আশির দশকের শুরু থেকে নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে একমাত্র টিভি চ্যনেল ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন। নাগরিক যান্ত্রিকতায় ছেয়ে যাওয়া এই শহরের বুকে হয়তো তখন একটু বেশি প্রাণের স্পন্দন ছিলো। সেই সময়ের শিশুদের শৈশবে হয়তো শান্ত নীরবতার স্থান এখনকার চেয়ে একটু বেশি। দুপুর শেষ করে বিকেলের ছুটোছুটি কিংবা নিরর্থক ক্রীড়ার আয়োজনও ছিলো তখন বেশি। আর বিকেল শেষে সন্ধ্যার আগে অথবা দুপুর শেষে বিকালের আগে টেলিভিশনের পর্দায় আনাগোনাও তখনকার সময়ের এই আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছিলো। সেই সময়ের টেলিভিশন এখনকার মত রাত দিন নির্ঘুম বিচরণ করতো না। সেই সময়টুকুতে বেশ কিছু বিদেশি সিরিয়াল ছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। সময়ের বিবর্তনেও সেই চমৎকার সিরিয়ালগুলো দাগ কেটে আছে মনের কোনে। আজ আপনাদের সেই সব স্মৃতির সাগরে ভ্রমন করাবার উদ্দ্যেশ্য নিয়েই এই পোস্ট। নিচের ছবিগুলো থেকে দেখুন তো আপনার প্রিয় সিরিজ ছিল কোনটি ???










Charles angles বাদ দিলেন কেন?? এই সিরিজের নায়িকারা আমার মোস্ট ফেভারিট।
মি:টি দারুন লাগতো সেই সময়। আর ম্যাকগাইভারতো স্বপ্নের পুরুষ ছিল। সাইট রাইডারের পোষ্টার গিফট পেয়েছিলাম জন্মদিনে, পরে মা কে অনেক অনুরোধ করে তা বাধাইও করেছিলাম। সেই সময় একটা সিরিজ দেখতাম নামটা মনে আসছে না, রেগে গেলে অশুরীয় শরীর আর শক্তি পেতো নায়কটা। খুবই ইনজয় করতাম সিরিজটা। এর পরে শুরু হলো টারজান, স্পাইডার ম্যান, জেকসন৫, ফেরিটেল থিয়েটার।
সপ্তাহে একটা ইংলিশ মুভ্যি দেখাতো সম্ভবত বৃহস্পতি বার, সেই সময় দ্যা লষ্ট আর্থ সহ অনেক চমৎকার ছবি দেখেছিলাম নাম মনে আসছে না।
এর পরে আসলো থ্রিস্টুজেস আহা কি দারুন সেই সিরিজ।
বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, কাল বাসায় ফেরার পথে আমি আর এমডি এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করছিলাম এইচএসসি রেজাল্ট নিয়ে কথা বলছিলাম তখন আসলো ইংরেজি নিয়ে এই ইংরেজি নিয়ে কথা বলতেই আসলো ইংলিশ সিরিজ আর মুভ্যির কথা। ইংলিশ মুভ্যি দেখতাম ইংরেজি শেখার জন্য।
কি দিন পেড়িয়ে এসেছি মনে করতেই ভাল লাগে।
স্পেস নিয়ে একটা সিরিজ চলতো সবার কান লম্বা লম্বা ছিল ওটাও কিন্তু চমৎকার ছিল। নাম মনে আসছে না কেনো?? ধূর্
আর কাটুর্নগুলো কি বাদ যাবে,?? পাপাই, মুগলী, থান্ডারক্যাট, স্কুবিডু,,আরো কতো যে মজার কাটুর্ন ছিল।
STARTREK.
কি দিন পেড়িয়ে এসেছি মনে করতেই ভাল লাগে।
ঠিক বলেছেন আপু, কিন্তু দেখেন ঐ সিরিজ গুলো যদি আপনাকে এখন দেখান হয় হয়ত তেমন ভাল না ও লাগতে পারে। তখনকার ব্যপার ই ছিল অন্য রকম
হ্যা ইনক্রেডিবল হাল্ক। স্টারট্রেক দ্যা নেক্সট জেনারেশন।
শিবলী আমি এখনো পারলে এই সব দেখতে চাইবো। কারণ এই সবের মাঝে রোমাঞ্চ আছে যা বর্তমানের গুলোতে নেই।
৮০সালের শেষের দিকে জাপানি আর চাইনিজ কিছু সিরায়াল হতো অনেক রাত জেগে দেখতাম। ওদের কাঠি দিয়ে খাওয়ার দৃশ্যটা অসাধারণ লাগতো, ওদের যে ড্রেস তা যে কি পড়ার সখ আমার কি বলবো।
অতীতকে সামনে নিয়ে আসলেন।
আপনি দেখি খুজে খুজে সিরিয়ালটির নাম বের করে ফেললেন। দারুন।
এই অশিন টা দেখা হতো না, কারন ১ রাতের খবরের পরে, আর দ্বিতীয় হল… কেমন কান্না কান্না ঘটনা
OLD DAYS ARE GOLD DAYS. অনেক স্মৃতি জাগিয়ে দিলেন। উপরের কয়েকটি খুব দেখেছি।
ঠিক মাহবুব ভাই ওল্ড ডেইজ আর গোল্ড ডেইজ। ইশ যদি আবার ফিরে পেতাম।
সবগুলো
সবগুলো কি দাদা??
অনেকদিন পর আপনার পোষ্ট থেকে অনেক কিছুই মনে পড়ে গেলো স্মৃতি হিসেবে।

দি এ টিম, মাকগাইভার, রেভেন

অনেক কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ শিবলী ভাই।
আগে এক চ্যানেলেই পেতাম অতুলনীয় স্বাদ এখন 20 চ্যানেলেও পাইনা ।
ওশিন, এক্সফাইল, বেশ ভালো লাগত।
এই দিনেরে নিবো আমরা সেই দিনের কাছে।
নষ্টালজিক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টের আইডিয়া যিনি দিয়েছেন তাহাকেও ধন্যবাদ।
পুরনো কথা স্মরন করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ
তখন টিভি দেখতাম উঠোনে বসে
কারন গ্রামের অনেকেই দেখতে আসতো খুব মজা হতো
‘Ghost Story’ নামেও একটা সিরিয়াল দেখাতো, ভয়ে কাঁপতাম…! তবুও দেখতাম।
mac gyver এর প্রতি খুব দুর্বলতা ছিল। নিজেদের টিভি ছিল না । যে পর্ব দেখার সুযোগ হত না বন্ধুদের মুখে জেনে নিতাম।
পত্রিকায় টারজান পড়তাম
অনেক স্মৃতিই মনে করিয়ে দিলেন বন্ধু
x File বাদ পড়েছে। আরেকটি সিরিয়াল রাভেন শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছিল। বাটু মত একটা লোক ছিল নামটা মনে পড়ছে না। থ্রি স্টুজেশের ছবি বাদ পড়েছে। সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যানের সাথে আরেকটা ছিল না, ওয়ান্ডার ওম্যান না কি যেন নাম। জঙ্গল জিম নামেও একটা সিরিয়াল ছিল। ও টারজানই তো নাই দেখছি।