
এটা হল বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি…
বাড়ির নাম ‘ভিলা আন্তিলা’ আন্তিলা নামটি মুকেশ নিয়েছেন আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপ আন্তিলা থেকে। সাড়ে পাঁচশ ফুট উচ্চতার ২৭ তলার আকাশচুম্বী বাড়ি ভিলা আন্তিলা।২৭ তলার আকাশচুম্বী এই ভিলার একেবারে ওপরের দিককার চারটা তালায় থাকবে পরিবারের সবাই। দৃষ্টিসীমার একদিকে থাকবে আরব সাগর, আরেক দিকজুড়ে মুম্বাইয়ের দিগন্ত রেখা। এর নিচের চার তলার পুরোটায় থাকবে খোলা বাগান। এ বাগান তৈরি করা হচ্ছে ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। নিচের ছয় তলা শুধু গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে। এতে আছে ১৬৮টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা; গাড়ি মেরামত, সার্ভিসিংয়ের জন্য তিনটি পূর্ণাঙ্গ ওয়ার্কশপও। অষ্টম তলায় থাকবে মিনি থিয়েটার। হঠাৎ কোনো বিপদ-আপদ ঘটলে তা সামাল দেওয়ার সব সুবিধা নিয়ে নবম তলায় থাকবে কর্মীরা। এর ওপরের দুটি তলা ব্যবহূত হবে শরীর ঠিক রাখার কাজে। সব সুবিধা, যন্ত্রপাতি ও দক্ষ প্রশিক্ষকসহ ব্যায়ামাগার তৈরি হচ্ছে এ দুটি তলায়। সাঁতার কাটার ব্যবস্থাও আছে। এর ওপরের দুই তলা অতিথিশালা। এ দুই তলা কাচে মোড়া। একদম ওপরের তলাটাকে বিনোদনের জন্য রাখা হয়েছে। এখানে আম্বানির ব্যবসায়িক অতিথিরা যাতে আরাম করে বসে আরব সাগর দেখতে পারেন তার সব ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে। এ বাড়িতে এলিভেটর থাকছে নয়টা। ছাদে তিনটি হেলিপ্যাডও তৈরি করা হচ্ছে। বাড়ির কোনো কক্ষ অপর কক্ষের সঙ্গে মিলবে না। বাড়িতে ব্যবহূত সবকিছুই বিশেষভাবে তৈরি করে আনা হয়েছে। মুকেশ আর নীতার পছন্দমতো স্থাপত্য নকশা তৈরি করে দিয়েছে শিকাগোর পারকিনস+উইল অ্যান্ড হার্চশ বেডনার অ্যাসোসিয়েটস। পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাড়িটি মুকেশ কেন তৈরি করছেন, জানেন? স্ত্রী নীতার ৪৫তম জন্নদিনে উপহার দেওয়ার জন্য। ৯৬০ জন শ্রমিক ৪ বছরে এর কাজ শেষ করেন…তবে সবথেকে মজার কথা এতে কেউ থাকে না।

অবশ্যই সবাই মজার এই খেলাটা খেলবেন।

ইচ্ছা শক্তির কাছে সব প্রতিকুলতা অসহায়, এই ছবি তার প্রমান।

ছবিটা দেখুন তো, দুরন্ত শৈশব মনে পড়ে কিনা?

ছবিতে ভালো করে তাকিয়ে দেখুন , মুগ্ধ না হয়ে কি পারা যায়। পাখিটির ইংরেজী নামের হুবুহু বাংলা করলে দাঁড়ায় ’মাছিধরা স্বর্গের পাখি’ তাহলে বোঝাই যাচ্ছে ইংরেজী নামটি হবে Paradise Flycatcher ।
মাথায় অপূর্ব কালো ক্রেস্ট উঁচিয়ে থাকা পাখিটি এমনেতেই অসাধারণ সুন্দর , সাথে আবার দীঘল লেজের মাঝে যে রূপ ঠিকরে বেরোচ্ছে তাতে আপ্লুত হবে না কোন মানব মানবী ? লেজ সহ পূর্ণ বয়স্ক ফ্লাইক্যাচার এর দৈর্ঘ্য +-২০ সেমি এর মত হয়। কিন্তু পুরুষ প্রজাতির সেই অপূরূপ লেজখানার দৈর্ঘ্য কখনও তার সেই নিজের দৈর্ঘ্যরে থেকেও দ্বিগুন হয়ে থাকে। লেজের শেষপ্রান্ত আবার হয় খন্ডিত। যেনো নদীর মতো রূপের দুধারা বয়ে গেলো। যাহোক স্বর্গীয় সৌন্দর্যের মূল চাবিকাঠি তো মনে হয় এই লেজেই।
** তথ্য ও ছবি নেট থেকে নেয়া
পূর্বতন বিস্ময়
বিস্ময়কর
বিস্ময়কর ০১
বিস্ময়কর ০২
বিস্ময়কর ০৩
বিস্ময়কর ০৪
বিস্ময়কর ০৫
বিস্ময়কর ০৬
বিস্ময়কর ০৭
বিস্ময়কর ০৮
বিস্ময়কর ০৯



পৃথিবীটা আসলেই বিস্ময়কর । কেউ বাড়ী বানান শখে আবার কেউ আশ্রয়ের জন্য বেছে নেয় রাস্তা।

অবাক পৃথিবী!
ছবিটা খুব সুন্দর পলাশ ভাই
ভালো আছেন তো?
আবারও অজানা কিছু জানার সৌভাগ্য হল।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ কামরুল ভাই
ভালো থাকবেন
বিস্ময়কর:11
লজ্জা থাকায় কলেজের এক অধ্যক্ষ গ্রেফতার হয়েছিল 2012 সালের 4 জানুয়ারী বাংলাদেশে।
বিস্ময়কর:12
সাভারের এক স্বচ্ছল শক্ত সমর্থ যুবক বিয়ে না করেই জীবন পার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ বছরের পহেলা বৈশাখে।
সংসার নামক WWF ভালো নাকি চির কুমার সংগঠন ???
wwf হলেও পুরস্কার আছে।
সংসার একটা ভালো জিনিস।
লেজ কাঁটা শিয়াল, সব শিয়ালকে নিজের মতো লেজ কাঁটার পরামর্শ দেয় … আমরা জানি

স্ত্রীকে এতো দামী বাড়ী উপহার না দিলে কি স্ত্রী চলে যাবে। এরা স্বর্গের সুখ দুনিয়াতে পেতে চায়। এতো টাকা এদের যে খরচের জায়গা নেই তাই এই ধরনের বাড়ী বানিয়ে স্ত্রীকে উপহার দেয়। কেউ যদি নাই থাকবে তাহলে বাড়ীটা নিরাশ্রয়দের দান করে দিক। কয়েক হাজার মানুষতো মাথা গুজার ঠাই পাবে।
পাখীটা সত্যিই চমৎকার।
আসলেই সব বিষ্ময়কর!
হ্যা বাড়িটি সম্পর্কে শুনেছিলাম আগে।
ধন্যবাদ
হুম…………
সত্যিই বিস্মিত হলাম…!!!
ধন্যবাদ
বাড়ী পছন্দ হয় নাই। কিনমু না।
দেখেন তো এইটা পছন্দ হয় কিনা
এই বাড়ীটা বেশী সুন্দর আম্বানীর বাড়ীর চেয়ে।
কিন্তু আপা, এটা তো বালু দিয়ে বানানো
বালু দিয়ে বানিয়েছে বলে এর মাঝে কোমলতা আছে আম্বানীর বাড়ীটা কেমন রুক্ষ রুক্ষ লাগছে।
অংকটা কষে দেখালাম
ফলাফল কমুনা
লেকিন। আজ বাসায় গিয়ে গিন্নির ১২টা বাজামু
দারুন একখান অস্র দিলেন গোপন তথ্য বের করনের
আমার সালাম জানুবেন স্যার
ও ভাইডি! উপরের এই বাড়িটা ২৫০£ কিংবা ৩৮০$ যদি বিক্রি করে তাইলে আমারে খবর দিয়েন। আপনের জন্য নগদে ১০% আছে কিন্তু এই কথা কাওরে কইয়েন না, বুঝেনতো দিন কালের যে অবস্থা!!!
কাউরে কমুনা, মুখে তালা দিলাম
সত্যিই বিস্ময়কর
ছবিগুলো বেশ সুন্দর
মৃত্যুর পর কার বাড়ি সুন্দর হবে?

স্ত্রীকে এতো দামী বাড়ী উপহার না দিলে কি স্ত্রী চলে যাবে। এরা স্বর্গের সুখ দুনিয়াতে পেতে চায়। এতো টাকা এদের যে খরচের জায়গা নেই তাই এই ধরনের বাড়ী বানিয়ে স্ত্রীকে উপহার দেয়। কেউ যদি নাই থাকবে তাহলে বাড়ীটা নিরাশ্রয়দের দান করে দিক। কয়েক হাজার মানুষতো মাথা গুজার ঠাই পাবে।
পাখীটা সত্যিই চমৎকার।
অন্ক কষে অন্যের বয়স জানার আকাংখা চলবে না। নিজেরটা দিয়ে পরীক্ষা করে ফলাফল দিয়ে দিন।
স্ত্রীকে টাকাওয়ালা লোকেরা ভয় পায় বলে দামী উপহার দেয়!
পাখীর সৌন্দর্য দেখার মত।