যান্ত্রিক ও নিরপেক্ষ জীবন-জগতের মাঝে মানুষের মূল্য ও অবস্খান স্পষ্ট।মানুষের জীবনের তিন-চতুর্থাংশই অবচেতন। অর্থাৎ বেশির ভাগ সময়ই অবচেতন পর্যায়ে চলে। চেতনা স্রোতের কোনো হিসাব-নিকাশ নেই, কোনো সীমারেখা বা কূলকিনারাও নেই। চেতনা কোনো ছেঁড়া ছেঁড়া টুকরো ব্যাপারও নয়। নদীর পানির মতো তা এক অবিচ্ছিন্ন স্রোত। তাই মানব মনের জটিলতা বা আত্মদ্বন্দ্বকে প্রকাশ করার জন্য পরিবেশ পরিস্থিতিও এখানে বিদ্ধমান।অস্তিত্বহীন জীবনকে পুঁজি করেই একজন মানুষ অস্তিত্ববান হয়ে উঠে । অস্তিত্ববান মানুষ সবসময়ই মানসিক ও অর্থনৈতিক যন্ত্রণাকে পরিহার করে জীবনকে নদীর স্রোতের মতো গতিময় করতে পারে।আর আত্মবিস্মৃত মানুষ সব সময় অস্তিত্বহীনতার দোলায় দুলতে থাকে।মানুষের অবচেতন মনের যে বিচিত্র ধারা, যা সহজে চোখে পড়ে না অথচ বাস্তবেরও অধিক বাস্তব, তা সুস্পষ্টভাবে নিপুণ পরিসরে প্রকাশ পায় নিজস্ব অস্তিত্বের মাধ্যমে।
তাই জীবন অনেক সময় যুক্তিকে পরিহাস করে। জীবনের এমন সব অভিজ্ঞতা আছে, যা সাধারণ কোনো ভাষাজ্ঞান দিয়ে তুলে আনা যায় না। কিছু চিন্তাকে কোনো মতবাদ, কোনো দর্শনের গন্ডিতে বিচার করে চিন্তার সূত্র গোছানো যায় না। মানুষের এই সীমাবদ্ধতা, পূর্ণ জ্ঞানলাভে তার অসহায় অক্ষমতা, তার সহজাগতিক দৈন্যবোধ সামনে রেখেই অস্তিত্ববোধের জন্ম।মরণশীল অস্তিত্বকে প্রধান উপজীব্য করে তার থেকেই সব রূপ, রস, গন্ধ অনুধাবন ও গ্রহণের প্রাণান্তকর চেষ্টা চলেছে। জীবনের স্বার্থকতা জীবনের উপলব্ধিতে। মরণের প্রত্যয় কিংবা ভাবকল্পের মধ্যে একাকার হয়ে যাওয়ায় নয়। ব্যক্তি মানুষ তার সমৃদ্ধ অতীতকে চেতনার ভবিষ্যতের দিকে মেলাতে চায়।অনেক সময় মেলাতে পারে আবার অনেক সময় ব্যর্থ হয়।
মানুষের অস্তিত্ব, ব্যক্তিসত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদার অবহেলার প্রতিবাদস্বরূপ অস্তিত্ববাদের জন্ম।অস্তিত্ববাদী দার্শনিক জাঁ পল সার্ত্রে বলেন, অস্তিত্ববাদ নান্দনিক বিষয়কে প্রাধান্য দেয়। সামাজিক সমস্যা সমাধানে মানুষের সত্তার ধারণার আদতে কোনো প্রয়োজনই নেই কারণ তা মানুষের জীবনে সুখ পরিপূর্ণভাবে প্রদান করে না। মানুষের জন্য দরকার নিজের অস্তিত্বকে স্বীকার করা। অস্তিত্ব স্বীকার হলেই মানুষের জীবনে সত্য অর্জিত হয়। কারণ মানুস সবসময়েই মূলত স্বাধীন।স্বাধীনতাই মানুষকে সাহায্য করে সবকিছুকে চিনতে,ভাবতে ও অর্জন করতে।সমগ্রের বিবেচনাহীনতার কাছে ব্যাক্তিমানুষ সব সময়ই অসহায়! তিনি মনে করেন এই মানবতাবাদ পৃথিবীতে অস্তিত্বশীল মানুষের জন্য হতে পারে চুড়ান্ত মানবতার। ব্যাক্তি যদি তার অস্তিত্ব বিষয়ে সচেতন থাকে তবে তাকে শোষন করা সহজ নয়।
জীবনের অস্তিত্ব
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



মানুষের অস্তিত্ব, ব্যক্তিসত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদার অবহেলার প্রতিবাদস্বরূপ অস্তিত্ববাদের জন্ম।অস্তিত্ববাদী দার্শনিক জাঁ পল সার্ত্রে বলেন, অস্তিত্ববাদ নান্দনিক বিষয়কে প্রাধান্য দেয়। সামাজিক সমস্যা সমাধানে মানুষের সত্তার ধারণার আদতে কোনো প্রয়োজনই নেই কারণ তা মানুষের জীবনে সুখ পরিপূর্ণভাবে প্রদান করে না। মানুষের জন্য দরকার নিজের অস্তিত্বকে স্বীকার করা। অস্তিত্ব স্বীকার হলেই মানুষের জীবনে সত্য অর্জিত হয়। কারণ মানুস সবসময়েই মূলত স্বাধীন।স্বাধীনতাই মানুষকে সাহায্য করে সবকিছুকে চিনতে,ভাবতে ও অর্জন করতে।সমগ্রের বিবেচনাহীনতার কাছে ব্যাক্তিমানুষ সব সময়ই অসহায়! তিনি মনে করেন এই মানবতাবাদ পৃথিবীতে অস্তিত্বশীল মানুষের জন্য হতে পারে চুড়ান্ত মানবতার। ব্যাক্তি যদি তার অস্তিত্ব বিষয়ে সচেতন থাকে তবে তাকে শোষন করা সহজ নয়।
”আমি এক অনন্য মানুষ
আমরা এক মহান জাতি”
জাতি হিসেবে আমাদের ঐতিহ্য হাজার বছরের,সভ্যতার ইতিহাসে বাংলা আর বাঙ্গালীর আবদান স্বর্নাক্ষরে লিখা রয়েছে;বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি,বানিজ্য,অর্থনীতি,রাজনীতি,
বাংলার জ্ঞান বিজ্ঞান ,ধর্ম,সাধক-সাধনার ইতিহাস পৃথিবীর অন্য যে কোন অঞ্চল থেকে উন্নত ও অগ্রসর।
কারন এই বাংলাই হচ্ছে প্রাচ্যের প্রধান অহঙ্কার,পশ্চাত্যের
যে কোন বিষয় থেকে প্রাচ্যের যে কোন বিষয় নিঃসন্দেহে উন্নত।যেই কারনে এক সময় পশ্চাত্যের বড় বড় ব্যবসায়ীরা তখনকার সময়ে ছয় সাত মাসের সমুদ্র পথ পাড়ি দিয়ে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বাংলায় আসত উন্নত ব্যবসার জন্য।
শুধু ব্যবসা নয়, শিক্ষা সংস্কৃতি,ধর্ম এই সব কিছুই প্রথমে এই প্রাচ্যে জন্মাতো তারপর পৃথীবির নানান প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তো।
দুনিয়ার শ্রেষ্ট ধর্ম ইসলামের উৎপত্তি এই প্রাচ্যে,খৃষ্ট ধর্মের উৎপত্তি এই প্রাচ্যে,সনাতন ধর্মের উৎপত্তি এই প্রাচ্যে,তখনকার সীমা রেখা অনুযায়ী প্রাচ্যের অধিকাংশ অংশ ছিলো এই বাংলা তথা ভারত উপ মহাদেশেরই অংশ;যার ফলে এই উপমহাদেশের ইতিহাসই প্রাচীন বাংলার ইতিহাস।এই ছাড়াও নতুন বাংলা অথ্যাৎ স্বাধীন বাংলার আগে পূর্ব বাংলা বর্তমান আমাদের এই বাংলাদেশের যেই গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস তা নিঃসন্দেহে দুনিয়ার শ্রেষ্ট জাতি হিসাবে দাবি করার মত।কারন এই বাংলা- বাঙ্গালীই এক মাত্র জাতি যারা নিজ মাতৃ ভাষার জন্য জীবন দেয়,বুকের রক্ত ঢেলে ভাষার অধিকার আদায় করে,যার অঙ্কুরে উদ্দম হয়ে ছিলো স্বাধীনতার ;সেই থেকে বাঙ্গালীরা একে একে পেরিয়ে এসেছে স্বাধীকার পটকের
এক একটি বাঁধ;তারপর পৃথীবির ইতিহাসের বিরল একতা বদ্ব জনসভা ৭ই মার্চের সেই দিন কার রেসকোর্স ময়দানে
অনুষ্টিত হল,স্বাধীনতার চুড়ান্ত ঘোষনা এলো ,বাঙ্গালী আবার বুকের রক্ত ঢেলে জিবনকে উৎসর্গ করে প্রমান করল আমরাই মহান জাতি।
তবে আজ আমাদের কেন এই ব্যর্থতা?
কেন এই দারিদ্রতা?
কেন আজ আমরা শত খন্ডে বিখন্ডিত?
কেন বার বার জাতির ক্রান্তি কাল আসে ঘুরে ফিরে?
কেন আজ আমরা তাদের দেশের জঙ্গল ছাপ করতে যাই যারা এক দিন আমাদের কাছে আসতো লিখাপড়া শিখতে?
কেন আজ ঘরে ঘরে ঋণের শৃকল পরা দাশত্ব?
আমরা কেন ভিক্ষে করে জাতি গঠনের স্বপ্ন দেখব?যেখানে আমরাই ছিলাম দাতার জাতি!
কেন আমাদের দেশে আমাদের সন্তানেরা বিনদেশি চেতনায় বিনদেশি সংস্কৃতির চর্চা করবে?
আমরা কেন সচীন টেন্ডুলকর ,মারাডোনা।কাকা,মেসি,হতে পারিনা?
একদিন আমরাই তো নজরুল, রবীন্দ্র, মাইকেল, জীবনানন্দ, ক্ষুদিরাম জন্মাই ছিলেম;
লালন ফকির,হাছন রাজা,আব্দুল আলিম,ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ,শহীদুল্লা কায়সার আমাদেরই সন্তান;
আমদের সন্তান শেখ মুজিব, মাওলানা ভাসানী,শেরে বাংলা;
আমরাই তাদেরই উত্তরসুরি ,আমরা এই মহান জাতিরই ধারক বাহক।
তবে আজ আমাদের সর্বত্র নাই নাই,খাই খাই ভাব কেন? আসলে আমাদের কিসের অভাব?
আমরাকি আসলেই দারিদ্রতায় ভুগছি?
আমাদের কি সত্যিই কোন ক্রান্তি আছে?
সালাম ডাঃ ভাই। আপনার মূল্যবান মন্তব্য সত্যিই আমাকে অতীতে নিয়ে গেল।
আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তরে বলব সবই আমাদের অস্তিত্বহীনতার ফল।মানুষ যখন বেদনার্ত হয় তখন মহাকালের কথা ভাবে না। মৃত্যুগন্ধী সময়ের আবেগই তাঁর কাছে বড় হয়ে ওঠে।ভিতর ও বাহিরের উত্তেজনায় জীব কখনও কলরব কখনও আর্তনাদ করিয়া থাকে। মানুষ মাতৃক্রোড়ে যে ভাষা শিক্ষা করে সে ভাষাতেই সে আপনার সুখ-দুঃখ জ্ঞাপন করে।তাই সে নিজের অস্তিত্বকে আকড়ে ধরে থাকতে চায়। কিন্ত সব সময় তা হয়ে উঠে না।
Existence is prior to essence মানুষের স্বাধীন অস্তিত্ব তার সত্তার আগে। মানুষের অস্তিত্বই হচ্ছে তার স্বাধীনতাকে প্রতিষ্ঠা করা। প্রথমে মানুষ আসবে, তারপর স্বাধীনতার বিষয়টি আসবে, এমনটি নয়। মানুষের সত্তা এবং স্বাধীনতার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এই স্বাধীনতা প্রতিটি মানুষের জীবন জুড়ে সক্রিয় থাকে।
সার্ত্র এর অস্তিবাদের উপর লিখা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “বিং এন্ড নাথিংনেস” সত্তা ও শূণ্যতা। এতে তিনি সত্তার দুটি দিক বিশদ আলোচনার দ্বারা বুঝিয়ে দিলেন। বিং ফর ইটসেলফ ও বিং ইন ইটসেলফ। একটি নিজের জন্য সত্তা ও পরটি নিজের মধ্যে স্থিত সত্তা। নিজের মধ্যে স্থিত সত্তা হচ্ছে এই জড় জগৎ। আর নিজের জন্য সত্তা এমন কিছু যা থাকে না। চেতনা সর্বদা কোন বিষয়ের চেতনা হিসেবে বিরাজ করে। অন্য কোন কিছুর দিকে ধাবমান অথচ তা চেতনা নয়। সেজন্য গতিশীল চেতনা একটি শূণ্যতা। সার্ত্রের মতে মানবিক বাস্তবতাই হচ্ছে চেতনা। এটি এমন একটি সত্তা যার সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়। যেহেতু এ ধরনের সত্তা তার থেকে স্বতন্ত্র একটি সত্তার সাথে বিজড়িত। মানবিক সত্তাকে কোন কিছু দিয়ে নির্ধারন করা যায় না।
সতত ভাল থাকুন নিরাপদে থাকুন।
কোন মন্তব্য নেই-
ঘুরে আসুন, পড়ুন আর মন্তব্য করুন- এখানে ক্লিক কের যান
কেন কোন মন্তব্য নেই ?

ঘুরে আসলাম, পড়লাম ভাল লাগল। প্রেমিকাকে বউ হিসাবে পেয়ে সন্তানের বাবা হচ্ছেন শুভ কামনা অনাগত সন্তানের জন্য।
পলাশ ভাইয়ের জবাব নাই!
দারুন সত্য এ উপলব্ধি! নিজেকে চিনতে হয়, নিজেকে না চিনলে, না জানলে আর সব কিছুর মত নিজের অস্তিত্বের প্রতিও অবহেলা করা হয়।
মূল্যবান পোষ্ট। শুভ কামনা।
সালাম আন্কেল। কেমন আছেন ? নিজকে পরিপূর্ন ভাবে চেনার মাধ্যমেই সকল মহত্ব নিহিত।
শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
ওয়ালাইকুম আচ্ছালাম। জী, আপনাদের দোয়ায় বেশ ভাল আছি।
মন্তব্যের উত্তর দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
[অঃটঃ কিছু মনে করবেন না। চাচা, মামা, খালু, জেঠা, কাকা, দাদা, নানা এর যে কোন সম্বোধনে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু আঙ্কেল হতে চাই না কারো! ব্লগে আমাকে কেউ ডাকেন হুদা ভাই, কেউ বা নাজমুল ভাই, আবার কেউ পুরো নামের সাথে ভাই লাগিয়ে! আঙ্কেল সম্বোধন না করলে খুশি হব, এটা ছাড়া অন্য যে কোনটিতে আমার কোনই আপত্তি নেই।]
ভালো থাকুন।
এখন থেকে মনে থাকবে।
খুব,,,,,,,,,,,,,,,, খুব ভাল পলাশ ভাই,
অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার। কেমন আছেন ?
মানবতার চেয়ে বড় কিছুই নয় এটা যদি সবাই বুঝে তবে পৃথিবীর অনেক অনাচার বন্ধ হয়ে যাবে।
আপু আসলেই তাই। কেমন আছেন ? শরীর ভালো তো ?
আসলে,
“মানুষের গুণাবলীর স্থান বাইরের কোথাও নয় -বরং একজন ব্যক্তিতেই সেসব নিহিত থাকে আর সেসব গুণাবলীকে আত্ম-প্রচেষ্টার মাধ্যমে আবিষ্কার করা হচ্ছে জীবনের আসল উদ্দেশ্য -তাই স্বপ্রচেষ্টার মাধ্যমে নিজস্ব মনুষ্যত্ববোধকে খুজেঁ পেতে হয় -যা সবকিছুর উর্ধ্বে”।
কেননা,
মনুষ্যত্বকে তো নিজের মাঝে আগে খুজেঁ পেতে হয়। মনুষ্যত্ববোধ হচ্ছে নিজেকে আগে শুধুমাত্র মানুষ হিসেবে চেনা -যেখানে আটাঁ থাকবে না রিলিজিওন-জাতি-বর্ণের ভেদাবেদ। নিজেকে আগে অনুধাবণ করা শুধুমাত্র এক মানুষ হিসেবে -তারপর চিন্তার গভীরে নিয়ে যাওয়া সত্যিকার মানবিক গুণাবলীগুলোকে অন্বেষনের প্রয়াসে। নিজেকে বারবার প্রশ্ন করা -এক মানুষ হিসেবে আমার কি কি গুণাবলী থাকার প্রয়োজন (?)।
সতত ভাল থাকুন। মানবতার কল্যানে নিজকে যে ভাবে নিয়োজিত রেখেছেন সেটা আরো বৃদ্ধি পাক।
আমি প্রবন্ধটি ঠিক স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারি নি।
আমারই ব্যর্থতা হবে।
শুভ কামনা সব সময়।
মালেক ভাই ভালভাবে না বুঝাতে পারা আমার অক্ষমতাকে ক্ষমা করবেন। আসলে আমি একজন মানুষের নিজস্ব অস্তিত্ববোধটা জাগ্রত করতে প্রচেষ্টা করেছি।একজন মানুষ যখন নিজে অস্তিত্বশীল হয় তখন সে আর একজনকে অস্তিত্ববান ভাবতে পারবে। আগে নিজকে চিনতে হবে।তারপর অন্যের অস্তিত্ব সম্পর্কে ভাবতে হবে।
শুভ কামনা ভাই আপনার জন্য।
আঙ্কেল, আসসালামআলায়কুম। অসাধারণ লেগেছে। অতুলনীয়।
ওয়ালাইকুম সালাম আঙ্কেল, কেমন আছেন ?
আপনাকে অনেক মিস করছি। দোয়া করবেন।