আলতো ভাবে নদীর ধারে ঐ দেখ কে যায়
নূপুর বাজে রিনিঝিনি আলতা রাঙা পায়,
মুখটি তার চোখ জুড়ায় কাজল কাল আঁখি
রুপ দেখিয়া গান ধরেছে নদী পাড়ের পাখি।
দৌড়ে এসে উঠল সে যে আমার খেয়া নায়ে
বলল মাঝি নৌকা চালাও যাব পাশের গাঁয়ে,
মুখে তার রঙিন হাসি আর আস্তে কথা বলে
তার কথা শুনে প্রেমিক হৃদয় যেন গেল গলে।
দখিনা বাতাস বহে যায় তার ভ্রমর কাল চুলে
বাতাসে আমি নাওয়ের পালটাকে দিলাম তুলে,
বাতাসের সাথে বয়ে চলছে আমার ডিঙ্গি নাও
মৃদু শব্দে অনুরোধ মাঝি কোন এক গান গাও।
গান গেয়ে যাই নতুন সুরে নতুন কোন গান
গান শুনে লাল হল তার মায়াভরা মুখ খান,
গানের শব্দকে বাতাস দিল অপুর্ব এক গতি
এনে দিয়েছে আমার হৃদয়ে গভীর অনুভুতি।
সময় বহে গেল অতি দ্রুত এ মনে কিযে হল
দেখতে দেখতে তার নামার সময় হয়ে এল,
বলল আমায় নামব মাঝি ঐযে নদী ঘাটে
নাও থামলে উঠল সে নদীর ধারের বাটে।
একা পথে একলা মনে হেঁটে চলছে ধীরে ধীরে
আমার পানে এক বারও চাইলনা আর ফিরে,
চলে গেল সে মনের ভিতর গভীর অনুভুতি
হয়ত দেখা হবে না শুধু মনে থাকবে স্মৃতি।



হুম সময়ের নাও খুব জলদিই পৌছে যায় তীরে
জীবন সত্যি এঁকে যায় কিছু কাব্য জীবনের নীড়ে
সোহেল ভাই শুভেচ্ছে

বরাবরের মতো আজো মুগ্ধ করলেন।
ধন্যবাদ দাউদ ভাই, ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইল
ধন্যবাদ।
কল্পনার মেয়ে কল্পনায়ই মুগ্ধ করে, কিছুটা সময়ের জন্য হলেও প্রেমিক মনে দারুণ অনুভূতির সঞ্চরণ ঘটায়। সুন্দর অনুভূতি, সুনন্দর প্রিমিক মন। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ কামরুল ভাই, আপনিও ভাল থাকবেন।
বরাবরের মতই সুন্দর হইছে
শুভকামনা থাকলো
ধন্যবাদ, আশা করি ভাল থাকবেন।
অনেকটা গান গান লাগলো। তবে বেশ ভাল লিখেছেন।
শুভ কামনা রইল। ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ আপা আপনাকে, আশা করি ভাল থাকবেন।