল লক্ষীসোনা
আমি বলি জানু
শেষ
কবিতা
|
অণুকাব্য
|
|
| ৫৯ শব্দ