মাধুরীলতা-মাধবীলতা

মাধুরীলতা/মধুমালতী/মধু মঞ্জরী


ছবিতে যে ফুলটি দেখা যাচ্ছে তার নাম মাধুরী লতা! চমকে উঠলেন? আপনার মত আমিও চমকেছিলাম, যখন জেনেছিলাম যে এটা আসলে মাধবী লতা নয়! মাধুরী লতা মুখে মুখে হয়ে গেছে মাধবী লতা, মাধবী নিয়ে গল্প-কবিতা লেখা আর পড়ার প্রাচুর্যেই হয়তো! এই ফুলের আরও নাম আছে। ”মধুমালতী ডাকে আয়” …… সেই যে গানের মধুমালতী, এই হলো সেই!

মাধুরীলতার হিন্দি নাম রঙ্গন-কা-বেল, বোম্বে অঞ্চলে বারমাসী, লাল চামেলী। কুঞ্জ তৈরির জন্যে মাধুরীলতা আদর্শ গাছ। এর আদি বাসস্থান দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইন্দো-মালয়েশিয়া। কেউ কেউ মনে করেন, এটি মালয় দেশের গাছ এবং এখানে এনে লাগানো হয়েছে। সেই লাল-সাদা থোকা থোকা ফুলের লতা, যা আমরা এতদিন মাধবী নামে চিনে এসেছি তা যে মাধবী নয় এটা মেনে নিতে একটু কষ্ট হতেই পারে! এই লতাটির ইংরেজি নাম রেঙ্গুন ক্রিপার, রবীন্দ্রনাথ এর নামকরণ করেন মধুমঞ্জরি।

মাধুরীলতা লতানো গাছ। এর বোটানিক্যাল নাম Quisqualis indica, ফ্যামিলি Combretaceae। লতা বেশ শক্ত, কয়েক বছর হয়ে গেলে মোটা হয়। তখন হয় মোচড়ানো, ধূসর রঙের। পাতা আয়তকার, ডিম্বাকৃতি ও অগ্রভাগ সরু; কিনারা হালকা ঢেউ খেলানো, একটু খসখসে এবং একটি অপরটির বিপরীত দিকে সাজানো থাকে। মাধুরীলতার ফুল গন্ধে ভরপুর। ফুল গুচ্ছবদ্ধ, সাদা-লাল-কমলা রঙে মেশানো। পাপড়ি ৫ টি। ফুলের রঙ সাদা থেকে ধীরে ধীরে বদল হয়। রঙের জন্যও এই ফুল খুব সুন্দর। গ্রীষ্ম ও বর্ষায় এর ফুল বেশি হলেও সারা বছর কিছু দিন পরপর ফুল ফোটে। এজন্যে একে বারমাসী ফুল বলা হয়। লতা বড় হয়ে গাছ হলে দীর্ঘজীবী হয়। গোড়া এবং শেকড় থেকেও লতা গজায়। কাটিং করে বা লতা কেটে মাটিতে পুঁতলেও চারা হয়। ফল হয় না প্রায়ই। মধুমালতী ফুলের গন্ধ “মাধবী”র থেকে একটু কম। মাধবীলতা ও মাধুরীলতা দুটি সম্পূর্ণ পৃথক প্রজাতির লতা গাছ।

মাধবী লতা
ভুল করে মধুমালতী বা মধুমঞ্জরিকে মাধবী নামে ডাকা হয়। কিন্তু বাস্তব মাধবী (Hiptage benghalensis) দুষ্প্রাপ্য। সুন্দরীতমা চিরযুবতী মাধবীর রূপ-গুণ-সৌরভ কিছুরই অভাব নেই। কোনো মোক্ষম বিশেষণই তার উপযুক্ত নয়। কোনো একটি নামেই তার রূপ-গুণ সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় না। কত কত তার নাম! বাসন্তী, পুণ্ড্রক, মণ্ডক, অতিমুক্ত, বিমুক্ত, কামুক ও ভ্রমরোৎসব – এসব তার মনের ভাব প্রকাশক নাম। বাসন্তী বা হলদে রঙে রঞ্জিত বলে সে বাসন্তী, আবার বসন্তকালে ফোটে সেই ভাবপ্রকাশক।

আসল মাধবী মালফিজিয়েসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত (Hiptage benghalensis) এবং বৃক্ষারোহী লতানো উদ্ভিদ। এর ছোট ছোট ডালগুলো ঝোপঝাড় বিশিষ্ট। মাধবীর পুরনো গুঁড়ি শক্ত ও মোটা। ডগা কেটে রাখলে ঝোপের মতো হয়ে যায় তবে তাতে ফুল কম হয়। লতা যতই বিস্তৃত হবে, তাতে ততই নতুন নতুন ডালপালা গজাবে এবং বেশি বেশি ফুল ফুটবে। গাছের বাকল মেটে রঙের, ভেতরের কাঠ লালচে এবং শক্ত। পাতা বিপরীতমুখী, সাধারণত ৪-৬ ইঞ্চি লম্বা, আয়তাকার, বোঁটার দিকে এবং অগ্রভাগ ক্রমে সরু, দেখতে অনেকটা স্বর্ণচাঁপার পাতার মতো। পাতায় আচ্ছাদিত লতা দেখতে খুবই সুন্দর বলে প্রাচীনকালে এটি দিয়ে মণ্ডপ, কুঞ্জ ইত্যাদি তৈরির প্রচলন ছিল। বর্তমানে বাগানের শোভাবর্ধনের জন্য যত্ন করে মাধবীলতা লাগানো হয়ে থাকে।

মাধবীলতা


মাধবী ফুল গুচ্ছবদ্ধ, ফুলের বিন্যাস সুসংবদ্ধ এবং মুকুলগুলো সূক্ষ্ম রোমে আবৃত। ফুল সাদা রঙের, অত্যন্ত সুগন্ধি, ৫টি পাপড়িবিশিষ্ট, তবে পঞ্চম পাপড়ির গোড়ার দিকটা হলদেটে। পুংকেশর ১০টি ও সরু; একটি সবচেয়ে লম্বা ও বাঁকা। বসন্ত ও গ্রীষ্মে ফুল ফোটে, তবে কখনো কখনো বর্ষাকাল পর্যন্ত ফুল থাকে। ফুল ফুটলে গাছে ভ্রমরের যাতায়াত বেড়ে যায়। ফল পশমময়, ২/৩টি পক্ষযুক্ত। প্রতিটি ফলে ২-৩টি বীজ থাকে। বীজ থেকে সহজেই গাছ জন্মায়। এ ছাড়া ডাল ভেঙে লাগালেও গাছ হয়। মাধবীলতার বহুবিধ ভেষজ গুণও রয়েছে। পাতা চর্মরোগে ব্যবহৃত হয়। পাতার রস খোস-পাঁচড়ার ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাতা পুরনো বাত ও হাঁপানীর শান্তিকারক। বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, বাংলা একাডেমী ও কার্জন হলের বাগানে, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে মাধবীলতা রয়েছে।

মাধবীরা দুর্লভ। মাধবীরা হারিয়ে যাচ্ছে অনাদরে, অবহেলায়। এখন শৌখিন ও সৌন্দর্যপিপাসু ছাড়া মাধবীদের কেউ মনে করে না। মাধবী তাই যাকে ধরা দেয় শুধু তাকেই আকুল করা সুখ-সম্ভোগ দিতে রাজি হয়।

সুত্রঃ
১. উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ।
২. শেখর রায়, দৈনিক ডেস্টিনি ’মাধবী ফুটেছে’ ।
৩. বিপ্রদাশ বড়ুয়া, “গাছপালা তরুলতা”, বাংলা একাডেমী, ঢাকা।

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 5.0/5 (2 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: +1 (from 1 vote)
মাধুরীলতা-মাধবীলতা, 5.0 out of 5 based on 2 ratings

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

২৯ টি মন্তব্য (লেখকের ১৩টি) | ১১ জন মন্তব্যকারী

  1. অরুদ্ধ সকাল : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:০৫ |

    ভ্রাতা এটা মোর বাটীতে সেই শৈশবকাল হতেই দেখিয়া আসিতেছি।

    • নাজমুল হুদা : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:১২ |

      কোনটা? খেয়াল করেছেন ভালো করে? এখানে দুটো ফুলের কথা বলা হয়েছে! আপনার বাড়িতে মাধুরী, নাকি মাধবী আছে?

  2. আবু জারীর : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:১৯ |

    পড়ে খুব ভালো লাগলো।
    ধন্যবাদ।

    • নাজমুল হুদা : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:৪৩ |

      অনেক শুভ কামনা, ভাই আবু জারীর।

  3. নীল নক্ষত্র : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:২৮ |

    মাধবী লতা বিলুপ্তির পথে। তাই এখন মধু মালতি হয়ে গেছে মাধবী লতা! অনেক সুবাসিত বাঙালি ফুল এর মধ্যে হারিয়ে গেছে। তার পরিবর্তে এসেছে গ্লাডিয়া, জিনিয়া ইত্যাদি গন্ধ বিহীন ফুল যারা শুধু রূপ দিয়েই বিশ্ব কিনে নিতে চায় কোন গুণ নেই। বিলাতে হাজার রকমের সুদৃশ্য ফুল দেখেছি ‘Forget me not’ সহ কিন্তু তাদের কোন গন্ধ নেই।
    তবে শুনেছি “যে দেশের নাড়ী জাতির লজ্জা নেই সে দেশের ফুলেও গন্ধ নেই” সত্য মিথ্যা জানিনা শোনা কথা। খুব সহজেই বিশ্বাস করে নিয়েছি কারন ওসব দেশ যদি শীত প্রধান না হত তাহলে নাকি ওদের নাড়ী জাতির পোষাকের কোন প্রয়োজন হত না।
    নিজের চোখে দেখা, ওরা এই -৩ ডিগ্রি শীতের মধ্যেও সামান্য বসনে দিব্যি ঘুড়ে বেরাচ্ছে।

    • নাজমুল হুদা : ২৪-০৭-২০১২ | ২০:৫৪ |

      উল্টে যাচ্ছে দুনিয়া! “গুণে তোমায় ভুলাবো না, রূপে তোমায় ভুলাবো” হয়ে যাচ্ছে বুঝি সব কিছু!!
      নারীর লজ্জার সাথে ফুলের সুবাসের কোন সম্পর্ক আছে কিনা জানি না, তবে দৃষ্টান্ত দেখে বিশ্বাস করতেই মনে চায়। গরমের দেশে নারীগণ নানাবিধ পোষাকাবৃত হয়ে রান্নাবান্না করে, পুরুষেরা থাকে আদুল গায়ে। শীতের দেশে গরম স্যুট পরিহিত পুরুষের হাত ধরে স্বল্পবসনা নারীর ছবি বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়।
      আমাদের দেশে সুগন্ধি ফুলের ক্রমবিলুপ্তি ঘটছে। এ থেকে কী ধরে নেবো যে আমাদের নারীদের প্রধান ভূষণ লজ্জাও ক্রম অপসৃয়মান?
      চমৎকার প্রসঙ্গের অবতারণাসহ মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ, নীল’দা।

  4. কাহন : ২৪-০৭-২০১২ | ২১:৫৬ |


    অনেক …ক…ক… দিন পর মাধবী লতাকে পেলাম … Smile
    শুভকামনা রইল ।
    সুন্দর একটি পোস্ট ।

    • নাজমুল হুদা : ২৪-০৭-২০১২ | ২২:০৯ |

      আন্তরিক শুভেচ্ছা জানবেন, ভাই কাহন।

  5. বিষণ্ণময়ী : ২৪-০৭-২০১২ | ২২:৫২ |

    আমরা তো এটাকে বাগান বিলাস বলি। আমার খুব ভাল লাগে ফুলটা। ছোট বেলায় এই ফুলের কতো কানের দুল পড়তাম।
    চমৎকার পোস্ট হুদা ভাই।

    আপনার জন্য একটি পোষ্ট আছে দেখে নিবেন।

    • নাজমুল হুদা : ২৫-০৭-২০১২ | ৯:০০ |

      Bougainvilleaর বাংলা নাম বাগানবিলাস, নামকরণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
      বাগানবিলাসের ফুল এত বড় হয় না, বৃতি সর্বস্ব বলা যায়। নানান রঙের বাগান বিলাস পাওয়া যায়, একেক গাছে একেক রঙ; আর মাধুরীর একই ফুল সাদা থে লাল বা কমলা পর্যন্ত হয়ে থাকে (রঙ পরিবর্তন হয়)। এই দেখুন বাগানবিলাস।

      আমড়াডিম দেখে এসেছি। রোজার কারণে চেখে দেখা হয়নি।
      শুভেচ্ছা।

    • বিষণ্ণময়ী : ২৫-০৭-২০১২ | ১৪:৫০ |

      ও আমরা তো ওটাকেই বাগান বিলাস বলতাম। যাক ভুল ভাঙলো।

      আমড়া ডিম ইফতারের পরে খেয়ে বলবেন কেমন হয়েছিল। এর পরে আমি ট্রাই করবো।

    • নাজমুল হুদা : ২৫-০৭-২০১২ | ২১:১০ |

      এখন না! রোজার পরে হবে এই রান্না। নারকেল দুধের রান্না খেলে সারারাত ঢেঁকুর উঠবে নারকেলের!!! সে এক বিব্রতকর অবস্থা!!

  6. ডা. দাউদ : ২৪-০৭-২০১২ | ২৩:২৯ |

    সত্যি অনেক …ক…ক… দিন পর মাধবী লতাকে পেলাম …

    ধন্যবাদ হুদা ভাই সুন্দর এই পোস্ট এর জন্য
    শুভকামনা রইল ।

  7. কুহক : ২৪-০৭-২০১২ | ২৩:৫১ |

    উপরের মাধুরীকে আমরা গেট ফুল হিসাবেই চিনি। তেমন করে নাম সার্চ করা হয়নি তবে মাধবী যে আলাদা ফুল তা জানতাম।
    মা বলেছিল; এবার খোঁজ করবো।

    ধন্যভাদ হুধা ভাই।
    চা’এর প্রোগ্রাম টার কি হলো?

    • কুহক : ২৪-০৭-২০১২ | ২৩:৫১ |

      হুদা ভাই হবে।

    • নাজমুল হুদা : ২৫-০৭-২০১২ | ৯:১২ |


      এটাকে আমরা গেটফুল বা তরুলতা নামে চিনি।
      তবে মাধুরীলতা সাধারণতঃ বাড়ির গেটে লাগানো হয়ে থাকে, তাই সেটাও গেটফুল নামে পরিচিত হতে দোষ নেই তেমন।

      [সাদাকালোকে নিয়ে একদিন ভেলপুরি আড্ডা হয়ে গেছে, আপনি দেশে ছিলেন না, তাই বাদ পড়ে গেছেন। রোজার পরে একদিন ঈদ পূনর্মিলনী করা যাবে। কী বলেন?]
      ভালো থাকবেন।

    • কুহক : ২৬-০৭-২০১২ | ১:২৯ |

      Hairpull Hairpull Hairpull
      কপাল খারাপ হলে যা হয় আর্কি। যাক তব প্রতীক্ষায় রইলাম ঈদ এর।

  8. রাবেয়া রব্বানি : ২৫-০৭-২০১২ | ২:০৮ |

    জানতাম না। কি বিচিত্র!!!!!!!

    • নাজমুল হুদা : ২৫-০৭-২০১২ | ৯:১৫ |

      আমি আপনার লেখা বেশ পছন্দ করি। আপনাকে এখানে পেয়ে তাই আমি কিছুটা অভিভূত! হ্যা ভাই, অনেক কিছুই আমরা জানি না, আমাদের অজানা থেকে যায় কত কিছু! এই বিচিত্র বিশ্বে সব কিছু কী আর সবার পক্ষে জানা সম্ভব?
      অনেক শুভেচ্ছা।

    • রাবেয়া রব্বানি : ২৫-০৭-২০১২ | ১৩:৫৪ |

      আবারো জানতাম না ।বিচিত!! আপনি আমার লেখা পড়ছেন!!!!!!!!!!! Happy Happy Happy

  9. জুলিয়ান সিদ্দিকী : ২৬-০৭-২০১২ | ১:১৩ |

    আর আমি এই গোত্রের সবগুলাকেই চিনি ‘গেইট ফুল’ হিসেবে।

    • নাজমুল হুদা : ২৬-০৭-২০১২ | ৮:০৫ |

      আপনার এই চেনাতে কোনই ভুল নেই, জুলিয়ান ভাই! সবগুলোই কোন না সময় কারো না কারো গেটের উপরে শোভা বর্দ্ধন করে থাকে। আপনার এই থিওরী অনুযায়ী গেটে যে ফুল লাগানো হয়, সবই গেটফুল!

  10. আলীম হায়দার : ২৩-০৯-২০১২ | ৪:৩৩ |

    মাধরীলতাই দেখেছি তাইলে এতদিন ! আসল মাধবীলতা দেখতে চাই এখন !

    • নাজমুল হুদা : ২৩-০৯-২০১২ | ৮:০০ |

      হ্যা ভাই, আমরা সচরাচর যা মাধবী লতা হিসেবে দেখে থাকি, তা হচ্ছে মাধুরীলতা, মধুমালতী বা মধুমঞ্জরি। আসল মাধবীলতা ফুলের ছবি দেখুন পোস্টে – তবে স্বচক্ষে দেখার জন্য আপনাকে একটু কষ্ট করে বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, বাংলা একাডেমী ও কার্জন হল, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বা ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারের যে কোন এক জায়গায় যেতে হবে।
      এত পুরাতন পোস্ট খুঁজে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  11. আলীম হায়দার : ২৩-০৯-২০১২ | ১৫:৩৪ |

    এই সময়ে কী পাওয়া যাবে গেলে ? আমি ছবি দেখলাম। খুজতে যাবো ভাবছি।

    • নাজমুল হুদা : ২৩-০৯-২০১২ | ১৮:৫৯ |

      বসন্ত ও গ্রীষ্মে মাধবীলতা ফুল ফোটে, তবে কখনো কখনো বর্ষাকাল পর্যন্ত ফুল থাকে।

      চেষ্টা করে দেখতে পারেন। দেখা পেলে জানাতে ভুলবেন না। সাথে ক্যামেরা থাকলে ছবি তুলে এনে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন।