বলিভিয়ার “রোড অফ ডেড” বা “মৃত্যুর রাস্তা” হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলোর একটি।। ৪৩ মাইল লম্বা এই রাস্তাটি “লা পাজ (La Paz) এবং “করইকো”(Coroico) নামক স্থান দুটোর মাঝে সংযোগ সড়ক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।। রাস্তাটি ভুমি থেকে প্রায় ২০০০ ফুট উপরে এবং এটি এতই সরু যে, একবারে শুধুমাত্র একটি গাড়ি চলাচল করতে পারে।। প্রতি বছর এই রাস্তায় দুর্ঘটনায় প্রায় ২০০-৩০০ মানুষ মারা যায়।। রাস্তায় দুর্ঘটনার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিতে প্রায়ই এই রাস্তায় ভুমিধস, পাহারধস ঘটে থাকে!!
ছবিতে রাস্তাটির একাংশ দেখা যাচ্ছে।।
Death Valley উপত্যকার Racetrack Playa অংশটি জনমানবহীন এক বৈচিত্রময় জায়গা। সচরাচর অন্য প্রানীও দেখা যায় না এখানে। এই উপত্যকার রহস্যময় পাথরগুলি কোন এক অজানা কারনে তার স্হান পরিবর্তন করে বয়ে চলে। বছরের পর বছর ধরে এই পাথর নিজেরায় কিভাবে যেন চলছে সরল পথ ধরে। ধারনা করা হয় যে, পাথরগুলি প্রতি ২-৩ বছর পর পর অগ্রসর হয়। পাথরগুলো নিয়ে এখনও ব্যাপক গবেষনা চল…ছে। রহস্য আরও ঘনিভূত হওয়ার প্রধান কারন হচ্ছে,
• বিস্তৃত এলাকা জনমানবহীন।
• এখানে বন্যা হয় না।
• এখানে এতো গতিবেগে বাতাস প্রবাহিত হয় না যে পাথরগুলির স্হান পরিবর্তনে সহায়ক হবে।
কিছু গবেষকদের মতে, মাটি যখন কর্দমাক্ত থাকে এবং বরফ পড়ে পিচ্ছিল হয় তখন বাতাসের ধাক্কায় পাথরগুলি স্হান পরিবর্তন করতে পারে। শেষ পর্যন্ত এই যুক্তিও গ্রহনযোগ্যতা পাইনি। কারন পাথরগুলি স্হান পরিবর্তন করে গ্রীষ্মকালে যখন মাটি একেবারে শুকনো থাকে এবং বরফও পড়ে না। তাছাড়া পাথরগুলি একই রাস্তায় চলে না। প্রতিটি পাথরের চলার পথ সম্পূর্ন ভিন্ন বা আলাদা।
যদিও এর পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে তারপরও এই পাথরের স্হান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বরাবরই রহস্যময়।
প্রাচীন বিশাল আকৃতির একটা পাথর রয়েছে সৌদিআরবের Al-Hassa গ্রামে। পাথরটি বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাটি থেকে ১১ সে:মি: শূন্যে ভেসে থাকে। ইতিহাসে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে একজন মুজাহিদকে এই পাথরের উপর/পাশে গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি ছিল এপ্রিল মাসের। তারপর থেকে প্রতি বছর এপ্রিল মাসের নির্দিষ্ট এই দিনে পাথরটি আধা ঘন্টা মাটির উপর ভাসমান হয়ে থাকে। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, য…খন এই ঘটনা ঘটে তখন পাথরটিতে লেগে থাকা রক্ত তাজা/ভেজা দেখা যায় এবং উজ্জ্বল হয়ে গাঢ় বর্ন ধারন করে। স্হানীয়রা পাথরে লেগে থাকা এই রক্ত মোছার অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু পরবর্তীতে আবারও পাথরের গায়ে রক্ত দেখা যায়।
পৃথিবীতে মানুষের অসাধ্য বলে কোনকিছু নেই।
অবিশ্বাস্য ছবিটি ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখুন,
২০০৮ সাল। ক্ষতবিক্ষত হাইতি! চারিদিকে শুধু কান্না আর চিৎকার! “হান্না” নামের শক্তিশালী ঝড় আঘাত এনেছিল হাইতি তে। দানবের মত চারিদিকে তছনছ করে দিয়ে যায়। এই ঝড়ে প্রাণ হারায় ৫৪০ জন মানুষ আর আহত হয় প্রায় দুই হাজার!! হাইতি হারিয়ে ফেলে তার সব সঞ্চয়। দেশটিতে দেখা দূর্ভিক্ষ। একে তো জনগন ঘড় হারা অন্যদিকে দূর্ভিক্ষ। শুরু হয় মহামারি মরণ।
এই ছবিটি হাইতির সেই অসহ্যকর কষ্টের স্মৃতি বহন করছে। যাতে একটি শিশু তার শেষ সম্বল ট্রলিটি বাঁচানোর চেষ্টায় ব্যাস্ত।
** আসুন আজ আমরা সৃষ্টি কর্তার কাছে প্রার্থনা করি যেন এমন দুর্ভোগ তিনি আমাদের আর না দেন।
** ছবি ও তথ্য নেট থেকে নেয়া
পূর্বতন পোষ্ট
বিস্ময়কর
বিস্ময়কর ০১
বিস্ময়কর ০২



বলিভিয়ার রাস্তাটা দেখে দার্জিলিং যাবার রাস্তাটার কথা মনে পড়ল। পাহাড় কেটে রাস্তা বানানো এই রকম দেখা যায় দূর থেকে।ে
বেচে থাকার জন্য মানুষ আসলেই অনেক কিছু করে।
অবিশ্বাস্য ছবিটা বুঝতে পারছি না কিসের ছবি ওটা, আমি পাথর দেখতে পাচ্ছি।
সেই পাথরের চূড়ার দেখেন একজন সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
হ্যা ওটা দেখেছি। আমি ভেবেছিলাম পাথরটায় কিছু আছে

সব গুলোই দারুণ। বলিভিয়ার রাস্তা দেখে থানচি থেকে ফিরে আসার কথা মনে পড়ছে।
দারুন……
সত্যি-ই বিস্ময়কর!
শুভেচ্ছা-
দারুন সব তথ্য নিয়ে লেখা।
অভিনন্দন
সত্যিই বিষ্ময়কর।
বিষ্মিত!
দারুন ভাবেই বিষ্মিত
একিই সাথে মুগ্ধ
ধন্যবাদ স্যার সালাম নিন।
হাইতির ছবি টা মোচড় দিল…