স্বপ্নাবিষ্ট বেভুল বাউল, কবি ভামতি হোসেন

আমার দোপাটি ফুল, লজ্জাবতী লতা, ডায়েরির ভাঁজে রাখা, শুকনো বট পাতা
কিছুই ছিল না ছল ।
মৃত্যু আমার মুঠো ভরেছে
শুষ্ক ঘাসে, আমি মাটি ভেদ করে
এনেছি অমৃত,
ভাসিয়ে দিয়েছি জলে ।
স্বপ্নাবিষ্ট বেভুল বাউল, সাগরের পানে ছুটি
পিছু ডাকে কোন নষ্ট জান্তা
মায়াময় মুখ, ধূপের ঘ্রাণ, আধো আধো বোল, সিক্ত ঠোঁট নারী ।
পাঁজরের হাড় ভেঙে সিঁদ কেটে চোর
অনিমেষ বোনে
স্থবির কাব্য, সীতার পাঁচালী, পাঞ্চলীর প্রেম, মিছে মহত্ত্বের মলাটে ।
[ পিছুটান / কাকলী মুখোপাধ্যায় ]


স্বপ্নাবিষ্ট বেভুল বাউল … সাগরের পানে ছুটি ।
স্বপ্নাবিষ্টদের সমুদ্র যাত্রার কথা শুনলেই আমার মনে পড়ে কবিদের রাজা শার্ল বোদলেয়ারের খুব প্রিয় THE VOYATE কবিতাটি
one morning we depart our brains full of flame hearts swollen with ranwar and bitter desire and we travel following the rhythm of the waves and rocking our infinity on the finite sea .

কবি ড. কাকলী মুখ্যোপাধ্যায় জন্ম ১৯৬৮ ৮ই জুন রাজশাহীতে ।
ঈহিতা
তাঁর বাবা প্রয়াত ড. সুনীল কুমার মুখোপাধ্যায়, মা মহান ভাষা সৈনিক প্রয়াত পারিজাত মুখোপাধ্যায় । কবি ২০১০ এ ” জীবনানন্দ দাশের উপন্যাসে মানুষের আন্তর্জীবন ও বহির্বাস্তব ” অভিসন্দর্ভের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় থেকে পি এইচ ডি অর্জন করেন । বর্তমানে ফরিদপুর গভ. কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ

কবির এই টুকরো পরিচয় জানতে পারি তাঁর কাবিতার বই ” ঈহিতা ” র পেছন মলাটে । তাঁকে প্রথম যে নামে চিনি ভামতি হোসেন … নামটা প্রথমবার দেখে ভাবি এ আবার কেমন নাম ! ফেসবুক ইনফো তেও বিস্তারিত কিছু লিখা ছিলো না … যতটুকু মনে করতে পারি ” কবিতার ক্লাস ” গ্রুপে প্রথম ভামতি হোসেনের কবিতা পড়ি, পড়তাম মন্তব্য করেছি নির্ভয়ে ভালো লাগা থেকে অদ্ভুত একটা মোহ কাজ করতো শেষ রাতে ঘুম না আসা রাস্তায় হাঁটতে যেমন ঘোর তেমনি একটা ঘোর । হুম হেঁটে যাওয়ার ঘোর অতিক্রমের ঘোর সব ছেড়ে ছুঁড়ে যাওয়ার মতো ।

পথের দীঘল রেখা লেপে দিল ক্লান্তি অমাবস্যা।
বাড়াইনি হাত
দেয়ালে লেগে ঠিক ফিরে আসবে জানি।
তুমি, সে ,তিনি জীবনের যত মিছে আয়োজন
সফেদ চাদরে কবর দিয়েছি কষে।
আশৈশব বা আমৃত্যু কেবলই হাত খালি করে ফেরা
ললাট লিখন।
তবুও জানি আছে ভিনগ্রহী নাবিক
যার বিউগেলে
বাজে বেজে যায় ঝরে অবিরল স্রোত
আমারই প্রাণপঙ্ক ধারা। [ …অ্যালিয়েন / কাকলী মুখোপাধ্যায় ]…

কোন কোন ভ্রমণে তিক্ততা আছে কিছুটা ক্ষোভ আছে সমাজ প্রথা চ্যালামি ভণ্ডামি ভেলকবাজী আর শ্রেণীবিনাস্যের প্রতি । যেমন তাঁর
” উদ্ভট ” কবিতাটি
…..
আর কত হাঁটায় যায় উটের নগরে ?
ডানাভাঙা পায়রার চোখে,
মৃত আকাশের ঘোলা স্ন্যাপ ।
দুর্বাসা মুনির গুরুমারা চ্যালা বটে
চাণক্য পণ্ডিত ।
কূটকলা বিশারদ তারই শিষ্যরা আজ, বণিকাধিপতি,
গ্রাসে মাংস মদ রক্ত, পুঁজির প্রতাপ ।
একদা একটি বাঘের গলায় হাড় ফুটেছিল জানি ।
জানি নাই উপকারী বকদের কথা ।
আর কত দেখা যায়, ঠকে যাওয়া কাক অশ্রুশূন্য রোদনে ?
বিড়ালের প্যাঁচাদের মুখে উটের নিরীহ গ্রীবা
ঝুলে আছে কাত হয়ে, জল ঝরে পড়ে
নগরীর বুকে ।

এমন আরো কিছু উচ্চারণ

***
কক্ষপথে কলুর বলদ
গ্রহ মহারাজ,
ছিটকে সরিয়ে নেবে নিজেকে সে পথ বন্ধ করেছেন বিধাতা পুরুষ ।
[ কক্ষভ্রষ্ট ]

***
আজীবন ছোটা বাসে ঝোলা বাদুড়ের বেশে ।
কুকুরের অভিশাপে বিষ,
উচ্ছিষ্ট পায় না কোনো থালে ।
পশুরাও ভুলে গেছে গোলামীর সব ইতিহাস ।
খাদ্যের গুদামে জ্বলে ক্ষুধার্ত উদর ।
ভেজালির মুখে ঝোলে পাকস্থলী এক
পচনের দেরি নাই আর ।
[ অভিশাপ ]

***
ভোজ শেষ হলে
বাঁকা চাঁদ উঁকি দেয় থালার ফুটো গলে অবিরাম আলোর প্রপাত
নামে,
ভুগা ফাঁকা ঘরে ।
আগুন জ্বলবে ।
উচ্ছিষ্টের উচ্ছিষ্ট হবে মৃতসঞ্জীবনী
[ সঞ্জীবনী ]

একপাশে ক্ষুধার্ত অন্যপাশে যাদের ক্ষুধা শেষ হয় না কখনো … আরো কিছু কবিতার পঙক্তি
***
মেধাহীন নাগরিক করে,
কেবলই নগর পাতন ।
জোয়ারের স্রোতে ঘর ভাঙে
ক্ষুধা জরা ব্যাধি ক্লেশ, কেবলই গ্রামের পতন ।
আকাশ জুড়িয়া মাতালের হাসি
নক্ষত্রের বুকে আজ বোধের মরণ ।[পতন ]
***
হনুমানের আঙ্গুলে ধরিয়ে
আগুন তামাশা দেখে রাবণজান্তারা
লঙ্কপুরী পোড়ে না তো পোড়ে যে মানুষ
সং সেজে ঢং সারারাত তারপর উপোসীর ভাত
টলমল হাসি নাই মঞ্চে
এপাশে ওপাশে শুধু
জন্ম অভিশাপ ।
[ সং ]

আবার কখনো স্নিগ্ধতার মায়াজালে লেখা যা পড়তে মন হিম হয়ে যায় । অপূর্ব চিত্রকল্পের প্রাণময়তা আত্যন্তিকতা উদ্দীপনশৈলীতে Cecil Day Lewis থেকে emotion and passion এর সাথে Word picture পরিবর্তনের যেমনি বলেছিলেন … বারবার মুগ্ধ হয়া খুব প্রিয় কয়েকটি কবিতা জল কাব্য তিনটি নস্টালজিক সাথে চমত্কার এবসট্রাক্ট , সাথে ফেরা ১ ২ ৩ আমার ভীষণ মনে ধরেছে ।

Ezra Pound এর Alba , A Girl , Causa র মত নাতিদীর্ঘ কবিতাগুলো কিংবা হেলাল হাফিজের অশ্লীল সভত্যা শহীদ কাদরীর বৈষ্ণব যদি একদেখায় মুখস্ত হয়ে তবে, কবি কাকলী মুখোপধ্যায়ের নার্সিসাস, মোছা কবিতাগুলোও পড়তে পড়তে মুখস্ত হয়ে যাবে

ফুটপাত চিরচেনা দাগ
একটি চায়ের ঢপ চেনা স্বাদ, চেনা দাম , চেনা টিটকারি ।
মুছে দিতে চাও
রবারের পোঁচে ?
কালো কালো গুঁড়োগুলো মিলে
অন্ধকার বোনে কবিতা ।
[ মোছা ]

A nature artist however does not propose to evade the riddles around him . He takes stock of significant directions and purpose of his age and of their more clear and concrete embodiments in the men of his age . He arrives at his own philosophy and builds his own world which is never a negation of the actual one, but this is the same living world organized more truly and proportionately by the special reading of it by the special poet ( Bangla poetry today ) জীবনান্দের এই জনপ্রিয় ইংরেজী প্রবন্ধের এই কয়েকটি লাইন হয়তো আধুনিক কবিতার জন্য চিরন্তন সত্যের মতো কিছু । একজন কবির চারপাশ কে অস্বীকার না করে বরং তার মধ্যে থেকেই নিজেকে আলাদা করা, যাকে তিনি বলেছেন মুদ্রাদোষ ; সকল লোকের মাঝে বসে আমার নিজের মুদ্রাদোষে আমি একা হতেছি আলাদা ? …
আমি নিজে ভাবি এই দোষটি না থাকলে কবি ধর্মই থাকে না ।

কাকলী মুখোপাধ্যায়ের নিজের কবিতাতে তিনি নিজেকে চিনিয়েছেন এই ভাবে, আমি অন্তত এমন আমিত্বকে দেখেনি কোন বাংলা কবিতায় …

ইউক্যালিপটাসের রং দেখে ভাবি
সাদা হাতির কালো মাহুত
এই আমি কেন এতো বর্ণহীন ।
বিকারে ঘোরে রচি কাব্য রসাতল ।
ভয়াল বাঘের মুখে বাজিকর দিলো তার মাথা
যেমন নিষ্কাম প্রত্যাখ্যান জানায় উদর তাহার ।
তেমনি অন্ধকারে দিয়েছি
রাখী জলে ফেলে ।
[ রাখী বিসর্জন ]

***
আমি নাকি ছায়া এলে এত রাতে ঘরে ?
পিশাচের মতো
স্যাকস্যাকে সাদা মুখ বিবর্ণ অধর ?
বাঁচতে চাও কত শত বছর
কাছিমের মতো শ্যাওলা মাখানো গায়ে ?

[ বেঁচে থাকা ]

***
কিছুই ভালো লাগে না আর ।
রাতভর শুনিয়েছে গল্প জ্ঞানী ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী ।
শিথানে বালিশ আর, কপালে মায়েয় হাতখানা ।
বিকেলের নরম রোদেলা মাঠে,
বৌচির আয়োজনে আমিই
দুধভাত, হাঁদা গঙ্গা রাম ।
[ভালো লাগে না ]

আরো কিছু প্রিয় কবিতা


জলে ডুব দিয়ে দেখি অথৈ জীবন
ভাসছে দুলছে নির্বকার
পদ্মের মূলে জমেছে শ্যাওলা সবুজ ।
মত্সকন্যা শৈবালেই পেয়েছে কস্ত্তরী
লাস্যের ঘামে চমকায় জল
ছল ছল ছল ছল অতল অতল
জলে নামে রোদ
ধুয়ে নেয় তাপ
হাসের মেয়েরা সারাদিনমান সন্তরণে ধোয়
কপটতা বিষ
ডাঙায় উঠেই যেন সফেদ শরীরী সাধ্বী
জল কত ধোবে ?
কত আর নেবে পাপ ক্লেদ ?
ডুবসাঁতারে ধরতে চাই
জলকন্যা এক
পাপের তলানি মেখে ফিরে আসি ঘাটে ।

..[. ডুব/ কাকলী মুখোপাধ্যায় ]
***
দেখেছি বর্শার ফলা, দেখিনি বনতুলসীর পেলবতা ।
পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে যান বনদেবী,
ময়ূরপাখা হেসে ওঠে, অসঙ্কোচে নদীটির বাঁকে ।
দারুণ পাথুরে হাত, ফাগুন কোমলতায়, তার কটিদেশে ।
হিংস্র জান্তব থাবা ক্ষত আঁকা দেহ জুড়ে,
ঝরে ঘাম রক্ত বীর্য, একই বাঁচবার স্রোতে ।
গহীন গহনে চোখ তার
করেছে সন্ধান খাদ্য, মজুদ আছে প্রজন্মান্তরে ।
এখনও অরণ্য ভয়াল, অচেনা সে মানুষের কাছে ।
শিকড় কাঁদে আজ, জলের তৃষ্ণায় ।

[... উন্মূল / কাকলী মুখোপাধ্যায় ]

***

চিঠি এসে গেছে জানে ধৃতরাষ্ট্র পিতা
শব্দভেদী বাণে
গান্ধারী আজ খোলো পটি বাঁধা চোখ
দেখো আলো ছোটে চোখে শব্দের গতিতে
মানুষ আসছে দলে দলে
সাগরের ঢেউ যেন চাপা আর্তনাদে
মাথা খুঁড়ে উপকূলে গ্রাসে সবকিছু
ইস্রাফিল শিঙ্গা ফুঁকে ঝুপঝাপ ঝরে
গ্রাম গ্রামান্তর ।
[ শব্দ / কাকলী মুখোপাধ্যায় ]

এবার আরো কিছু এলোমেলো কথা বলি একান্ত নিজের কিছু কথা আজ বলতে ইচ্ছে হচ্ছে । এই বছর খানিকের মধ্য লেখালেখির খাতিরে কিছু মানুষের সাথে পরিচয় তাঁরা খুব সাধারণ মানুষ আমার কাছে, অসাধারণ মানুষদের আমি খুব ভয় পাই । এই সাধারণ মানুষগুলোর মধ্যে কখনো অহংকার দেখিনি দেখেছি আপন করে নেয়ার অদ্ভুত শক্তি, তাঁরা ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতো নিরবে কবিতা লিখে নিজেদের নিয়ে কখনো কিছু বলেন না কখনো কখনো কোথায় হারিয়ে যায় আবার আসে । তেমনি কবি ভামতি হোসেন, অনেকদিন তাঁর খোঁজ পাইনি পরে কবি সরদার ফারুক স্যারের কাছে জানতে পারি কবি অসুস্থ তাঁর স্টোমাক ক্যান্সার, ফারুক স্যারের কাছেই শুনি কবি ভামতি হোসেনই কবি কাকলী মুখোপাধ্যায় …

আমার মায়ের একটা ভয়াণক রোগ ছিলো, স্কুলে থাকা সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে এখনও শিউরে ওঠে গা … তিনি হঠাত্ অজ্ঞান হয়ে পড়তেন শ্বাস নিতে কষ্ট হতো গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ বের হতো চোখের কোণা দিয়ে পানি ঝরতো ফোঁটায় ফোঁটায় মায়ের এই অসুখটা হলেই আমি ভীষণ ভয় পেতাম বাবা মায়ের মাথায় হাত বুলাতে থাকতেন আমার বোন রসুন সরষে গরম করে এনে পায়ে মালিশ করতো । আর আমি দরজার পর্দা জড়িয়ে কাঁদতে থাকতাম চুপচাপ দাঁড়িয়ে আমার বাবা বলতেন তোর মায়ের জন্য দোয়া কর বাপ । পর্দার ভিতরে থেকে হাত বের করে মুনাজাত ধরতাম আল্লা আমার মাকে ভালো করে দাও …
এতটো সময় এতোগুলো বছর এখনও চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঐদিনগুলো । আমি এখন মিলাতে পারি ঐ অসুখটা কী ছিলো …
আল্লাহর কৃপায় মায়ের এই রোগটা সেরে গিয়েছে ।
গত কিছু দিন আগে ভামতি হোসেনের লেখা শেষ কবিতাটি পড়েছি ট্যাগ করেছিলেন, আমি কিছু লিখিনি ঐ নোটে এছাড়া বাঁকি নোটগুলোতে উনার বই থেকে আমার পছন্দের কবিতা লিখতাম উনি খুশি হয়ে বলেতেন শৈবাল এটা আমার অক্সিজেনের মতো কাজ করে …

তাঁর শেষ নোটটি মেয়ের জন্মদিনে লিখা

জন্মদিন
Wednesday, 14 March 2012
কাব্যর জন্মদিন আজ
আমি ওর মা
ঘাড় বাঁকিয়ে তাকায় আমার দিকে
আমি পড়ে ফেলি ওর কথা
ও বলে মা এভাবে জন্ম দিয়ে কী ঠিক করেছো?
আমি তখন প্রশান্ত থেকে অতলান্ত ওষধির সন্ধান করি
কেবল ঘাষ আর ঘাষ কাদা আর জল
কাব্যর জন্মদিনে আমি ওর মা
আজ অবধি কোন উপহার দিতে পারিনি।

426977_296680170386516_100001336070793_783196_1309359847_n

আমি আবার হাত তুলছি আল্লা তুমি আমার মাকে ভালো করে দাও …


আখাউড়া জংশন লালপাড় শাড়ি
উঠেছিলেন প্রপিতামহী
সতীসাধ্বী সীতা
কত ট্রেন যায় আসে
অ্যলবার্ট কাটে চুলে বাঁধা
চোখে কাজলের ব্রীড়া সেই তুমি নারী
সিঁথিতে সিঁদুর মেখে আজীবন একই দেবতায় প্রণতা
বিন্দুমাত্র অবসাদ আসেনি তোমার ?
কোনো ফাগুনের জোছনায়
হয়নি কি মন
আকুল ব্যাকুল
কোনো নব্য গন্ধে ?
করেনি জিজ্ঞাসা কেউ নেয়নি সন্ধান
লালপাড়ে চাপা দেয়া মুখটির কাছে ?
পিছে কত স্বপ্ন নিত্য হয়েছে বলি প্রতি রাতের ব্যর্থ সঙ্গে
উনুনের ভাবে সেদ্ধ স্বপ্নের পাহাড়
অবিচল দেবতার পায়ে দিয়েছ যে বলি
বাসরশয্যায় তারই নামাবলি থেকে
লাল রং নিয়ে পরেছ সিঁদুর
সিঁথিটি ভরিয়ে দুখে রেখেছ ট্রেনের সিঁড়িতে পা
ফেরা আর হবে নাকো জেনে

মৃত্যু / কাকলী মুখোপাধ্যায় …

[ বিনীত অনুরোধ আমি লেখাটি খুব এলোমেলো লিখেছি তাই পড়তে ভালো নাও লাগতে পারে, এটা রিভিউ সমালোচনা বা আলোচনা কিছুই না শুধু প্রিয় কিছু কবিতা নিয়ে নিজস্ব কিছু ভাবনা ; কবির প্রতি শ্রাদ্ধাঞ্জলী । মন্তব্যে এমনভাবে কিছু বলবেন না কবির কবিতার অসম্মান হয় । ]

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 4.5/5 (4 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: +1 (from 1 vote)
স্বপ্নাবিষ্ট বেভুল বাউল, কবি ভামতি হোসেন, 4.5 out of 5 based on 4 ratings

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

৩৩ টি মন্তব্য (লেখকের ১৬টি) | ১২ জন মন্তব্যকারী

  1. সৈয়দ মাজারুল ইসলাম(রুবেল) : ১৯-০৩-২০১২ | ২১:৩৬ |

    একটি অনন্য পোস্টের জন্য ধন্যবাদ, শুভ কামনা সব সময়ের জন্য।

  2. মেঘ অদিতি : ১৯-০৩-২০১২ | ২২:৩১ |

    কবির প্রতি শ্রদ্ধা। ওনাকে চিনেছি ফেসবুকে লেখালিখির সুত্রেই। তাঁর অসুস্থতার কথাও জেনেছি, কেন যেন বার বার মনে হয়েছে আমার এ জানা যেন ভুল হয়।
    আপনার লেখাপা পড়ে অসম্ভব মন খারাপ হচ্ছে। পোস্টটা প্রিয়তে রাখছি।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ০:৩৯ |

      আমি বুঝতে পারছিলাম না কি ভাবে শুরু করবো কোন কবিতা দিয়ে
      শুরু করবো … লিখতে কখনো এতোটা এলোমেলো লাগেনি, আমারও
      মন খারাপটা লেগেই
      আছে ।
      কবিকে কথা দিয়েছিলাম । লিখেই উনাকে দেখাই, উনি তাতেও পছন্দ করেছেন
      … পোস্ট করতে ভয় পাচ্ছিলাম একটাই, তাঁর কবিতার না অসম্মান হয়ে যায়

  3. ডা. দাউদ : ১৯-০৩-২০১২ | ২৩:০২ |

    আমার দোপাটি ফুল, লজ্জাবতী লতা, ডায়েরির ভাঁজে রাখা, শুকনো বট পাতা
    কিছুই ছিল না ছল ।
    মৃত্যু আমার মুঠো ভরেছে
    শুষ্ক ঘাসে, আমি মাটি ভেদ করে
    এনেছি অমৃত,
    ভাসিয়ে দিয়েছি জলে ।

    এতেই আমি মুগ্ধ
    অসাধারন আপনার লিখনি শক্তি
    অভিনন্দন জানিবেন প্রিয়
    ভক্ত বনে রইলাম

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ০:২২ |

      আমার কোন ভক্ত নেই । কখনো অসাধারণ হতে চাই না ।
      এখানে আমি কোন কবিতা লিখিনি,
      ঐ পঙক্তিগুলোও শ্রদ্ধেয় কবি কাকলী মুখোপাধ্যায়ের

      পুরো লেখাটি পড়লে খুশি হবো

    • ডা. দাউদ : ২০-০৩-২০১২ | ১২:৫৮ |

      হ্যাঁ পুরো পোষ্টটিই পড়লাম
      অনেক অনেক শ্রদ্বা নিবেদন করছি কবির প্রতি।

      ধন্যবাদ জানবেন
      চমৎকার এই পোষ্টটির জন্য।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ১৩:০২ |

      এইবার খুশি হয়েছি প্রিয় … শ্রদ্ধা জানাই

  4. ফরিদুল আলম সুমন : ১৯-০৩-২০১২ | ২৩:৫৮ |

    শুরু থেকেই খুব মনোযোগ নিয়ে পড়ছিলাম, কিন্তু পড়তে পড়তে মনে হলো লেখাটা আরেকটু ছোট হলে ভালো হতো. দুই পর্বে যদি ভাগ করে দিতেন. অর্ধেকটা পড়ে প্রিয়তে রেখে দিলাম. পরে আবার পড়তে হবে.
    ব্লগের লেখা একটা নির্দিষ্ট সাইজের চেয়ে বড় হয়ে গেলে পর্বে ভাগ করার কথা মাথায় আসছিলো বেশ কিছুদিন ধরে, আজকে আপনাকে বলে শুরু করলাম. এখন থেকে বড় লেখা দেখলেই ভাগ করে পর্বে পর্বে দেবার অনুরোধ জানাবো সবাইকে.

    কবির জন্যে শ্রদ্ধা ও শুভকামনা রইলো Smile

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ০:৩৪ |

      পর্বে পর্বে দিলেই ভালো হতো … কিন্তু আজ হয়তো ব্লগে শেষ পোস্টটি করবো
      বলেই … আর তর সহ্য হচ্ছিল না ।

      প্রিয়তে রেখেছেন, ভালো হলো পুরোটা পড়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জনানে কৃতার্থ
      হবো ।

      ভালো থাকুন কবি আপনার কবিতা আমার ভালো লাগে

    • ডা. দাউদ : ২০-০৩-২০১২ | ১৩:০০ |

      কায়েস ভাই ব্লগে শেষ পোষ্ট মানে?
      আপনি কি আমাদের ছাড়তে চাচ্ছেন? NoNo NoNo NoNo

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ১৩:০৬ |

      না ! ছাড়তে চাচ্ছি না, পোস্ট না দিয়েও তো পাশে থাকা যায়

  5. রাজন্য রুহানি : ২০-০৩-২০১২ | ১০:০২ |

    তাঁকে আমি চিনেছি ফেসবুকের কল্যাণেই। আমার অনিয়মিত উপস্থিতিতেও হুটহাট নজরলাগা তাঁর কাব্যপ্রবাহে মুগ্ধপ্রবণ মন অথৈয়তা খুঁজে পেত সহসা।
    আপনার রচনায় তাঁকে আরও গভীরভাবে জানলাম। ধন্যবাদ কবি-বন্ধু। ভালো থাকুন।

    • রাবেয়া রব্বানি : ২০-০৩-২০১২ | ১০:০৭ |

      রাজন্য ভাই শব্দনীড়ে লিখুন।ভালো লাগবে আপনার।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ১০:৫৯ |

      কবি বন্ধু আপনি অন্তত জানেন লিখতে গিয়ে এতোটা এলোমেলো হয়নি
      কখনো, যেমনটা আপনি বললেন অথৈয়তা খুঁজে পাওয়া, বলতে পারিনি …

      ফেসবুক নটিফিকেশানে আপনাকে দেখেই মনে হচ্ছিল
      এই পোস্টটা আপনাকে টানবে, ঠিকিই তাই আপনাকে পেয়েছি, ভালো লাগে
      আপনার সান্নিধ্য

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ১১:০৯ |

      আমি আমার পছন্দ মতো কয়েকটি কবিতা কয়েকটি পঙক্তি তুলেছি মাত্র্র,
      আরেকটি প্রিয় কবিতা …
      জল খেলে মেয়েবেলা বাদাম আলা লা
      পান আর তামাকের ঘ্রাণ ভেসে আসে ।
      কসকো সাবানখানা গলে যেতে যেতে,
      শেষ হলো সব কথামালা ।
      আমাদের মেয়েবেলা আহা _
      শিউলি ফুলের মালা গাঁথা হয় নাই,
      জোনাকিরা ছেড়ে গেছে ঝোপ
      হজমি দানার কালো থেকে
      আরও গহন কালো অন্ধকারে আজ ।
      বালুর প্রসাদখানা ধসে গেছে কবে ।
      পাউডারের কৌটো ভরে না
      মারবেলে আর ।
      পাঠশালা পলায়ন, জুবেরির ঢেউ তোলা ছাদ
      মজে গলে মিশে গেছে নষ্ট জীবনের পাপে ঘামে ।
      এখন কেবল জল অতল অতল
      এক দুই তিন ব্যাস হাত খালি করে বাড়ি ফেরা ।
      [জলকাব্য ৩ / কাকলী মুখোপাধ্যায় ]

  6. রাবেয়া রব্বানি : ২০-০৩-২০১২ | ১০:০৮ |

    উনি প্রতিভাময়ী উনাকে সম্মান।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ১১:০৭ |

      আমিও সম্মান জানাচ্ছি প্রতিভাময়ী কবিকে, সৃষ্টিকর্তা তাঁকে আরো সম্মানিত
      করুক

  7. রাজন্য রুহানি : ২০-০৩-২০১২ | ১০:৩৪ |

    প্রিয় রাবেয়াপা, আপনাদের ভালোবাসা ও সহমর্মিতায় আমি মুগ্ধ বরাবর। নিয়মিত লিখতে পারছি না; ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে আসছে লেখার পরিধি। হুটহাট করেই লিখি এবং হুটহাট করেই বেঁচেবর্তে আছি। কাঠখোট্টা ও খাটুনির পেশা সৃজনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে; সংবাদপত্রমালিকের পেশাদারিত্ব মনোভাব কবিপ্রাণকে অবহেলা, নিরুৎসাহিত এবং ব্যঙ্গাত্মক পরিবেশের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যা মফস্বল-বলয়ের অর্থনৈতিক দৌড়, রাজনৈতিক ছ্যাবড়া ও হুমকিমূলক শঙ্কার নাগপাশে আবদ্ধ যাপন। বেশি বলে ফেললাম, ক্ষমার্হ।
    ……..
    আপনাদের পিছু ছাড়তে পারি না, তাই যেখানে আপনাদের পাই, ওই হুটহাট করেই সেখানে চলে যাই।
    ……..
    আপনাদের ভক্ত হয়ে গেছি ভাই। হয়তো হুটহাট করে এখানেও পোষ্ট দিয়ে দেবো কোনোদিন; পাগলমনের যে ঠিক-ঠিকানা নাই।
    ……..
    ভালো থাকুন।

  8. কবিরনি : ২০-০৩-২০১২ | ১২:১০ |

    আমার কাছে একজন নতুন কবিকে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কবি’র কবিতা গুলো তো অসাধারন লাগল। আপনার এই পোষ্ট না পড়লে বন্চিত হতাম অসাধারন কিছু পঙ্তি থেকে।

    দুজনের জন্যই শুভ কামনা। কবি’র প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সন্ধান দিলে মানে কোথায় কিভাবে পাওয়া যাবে বললে বাধিত হব।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ২১:১২ |

      আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি ,
      আমি বই মেলা থেকে খুঁজে বের করেছিলাম ।

      আপনাকে আমি প্রকাশকের ঠিকানাটা দিচ্ছি,
      পড়ুয়া, ৪৫ আজিজ কো অপারেটিভ সুপার মার্কেট ( নিচ তলা )
      শাহবাগ, ঢাকা ।

      শ্রদ্ধেয় ড. হায়াত্‍ মামুদ স্যার এই বইটি ” ঈহিতা ” নিয়ে দুএকটি কথা বলেছিলেন

      ” বাংলাদেশ কবির দেশ, কবিতার দেশ, বাংলা ভাষায় প্রতিষ্ঠিত গদ্যলেখকেরাও তাঁদের লেখা শুরু করেছিলেন কবিতার পঙক্তি মকশো করতে করতে ।

      কাকলী মুখোপাধ্যায়ের প্রথম বই ঐতিহ্য অনুসরণ করে কাব্যগ্রন্থই হলো । তিনি ইচ্ছে করলে, জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে তাঁর গবেষণা গ্রন্থও হতে পারত । কিন্তু তাঁর কবিতাপ্রেমই তাঁকে বাধ্য করেছে জীবনানন্দকে নিয়ে নয়, কবিতা দিয়েই প্রথম বই ছাপতে ।

      কবিতাপ্রেমীদের নিকট বইটির গ্রহণযোগ্যতা আশা করা অন্যায় হবে না ।_ হায়াত্‍ মামুদ “

  9. খেয়ালী মন : ২০-০৩-২০১২ | ১৮:৫৪ |

    অনেক বিষয় জানতে পারলাম । এমন সব চমৎকার পোষ্ট পড়ার জন্যই ব্লগে আসি
    শুভকামনা থাকলো।।

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ২১:১৬ |

      ধন্যবাদ দিপু ভাই, ঠিক করে বিন্যস্ত করতে পারিনি ..
      আমি লেখালেখি নিয়ে বেশ অনেকদিন ধরে কনফিয়্যুজড । তাও
      পোস্টের দেয়া শ্রদ্ধেয় কবি কাকলী মুখোপাধ্যায়ের প্রিয় কবিতাগুলো মন দিয়ে পড়লে সার্থক হবো

  10. সকাল ‍রয় : ২০-০৩-২০১২ | ১৯:১৭ |

    যেখানে রাজন্য,শৈবাল,রাবেয়া আমার তিন জন প্রিয় কবি আছেন
    সেখানে তো আমাকে সময় পেলে আসতেই হবে। কেননা
    আমি তাদের সানিধ্য পেয়ে আনন্দিত

    • শৈবাল কায়েস : ২০-০৩-২০১২ | ২১:২৩ |

      ধন্যবাদ কবি সকালবাবু, আপনার সান্নিধ্যও আমার ভালো লাগে । আশা করি
      প্রিয় কবি কাকলী মুখোপাধ্যায়ের কবিতাগুলো আপনার ভালো লাগবে

  11. বিষণ্ণময়ী : ২১-০৩-২০১২ | ১৭:৩১ |

    অজানা (আমার কাছে) একজন লেখকে এবং তার লেখাকে আমাদের মাঝে তুলে এনেছেন কৃতজ্ঞ আমরা ।

    এই ভাবে যদি আমরা অজানা কবি বা লেখকদের সবার সামনে আনতে পারি তবে লেখক বা কবিরা একটু হলেও সম্মানিত হবেন।

    অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর এই পোষ্টটির জন্য।

    • শৈবাল কায়েস : ০২-০৪-২০১২ | ২০:১৮ |

      সম্মান থেকেই লিখার চেষ্টা করেছি, কবি সাহিত্যিকরা জীবিত খুব কমই
      সম্মানিত হন, কেন যেন এটাই প্রথা !

      কাকলী ম্যাডাম ৪র্থ পর্বের কেমো পেয়েছেন শুনিছি ভালো আছেন, উনার জন্য
      দোয়া করবেন…

      মন দিয়ে পড়লেন তাই আপনাকেও সম্মান জানাই

  12. সাহাদাত উদরাজী : ২২-০৩-২০১২ | ২০:২৯ |

    চমতকার কবিতা লিখেছেন কবি।
    কবিতা নিয়ে বেশী বলা চলে না।

    • শৈবাল কায়েস : ০২-০৪-২০১২ | ২১:০৯ |

      কবিতা নিয়েই বেশি কথা বলা তো সহস্র সহস্র বছরের ইতিহাস ।
      তা না হলে দরকার ছিলো না হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল খুঁজে চর্যাপদ
      আবিষ্কার করা কিংবা শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়কে কারো গোয়াল ঘর খুঁজে
      শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বের করে আনা, তাঁরা সহস্র বছর পুরানো সাহিত্য নিয়ে কেন এতোটা খাটলেন কেনইবা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় , ড. মু শহীদুল্লাহ এতো পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেন সেই আদি সাহিত্যগুলোর ভাব রূপ নিয়ে আর সেগুলো তো কবিতাই ছিলো ।কবিতা নিয়ে কথা বলা আমাদের ঐতিহ্য আর তা টিকে থাকবে ।
      এটা আমার উপলব্ধি, সাহিত্য নিয়ে আরো ভাবনা, কথা চালিয়ে নেয়া উচিৎ ।

      পড়েছেন তাই বিনীত শ্রদ্ধা জানাই ।

    • সাহাদাত উদরাজী : ০৪-০৪-২০১২ | ১৩:০৪ |

      ধন্যবাদ,
      আমি আসলে সেই অর্থে কথা লিখি নাই। কবিতা নিয়া অবশ্যই আলোচনা চলতে পারে। তবে কবিতা বুঝার মত দক্ষতা এবং পাণ্ডিত্য থাকা দরকার। আমার সেটা নাই।

      শুভেচ্ছা আপনার জন্য। আরো লিখুন। আমরা পড়তে চাই।

    • শৈবাল কায়েস : ০৪-০৪-২০১২ | ১৩:২৫ |

      ঠিক তেমনটা না, বলতে গেলেই বরং ভুল হয় বেশি কিন্তু আমি চর্চার কথা
      বলছি । আপনার কথাটা ঠিক, বেশি কথা চলে না ; তা অনুভূতির কথা
      বুঝিয়েছেন আমি তখন ধরতে পারিনি, মাফ করবেন ।

      এই মাত্র খবর পেয়েছি অনকোলজিস্ট বলেছেন কাকলী ম্যাডাম এখন
      অনেকখানি শঙ্কামুক্ত, দোয়া করবেন কবির জন্য

  13. জুলিয়ান সিদ্দিকী : ১১-০৫-২০১২ | ২২:০৬ |

    আমি কিছু না বইলা শেয়ার দিলাম।

    • শৈবাল কায়েস : ১২-০৫-২০১২ | ১১:০৪ |

      সালাম প্রিয় জুলিয়ান সিদ্দিকী, সত্যি বলতে আমার করা পোস্টে এতো শেয়ারিং কখনো হয় নি । ভালো লাগছে, কাকলী ম্যাডামের কেমো থেরাপির ৬ষ্ঠ
      সিডিয়্যুলটাও ভালোয় ভালোতে শেষ হলো আর নিতে হবে না, এখন তিনি সাইটোটকসিক
      ড্রাগএর প্রখরতা কাটিয়ে উঠতে লড়াই করছেন … তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন ।
      দোআ করবেন …

      প্রিয়, আপনি দেশে ফিরলে আমাকে জানাবেন, আপনাকে বইটা পাঠানোর ইচ্ছে
      করেছি ।