বন্ধু দিবসে বন্ধু আমার

আমি খুব আড্ডাবাজ টাইপের এক ছেলে, অন্তত অনুকূল পরিবেশে তো বটেই। তাই খুব সহজেই আমার বন্ধু জুটে যায়। কেউ কেউ বলে, আমি খুব দ্রুত বন্ধু বানাতে পারি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এটা আমাকে খুব কষ্টের কারণে শিখতে হয়েছিলো।

আমার বাবা সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় তিনি বদলী হতেন। কখনো কোনো জায়গায় থাকতেন এক বছর, কখনোবা দুই বছর। তাই কোনো জায়গায় গেলে আমার প্রথম কাজ হতো দ্রুত বন্ধু বানানো। এভাবেই আমার যে কতো বন্ধু হয়ে গেলো! সত্যিই কি তাই?

বন্ধু কে? কাকে বন্ধু বলে? অনেক আগে যখন হিন্দি “শোলে” ছবি দেখেছিলাম, অমিতাভ বচ্চন আর ধর্মেন্দ্রের বন্ধুত্ব দেখে কেনো জানি না খুব মন খারাপ হয়েছিলো। এই রকম বন্ধুত্ব কারো সাথে হয়নি বলে? আমি কি এমন কাউকে পেয়েছি যে আমার জন্য বা আমি তার জন্য জীবন দিতে পারবো? মানুষের গড় আয়ু বিবেচনা করলে, জীবনের প্রায় অর্ধেক পথ পাড়ি দিয়ে ফেলেছি। বেশ কিছু ভালো বন্ধু আমি পেয়েছি, কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে কেনো জানি মনটা হাহাকার হয়ে উঠে, পরম বন্ধুকে খুঁজে ফেরে।

যাক গে! এই লেখা যদি আমার বন্ধুরা পড়েই ফেলে (যদিও তারা কালেভদ্রে পড়ে। আমার ধারণা, ওরা পড়েও দেখে না, শুধু ফেসবুকের লাইক বাটনে ক্লিক করে), তাহলে আমার কপালে যে খারাপি আছে, তাতে কোনো সন্দেহ নাই! তাই, আগেভাগেই বলছি- আমিও এমন পরম বন্ধু পেয়েছি- একজন নয়, কয়েকজন- তাদেরকে নিয়েই আমার আজকের এই লেখা।

রঞ্জু। পুরো নাম ভুলে গেছি। ওর সাথে পরিচয় হবিগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে। আবার আমার বাবার কলিগেরও ছেলে বটে! সেই হিসেবেই স্কুলের বন্ধুত্ব পারিবারিক আবহাওয়ায় গাঢ় হবার সুযোগ পায়। খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলাম আমরা। আমি আমার অনেক কথাই ওর সাথে শেয়ার করতাম, সম্ভবত সেও। কিন্তু কখনো শোলে বন্ধুত্ব হয় নি আমাদের মাঝে। আসলে সুযোগ পায়নি- মাত্র তিন বছরের জন্য। এরপর বাবার বদলী জনিত কারণে বন্ধুত্ব শেষ! অনেক বছর পর – ঢাকায় রঞ্জুর সাথে দেখা হলো। এ যেনো অনেক দূরের রঞ্জু! বর্তমানে রঞ্জুর চাইতে ওর বড় ভাইয়া সঞ্জু ভাইয়ার সাথেই আমার খুব ভালো সম্পর্ক। তবুও আমার জীবনের প্রথম বন্ধু হিসেবে আমি রঞ্জুকে কখনোই ভুলবো না।

শামসুল ইসলাম বিন তৌহিদ। আমার আরেক বন্ধু, যার সাথে পরিচয় মৌলভীবাজারে। আমাদের বন্ধুত্বটা একটু অদ্ভুত ধরনের ছিলো। আমরা ছিলাম মানিক জোড়, আবার পড়াশোনার ক্ষেত্রে একে অপরের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী। মজার ব্যাপার হলো, যখন মৌলভীবাজার থেকে আমরা ঢাকায় চলে আসি, আমার কাছে মনে হয়েছিলো, শামসুল খুব খুশি হয়েছে- এক প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীর বিদায়ে! আমি যখন মেডিকেলে পড়ি, একবার মৌলভীবাজার গিয়েছিলাম। নাহ, আমার ধারণা ভুল ছিলো। শামসুলের সাথে বন্ধুত্ব আমি এখনো খুব মিস করি। আগে ফোনে মাঝে মাঝে কথা হতো, এখন অনেকদিন যাবত যোগাযোগ নেই। বন্ধু দিবসে শামসুল আমি তোমাকে বলছি- এখনো কোনো একাকী সময়ে, যখন পুরানো দিনের কথা ভাবি, সবার প্রথমেই তোমার চেহারাটাই ভেসে উঠে। মিস করি তোমায় খুব।

এরপর ঢাকা। ঢাকার আসার পর আমি আর কখনো ঢাকার বাইরে যাই নি। তাই এখানের বন্ধুরাই হয়ে রইলো- অনেকদিনের বন্ধু! আমি যে এলাকায় থাকতাম, সেখানে অনেকের সাথেই অল্প দিনেই পরিচয় হলো, সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হলো, কিন্তু বন্ধু হলো মনে হয় একজনই। সে পাভেল, লুৎফর রহমান পাভেল। পাভেলের সাথে আমার বন্ধুত্বের কোনো বর্ননায় আমি যাবো না। শুধু একটি কথা বলতে পারি, বন্ধুদের মধ্যে একমাত্র পাভেলের কাছেই মনে হয় আমি সব কথাই সহজে বলতে পারি, কোনো রকম ইতস্ততবোধ করি না।

ঢাকাতে আমার স্কুল ছিলো বি এ এফ শাহিন কলেজ, ঢাকা। এখানেই পেলাম আমার খুব প্রিয় কিছু বন্ধু। স্কুলের সময়টাই মনে হয় প্রিয় বন্ধুর তৈরীর সময়। একে একে বন্ধু হিসেবে পেলাম রওনক, রাহাত, বিলাস, রাশেদ, হারুন, টিউলিপ, নাজমুল বারী, শিহান, ফয়সাল, সুহান, অমিতাভকে। সেই বন্ধুত্ব এখনো খুব ভালোভাবে টিকে আছে! আগে একটা সময় আমরা সবাই একসাথে আড্ডা দিতাম, এরপর শুরু হলো স্বস্ত্রীক আড্ডা দেওয়া, আর এখন আমাদের আড্ডায় রাহাত আর রাশেদ উপস্থিত হয় বাচ্চা নিয়ে, অথচ টিউলিপ, শিহান, অমিতাভ, সুহান এখনো বিয়েই করলো না! এই বন্ধু দিনে তোদেরকে যদি আমি আমার ভালোবাসার কথা না বলি তাহলে খুব অন্যায় হয়ে যাবে। তোরা শুধু আমার বন্ধুই না, আরো বেশী কিছু। সেই শাহীন স্কুল থেকে একসাথে আমরা হরিহর আত্মা। আমি তোদের সবাইকেই খুব ভালোবাসি, খু-উ-ব।

রওনক, বিলাস, রাশেদ, ফয়সালসহ আমি যখন ঢাকা কলেজে ভর্তি হলাম, স্বাভাবিকভাবেই কলেজে আর নতুন বন্ধু হবার সুযোগ হয় নি। অনেকের সাথে অনেক কারণে অন্তরঙ্গ হয়েছিলো, কিন্তু বন্ধুত্ব? সন্দেহ আছে! তবুও এর মাঝেই আলাদাভাবে আজ রিঙ্কুর কথা বলতে ইচ্ছে করছে। রিঙ্কুর সাথে পরিচয়ের কারণটা খুবই হাস্যকর, মজাদারও বটে। সেই কাহিনী আরেকদিনের জন্য তুলে রাখলাম। আজ শুধু এটুকু বলি, রিঙ্কু আমরা কিন্তু চেষ্টা করলে এখনও খুব ভালো বন্ধু হতে পারি, তাই না?

জীবনের ছয়টি বছর কেটেছে মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে। অনেক লম্বা সময়! মাসুদ, আমার মেডিকেল জীবনের বন্ধু, আমার দীর্ঘ সময়ের রুমমেট। ফয়েজ, আমার প্রথম রুমমেট, আমার যেদিন পা ভেঙ্গে গিয়েছিলো, সে আমাকে পাঁজাকোলা করে নীচতলা থেকে ৪র্থ তলা পর্যন্ত এনেছিলো। মনোয়ার, আমার মনের ভিতরের জমে থাকা কথাগুলো প্রকাশের একমাত্র স্থান। মাসুদ, ফয়েজ, মনোয়ার-এই তিনজনকেই আজ বলছি- তোদেরকে আমি খুব ভালোবাসি, খু-উ-ব। হয়তোবা কোনো সময়ে কোনো কারণে আমাদের মাঝে দ্বন্দ্ব হয়েছে, হয়েছে ভুল বোঝাবুঝি, তবুও “আমরা বন্ধু”।
আমিও যেমন এই কথাটা খুব আত্মপ্রত্যায়ের সাথে বলি, জানি, তোরাও ঠিক একই রকম আত্মপ্রত্যায়ের সাথে বলিস। খুব আশা, আমরা চারজন একসাথে আবার কোনো একদিন বুমার্সে সমাপ্তিহীন এক আড্ডা দিবো।

এই লেখাটা পড়ে এতক্ষণে অনেকের মনে হতে পারে আমার বন্ধুরা সবাই ছেলে, কোনো মেয়ে নেই! আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে, এই লেখা আমার স্ত্রীর গোচরে আসতে পারে! স্ত্রী-স্থানীয় মানুষ আবার মেয়ে বন্ধু আর প্রেমিকার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না! তাই নিরাপদ রাস্তাতেই হাঁটতে চাচ্ছি! আশা করি, কোনো একদিন ওদেরকে নিয়ে লিখতে পারবো।

এবার এমন এক বন্ধুর কথা বলতে চাচ্ছি- যার সাথে আমার সম্পর্কটাকে কি বলা যায়, তা আমি আজো বুঝে উঠতে পারি না। হীরক, নাজমুল হাসান হীরক। আসলে বন্ধুত্ব জিনিসটাই শেখা আমার ওর কাছে। এক সময়ে ওর সাথে গল্প করতে করতে সময়ে পেরিয়ে যেতো, হাঁটতে হাঁটতে রাস্তা ফুরিয়ে যেতো, তবুও মনের আশা মিটতো না। এখন হয়তোবা কাজের চাপে, সময়ের চাপে আমরা পিষ্ট, তবুও হৃদয়ের গহীনে কোনো এক জায়গায় সে রয়ে গেছে।

এবার কিছু অন্য ধরণের বন্ধুত্বের কথা বলি। এঁরা আমার অনলাইন বন্ধু। এঁদের সবার সাথেই ব্লগিং করতে গিয়েই পরিচয়। কেউ বয়সে আমার চাচার মতো, কেউবা খালা, আবার কেউ বয়সে অনেক ছোট, কেউবা সমবয়সী। এঁদের কারো সাথে দেখা হয়েছে, কারো সাথে হয়নি- তবুও যেনো কতো আপন তাঁরা। নাজমুল হুদা ভাইয়া, সাহাদাত উদরাজী ভাইয়া, বাপী হাসান ভাইয়া, জমিলা হাসান সুরঞ্জনা আপু, নাঈফা চৌধুরী অনামিকা আপু, ফয়সল কাদের চৌধুরী শব্দপুঞ্জ, জ ই মানিক, নাহিদ আফরোজ আপু, চাটিকিয়ান রুমান, আরিশ ময়ূখ, জাকির ভাইয়া—সব্বাইকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা। তোমাদের মতো বন্ধু পেয়ে আমি খুব সমৃদ্ধ, খুব গর্বিত।

এই লেখাটা শুরু করেছিলাম- শোলে বন্ধু পেয়েছি কি না- এই হাহাকার নিয়ে। শেষ করার মুহূর্তে মনে হলো- পেয়েছি, আমার শোলে বন্ধু পেয়েছি। সে আমার সহধর্মিনী। আমার জীবনের সুসময় দূঃসময় সবসময়ের সাথী। আমার সকল কাজের প্রেরণা। আজ এই বন্ধু দিবসে আমি তোমায় দিলাম কবি গুরু থেকে ধার করা কিছু অমর বানী—

“কত ধৈর্য ধরি
ছিলে কাছে দিবস শর্বরী!
তব পদ-অঙ্কনগুলিরে
কতবার দিয়ে গেছে মোর ভাগ্য-পথের ধুলিরে!
আজ যবে
দুরে যেতে হবে
তোমারে করিয়া যাব দান
তব জয়গান।

কতবার ব্যর্থ আয়োজনে
এ জীবনে
হোমাগ্নি উঠে নি জ্বলে,
শূন্যে গেছে চলি
হতাশ্বাস ধুমের কুন্ডলী!
কতবার ক্ষনিকের শিখা
আঁকিয়াছে ক্ষীণ টিকা
নিশ্চেতন নিশীথের ভালে!
লুপ্ত হয়ে গেছে তাহা চিহ্নহীন কালে।

এবার তোমার আগমন
হোমহুতাশন
জ্বেলেছে গৌরবে।
যজ্ঞ মোর ধন্য হবে।
আমার আহুতি দিনশেষে
করিলাম সমর্পণ তোমার উদ্দেশে।

লহো এ প্রণাম
জীবনের পূর্ণ পরিণাম।
এ প্রণতি-’পরে
স্পর্শ রাখো স্নেহভরে।
তোমার ঐশ্বর্য-মাঝে
সিংহাসন যেথায় বিরাজে
করিয়ো আহ্বান,
সেথা এ প্রণতি মোর পায় যেন স্থান।’

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 0.0/5 (0 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: 0 (from 0 votes)

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

২৩ টি মন্তব্য (লেখকের ১০টি) | ৯ জন মন্তব্যকারী

  1. হামিদুর রহমান পলাশ : ০৫-০৮-২০১২ | ৭:৩৭ |

    সকল বন্ধুরা আপনার হৃদয় জুড়ে থাক এই কামনাই করি।

  2. আব্দুল করিম : ০৫-০৮-২০১২ | ৯:১৭ |

    বন্ধুত্তের জয়গান।
    চমৎকার একটা থ্রেট পাওনা আছেন। খুব শিগ্রই দিতাছি।

  3. সাহাদাত উদরাজী : ০৫-০৮-২০১২ | ১০:০৮ |

    আমাকে বন্ধু বলার জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বন্ধু শব্দটা কঠিন বটে তবে দুর্বোদ্য নয়। আমি মনে করি, কারো ভাল বন্ধু হতে হলে আগে নিজকে দেখে নিতে হবে মানে নিজকেই ভাল বন্ধু হিসাবে প্রমান করতে হবে।

    আপনার বন্ধু ভাগ্য ভাল এই জন্য যে, আপনি পজেটিভ, আপনি আন্তরিক।

    গত কয়েকদিন আগে আমি আমার স্কুল বন্ধুদের সাথে ইফতার করলাম (প্রতি বছর এমন একদিন বসি)

    http://wp.me/p1KRVz-of
    দেখে আসতে পারেন আমাদের…
    একদিন সব বন্ধু হারিয়ে যাবে তবে মন থেকে কখনো মুছে যাবে না…

    আশা করি আমাদের বন্ধুত্ব আমৃত্যু টিকে যাবে।

    • সাহাদাত উদরাজী : ০৫-০৮-২০১২ | ১০:৩৮ |

      আর একটা কথা না বলে পারছি না…।। অফিস কলিগ কখনো বন্ধু হয় না! খেয়াল করে দেখুন। অনেকে অফিস কলিগকে বন্ধু মনে করে ধোঁকায় পড়েন।

    • ডাক্তারের রোজনামচা : ০৬-০৮-২০১২ | ১১:৫১ |

      আপনার লেখাটা পড়েছি উদরাজি ভাইয়া। খুব নষ্টালজিয়ায় ভুগলাম। বিগত বছরগুলোতে আমরাও সবাই মিলে ইফতার করেছিলাম। এই বছর এখনো সেই সুযোগ হয়নি।

      আপনার কথার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

  4. বিষণ্ণময়ী : ০৫-০৮-২০১২ | ১১:০৫ |

    সময়ের সাথে সাথে বন্ধুর সংখ্যা বেড়ে যায় কিন্তু প্রকৃত বন্ধু কয়জনাই হয়। আপনি ভাগ্যবান খুব ভাল ভাল বন্ধু পেয়েছেন।

    শুভ কামনা রইল।

  5. চারুমান্নান : ০৫-০৮-২০১২ | ১৩:৩২ |

    বন্ধদিবসে,,,,,,,, Heart Heart Heart ,,,,,,,,,,,

  6. নাজমুল হুদা : ০৫-০৮-২০১২ | ১৪:১৫ |

    বন্ধু নিয়ে আমার আদিখ্যেতা আছে। গত রাতে সাহাদাত উদরাজীর বন্ধু নিয়ে লেখা পোস্টে মন্তব্য করতে যেয়ে লিখেছি আমার কোন বন্ধু নেই। যাদের বন্ধু আছে, তারা বুঝবেও না, এই বন্ধু না থাকার কষ্ট কত প্রবল। কতটা আগ্রাসী! আজ নিয়াজের এই পোষ্ট, “বন্ধু দিবসে বন্ধু আমার” মনোযোগ দিয়েই পড়ছিলাম (বন্ধুদের কথা আমি মনোযোগ দিয়েই পড়ি!)।
    পোস্টের শেষের দিকে এসে নিয়াজের বন্ধুদের তালিকায় আমার নাম দেখে চোখ সেই যে ঝাপসা হয়েছে, এখনও সেই তেমনই রয়ে গেছে। আবেগ বড্ড কষ্ট দেয়, কেমন যেন সুখের মত লাগে সে কষ্টটা!
    সারা জীবন অনেক বন্ধু নিয়ে যেন আনন্দে দিন কাটে সেই কামনা করি সর্বান্তকরণে।
    ভালো থেকো। সুখী হও!

    • ডাক্তারের রোজনামচা : ০৬-০৮-২০১২ | ১২:১৭ |

      নাজমুল ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে আমার চোখও আদ্র হয়ে উঠেছে। বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইলো, আর খুব ভালো থাকুন- সবসময়ের জন্য।

  7. কবিরনি : ০৫-০৮-২০১২ | ১৪:২৫ |

    পোষ্ট পড়ে নিজের সব বন্ধুদের চোখের সামনে দেখতে পেলাম। এক জীবনে কত বন্ধুই না পেলাম। আমিও আপনার মত। এক এস.এস.সি পাশ করতে ছয়টা স্কুলে পড়তে হয়েছে। তাই…
    বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা।

    • ডাক্তারের রোজনামচা : ০৬-০৮-২০১২ | ১২:১৯ |

      হা হা
      আপনার অবস্থাও তাহলে আমার মতো! আমি কিন্তু আপনার চেয়ে একটা স্কুল বেশি পড়েছি।

      আপনাকেও বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইলো।

  8. ভালবাসার দেয়াল : ০৫-০৮-২০১২ | ১৭:৫৫ |

    চমৎকার লিখেছেন তো বন্ধুদের কথা।

    Rose আপনার বন্ধুরা তো অবশ্যই ভাগ্যবান অবশ্য এই অর্থে বলছি একজন খোলা মনের বন্ধুর সাথে সময় পার করে দেয়া অনেক অনেক আনন্দের এবং স্মৃতিময়। যা আপনার পুরোনো বন্ধুরা পেয়েছে আপনার মতন খোলা মনের একজন মানূষের সাহচর্য। আর আড্ডাবাজ ডাক্তার নিয়াজ ভাইকে তো প্রথম দেখায়ই বুঝতে পেরেছি এবং চিনতে পেরেছি।

    সবসময় ভালো থাকুন এই শুভ কামনা। Rose

    • ভালবাসার দেয়াল : ০৫-০৮-২০১২ | ১৭:৫৬ |

      আপনি আড্ডায় থাকা মানে তো, সে আড্ডা প্রানবন্ত হওয়া আরও আরও বেশি Star Heart Rose

    • ডাক্তারের রোজনামচা : ০৬-০৮-২০১২ | ১২:২১ |

      জাকির ভাই, অনেকদিন ধরে আড্ডা দেওয়া হচ্ছে না! একটা আড্ডার ব্যবস্থা করেন না!

      আর হ্যাঁ, বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইলো।

    • ভালবাসার দেয়াল : ০৬-০৮-২০১২ | ১৩:৫৫ |

      ব্যস্ততা না থাকলে ব্লগারস ফোরাম এর ইফতার আয়োজনে আসুন নিয়াজ ভাই।

    • সাহাদাত উদরাজী : ০৬-০৮-২০১২ | ১৬:২০ |

      নিয়াজ ভাই, ব্লগার্স ফোরামের ইফতারিতে আশা করি আসবেন।

    • ডাক্তারের রোজনামচা : ০৭-০৮-২০১২ | ১:৩৬ |

      ১০ তারিখ শুক্রবার হওয়ায় আশা করি আসতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
      আশা করি অনেকের সাথেই দেখা হবে।

  9. রাজিন : ১৭-০৮-২০১২ | ১৩:৩৭ |

    lucky boy Smile