[বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করে তুলতে আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা এ চিঠিটি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত "আমার চিঠি" সংকলনে ছাপা হয়েছিলো।]
আপনি কি জানেন, আমি কেমন আছি? জানতে কি চান? আমার না বড্ড ইচ্ছে হয় আপনাকে জানাতে, আমার সারাদিন-রাত্তিরের খুটি নাটি সাতকাহন সব….. সঅব কিছু।
আমি ভালো আছি। বরাবরই আমি ভালো থাকারি চেষ্টা করি, ভালো না থাকার এ পৃথিবীতে! শুধু ভালো থাকতে হয় বলে। এই তো, বেশ হাসি মুখেই পার করে দিচ্ছি আমার দিন-রাত্তিরগুলো। কিন্তু ভালো থাকার এবং ভালো রাখার চেষ্টারত এই “আমি”র ভেতরে যার বসবাস আপনি কি জানেন, সে “আমি”টা দিনে দিনে কেমোন যেনো শুকিয়ে যাচ্ছে!? একদা এই আমার একটা নিজস্ব নাম ছিলো। সে নাম নিয়ে আমার বাবার গর্বও কম ছিলো না। যদিও সমগ্র বাংলাদেশ এখন আমায় অন্য এক নামে জানে। কিন্তু সে নামের অতলে কবে-কখন চাপা পড়ে গেছে আমার নিজের নামটি তা নিয়ে আজ আর কেউ মাথা ঘামায় না। আপনাদের সে নামের ইতিহাস শোনাতে বড্ড ইচ্ছে হচ্ছে আজ।
শুনবেন কি?
বলি তবে……
শুনেছিলাম পৃথিবীর বুকে আমার আগমনী মূহুর্ত প্রভাতী রোদ্দুর তার নরম আভায় চারপাশ আলোকিত করে আমায় স্বাগত জানিয়েছিলো। বড় বড় চোখ মেলে চারিপাশ পিট পিট করে চাইছিলাম আর ভাবছিলাম, এক দিনেই জেনে নিতে হবে আমার পৃথিবীর সমস্ত রহস্য। বাবা পরম মমতায় দুহাতে আগলে নিয়ে বলেছিলেন, “আমার আলোকিতা মামনি”। সেই থেকে নাম হয়ে গেলো আলোকিতা, সংক্ষেপে আলো। বেড়ে উঠছি বাবার হাত ধরে। একটু একটু জানতে শুরু করেছি পৃথিবীকে। অনুভব করতে শুরু করেছি তার অপার সৌন্দর্য্য। আমাকে নিয়ে বাবার অনেক স্বপ্ন।
আমিও খুব করে চেয়েছিলাম ভুবন আলোকিত করে বাবার দেওয়া নাম স্বার্থক করতে। চারপাশকে অন্য আলোয় রাঙ্গিয়ে তুলতে। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই আমার আলোকিত ভুবন একরাশ আধাঁরে ছেয়ে গেলো। জানলাম আমি ঠিক আর দশজন মানুষের মতোন নই। ঈশ্বর আমার দু’পায়ে পৃথিবীর মাটিতে হেঁটে বেড়াবার সক্ষমতা দেননি। তাই আমি সবারচে’ আলাদা। এবারে সমাজ আমায় নতুন নাম দিলো – “প্রতিবন্ধী”। কেনো যেনো আমার নতুন এই নাম এবং সমাজের কটাক্ষ চাহনী বাবাকে খানিকটা বিব্রত করে তুললো। একটু একটু করে আমি অনুভব করতে শুরু করলাম সমাজের প্রশ্নবোধক দৃষ্টির আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে বাবার স্বপ্নগুলো। আমার জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একে একে সমস্ত দুয়ার। দু’বেণী ঝুলিয়ে স্কুলে যাওয়া, স্কুল থেকে ফিরে এ পাড়া ও পাড়া চষে বেড়ানো, সদলবলে দস্যিপনায় মেতে সকলকে তটস্থ রাখা, প্রাণবন্ত সেই উচ্ছলতা সব- সবই হারিয়ে গেলো এক সময়। দশ ফিট বাই দশ ফিটের ছোট্ট একটি কক্ষে আটকে গেলো আমার পৃথিবী। রোজ সকালে ঘুম ভেঙে বিছানা থেকে চেয়ার, রাতে আবার বিছানা। সারাদিন মান এক ঘেয়ে ক্লান্তিকর বসে থাকা। আর মাঝে সাঝেই অনতিক্রম্য দুঃস্বপ্নের মুহুর্ত গুলো আড়াল করে রাখার জন্যে আকাশ কুসুম কল্পনায় বুঁদ হয়ে থাকা। কখনোবা বিছানার ধারে লাগোয়া জানালাটা দিয়ে নীলাকাশে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা দেখা। ঐ সুদূরের পানে উড়ে যাওয়া পাখিদের সাথে মনে মনে অনেকটা পথ ঘুরে আসা। ক্লান্ত দুপুর শেষে মিষ্টি এক বিকেল রোজ আমার ঘরে বেড়াতে আসে। ইদানিং যার সাথে আমার দারূন সখ্যতা। যাপিত জীবনের সমস্ত যন্ত্রণা বয়ে বেড়ানোর এই আমার একমাত্র সাথী। নরম সোনালী রোদ্দুরের আলতো পরশে আমার আঁধার কোন খানিকটা সময়ের জন্য হলেও ঝলমলিয়ে ওঠে। আবারো শেষ বিকেল। ঘন সবুজাভের নিবীড় ছায়ায় সিঁদুরে গোলা লালিমাচ্ছন্ন আকাশ। খানিক পরেই ঘরে ফেরা পাখির কলতানের সাথে ঝপ করে নেমে আসে এক রাশ বিষণ্ণ আঁধার। এইটুকুন নিয়েই আমার নিজস্ব জগত। যা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই কারুরই। সবাই সবার মতোন ব্যস্ত। মা পরিবার সামলাতে, বাবা অফিস সামলাতে। বাবার সার্বক্ষনিক কড়া নজরে ছোট ছোট ভাই বোন গুলো আমারি চোখের সামনে দিয়ে তর তর করে বেড়ে উঠছে। তাদের উজ্বল ভবিষত গঠনে পরিবার-সমাজের মাঝে এক বিশাল আয়োজন। তীব্র প্রতিযোগীতার এই যুগে পিছিয়ে পড়া চলবেনা কোন অবস্থাতেই। নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না এক -একটা দিনও। নির্দিষ্ট এক লক্ষ্য ধরে সামনের দিকে ওদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এগিয়ে চলা। আর অন্য দিকে আমি… একই পরিবারে হয়েও তাদের আর আমার মাঝেকার দূরত্বটুকু কি ভীষণ! সমাজের হয়েও যেনো ভিন্ন এক জগতের বাসিন্দা আমি। আমারি কোন লক্ষ্য নেই, সমুজ্জল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নেই। এমন কোন জায়গা নেই যাবার, যেখানে অন্তত খানিকটা সময় স্বস্থির শ্বাস ফেলা যায়। আর যদিবা কোন এক অলৌকিক উপায়ে কোথাও যাবার সুযোগ হয়, হাজারো প্রতিবন্ধকতার মাঝে মানুষের নানা বিধ প্রশ্নের তোড়ে বাবা মায়ের অসহায় চাহনী, আমার আনন্দ গুলো গুটিয়ে যায়। আমার অধিকারে জায়গা গুলোতে সীল মোহর এটে দিয়েছে ছোট্ট একটি শব্দ — “না”।
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় – “না”।
সাস্কৃতিক কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠান – “না”।
বিনোদন কেন্দ্র এবং খেলার মাঠ – “না”।
যাতায়াত ব্যবস্থা – “না”।
“না”। “না”। “না”। “না” ……
চারিদিকেই শুধু “না”।
আপনি কি অনুভব করতে পারছেন, “না” শুনতে শুনতে হাঁপিয়ে উঠেছি “আমি” এবং “আমরা’। এতোটুকুনো ভাবার চেষ্টা করেছেন কি কখনো, আপনিও হতে পারতেন আমারি মতোন একজন। কিংবা হয়তো আপনারি কোন স্বজন!
প্রতিবন্ধিতা বুঝি অভিশাপ!
তাই যদি না হয় তবে এ দেশের নাগরিক হয়েও যা আপনার অধিকার আমি কেনো হবো তা থেকে বঞ্চিত? বলুন না…… হুমম…???
আচ্ছা, এই “না” কে কোনভাবেই কি “হ্যাঁ” তে রুপান্তরিত করা যায় না?
পালটে কি ফেলা যায়না শৃঙ্খলিত এই সমাজ ব্যাবস্থাকে?
আমূলে বদলে কি দেওয়া যায় না মানুষের চিন্তা ধারা গুলো?
আর কতো ঘরের কোনে আবদ্ধ থাকবো “আমি” কিংবা “আমরা”?
আমি প্রতিবন্ধী পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই না আর।
পরিবার এবং সমাজের বোঝা হয়ে বাচঁতে চাইনা।
“মানুষ’ হিসেবে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমারও তো অধিকার আছে আপনার -আপনাদের মতোন স্বাভাবিক একটা জীবন যাপনের………………..।
করুনা চাই না। সহমর্মিতা চাই।
বন্দী হয়ে থাকতে চাই না আর ঘরের কোনে। সর্বত্র প্রবেশের সুবিধে চাই।
বাড়িয়ে দেবেন কি সহযোগীতার হাত ?
ইতি __
“আমি একজনা………”



না নয়, হ্যাঁ এর জয় হোক সবখানে।
শুভ কামনা রইল।

ভাল থাকুন।
ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।

মনোবল আর সত্যনিষ্ঠার জয় হোক।

অনেক অনেক দোয়া রইলো সাবরিনা।
আপনাদের অনুপ্রেরণাই আমার চলার পথের পাথেয়।

ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
আঁকড়ে ধরো সভ্যতা,
অসভ্য যত নেকড়ের দল হাসুক নির্লজ্জ্ব-
বুঝে অথবা না বুঝেঃ
তোমার মৌন আসন হোক তপস্বীর ধ্যান
প্রত্যুষের;
সাবরিনা, তোমাকেই বলছি
তুমি দাঁড়াবে
তুমি দাঁড়াবেই
ভোরের শিশির হয়ে রাঙ্গাবে সবুজ ঘাস।
আকাশে’র পরে স্নিগ্ধ মেঘ
ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি এবং তুমি –প্রিয় সাবরিনা।
সাবরিনা, তোমাকেই বলছি
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া অতঃপর
বঙ্গোপসাগরঃ একটা বড় ঢেউ এবং ভাসিয়ে দেয়া
ভেসে যাওয়া-
একটা জীবন ,
( কবিতার মত করে কথা গুলো লিখেছিলাম অনেক দিন আগে।। শেষ করা হয়নি।।আজ আপনার লেখা পড়ে আসমাপ্ত কবিতটাই দিয়ে দিলাম।।)
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কবিতাটি সুন্দর হয়েছে।
ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
আমার পড়া শ্রেষ্ঠ একটা চিঠি এটা
অন্তর থেকে অনুভব করছি আপু
প্রিয়তে রাখলাম, মাঝে মাঝে পড়বো বলে।
দুঃখগুলো সব আপনার কাছ থেকে অনেক দূরে চলে যাক
কামনা রইলো
আমিও প্রিয়তে নিলাম।
অনুভবে কৃতজ্ঞতা। অশেষ কৃতজ্ঞতা।
আমার কোন দুঃখ নেই কারণ আজ আমি আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের দোড়গোরায়…
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
ধন্যবাদ সৈকত ভাই
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
আগেও পড়েছি।

আবার পড়লাম।
কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
সাস্কৃতিক কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠান – “না”।
বিনোদন কেন্দ্র এবং খেলার মাঠ – “না”।
যাতায়াত ব্যবস্থা – “না”।
“না”। “না”। “না”। “না” ……
চারিদিকেই শুধু “না”।
উপরের না শব্দগুলো এখন হা হয়ে গেচে। সব জায়গায় আপনার সরব পদচারণা। আপনি নিজেও জানেনা যে আপনি আমাদের সমাজের হাজারটা মানুষ থেকে অনেক অনেক বেশি সচল এবং অনুপ্রেরণাদায়ক একজন মানুষ। একটা লিখা লিখতে চেয়েছিলাম আপনাকে নিয়ে। সময় কুলিয়ে উঠতে পারছিনা কিংবা আপনাকে আপনার মর্যাদায় ফুটিয়ে তোলার মত ভাষা শৈলী আমার নেই। আপনাকে যতবার দেখি ততই আত্ম শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠি এই আমি। আপনি আমার মত অনেকেরই প্রেরণার উৎস।
এগিয়ে চলুন। আমরা শক্তি হয়ে আপনার পাশে আছি ।
আমি খুবই ছোট মানুষ এসব বলে লজ্জিত করবেন না সৈকত ভাই।
আপনারা ছিলেন বলেই আমার জন্যে এতো কিছু করা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে জিয়া ভাই, হরবোলা ভাই এবং মুরুব্বি ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা। সর্বোপরি সহব্লগারদের ভালোবাসা আমাকে অনেক উৎসাহিত করেছে।
কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
চমৎকার হৃদয় ছোঁয়া একটি চিঠি।
সমাজ কিন্তু অনেক ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।
আশাকরি স্বাভাবিক জীবনের সাথের ব্যবধান একদিন শেষ হবে।
সেই আলোকিত দিনের অপেক্ষায় আপনি/আপনাদের সাথে আমরাও আছি।
ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
হৃদয়গ্রাহী।।
কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
আসসালামুআলিকুম আপু
আপনার মনোবল আর আত্নবিশ্বাস কে আমার বিনম্র স্যালুট
আসলে অনুকুল অবস্থা থেকে প্রতিকূল অবস্থ্যায় সংগ্রাম করে জয়ী হবা্র সুযোগ বেশি থাকে।তাছাড়া মনই সকল শক্তির উৎস
মনের শক্তি আর মস্তিস্কের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়েই বর্তমান পৃথিবীর শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী স্টিপেন হকিং নিজেকে সফল করেছেন, জানেন গত ৩০০ বছর এই মর্যাদা পাবার মত কোন বিজ্ঞানী ছিলোনা যা তিনি পেয়েছেন
অথচ দু’টু আঙ্গুল ছাড়া শরীরের আর কোন অঙ্গই তার সচল নয়।
http://www.quantummethod.org.bd/en/publication/self-respect
দয়া করে এই অডিও টি ১বার শুনবেন
ভালো থাকুন
শুভ কামনা
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্যে।
স্টিফেন হকিংকে কে না চেনে! তিনি আমার আদর্শ। আমি নিজেও হাতের আঙ্গুল নাড়াতে এবং শুধু মাত্র কথা বলতে পারি। আমার রোগের লক্ষণ সমস্তই উনার রোগের সাথে মিলে যায়। এই রোগ দু’টোকে বলা হয় ভাই -ভাই
এই লিঙ্কটি অবশ্যই শুনবো। শুভকামনা আপনার জন্যে।
ভালো থাকুন এবং ভালো রাখুন।
সাবরিনা আপু, আপনার সংগ্রামে, আমরা আপনার সাথে ঈ আছি, পশেই আছি(আমার ফেসবুকের রিকুএস্ট আপনি এখনো রেসিভ করেন নি
) )
আপনাকে কোয়ান্টামের আমন্ত্রন দিলাম আবারো। ঈনশাল্লাহ অনেক ভাল লাগবে কোয়াণ্টামে আসলে, ভাল না লাগলে আমাকে মিথ্যাবাদী বলবেন।
শুভেচ্ছা।
আমি খুব দুঃখিত আপনার ফেসবুক রিকোয়েস্ট দেখতে পাইনি বলে। সত্যি কথা বলতে কি ব্লগ ফেসবুক সব জায়গাতেই আমি খুব অনিয়মিত। আপনি প্লিজ ফেসবুকে আমাকে একটা মেসেজ করে জানাবেন ? এতো রিকোয়েস্ট জমে আছে আপনাকে খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য
আপনি কষ্ট করে একটা মেসেজ করে দিন। পরিচয় দিতে ভুলবেন না যেনো …
অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
ধন্যবাদ আপু।

অসাধারণ এখটা লেখা
সতত ভালো থাকা হোক, সতত, সতত
অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
এবারের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে আপনার সাথে দেখা ও পরিচয়ের পর থেকে আপনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আরো বেড়ে গেছে। সত্যিই সালাম জানাই আপনার মনের শক্তিকে।
এখন আমি অনেক সময় অনেক জায়গায় কথা প্রসংগে অনেককেই আপনার কথা বলি।
দেখা হবার পর থেকেই ভাবছি আপনাকে নিয়ে একটা লেখা লিখবো। কিন্তু প্রথমতঃ ব্যস্ততার কারণে সময়ের অভাব, দ্বিতীয়তঃ সত্যি বলতে কি আমি আপনার সম্পর্কে অত বিস্তারিত কিছু জানিনা। তাই আর এখনও সেই লেখাটি লেখা হয়ে ওঠেনি।
অফটপিকঃ ২১শে ফেব্রুয়ারীতে আপনার কিছু ছবি তুলেছিলাম যা আজও আপনাকে পাঠানো হয়নি। হয়নি অর্থাৎ আমি আপনার কোনো মেইল এড্রেস জানিনা। সম্ভব হলে যদি জানান তাহলে আমি আপনার কিছু ছবি পাঠিয়ে দেবো।
সতত শুভাশীষ আপনার জন্য।
আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জামান ভাই। আপনার অনুভব জেনে ভালো লাগলো। আপনাকে একটা অনুরোধ করি ? আমি খুব সুখি মানুষ আমার কোন দুঃখ নেই আর … লিখতেই যদি চান আমার চেয়েও হাজারো বঞ্চিত আছেন আমাদের এ সমাজের আনাচে কানাচে- তাদের নিয়ে লিখুন। হয়তো পথ চলতে কখনো আপনার চোখের সামনেই অনেক কিছু পড়েছে মনে করে সেই বঞ্চনার কথা লিখুন। আমার খুব ভালো লাগবে
ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
ভুলে গেছি জানাতে, আপনার মেইল পেয়েছি।
আপনার এগিয়ে চলা সমাজের প্রেরণা। জানি অনেক বাঁধা পেরিয়ে এসেছেন।
আমার প্রাইমারী স্কুলের এক ম্যাডামের বড় মেয়ে হাঁটতে পারে না। ছোটবেলায় দেখেছিলাম ম্যাডামের হাত ধরে ধরে হাঁটত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আর পারেনি। এর পরে এক ছেলে উনাদের সে সুস্থ। এরপরে আরেক মেয়ে নেন তারা, শুনেছি সেই মেয়েটিও তার বড় বোনের মত হয়ে যাচ্ছে। দুইটা মেয়েই খুবই সুন্দর। ইরানীদের মত। একেবারে পরীর মত চেহারা। আমার এক মামাত বোনও এমন, ডাক্তার বলেছিল অপারেশন করালে ঠিক হবে। হয়নি। কিন্তু বোনটি খুব মেধাবী। খুব মায়াবী। তার বয়স যখন ছয়-সাত আমি তাকে প্রথম দেখি দেশে গিয়ে। আমি বড় ভাই হয়ে কথা বলার আগেই বোনটি আমার সাথে কথা বলেছে, যেতেই- তুমি সজল ভাই, বলেই প্রণামও করে নিয়েছে।
সজল ভাই, পথ চলতে গিয়ে কখনো যদি এমন কারুর দেখা পান তাহলে সব সময় চেষ্টা করবেন তাদের পড়ালেখা যেনো বন্ধ হয়ে না যায় কোন অবস্থাতেই। তাদের পরিবারকে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করবেন। প্রত্যেকেরই উচিৎ সামাজিক এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এভাবেই এগিয়ে আসা।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
সাবরিনা আপু,
আপনি আলকিতা, আলকিতাই;
ছিলেন এবং আছেন।
আপনার আলোয় আলকিত হোক এ অন্ধকার অন্ধ-পৃথিবী ।
এক হৃদয় শুভকামনা আপনার জন্য।
কৃতজ্ঞতা
শুভকামনা নিরন্তর।

ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
*আলকিতা = আলোকিতা
অসংখ্য ধন্যবাদ
ভালো থাকুন।

ভালো রাখুন।
সকল “না” চূর্ণ হোক

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে…
ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।

শুভ কামনা প্রিয়

ছুঁয়ে গেল,আপু।
ভাবায়,কাঁদায়,প্রশ্ন জাগায়।
আপনাকে যেতে হবে অনেক দূরে ঘুমিয়ে পড়ার আগে।
শুভ কামনা নিরন্তর।
হৃদয় ছোঁয়া মন্তব্য!
কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকুন নিরন্তর।
ভালো রাখুন অন্যকে।
না পরিবর্তিত হয়ে হ্যা হোক সবর্ত্র। বিচরন হোক সবর্ত্র নিরাপদ
নিশ্চিত হোক সর্বোত্র প্রবেশের সুবিধে।
কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকুন।
ভালো রাখুন।
সহযোগীতার হাত আমার



তাই তো বলি,
ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।
জয় হোক মানবতার।
আমার ব্লগ পড়ার জন্যে কৃতজ্ঞতা ভাইয়া।
ভালো থাকুন। ভালো রাখুন।

আপনি কি অনুভব করতে পারছেন, “না” শুনতে শুনতে হাঁপিয়ে উঠেছি “আমি” এবং “আমরা’। এতোটুকুনো ভাবার চেষ্টা করেছেন কি কখনো, আপনিও হতে পারতেন আমারি মতোন একজন। কিংবা হয়তো আপনারি কোন স্বজন!
মানবতার কোন আচ্ছাদনে আচ্ছাদিত হলে আমাদের মানসিক বধিরতার অবসান হবে । আমিও সেই মানুষদেরই এক প্রতিনিধি তবু আমি কিছুতা ভিন্ন কারণ আমি লজ্জিত ।
আমাদের আগামী যেন হয় আলোর পথে ।
এই লজ্জাতেই আমাদের জয়! কিছু মানুষকে তো সচেতন করতে পেরেছি আমরা তাই আমরা জয়ের স্বপ্নে বিভোর আজ। আরো অনেক পথ যেতে হবে…কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকা হোক ভালোবাসার শক্তিতে …
হৃদয় ছোঁয়া একটি চিঠি ।
মঙ্গল হোক
কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
ভালো রাখুন অন্যকে।
মাঝে মাঝে হারিয়ে যায় কিছু বলার ভাষা।
এ এক তেমনই এক!
অবিরাম শুভকামনা
ধন্যবাদ
ভালো থাকুন নিরন্তর।
ভালো রাখুন অন্যকে।
আপনার মনোবল অন্যদের অনুপ্রেরণা দিবে চিরদিন।
শুভকামনা।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্যে।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
ভালো রাখুন অন্যকে।
আপনার কাছে অনেক শেখার আছে আপু।
শুভকামনা সতত।