কোয়ান্টাম কুদরত, খোদার ডাইরেক্ট এ্যাকশান, আমার চোখের আমি

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি কমনে আসে যায়-> ফকির লালন শাহ)(Who in the world am I? Ah, that’s the great puzzle.->Lewis Carroll)(I want to touch people with my art. I want them to say ‘he feels deeply, he feels tenderly.-> Vincent Van Gogh

আয়নার ভেতর থেকে কখনো কখনো আমার চোখ কর্তৃক আমাকে দেখার ধরন দেখে আমি ভয় পাই। অবশ্য বেশ কিছু চমত্কার কারণও আছে নিশ্চিত। আমি ভয়টার ভেতরে এক ধরণের ভালোবাসাও দেখি, উত্ফুল্ল আলোও দেখি। আমি দেখি আমাকে। দুই রূপ। ম্যাটার আর এ্যানার্জি! বিশেষ এ্যানার্জি! নাকি মায়ার চোখে মায়া আর মায়াহীন কায়া! হতে পারে ওটা ‘নিজেকে জানো’ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। হতে পারে প্রিয় নারীর চক্ষু দর্শনের সাথেও এর একটা পবিত্রতর সম্পর্ক আছে। এবং কখনো কখনো আমি যে আমার চোখ মুখ অচেনা দেখতে পাই, তাও অসত্য নয়। আহা! ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গেয়েছিলেন।

আমার ভয়টা ফোটে কখনো ম্যাগনোলিয়ার হাসির মতন। কখনো মনে হয় আমি খুব নিভৃতে কলম হাতে উড়তে পারার মতন সুন্দর এই ভয়। আলোর গতির চাইতে বেশি গতি আবিস্কার করতে পারলেই অতীত ভ্রমনে যেতে পারতাম। সক্রেটিস কিংবা কোপার্নিকাস অথবা কাহ্নুপাদের সাক্ষাতকার নিতে পারতাম এবং তা সমুদ্র সফেনের উদ্বাহু নৃত্যের মতোন সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে পারতাম। টি এস এলিয়টকে বলতে পারতাম- আপনি দি ওয়েস্ট ল্যান্ড-এর এলিয়ট, ইডিয়ট নন মোটেই, ভিভের মৃত্যুশয্যায় কমপক্ষে আপনার যাওয়া উচিত ছিলো। বাট্রান্ড রাসেলের শয্যাসঙ্গি কিছুকাল থাকলেও আপনার জন্য ওর ভালোবাসা অন্তিমতক অক্ষত।

আমার চোখে দিওয়ানা দিওয়ানা রহস্যফুল ঘ্রাণের উল্লাস-
সম্ভাবনার সত্য সমান্তরালে জীবন্ত। যোজন বিয়োজন গহন। শ্রোয়েডিঙ্গার ভাইজান, বাক্সবন্দী বিড়াল আপনার মরেছে এবং মরে নি, দুই সত্যের ধারণা ঠিক ঠিক, যতক্ষণ না বাক্স খোলা হয়।
দুই ফোটনে ফিসফিস- তুমি আমি ভালোবেসে মিলিত হই যদি, নিরবধি, অন্তহীন প্রেম, বিচ্যুতি নেই, অশেষ বন্ধন। ভালোবাসা না-হওয়া পর্যন্ত দুই সত্য বিরাজমান, ভালোবাসি এবং ভালোবাসি না। কোয়ান্টাম কুদরত!কণা-সাম্রাজ্যের কারিশমা! এ্যানটেঙলমেন্ট!
তুমি রঙে তুমি তরঙ্গে তুমি হে অঙ্গে অমলিন!

আমার চোখ ইশারা দিয়েছিলো একদিন এই রকম-
যেই লোক বলে ‘আল্লারে মানি না’, সেই লোকেরে ‘খোদার অস্তিত্ব অস্বীকারকারী’ যিনি বলবেন, তার অংকের মাথা নাই, অধিকন্তু ভুল হিসাবে পারদর্শি তিনি। না-মানার মতলব অস্তিত্বে অস্বীকার করা নয় কিছুতেই। মানা এবং না-মানা, দুই ভিন্ন প্রপঞ্চে অস্তিত্ব স্বীকার। তার না-মানার ভেতরে অন্য রকম মানামানি থাকতে পারে যা সে গোপন করছে অথবা বিবৃত করা থেকে বিরত থাকছে বিশেষ কারণে।

জগতের বহুবিধ জনপদে মানুষের দুঃসহ যাতনা ভোগ বিষয়ে আমার চোখ দেখিয়েছিলো-
যাতনাও এক প্রকারের ভোগ মানুষের জীবনে। ইনোসেন্ট সাফারিং, এই শব্দদ্বয় যা প্রকাশ করে, তেমন কিছু মুলত নেই। ঝলোমলো শব্দে মিথ্যে অভিযোগ! জীবন যাতনার শিল্প দর্শন অতীব প্রয়োজন। হাসি কান্নার ভেতর জীবন প্রজ্বলিত, তাত্পর্যমন্ডিত। ও আচ্ছা, সেই পুরনো প্রশ্ন নতুন আদলে- Why does God let bad things happen in the world? কিংবা খোদা কেন ডাইরেক্ট এ্যাকশান নেন না অত্যাচারির বিরুদ্ধে?
‘ব্যাড থিংস’ এর সাথে ‘গুড থিংস’ এর ক্যারেজম্যাটিক সম্পর্ক। দিগন্তে আকাশ পাহাড়ের সাথে লেগে আছে দেখা যায়, নিশ্চিত সঠিক নহে। আকাশ এমন কিছু নয় যাকে উষ্ণ স্পর্শে মিলানো যায়। প্রজ্ঞা অমলিন অহর্নিশ। পৃথিবীর মানুষের জ্ঞানে সূর্য উদয় হয় অস্ত যায়। সূর্যের মুলত উদয় অস্ত নেই। জ্বলছেই জ্বলছে। ‘বর্তমান’ নামে কোনো কাল নেই, উইদিন নো টাইম ফিউচার বিকাম পাস্ট। তবু মানুষকে হিসেব করতে হয় বর্তমান কাল। খোদার ডাইরেক্ট এ্যাকশন অধিকাংশ সময় অনাকাঙ্খিত,যথেষ্ট যৌক্তিক সুনিশ্চিত। সুখ দুখের হিসেব নিকেশ যদি তিনিই করে দেন সহি সালামত, তবে আর মানুষের প্রজ্ঞার বিন্দু দাম অবশিষ্ট থাকে না। প্রপঞ্চগুলো স্তরে স্তরে বিন্যাস করা, কমজোর মানুষ একটু গহনে নামে না। কিছু লোমহর্ষক হারিয়ে যাওয়া পরবর্তীতে অঙ্গন প্রাঙ্গনে নব কিশলয়ের মতন আসে। গহনে তাকাও, দেখো, গাড়ীর গতি, চালকের গতি, পৃথিবীর আহ্নিক বার্ষিক গতি, আন্তঃগ্যালাক্সীয় গতি সংযুক্ত।

আমার চোখ স্বপ্নদের জন্ম মৃত্যু উপভোগ করে।
আর সত্য বলি, মোতি ইয়াকুত খচিত জাফরান মাটির উপর শোভিত প্রাসাদে হুর গেলমান প্রলোভন, এই কারণে প্রভূর বন্দেগী করে না আমার চোখ, উচিত নয়। তিনি ভালোবেসে যেইখানে ঠাঁই দেন সানন্দে কবুল। গাম হ্যায় ইয়া খুশি হ্যায় তু- মেরি জিন্দেগী হ্যায় তু। যারা জমিনে ফ্যাসাদ করে, যারা ‘মৌ-লোভী’, যারা ধর্ম পালন করে নেশার মতন, যারা মন্দিরে মসজিদে গির্জায় প্রার্থনায় বসে নিজ নিজ মতলব প্রার্থনায় মশগুল, আমার চোখ তাদের রবের এবাদত করে না।

তিনি অসাধারণ জীবনশিল্পী, বিস্ময়কর জীবশিল্পস্রষ্টা। অতীত বর্তমান ভবিষ্যত একই মানচিত্রে দর্শন করেন। তাঁর কতিপয় শিল্পকর্ম যেমন লালন ফকির, নিউটন, আইনস্টাইন, ম্যাক্স প্ল্যাংক, স্টিফেন হকিং, শেক্সপিয়র, হুইটম্যান, জিবরান, জীবনানন্দ দাশ, ইবনে আরবী, রুমী, মাদার তেরেসা, রবীন্দ্রনাথ। তিনি চাইলেই ট্রয় নগরী ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারতেন, করেন নি, হেকমত আছে। জেসাসকে স্মরণ করি, অতুলনীয় লোমহর্ষক রক্ত লাল কষ্ট তিনি ভোগ করেছিলেন। প্রভূ ডাইরেক্ট এ্যাকশনে ইসরাইল বংশধরদের ধ্বংস করেন নি। তিনি ভালো জানেন, ব্ল্যাকহোলদের হাইপারএ্যাকটিভ কেন হতে দেন এবং কি কারণ নক্ষত্র খাওয়ান বিলিয়ন বছর ধরে। তিনি রোম সম্রাট নিরো কর্তৃক বিষবৃক্ষরস ব্যবহার থেকে বিরত রাখেন নি; তিনি বিশ্বযুদ্ধগুলো না-হওয়ার সফল ব্যবস্থাপত্র দেন নি; তিনি হিটলারকে কুদরতি শক্তি দিয়ে থামান নি; ইরাকে ক্লাস্টার বোমা নারী শিশুর উপর, তিনি কুদরত প্রতিরোধ নাজিল করেন নি; তিনি ফোরাতকে রক্তনদী হতে দিয়েছিলেন মোঙলদের দ্বারা; হায় কারবালা হায় কারবালা মানুষ কেন বলে তিনি ভালো জানেন; মোঙ্গল কেন নিশাপুরে মহাত্মা ফরিদ আদ দীন আত্তারকে হত্যা করলো তিনি অবগত; মনসুর হাললাজকে লোমহর্ষক মৃত্যু বরণ করতে দেন তিনি; কাবার গিলাফ ধরে কাঁদতে থাকা আবু জেহেল গোষ্ঠীর প্রার্থনা কবুল করেন নাই তিনি; প্রেরীত পুরুষ রক্তাক্ত, হযরতের দাঁত মোবারক শহীদ হতে দেন তিনি। ধরিত্রী কুরুক্ষেত্র সহস্রবার সহস্র জনপদে, তিনি জানেন। এইসব দুঃখ জাগানিয়া ঘটনার পেছনে নিশ্চিত হেকমত, কেননা তিনি ফেরাউনের ঘরে মুসাকে নিরাপদে বড় হতে দেন। ইব্রাহীম অগ্নিকুন্ডে বসে হাসেন কারণ তিনি বলেছিলেন হে আগুন সুশীতল আরামদায়ক হও। আমার চোখ ইশারা দিলো- সারওয়ার, তুমি যে দুরন্ত কৈশোরে কাঁটাল গাছের মগডাল থিকা পড়তে লাইগা আরেক ডালে বাড়ি খাইয়া ধপাস করে ধরিত্রী স্পর্শ দিলা, তুমি তো মরো নাই, শুধুমাত্র দক্ষিণদিকে সূর্য উঠতে দেখছিলা। তুমি অক্ষত থাকবার সম্ভাবনা ছিলো না অতোটা উপর থেকে মাধ্যাকর্ষণের টান খাওয়ার কারণে।
আমি কি অসত্য বলতে না-পারার অপরাধে ল্যাপটপের মৃত্যুদন্ড দিতে পারি! পারি না। দ্বন্দদীর্ণ জগতমন্ডল শান্ত হও, অপূর্ব শান্ত হও!

৩১/১২/২০১০
ইউএই

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 3.5/5 (8 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: 0 (from 0 votes)
কোয়ান্টাম কুদরত, খোদার ডাইরেক্ট এ্যাকশান, আমার চোখের আমি, 3.5 out of 5 based on 8 ratings

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

৩২ টি মন্তব্য (লেখকের ১৬টি) | ১৬ জন মন্তব্যকারী

  1. সাইদুর রহমান চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ৪:২৪ |

    পড়ার জন্য রাখলাম, সিরিয়াস টাইমে পড়তে হবে আপনার লেখা।
    শুভ কামনা সারোয়ার ভাই

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৪৯ |

      পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৫০ |

      মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  2. মুরুব্বী : ৩১-১২-২০১০ | ১০:১৮ |

    গ্রেট এ্যান্ড টাফ জব স্যার। বাট য়্যূ হাভ ডান।
    Yes Yes Yes

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৫২ |

      এই তো কিছু লিখে ফেলা আর কি। পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  3. কবির য়াহমদ : ৩১-১২-২০১০ | ১১:১৯ |

    ভাবনার খোরাক জোগালো।
    শুভকামনা

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৫৩ |

      কিছু ভাবনা প্রকাশ করলাম মাত্র। পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  4. অপদেবতা : ৩১-১২-২০১০ | ১২:১৮ |

    প্রথমেই বলি , আপনার লেখার হাত ভাল , বড় আলোচনা লেখা পড়তে ইচ্ছা করে না , কিন্তু আপনারটা পড়া হয়ে গেল।

    ২য় ত , এধরনের লেখার প্রায়ই পেছনে একটা বড় সড় খোচা খাই (মৌলবাদী তো )

    যাক , আপাতত দুটোর ভালই ভালই পার করলাম।

    ওই একটা কথা পড়েছিলাম না, লাল কাচের ভেতর দিয়ে পৃথিবী তাকালে পৃথিবী লাল , নীল কাচে নীল।

    যে যে কাছের ভেতর তাকাতে চায়।

    সুন্দর ভাবনা ।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৫৫ |

      চেষ্টা করি লুকিয়ে থাকা কিছু সত্য প্রকাশ করতে। পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  5. প্রতীপ : ৩১-১২-২০১০ | ১২:৩০ |

    শুভেচ্ছা Smile

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৫:৫৭ |

      হাসির ইমোটি কি কারণ বুঝি নাই। চেষ্টা করি লুকিয়ে থাকা কিছু সত্য প্রকাশ করতে। পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  6. শামান সাত্ত্বিক : ৩১-১২-২০১০ | ১২:৩১ |

    আপনার ধারায় আপনি লিখেছেন, আপনার বিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে, আমার কাছে মন্তব্য করার কিছু নেই। শুভ কামনা।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:০৩ |

      মজার ব্যাপার হলো, আপনি যদি আপনার ধারায়-ই কিছু লিখেন, সেখানেও আমি ইচ্ছে করলেই কিছু ইতিবাচক কথা বলতে পারি, যদি এমন ভাবি যে, জগতের কোনো কিছুই তাত্পর্যহীন না। Big Smile আপনার কিছু বলার না-থাকা সত্বেও পাঠ করা ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  7. নালপিরান : ৩১-১২-২০১০ | ১২:৩৮ |

    বিশ্বাসের ব্যাপারে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। এইভাবে ভাবাটা যদি স্মার্টনেস ভাবেন তাহলে ভাবতে পারেন। তবে আমি আপনার সাথে একমত নই। কিন্তু মানছি আপনি ভাল লেখেন।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:০৯ |

      ‘বিশ্বাস’র ব্যপারে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হলো একটা লেয়ারের সত্য, আর একটু গহীন লেয়ারে মানুষের বিশ্বাসগুলোর আন্তরিক যোগাযোগও সত্য। ‘স্মার্টনেস ভাবা’ জিনিসটা কি? আমি মূর্খের বোধগম্য না ইহার সদর্থ। আপনি একমত না-হওয়ার জন্য আপনাকে আমি বিশেষ ধন্যবাদ দিতেই পারি। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  8. নাজমুন নাহার : ৩১-১২-২০১০ | ১৩:০৬ |

    ভালো লাগলো / বিশ্বাস অবিশ্বাস এর দোলায় দুলতে দুলতে জীবনটাই পার হয়ে যায় । Yes Yes Yes

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:১১ |

      ভালো লাগলো জেনে আমারও ভালো লাগলো। বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাটা যদি অনুসন্ধিত্ষার কারণে হয়,তাইলে সেটা ভালো। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  9. ফরিদুল আলম সুমন : ৩১-১২-২০১০ | ১৩:২১ |

    গাম হ্যায় ইয়া খুশি হ্যায় তু- মেরি জিন্দেগী হ্যায় তু। যারা জমিনে ফ্যাসাদ করে, যারা ‘মৌ-লোভী’, যারা ধর্ম পালন করে নেশার মতন, যারা মন্দিরে মসজিদে গির্জায় প্রার্থনায় বসে নিজ নিজ মতলব প্রার্থনায় মশগুল, আমার চোখ তাদের রবের এবাদত করে না

    অসাধারণ Rose Rose
    শুভ ইংরেজি নববর্ষ Rose Rose

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:১৪ |

      আপনাকে অসাধারণ ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  10. হাফিজুর রহমান চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৪:২৪ |

    মনে হল ভ্রমন করে এলাম।
    অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত মিলে মিশে একাকার এক হাইপারড্রাইভ!
    জ্ঞানের এতগুলি চুড়া স্পর্শ করে উড়ে গেলাম যে ভাবার সময় পেলাম না।
    মহাজাগতিক বস্তুনিচয়ের সাথে এই যে আধাত্ববাদের মেলবন্ধন
    তা খুব কম মানুষই উপলব্ধি করতে পারে।
    আপনি সেই বিরল মানুষদের একজন যার গভিরতা
    জীবনের প্রাত্যহিক ঘটনার আড়াল পেরিয়ে অনেক সুক্ষ বোধে উদ্বিপ্ত হতে পারে।
    সৃস্টি ও স্রষ্টার রুপ কিছুটা হলেও যিনি বুঝতে পারেন। জয় তু।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:১৯ |

      এই লেখাটিতে একটা সমন্বয়ী বোধের বিচরণ যে আছে তা আপনি ধরে ফেলেছেন। দিস ইজ গ্রেইট থিং ফ্রম ইওর সাইড মাই ডিয়ার হাফিজুর রহমান চৌধুরী। আপনাকে ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ৩১-১২-২০১০ | ১৬:২১ |

      তিনটি গোলাপ। আমি দিলাম চারটি গোলাপ। Rose Rose Rose Rose আপনাকে ধন্যবাদ। নতুন বছরের শুরুতে অশেষ শুভ কামনা।

  11. সাইক্লোন : ৩১-১২-২০১০ | ১৭:১৩ |

    ধন্যবাদ Smile

  12. লুবনা : ৩১-১২-২০১০ | ২০:০১ |

    আরেকটু ছোট হলে পড়তে সুবিধা হত।

    • সারওয়ার চৌধুরী : ০১-০১-২০১১ | ৩:৪৮ |

      আরে আরে লুবনা দাদী! হায় হায় হাজার বছর পর দেখা! তাও ছোট লেখা পইড়া চটজলদি পালিয়ে যাওয়ার আবদার! আপনি আইবেন জানলে আরেকটু লম্বা করতাম। Big Smile

  13. সজল শর্মা : ৩১-১২-২০১০ | ২০:০৫ |

    সবই তাঁর ইচ্ছা- যেমনি নাচাও তেমনি নাচি।

  14. রাজিন : ০১-০১-২০১১ | ৯:৩৯ |

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা Present Present

    • সারওয়ার চৌধুরী : ০১-০১-২০১১ | ১৬:১৮ |

      আপনাকেও শুভেচ্ছা, সৃজনশীল থাকুক আগামী দিনগুলো।