
যতদূর মনে পড়ে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্বদেশ কবিতার লাইন “আগুনের ফুলকি শ্মশানের বাহবা বাড়ায়” তাই বুঝি শুরু হয়েছে লাশের উৎসব। কে কতো লাশ ফেলতে পারে তার তুমুল প্রতিযোগিতা। কারণ শ্মশানে আগুন জ্বালতে তো লাশ দরকার। কিন্তু যে ভাবে লাশ পরতে শুরু করেছে তাতে এক সময় তো চিতা জ্বালানো আর কবর খুড়তে মানুষ পাওয়া যাবে না। একটা সময় তো নিয়মের বলয়ে শ্মশান আর কবরে যেতেই হবে, আমি মিনতি করছি তোমাদের কাছে শুধু সেই সময় টুকু বাঁচতে দাও আমাদের।
আসুন আমরা অপমৃত্যু আর অপঘাতে মৃত্যু বন্ধে সোচ্চার হই। আসুন আমরা পরস্পর পরস্পর কে ভালবাসি। জীবনটাকে সুন্দর আর বেঁচে থাকাটাকে আনন্দময় করে তুলি। আসুন আমরা হত্যার রাজনীতি বন্ধ করি।
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



অপঘাতে অপমৃত্যু কারুরই কাম্য হতে পারে না।
সালাম জামান ভাই, প্রতিদিন পত্রিকা খুলেই লাশ আর হত্যার খবর ক্লান্ত হয়ে গেছি। এবার মুক্তি চাই……………
অপমৃত্যু কারই কাম্য নয়, একটি অপমৃত্যু শুধু একজন মানুষকে নয় বিপর্যয় ডেকে আনে একটি সংসারের।
আপনার সাথে আমিও কণ্ঠ মিলিয়ে বলছি “আসুন আমরা অপমৃত্যু আর অপঘাতে মৃত্যু বন্ধে সোচ্চার হই। আসুন আমরা পরস্পর পরস্পর কে ভালবাসি। জীবনটাকে সুন্দর আর বেঁচে থাকাটাকে আনন্দময় করে তুলি। আসুন আমরা হত্যার রাজনীতি বন্ধ করি।”
ধন্যবাদ।
সত্যি আমার ভীষণ কষ্ট হয় কেন মানুষ এভাবে নির্মম হয়ে যাচ্ছে। আর লাশ দেখতে চাই না। শুভ কামনা শিবলী ভাই।
এইভাবে মৃত্যু আমাদের কারোই কাম্য নয়। কিন্তু প্রতিদিনই দেখতে হচ্ছে এই মৃত্যুকে।
সুন্দর আহবান।
ধন্যবাদ আপু,
জয় হোক ভ্রাতিত্বের, জয় হোক মানবতার, জয় হোক ভালবাসার।
আপনার লেখাটা পড়েই আমি, আমার লেখাটা ড্যাসবোর্ড এ যেয়ে নতুন পোস্ট সংযোজন অপশনেতেই সরাসরি লিখে ফেললাম।
শুভেচ্ছা রইল।
শুভ কামনা সব সময়।
কিন্তু সোচ্চার হবো কিভাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশী শক্তি প্রদর্শন না করলে নেতৃত্ব থাকবে না। পেশী শক্তি প্রদর্শনের জন্য মাস্তান পুষতে হবে। এর ফলে মায়ের বুক খালি হতেই থাকবে। প্রতি সরকারের আমলেই এরকম ঘটে এসেছে এবং ঘটতেই থাকবে। এই দুষ্ট চক্র থেকে আমাদের নিস্তার নেই…
মুক্তি কোথায় তা বলা সত্যিই দুস্কর। তবুও নিরাশ হতে মন চায় না। শুভ কামনা।
এমন মৃত্যু কারোই কাম্য নয় ।
তবুও আমরা প্রতিদিন এমন মৃত্যুতে আক্রান্ত হচ্ছি
আসুন আমরা অপমৃত্যু আর অপঘাতে মৃত্যু বন্ধে সোচ্চার হই।
এখন কোন কিছুইতে সোচ্চার হয়ে কাজ হচ্ছে না। বাড়ছেই বাড়ছে।
সুন্দর লিখেছেন মাজার ভাই
সালাম প্রবাস বন্ধু , সময়ের সাথে সাথে মানুষ কেন এতো নির্মম হয়ে যাচ্ছে?
আসুন বদলে যাই বদলে ফেলি অপমৃত্যু আর অপঘাতে মৃত্যুর প্রনয়নকারীদের।

নতুন করে স্বাধীনতার ডাক দেই।
সত্যি আমাদের সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবী, শুভ কামনা।
স্বাভাবিক মৃত্যুর নূন্যতম গ্যারান্টি নাই
সত্যি আমরা নিজেরাই নিজেদের শত্রু হয়ে গেছি
আর আমরা অপঘাতে স্বজন হারাতে চাই না।
আসুন আমরা হত্যার রাজনীতি বন্ধ করি।
তাইলেতো বাংলাদেশ থেকে রাজার নীতিই বন্ধ হয়ে যায়ে
শুভকামনা আপনার জন্যে …
যায়ে
যাবেযায়ে টা দয়া করে যাবে পড়বেন
সেই তো ভাল জনগণের নীতি চালু হোক। শু কামনা আপনার জন্যও।