
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ জীবনযাপন ছাড়া একাকী জীবন কারো কাম্য নয়। আবার পরিচিত সমাজের বাইরেও মানুষের পক্ষে চলা খুবই কঠিন।সমাজবদ্ধ কোনো মানুষই সামাজিক বিপর্যয় কামনা করতে পারে না।মানুষ সব সময় সুখ ও শান্তি চায়।শান্তি মানুষের আরাধ্য বিষয়।কিন্তু এ সুখ-শান্তি নির্ভর করে সমাজবদ্ধ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের উপর।উঁচু-নীচু, ধনী-দরিদ্র এসব পার্থক্য আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন।আল্লাহর সৃষ্টির উদ্দের্শ হলো ভারসাম্য রক্ষা করা। কিন্তু সামাজের কিছু মানুষ সৃষ্টির এই ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজনের এক অদৃশ্য দেয়াল তৈরী করে তাদের শোষন-নির্যাতনের কাজ করে যাচ্ছে।কোনটা ভালো কোনটা মন্দ এবং এই ভালোমন্দের ভিত্তিতে উচিত-অনুচিত কর্মকান্ড কি হবে বা হবে না, সে সব সম্পর্কে সবারই একটা স্পষ্ট বা মোটামুটি ধারনা আছে।অনেকে সেটাকে নৈতিকতা বা নীতিজ্ঞান বলে মনে করেন।কিন্তু আমাদের ব্যক্তি জীবনে বা দৈনন্দিন জীবনের জটিল কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে, উচু-নীচু, ভালোমন্দের মধ্যেকার বিভাজনজ্ঞাপক দাগ গুলি সরল নয়, মাঝে মাঝে মনে হয় এই পৃথকীকরন দাগগুলি আছে কিনা সেটা বের করাও কষ্টসাধ্য ব্যাপার। অনেক সময় সমাজে ও ব্যক্তিজীবনে কতগুলি দুর্দমনীয় প্রভাব মানুষকে বিভ্রান্ত করে।সৈকতও বিভ্রান্ত হয়, আহত হয়, আশাহত হয় নদীর পিতার ব্যবহারে।
প্রত্যেকটি মানুষেরই কি ভিতর এবং বাহিরের দুটি রূপ সর্বদা ক্রিয়াশীল ? নাকি এটা তাদের অভিনয় ? মানুষের ভিতরের এবং বাহিরের এই যে, দুই ধরনের রূপ এটা সহজাত নাকি স্বভাবজাত ? একজন মানুষ কিভাবে ভেতরে বাহিরে দুটি রূপ ধারন করতে পারে সেটা দবির উদ্দিন কে না দেখলে বুঝতে পারত না সৈকত।
দবির উদ্দিন এলাকায় একটু প্র্ভাবশালী। পর পর কযেকবার নির্বাচিত মেম্বার ছিলেন। সেই সুবাদে এলাকার মানুষ তাকে একটু সমীহ করে।তবে সবাই যে তাকে সন্মানের চোখে দেখে তা নয়। দবির উদ্দিন সৈকতের চাচা অর্থাৎ সৈকতের পিতার খালাত ভাই।সৈকতের পিতার খালাত ভাই হলেও তাকে তার পছন্দ নয় তার বির্তকিত কর্মকান্ডের জন্য।
চলবে………….
বঞ্চিতের বেদনা -৮
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



শুভেচ্ছা রইল
ধন্যবাদ আর শুভ কামনা আপনার জন্য।
চলুক
ধন্যবাদ।
মানুষের দুটো না বহু রুপ। উপন্যাস ভাল হবে মনে হচ্ছে।
শুভেচ্ছা রইল।ভাল থাকুন নিরাপদ থাকুন।
আমি দুটো রুপ।দেখেছি। পাঠক বললেই ভাল হবে।
আপনাকেও শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন নিরাপদ থাকুন সব সময়।