অবশেষে ঘটনাটা বলেই ফেলি। আপনারা ব্লগার ডা দাউদ, সাহাদাত উদরাজী, সাইক্লোন এবং হরবোলাকে ভালভাবেই চেনেন। জনাব হরবোলার আবার আলুর গুদাম আছে পুরান ঢাকায়। কোন এক হরতালের দিনে ডা দাউদ, সাইক্লোন এবং সাহাদাত উদরাজী – এই তিনজন গল্প করতে করতে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। একটু পরেই পিকেটিং, ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে ঘাবড়ে গিয়ে তড়িঘড়ি করে তারা রাস্তার পাশের এক গুদামে ঢুকে পড়েন। উনারা জানতেন না এই গুদামঘর জনাব হরবোলার ব্যক্তিগত আলুর গুদাম। তারা বুঝতে পারেন গুদাম ঘরে কেউ একজন আসছে। ধরা পড়ার ভয়ে তিনজন তিন বস্তায় ঢুকে চুপটি করে বসে রইলেন।
আর এদিকে হরবোলা গুদাম ঘরে লাইট জ্বালিয়ে দেখলেন, পাশাপাশি তিনটা বস্তা নড়াচড়া করছে। উনি এরপর লাঠি খুঁজতে লাগলেন এবং সাথে সাথে পেয়েও গেলেন। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই সাহাদাত উদরাজী মারাত্মক এক লাঠির গুতো খেলেন আর শুনতে পেলেন হরবোলার হুঙ্কার- “আলুর বস্তায় কে রে?” সাহাদাত উদরাজী উচ্চারণ করলেন- মিঁয়াও মিঁয়াও।
“আরে, আলুর বস্তায় কখনও বিড়াল থাকে নাকি” হরবোলার বিস্ময় প্রকাশ এবং সাথে সাথে সে বস্তায় দুটো লাঠির গুতো দিলেন।
এরপর পাশের বস্তায় এক বাড়ি দিয়ে বললেন, আলুর বস্তায় কে রে?
ব্লগার সাইক্লোন বুদ্ধি করে শব্দ করলেন- ঘেউ ঘেউ।
“আরে, আলুর বস্তায় কখনও কুকুর থাকে নাকি” হরবোলার বিস্ময় প্রকাশ এবং সাথে সাথে সে বস্তায় দুটো লাঠির গুতো দিলেন।
অবস্থা বুঝতে পেরে ব্লগার দাউদ বস্তার ভেতর ভয়ে কাঁপতে লাগলেন। ধড়াম করে সে বস্তায় এক বাড়ি দিয়ে হরবোলার প্রশ্নঃ আলুর বস্তায় কে রে?
উত্তর এল – আলু, আলু।
এরপর কি হল আর জানা যায় নি…



এরপর কি হল আর জানা যায় নি…
স্বপ্ন দেখেছো নাকি???

পোষ্ট দিয়া পালাইছে! (না ঘুমাইয়া পড়ছে!) মনে হয় স্বপ্ন! দিবা স্বপ্ন!!
আমি কি আর সুখে চিল্লাইছি…।।
আমি কিছু জানি না


আমি নির্দোষ
আলুরা কে কী বলেন, তা জানতে উদগ্রীব!!
কি আর আলুরা বলবে! শুধু কাছে পেলে……। (মিষ্টি খাওয়াতাম!)
হাহাহা
আলুরও জবান ফুটেছে শুনে মিস্টার হরবোলা অবাক হলেন
কিনা তা জানা দরকার ।
ধন্যবাদ, রাজিন ।
রেজা নূর ভাই, কিছুটা বিস্মিত ও ভীত হয়েছিলাম। তবে আমি ইভা খানের রবীন্দ্র সংগীত আর মিস্টার ইভা খানের দেশাত্ববোধক সংগীত নিয়মিত শুনি বলে জানের উপর দিয়া রিস্কটা যায় নাই…
সতত শুভ কামনা আপনার জন্য, সকলের জন্য।
আলুর বস্তায় আলুই থাকবে- বিশ্বাস করার মতই কথা
এত কিছু থাকতে আলু নিয়ে মাতলেন কেন দাদা ?
পলাশ ভাই, মনে হয় আমাদের ছোট ভাই অনেক দিন আলু খাচ্ছে না!
তরমুজ বা কাঁঠালের বস্তায় জায়গা কম থাকলে
ুৃিৃুীৃুৃিুৃিুৃিুৃিুৃিুৃিুৃিু
চরম হইছে। হা হা হা
হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম।
ওরে আমারে কেউ ধর……………….
হাহাহা

হাহাহা…দারুণ একটা কৌতুকের ব্লগার সংস্করণ।
ধন্যবাদ
এই বাচ্চা এই ধরনের আইডিয়া আসলো কোন ব্রেইন থেকে??
হাসতে হাসতে শেষ।
এই তিনজনের মধ্যে বলো তো কে বেশী সাহসী???
রাজিনের সাহস আছে!
উদরাজী ভাইয়ের সাথে একমত। সবচেয়ে সাহস আমার। কারণ এ কাহিনীতে আমার গুতো খাওয়ার ভয় নেই
রাজিন, আমি এই ঘটনা জানতাম। কিন্তু বস্তার ভিতর কারা ছিল সেটা জানা ছিলনা। বস্তার ভিতর থেকে বিড়াল (সাদা না কালো জানা নাই), কুকুর আর আলুর কণ্ঠস্বর শুনে আমি কিছুটা বিস্মিত ও ভীত হয়ে যাই। তারপর সেই তিনটা বস্তাকে অক্ষত অবস্থায় দেশের বরণ্যে পাহলোয়ান ধামা খাঁন-এর কাছে পাঠাই। তিনি তাদের চাঁপা দিয়েছেন না অন্য কিছু করেছেন তা আমার জানা নাই।
আম্রিকা যাওয়ার পর থেকে’তো দেশের বরণ্যে লোকদের ভুলে যাচ্ছো। তাই হয়তো প্রশ্ন করবে মহাবীর ধামা খাঁন কে? উনার ছবি দিয়ে দিলাম।

জিয়া ভাইকে সত্যি সত্যিই পালোয়ান লাগছে। জটিল ছবি দিয়েছেন।

ধামা খাঁন-

ধামা খান আসতেছে…… আলুর গুদামে আগুন লাগাইতে
হরবেলা ভাইকে ১০০তে ১০০!
মহাবীর ধামা খাঁন!
সাইক্লোন ভায়া, সাবাস…।
বিষণ্ণময়ী আপা, চেহারা এক হইলেই মানুষ এক হবে এই ধারনাটা ঠিক না!!
আপনি কি উপমহাদেশের বিশিষ্ট সূফী শিল্পী জাহাত আলী খানের গান শুনেছেন। তিনি উপমহাদেশের বিশিস্ট সংগীতজ্ঞ মাহপুজুর রহমানের সুযোগ্য শিষ্য এবং ইভা রহমানের ভাবধারায় নিজেকে বিকশিত করেছেন। প্রচার বিমুখ শিল্পী বলেই তার এ্যালবাম বের হচ্ছে একটু দেরীতে। তার প্রথম এ্যালবামের কাজ প্রায় সাতাত্তুর পারেসন্ট শেষ। এই বছরেই বাজারে আসছে। সূফী গানের এই এ্যালবামের শিরোনাম ‘নাউজুবিল্লাহ’।
আমাদের দেশের এই বরন্য শিল্পীর ছবিটি দিলাম।

সাইক্লোন, ভয় পাইসি। তবে কথা হইলো পুইড়া যিদ ছাই হয়া যাই, তবে ছাইটারে গুম কইরোনা।

গুম হবার পরেই তো পত্রিকায় আসবে… “মহামান্য আলু ব্যবসায়ী জনাব ……।। ”
তারপরেই তো আমরা আন্দোলনে নামতে পারবো। গুম হওয়ার আগে তো পারতেছি না
অতঃপর রাস্তায় রাস্তায় থাকবে পোষ্টার বিলবোর্ড ……
এক সময় হয়ে যাবেন ইতিহাস এর অংশ
ধামা খাঁনের কি আর সেই দি আছে?

ধামা খাঁনের ধামাকা কইররা উল্টো আলুর দম তৈয়ার হয়েছিলো
কেন কেউ জানেনা?
জানবেই কেমন করে শরমের কথা যে-
গুজবে কান দিবেন না। ব্যাবসায়ী গুম-খুন কিছুই হন নাই। তিনি হরতালের কারণে চালান নিয়া মহালে আটকা পর্সেন।
হো হো হো … এ কি দেখলাম। হাসতে হাসতে চেয়ার কাইত, টেবিলে কাঁপাকাঁপি লেগে গেছে

দেখে যেন মনে হ্য় চিনি উহারে!
he is a elder brother of superman. His name is potato man, the super her
super hero…
He is ALuman

ওরে কে আছিস আমারে ধর… হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম…।।
আলুর বস্তায়…।।
বস্তাসহ পালানোর ট্রাই করেন

এত জায়গা থাকতে ওনারা হরবোলার আলুর গুদামে কেন গেলেন ? তদন্ত করা দরকার
যারা পলায়ছিল তাদের জিগান

আলু ভাবনা হিট!
(আমিও বিষয় খুঁজছি!)
বস্তা বিষয়ক কিছু লিখা যেতে পারে
Besonnomoye afa, you gone to gone from this post and not back come. Please, come this post and give your valuable speech comment to this post…
উনি বোধহয় আলু রাঁধতে গেছেন

rajeen, you is genious. james bond 007. you found the secret. i am thinking how you write bangla talk from english america?
এই পোষ্ট থেকে নূতন পোষ্ট জন্ম নিয়েছে! আমরা দুইজন সেরা মানুষ পেলাম!
সেরা মানুষের তো অনেক দাম? কারা সেই ভাগ্যবান?