শকুন্তলার বিষাদি বিলাস আজ,
উদয়ের পথে এনেছে বৈশাখী ঝড়।
হৃদয় সাগরের গভীরতা ফুড়ে,
আচমকা জাগিয়েছে বিনাশী চর।
আলোর প্রভাতে লেগেছে গ্রহন,
সব বোধ আধাঁরে করেছে গ্রাস।
শান্ত নদীর ধীর জল জুড়ে,
প্রলয় এনেছে আজ বৈশাখী ত্রাস।
শকুন্তলার দু’ফোটা অশ্রু আজ,
প্লাবিত করেছে ওই নীল নদী কূল।
বিরহ তার ঝরিয়েছে অজান্তে,
কাননে ফোটা যত স্বপ্নীল ফুল।
জ্যোস্না ঢেকে গেছে উন্নাসে তার,
আধাঁরে হারিয়েছে রুপোলী আলোক।
বাধঁনের ঘোর ভেঙেছে প্রিয়,
অন্যতে এটেঁ দিয়ে প্রণয় তিলক।
শকুন্তলার আরক্ত স্মৃতি আজ,
থেমে থেমে ঝড় তোলে দখিণায়।
উদাস দৃষ্টি তার নিঃস্ব চিত্র আকেঁ,
বিলুপ্ত সবুজের বির্বণ আঙিনায়।
হাজার সুখের ভীড়ে একা সে পথ খুজেঁ,
শোকের অনলে ক্ষানিক দগ্ধ হতে।
ভাঙ্গা বৃত্তের ফোকর গলে সে,
হারাতে চায় দূর অসীম অনন্তে।
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



ঘরের দিকে ডেকে যাওয়া শরীরের গান হয়ে কবির মেঘলা দুপুরে জীবন্ত বৈধব্য ভাস্কর্য তুমি প্রকৃতির মাঝে শব্দমৃত্যুর দ্বন্দ্ব-অশ্রু-শিল্প, কণিষ্কের নিশ্চল সমুদ্রে রুগ্ন-ছন্দ-ক্লান্ত পা ভাঙ্গা আয়ি রানি-পিপিলিকা-বিষ্ণুপ্রিয়া ধরার বুকে আশ্চর্য আলৌকিক অন্ধকারের চাঁদ, আকশি দিয়ে পেড়ে নামানোর প্রতীক্ষায় আলটপকা বামিয়ানের সুবাষিত মুকুল তিথি-বিন্নি উদলা-আদুল, মুনির আশ্রমে সুখ-শান্তি জল-ছলছল বন্দ্যঘটি ভয়-পিরীতে শকুন্তলা-ভালবাসা-অনন্ত সকাল।
উস্তাদ, সালাম!
আহা! শোক!
জি, শোক!
শকুন্তলার কথা মনে পড়িয়া গেলে ভ্রাতা
বড়ই চিন্তার বিষয়!
বাহ দারুন কবি, বৈশাখি শুভ কামনা
ধন্যবাদ ভ্রাতা।