গতবার লিখেছিলাম “দৃষ্ঠান্ত হয়ে উঠুক সাবরিনা”, এবার শিরোনামই পরিবর্তন করতে হচ্ছে । ব্লগ প্রতিযোগিতায় স্বনামধন্য “ববস’ এর ব্লগ প্রতিযোগিতায় এবার শুধু সাবরিনা সুলতানাই প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন “বেষ্ট ব্লগ” ক্যাটাগরিতে, তা নয়। ব্লগার সালমা মাহবুব এর ব্লগ ও প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হয়েছে “বেষ্ট বাংলা ব্লগ” ক্যাটাগরিতে। বেশ আশাব্যাঞ্জক সংবাদ অবশ্যই। এই দুজন মানূষ যারা কিনা অনলাইন কমিউনিটির ভার্চুয়াল জগত থেকে প্রতিবন্ধীদের জন্য সুস্পষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে বাস্তবিক হাজির হয়ে যান সবসময়। সাধারন মানূষের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে পারেন চেতনা। তা আসলেই অসাধারন।
গতবছর সাবরিনাকে নিয়েই একটি ব্লগ লিখেছিলাম সবার কাছে অদৃশ্যমান। এবারও তা শেয়ার করতেই হলো-
“জানতাম উনি তখন ঢাকায়। প্রথম দেখার স্মৃতি আমার আজীবন মনে থাকবে। রীতিমতো একটি হাসপাতালের আইসিইউ কাম ঘর মনে হয়েছিল আমার কাছে। ঘরটিতে ঢুকতেই স্বাভাবিকভাবেই কুশল বিনিময়। এমনিতেই আমার অনেক দিনের উন্মুখ হয়ে থাকা ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। আমি তো শুধু দেখছিই উনাকে। হুইল চেয়ারে বসা ব্লগার সাবরিনার সাথে সে প্রথম পরিচয় সামনা-সামনি। আমার এতদিনের ইচ্ছেও পূরণ সাথে সাথে। অনলাইনই যার প্রেরণা এবং শক্তি নিজেকে উদ্ভাসিত করার, নিজের চিন্তা-ভাবনাকে সবার কাছে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য। উনার শারিরিক প্রচন্ড অসুবিধা সত্বেও। সে মানুষটিকে আমি উন্মুখ হয়ে কিভাবে না দেখি! হুইল চেয়ারের সাথে সংযুক্ত ছোট কাঠের পাটাতনের উপর একটি ল্যাপটপ সাবরিনার সম্মুখে রাখা। বোঝাই যাচ্ছে অনেক কষ্ট হয় সাবরিনার। আসন্ন একটি সেমিনার এর আয়োজন এবং কার্যাদি সম্পন্ন করার কাজই করছিলেন সে সময় বি-স্ক্যান এর। আমি দেখছি আর শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যাচ্ছে যেন নিজে নিজে। আমার কাছ থেকে সম্মানের চরম শিখরেই উনার অবস্থান সে সময় থেকেই হয়ে গিয়েছিল। তা আর কিছুই না- প্রচণ্ড পরিমাণ মনের শক্তির জোর এবং আত্মবিশ্বাস, একজন অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে উঠা মানুষকে কিভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে পারে? তা দেখতে একজন সাবরিনাই যথেষ্ট। আমি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম- জয়ী হবেই এই মানুষটি সন্মুখ জীবনে। যিনি আর কেউ নন- সাবরিনা। আমার আপনার এবং সবার মতোই একজন ব্লগার।
ব্লগিং করতে গেলে ভাবনার সাথে সাথে, শারীরিকভাবে কোমরের জোর যেমন থাকতে হয়। ঠিক তেমনি থাকতে হয় চোখের জোর। সাথে সাথে থাকতে হয় দুটি হাত এবং এর আঙ্গুলগুলোর নাচন, শক্ত এবং নিরেট কিবোর্ড এর সারাটা অংশ জুড়ে। সেখানেই সাবরিনার কষ্ট সবচেয়ে বেশি হয়। জিজ্ঞেস করেছিলাম- কি সমস্যা হয়? উনার উত্তর- তেমন কিছু না। হাতের আঙ্গুলগুলো একটু টাইপ করলেই টনটন করে সাথে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। অনেক প্রচণ্ড ব্যথা হয়। থেমে পরি একটু টাইপ করেই।আবারও একটু পর শুরু করি। তখনও অবশ্য ব্যাথাটা যায় নি। তবুও লিখতে হয়। এমনও হয় মাথায় ঘুরছে একটি বিষয় নিয়ে লিখা। তা প্রকাশ করতে করতে হয়ত পনেরদিনও লেগে যায়। নিজের সবল আঙ্গুলগুলোর দিকে তাকিয়ে পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দেই বিনীতভাবেই- আপনি মুখে বললেন আর অন্য কাউকে দিয়ে লিখিয়ে নিলেই তো হল। উনার উত্তর- এই কাজটুকুন না হয় আমি নিজেই করি।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি একজন সাবরিনার দিকে। যিনি কিনা একেবারেই চলৎশক্তি-হীন একজন মানুষ। যার চলতে এবং রীতিমতো মুখের শব্দ ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অন্যের সহায়তা নিতে হয়। সে মানুষটি নিজেই সক্ষম মানুষদের কে বুঝানোর জন্য, সচেতন করার জন্য প্রতিবন্ধীদের অধিকার এর বিষয়ে। এই আমিও তো আসলে এতটা শক্তি রাখি না হয় তো মনের দিক দিয়ে। আর উনার এবং সালমা মাহবুব এর হাতে গড়া সংগঠন ‘বি-স্ক্যান’ আজকে একটি প্ল্যাটফর্ম- প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষা এবং সবাইকে এই বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করন এর জন্য। অনেকক্ষণ ছিলাম। এরই মধ্যে ব্লগার রুদ্র অক্ষর এর কাছে পাওনা বাবদ এককাপ কফি এবং সাথে কেক এর পিস হাতে চলে এসেছে। অনেকক্ষণ ইচ্ছে করেই উনাদের বিরক্ত করেছি মনে হয় সেদিন। ছিলাম প্রায় দুই ঘণ্টা।
সে সাবরিনা আজ তার লড়াই এর পুরস্কার পেয়ে যাক একটি ব্লগিং প্রতিযোগিতা থেকে। এ যে অবর্ণনীয় এক ভালোলাগা আমাদের জন্য। দৃষ্টান্ত থাকতে হলে এরকম মানুষদেরই তো ফোকাস করা উচিত আমাদের। আর কিছু না পারি এতটুকু তো আমরা পারি। সাবরিনার ব্লগ ববস এর ব্লগ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের সেরা ব্লগ গুলোর সাথে লড়ছে। তা শুধু বাংলা বিভাগেই নয়। লড়ছে প্রতিটি ভাষা এবং বিষয়ের সম্মিলিত ক্যাটাগরিতে। বেষ্ট ব্লগ ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। এ শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে আশা করি প্রাথমিক বাছাই থেকেও চূড়ান্ত জায়গায় নির্বাচক এবং দর্শক জরিপে সবার সেরা সাবরিনার ব্লগ হোক। তার জন্য মন থেকে দোয়া এবং শুভ কামনা সাবরিনার ব্লগ এর জন্য। এই আমরাই হয়ত পারি সাবরিনার সাথে থেকে। শুধুমাত্র একটি ভোট দিয়ে তুলে আনি সবার সামনে। আর তাতেই চমৎকার একটি কাজ করা হয়ে যাবে যে কারোই। কষ্ট করে সাবরিনাদের কার্যক্রমে না থাকতে পারি। ওদের কাজগুলো যেন সহজ হয়। তাই তাকে যেন সবাই সেরা হিসেবেই বিবেচনা করে। তা আশা করা আমাদের সমাজের জন্যই ভালো। এই পরিচিতি এবং সুনাম সাবরিনাকে সামনের পথগুলোতে আরও উদ্যমী করবে। বাড়বে সাবরিনার মনের জোর। সাথে সাথে উনার সচেতনতামুলক কার্যক্রমগুলো মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হবে বৈ কমবে না।”
আজ কৃতজ্ঞতার সাথে অবশ্যই মনে করতে হয় ব্লগার নদী আপুর কাছে। উনার সহযোগিতায়ই এই দুজন মানূষের সাথে আজ আমি পরিচিত।মনে আছে নদী আপু সালমা মাহবুব
এর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন আমাকে আর ব্লগার রাজিনকে। সেদিন সালমা মাহবুব এর একটি মুখের কথা আজও মনে আছে- প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় আমরা কিছু করতে চাই। আপনারা সাথে থাকলে ভালো হয়। সালমা মাহবুব এর সে প্রচন্ড আত্ববিশ্বাস আজ এ বাংলাদেশেই দৃষ্টান্ত।
ব্লগার সাবরিনা সুলতানা এবং সালমা মাহবুব জয় করে নিক ব্লগিং জগতের সেরা মুকুট। সাথে সাথে জয় করুক তাদের মনের ইচ্ছেগুলো। যে ইচ্ছেগুলো আমাদের সমাজ এবং দেশের জন্যই শুভ এবং সচেতনতামুলক।
শুভ কামনা সাবরিনা সুলতানা এবং সালমা মাহবুব আপনাদের জন্য। মনের জোর দিয়েই আপনারা বিশ্ব জয় করবেন আশা করি।
ববস এর এই সাইটটিতে গিয়ে আমরা সবাই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, উনাদের কার্যক্রমগুলোকে অনুপ্রানিত করে পাশেই থাকি।



অবশ্যই একটি সুসংবাদ আমাদের জন্য।
সেই সাথে কিভাবে ভোট দিতে হবে, সেই ব্যপারে একটি বিস্তারিত পোষ্ট আশা করছি আপনার কাছে।
তাহলে সকলের জন্যই ভোট দিতে সুবিধা হবে।
অবশ্যই একটি সুসংবাদ শিবলী ভাই। ভোট দেয়া খুবই সহজ। ভোট দেয়ার নিয়ম নিয়ে একটি পোষ্ট দিবো আশা করি।
ধন্যবাদ
অসংখ্য ধন্যবাদ জাকির ভাই, আপনার পোস্টটির জন্য। ববস এর পুরস্কার পাই বা না পাই আপনাদের ভালবাসা আর সহযোগিতাই আমাদের চলার পথের প্রেরণা, শক্তি। আবারো কৃতজ্ঞতা।
ধন্যবাদ সালমা আপা।বরঞ্চ আপনারাই আমাদের প্রেরনা হয়েই আছেন।
আশা করছি এবার ববস এর এই প্রতিযোগিতায় আপনার এবং সাবরিনা আপার ব্লগ সাড়া ফেলবে।

ধন্যবাদ প্রিয় জাকির ভাই বিষয়টিকে আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
ধন্যবাদ মাজারুল ইসলাম ভাই। নিয়মিত ভোট দিবেন আশা করি। একটি নেটওয়ার্ক থেকে চব্বিশ ঘন্টায় একবার দেয়া যায়। তাই প্রতিদিন ভোটগুলো আশা করি…
সাবরিনা সুলতানা এবং সালমা মাহবুবের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা এবং দোয়া।
সাবরিনা সুলতানা এবং সালমা মাহবুবের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা এবং দোয়া।
ধন্যবাদ আজমান ভাই
darun khobor… ekhon janlam… amaro prothom dintar kotha mone porche post- ti dekhe…. oi diner tarikh ta apnar ki kheyal ache?
ধন্যবাদ রাজিন। হ্যা মনে আছে প্রথম দিনের কথা অবশ্যই।
এক টুকরো মেঘ সাত মিনিটে একটি পুরো জীবন।
দেখেছি একটি পুরো জীবনের খণ্ড-রূপ, এভাবে যেন শেষ না হয় …
কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় জুনিয়ান সিদ্দিকী, শর্ট ফ্লিমটির লিংক দেয়ার জন্য
ধন্যবাদ জুলিয়ান ভাই শর্টফিল্মটি শেয়ার করার জন্য।
দুই জনের জন্যই রইল প্রানঢালা অভিনন্দন আর দোয়া।
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সাবরিনা সুলতানা এবং সালমা মাহবুব’ কে । আদর্শ হয়ে থাকবেন …
আমার এতোটা সৌভাগ্য হয়নি আপনার মতো..। আমি দেখেছি দু’জনকেই। তবে, দূর থেকে..। খুব ইচ্ছে হয়েছে পরিচিত হবার। কিন্তু, সাহস পাইনি। পাইনি মনের জোরও..। একজন হাত-পা সহ সুস্থ মানুষ হয়েও মানসিকতায় কতোটা অসুস্থ আমি, খুব বুঝতে পারি। তাই, পারিনি দেখা করতে। অনেকদিন আগে বি-স্ক্যানের টি-শার্ট কিনতে গিয়ে কাছাকাছি হয়েছিলাম বি-স্ক্যানের। চেষ্টা করে যাচ্ছি আমার মতো করে। গতবার ববস এর নির্বাচনে সাবরিনা আপির জন্য ভোট যুদ্ধে নেমেছিলাম। অনেকগুলো ভোট নিজে দিয়েছি এবং কালেক্টও করেছিলাম অনেকগুলো। ভাববেন না কথাগুলো নিজের কৃতিত্ব জাহির করার জন্য বলছি। কথাগুলো বলছি, নিজের ভেতরে, অন্যের জন্য নিজেকে উৎস্বর্গ করার মন্ত্রটা শক্ত করে বুকের ভেতর ধারণ করে নিচ্ছি। আমি আছি..। আমি জানি, উনারা পারবেনই..। প্রিয় এই দেশটার, শান্তিপূর্ণ বৈশ্বিক একাত্বতার ভালো একদিন হবেই। সাইক্লোন. শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন খুব।
ধন্যবাদ
দু’জনের জন্যই রইল, আমাদের প্রাণে অভিন্দন!!!!!!!!!!!!
ধন্যবাদ মান্নান ভাই
দুজনের জন্য রইল অভিনন্দন এবং শুভ কামনা্ ভোট করার পদ্ধতিটা আমি বুঝিনি। একটা পোস্ট দিয়ে বুঝিয়ে দিলে আমার মতো অনেকের সুবিধা হবে।
ধন্যবাদ লুবনা আপা। ভোট দেয়ার পদ্ধতি খুবই সহজ। ববস এর হোমপেজে গিয়ে ভোটিং বাটন নির্বাচিত করে যে পেজটি আসবে। সেখান ফেসবুক থেকে লগ ইন করে তার পর ক্যাটাগরি বক্স নির্বাচন এবং এর ডান পাশে থাকা বক্স এ ব্লগ এর ঘরগুলো থেকে আপনার পছন্দের ব্লগটিকে নির্বাচন করে- শুধুমাত্র ভোট বাটন এ ক্লিক করলেই হবে। একটি নেটওয়ার্ক থেকে সবগুলো ক্যাটাগরিতে ২৪ঘন্টায় একবার দেয়া যায় প্রতিটি ক্যাটাগরিতে। যেমন ধরেন ২৪ঘণ্টার মধ্যে বেষ্ট ব্লগ, বেষ্ট বাংলা ব্লগ সহ সব ক্যাটাগরির ব্লগগুলোকে একবার করে চব্বিশ ঘন্টায় ভোট দিতে পারবেন।
অবশ্য পোষ্ট দিবো আরও বিস্তারিত জানিয়ে।
সাবরিনা-র কথা বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হবে, অল্প কথায় শেষ করা যাবেনা। শুধু এটুকু বলতে পারি যে কেউ তাঁকে দেখলে সে তার কর্মে আরও উদ্দ্যোমী, উজ্জ্বোবিত হবে।
২০১১ সালের ২১শে ফেব্রূয়ারী মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তাঁর সাথে আমার প্রথম পরিচয়। সেদিন প্রায় সারাদিনই আমি তাঁর হুইল চেয়ার ধরে সাথে সাথে ছিলাম। উপরের ছবিতেও তা দেখা যাচ্ছে।
সাবরিনা ও সালমা আপা দু’জনের জন্যই রইল শুভ কামনা।
গতকাল থেকেই ভোট দেয়া শুরু করেছি।
ধন্যবাদ জামান ভাই।
আপনাদের সবার ভালোবাসাটাই আমাদের জন্যে বড়। আমরা নাম-যশ খ্যাতি অথবা কোন পুরুস্কার এর আশায় কিংবা নিজেদের জন্যেও এই কাজগুলো করছি না। করছি আমাদের দেশের আরো অনেকের অবহেলিতদের তাদের নাগরিক অধিকার আদায়ের জন্যে। ব্যাস এইটুকুই আপনারা অনুভব করতে পারলে ভালো লাগবে।
জাকির ভাই, অনেক ধন্যবাদ পোস্টের জন্যে। আমি যা নই তার চেয়ে অনেক বাড়িয়ে লিখেছেন আপনি। আমি আসলেই শুধুই আপনাদের ভালোবাসা চাই দোয়া চাই এবং এবং আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।
জানি আপা। সাথেই আছি সবসময়।
আপনি এবং সালমা আপা আমাদের কাছে সত্যিকারের দৃষ্ঠান্ত। স্যালুট আপনাদের সবসময়।
ধন্যবাদ সাবরিনা আপা। এবার কিন্তু প্রচন্ড আশাবাদি আমরা সবাই ববস এ বিশ্ব সেরা ব্লগ হবে আপনার ব্লগটি
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই দুইজনের জন্যই।
ধন্যবাদ আপনাকে
দুই জনের জন্যই রইল প্রানঢালা অভিনন্দন আর দোয়া।

আমাদের দোয়া সাথে থাকল। ওরা এগিয়ে যাক…।
আশা করি দুইজনেই খুব ভালো করবে। শ্রদ্ধা রইলো তাদের প্রতি।