আজ জৈষ্ঠ মাসের ১১ তারিখ ।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১১২ তম জন্মজয়ন্তী।কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজ পোষ্টের আজ শেষ পর্ব। আজ জাতীয় কবির কিছু ছবি, কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো , আশা করি ভালো লাগবে ।
প্রিয় কবির জন্ম অধুনা ভারতবর্ষের, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের,বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে..
২৫ শে মে,১৮৯৯ সালে।

এই বাড়িতে জন্মগ্রহন করেছইলেন বাংলা সাহিত্যাকাশে ধূমকেতুর মতোই আবির্ভাব ঘটানো বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, দার্শনিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের। এটা এখনকার ছবি….ভারত সরকারের সংরক্ষিত এলাকা।

তখনো কেও নজরুল ইসলাম বলে চেনেনা…চেনে দুখু মিয়া বলে…
তখন লেটো দলে গান গেয়ে বেড়ায়….
পিতামহ কাজী আমিনউল্লাহ
পিতা ফকির আহমদ
মাতা জাহেদা খাতুন
দুখু মিয়া পিতা মাতার ষষ্ঠ সন্তান

দশম শ্রেণীতে পড়তে পড়তে ব্রিটিশ অধিনস্ত ভারতীয় সেনা বিভাগে যোগ দেন কবি …
তার সাহসিকতা এবং নিজ যোগ্যতায় হাবিলদার পদে উন্নিত হন…
যুবক ২১বছর বয়স…সৈনিকের পোশাকে (হাবিলদার) কবি ।

পারিবারিক ছবিতে কবি
ছেলে বুলবুলকে হাতে নিয়ে
কবির ডানদিকে দাঁড়িয়েবুলবুলের নানি…
তার ডানদিকে স্ত্রী প্রমিলা দেবী বসে আছেন.
কবির বাঁদিক বসে আছেনগিরিবালা দেবী..
এখানে কবি, তাঁর স্ত্রী প্রমিলা দেবী ,দুই পুত্র সব্যসাচী এবং অনিরুদ্ধ

আমার বন্ধুদের সঙ্গে কবি….

চুরুলিয়ার বসাভূমিতে পরিবার পরিজনদের মাঝে কবি…

পরিবারের সঙ্গে একান্তে কবি

কবির গান.. কবিকে গেয়ে শোনানো হচ্ছে

নিজের গান শুনে খোশ মেজাজে কবি

বাঁশির সুরে নিমগ্ন কবি

কবির হাতের লেখা চিঠি
রাজশাহী মুসলিম ক্লাবের সদস্যদের মাঝে কবি


ঢাকায় নাতি নাতনিদের সঙ্গে কবি

রোগশয্যায়… কবির মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন…বঙ্গবন্ধু

২১ পদকে কবিকে সম্মানিত করছেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি

‘গাহি সাম্যের গান–
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাহি, নহে কিছু মহীয়ান!” নির্বাক কবি।

শেষ বারের মত চোখ বন্ধ করেন কবি.. ২৯আগস্ট,১৯৭৬সালে
তার জানাজার নামাযে ১০ হাজারের মত মানুষ অংশ নেয়। জানাজা নামায আদায়ের পর রাষ্ট্রপতি সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, রিয়াল এডমিরাল এম এইচ খান, এয়ার ভাইস মার্শাল এ জি মাহমুদ, মেজর জেনারেল দস্তগীর জাতীয় পতাকা মন্ডিত নজরুলের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী ময়দান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গনে নিয়ে যান।
“মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই,যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই ।।”
এই কবিতায় তার অন্তিম ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। তার এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়

এখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন কবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মসজিদের পাশে
কাজী নজরুল ইসলামের কব্যগ্রন্থ :-
অগ্নিবিণা(১৯২২),দোলন চাঁপা (১৯২৩),বিশের বাঁশি(১৯২৪), চিত্তনামা(১৯২৫), সাম্যবাদী(১৯২৫), সর্বহারা(১৯২৬), ঝিঙেফুল(১৯২৭), ফণিমনসা(১৯২৭), সিন্ধুহিল্লোল(১৯২৭), সঞ্চিতা(১৯২৮), জিঞ্জীর(১৯২৮), সন্ধ্যা(১৯২৯), চক্রবাত১(১৯২৯), প্রলয় শিখা(১৯৩০), চন্দ্রবিন্দু(১৯৩০),
নতুন চাঁদ(১৯৪৫), মরু ভাষ্কর(১৯৫৭), সঞ্চয়ন(১৯৫৫), শেষ সওগাত(১৯৫৮), ঝড়(১৯৬০)
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা গল্প :-
ব্যাথার দান,রিক্তের বেদনা
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নাটক :-
মৃত্যু ক্ষুধা
কাজী নজরুল ইসলাম যে যে পত্রিকার সম্পাদক ছিলান:-
লাঙ্গল,ধূমকেতু,নবযুগ,মোসলেম ভারত
বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো কবির প্রতি ।



কবির আত্মা সুখে থাক।

ধন্যবাদ আপা
বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো কবির প্রতি
আসসালামুয়ালিকুম শ্রদ্বেয় শিবু ভাই
আপনার নিকট গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি কারন-
এবারে কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজ টির কারনে আমরা অনেক না জানা তথ্য ভুলে যাওয়া তথ্য,কবির কাব্য গান ইত্যাদির সাথে রিজুভিনেট হতে পেরেছি
এভাবেই যুগের পর যুগ কালের পর কাল কবি বেছে থাক “চির উন্নত মম শির”
অনেক অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ স্যার
বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো কবির প্রতি
বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো
দুর্লভ এই ছবিগুলো যেন কথা বলছে ।

ঠিক তাই। এই ছবিগুলোর মাঝেই কবি বেঁচে থাকবেন আমাদের অন্তরে
শ্রদ্ধাঞ্জলী………কবিকে
ধন্যবাদ। শ্রদ্ধাঞ্জলী রইলো
কবির জম্মদিনে তাঁর সৃষ্টি ধারন করার প্রত্যয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা।
দারন একটি সিরিজের জন্য ধন্যবাদ বন্ধু।
কবির জম্মদিনে তাঁর সৃষ্টি ধারন করার প্রত্যয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা।
ধন্যবাদ বন্ধু
বিনম্র শ্রদ্ধা প্রাণের কবি, ,মানুষের কবি ও জাতীয় কবির প্রতি ।
সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ বন্ধু
ধন্যবাদ বন্ধু

শ্রদ্ধা জানাই কবিকে
বেশির ভাগ ছবিই আগে দেখি নি। এমন বিরল ছবি-সমৃদ্ধ পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। সিরিজের বাকি লেখাগুলিও পড়তে হবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১২ তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

তথ্যবহুল পোষ্টটি দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পোষ্টটা স্টিকি করার জন্য সম্মানিত মডু ভাইদের অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
ধন্যবাদ,

শ্রদ্ধাঞ্জলি কবির প্রতি।
ধন্যবাদ সাইক্লোন, জাতীয় কবিকে নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ একটি সুন্দর পোস্টের জন্য।
বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো কবির প্রতি ।
দারুণ একটি পোস্ট ।
সতত শুভকামনা প্রিয়