এই লেখার কোনো কারণ নেই, আবার অকারণও নয়। একজন সহব্লগার জিজ্ঞেস করেছেন, আপনি কি আপনার সকল লেখা মুছে ফেলেছেন? কেউ বলেছেন, কাজটি ভালো করেন নি, ছেলেমানুষি করেছেন। যিনি যেভাবেই বলুন না কেন তার নেপথ্যে যথেষ্ট কারণ এবং যুক্তি আছে। ব্লগে আমার লেখাগুলোর বর্তমান অবস্থার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কী করব ভেবে পাচ্ছি না। রিস্টোর করা যায় কিনা জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে মেইল করেছি। দেখা যাক। তারপরও কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে। জানাতে ইচ্ছে করছে। তবে এই লেখা কোনো ব্যাখ্যা বা ওজর নয়, স্রেফ নিজের কাছে কৈফিয়ৎ। নিজের কাছে দায়বদ্ধ থেকে এটি লিখছি। হয়তো এ থেকে কিছু ধারনা পাওয়া যেতে পারে।
অনেকটা কাগজে রং পেন্সিল দিয়ে আঁকিবুকির মতো লেখালেখি শুরু করেছিলাম। তখন ক্লাশ টেনে পড়ি। প্রতিদিন স্থানীয় খাজা নাজিমুদ্দিন মুসলিম হল এন্ড লাইব্রেরী থেকে আনা একটি দুটি করে গল্পের বা অন্যকোনো বই পড়ি। বিশেষ করে দস্যু মোহন, কুয়াশা আর রহস্যলহরী সিরিজ এক কল্পনার জগতে ভাসিয়ে রাখত। এর মাঝে প্রমুখ প্রখ্যাত লেখকের নামকরা বিভিন্ন বই পড়ি। একদিন মনে কী যে ভাবনা এলো, রক্সি খাতার মধ্যে লিখতে বসলাম। দরজা বন্ধ করে লিখছি। গল্পের নাম: ব্যাংক ডাকাতি। গল্পের নায়ক একজন পরহিতকারী দস্যু। সে সুড়ঙ্গ বানিয়ে ব্যাংক ডাকাতি করে গেল। গল্পটি খুব সুন্দরভাবে কপি করে রেখে দিলাম ডায়রীর পাতায়। কয়েকদিন পর নায়কের কাজটি অনৈতিক ভেবে লেখা ছিঁড়ে ফেলে দিলাম। হারিয়ে গেল আমার প্রথম গল্প। এরপর সাপ্তাহিক বিচিত্রায় লেখার সাধ জাগল। দুটি গল্প লিখলাম। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নারী নির্যাতন, মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার যুদ্ধ, প্রেম; এসব ছিল কাহিনী। জানি না, পত্রিকায় কোন পদ্ধতিতে লেখা জমা দিতে হয়। কাগজের মাপ কী, কপি রাখতে হবে কি না ইত্যাদি কিছু জানি না। গল্পের খসড়া থেকে রেজিস্টার সাইজ কাগজে ফ্রেস কপি করলাম। তখন ফটোকপি বলে কোনো সুবিধা ছিল না। তারপর ডাকযোগে পাঠিয়ে দিলাম। নিয়ম অনুসারে তিন বা ছয় মাস অপেক্ষা। প্রতি সপ্তাহে প্রচণ্ড আগ্রহ নিয়ে পত্রিকা কিনে দেখি। না সে লেখা ছাপা হলো না। মন খুব খারাব লাগতে শুরু করল। কিছু হয় নি। ফেলে দিলাম খসড়া কপি।
এরপর অনেকদিন কেটে গেছে। গল্প আর লেখা হয় না। কলেজে ভর্তি হয়ে কী বোর্ড বাজানো আর কবিতা লেখার বাতিক পেয়ে বসল। প্রতিদিন দু চারটি লিখি। পয়ার গোছের প্রেমের কবিতা-গীত কবিতা। এভাবেই একদিন আবার গল্প লেখা শুরু করলাম। এবার ইংরেজিতে প্রাণান্ত চেষ্টা। হাতের কাছে দুটি ডিকশনারী রেখে লিখি। কি লিখি কেন লিখি কিছু জানি না। তবে লিখছি। দৈনিক অবজারভার পত্রিকার কিশোর বিভাগে ছাপা হলো প্রথম গল্প The Slave। তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ইং। এরপর কিছু কবিতাও সেখানে ছাপা হলো। মনে প্রচণ্ডরকম উৎসাহ। দি বাংলাদেশ টাইমস-এর কিশোর পাতা জুনিয়র টাইমস-এও কিছু কবিতা প্রকাশ হলো। সেসময় সেখানে তিনটি গল্প লিখে পাঠালাম। সেই আসরের পরিচালক আন্টি মিলি বললেন, তুমি গ্রামারে দুর্বল, তুমি বরং ছবি আঁকো। কপি না রাখায় হারিয়ে গেল তিনটি গল্প। সে গল্পগুলোর শিরোনামও মনে নেই। এর মাঝে দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত হতে শুরু করল, দৈনিক উত্তরা। সাহিত্য সম্পাদক লেখার আহ্বান জানালেন। যা লিখি তাই ছাপে। মনে খুব উৎসাহ। গল্প লেখার কোনো ব্যাকরণ জানি না। গল্প বলতে বুঝি একটি কাহিনী বলা। এখন সেসব লেখার কোনো কোনো কপি ক্লিপিং করা আছে, সেগুলো দেখি আর ভাবি, কী সব আবোল-তাবোল লিখেছি।
এর আগে ছোটভাইয়েরা একটি লিটল ম্যাগাজিন বের করবে। লিখলাম একটি গল্প। শিরোনাম ’পেছনে জীবিত মমি’। ছাপা হলো। সে কপি কোথায় কীভাবে হারিয়ে গেছে জানি না। এভাবে হারিয়ে গেল আরও কয়েকটি গল্প: অনিশ্চিত ঠিকানা, পরাজিত মানুষ, অরুণোদয় কবে অরুণোদয়। ১৯৯১-৯২ সালে সাইকেল রাস্তার একধারে রেখে পত্রিকার দোকানে পেপার দেখছি। সাইকেলের ক্যরিয়ারে রাখা একটি খাম। ইউসিসের মজবুত খয়েরি খাম। সেটির ভেতরে আমার কিছু লেখা। একটি সম্পাদকীয় ও কয়েকটি গল্পের খসড়া। রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো এক ষাঁড়, সবাই ওকে মাহরাজ বলে ডাকে। সে ষাঁড় এসে আমার খামটি খেয়ে ফেলল। তখন এক হাস্যকরুণ দৃশ্যের অবতরণা হয়। খামের একাংশ আমি টেনে ধরেছি আর মহারাজ তা ঝটকিয়ে টেনে নিয়ে খেয়ে ফেলছে। আমি বোকার মতো দেখছি, আমার সাধের লেখা ষাঁড়ের পেটে চলে গেল। হারিয়ে গেল আমার সাধের স্ক্রিপ্ট। এই ঘটনা নিয়ে আমাকে পরে অনেক কথা আর কৃত্রিম ঠাট্টা শুনতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে যে, মহারাজ তোমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়নি এটিই ঢের। তা সত্য বটে!
এবার সত্যি ধাক্কা খেতে হলো। কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। জ্বর কাশি ইত্যাদিতে পেরেশান। আর পুরনো ব্যাধী মাথা ভার হয়ে থাকা। এক অনুভূতিশূন্য বিশ্রী অবস্থা। এ রকম অবস্থায় কোথাও হারিয়ে গেছে আমার পকেট নোটবুক। সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লেখা ছিল। ইমেইল একাউন্ট, ব্লগের ঠিকানা, ফেসবুক লগ ইন ঠিকানা এবং এসবের পাসওয়ার্ড। এটি যে কত বড় হারিয়ে যাওয়া তা বুঝতে পারলাম যখন ইমেইল লগ ইন করে দেখি ইনবক্স, সেন্ট মেইল সব শূন্য। শব্দনীড় ব্লগে আমার সব লেখা মুছে গেছে। শৈলীতে একই অবস্থা। প্রিয় ব্লগে দু একটি নেই। ফেসবুকে আমার অনেক আপলোড নেই। এটি যেভাবেই হোক খুব খারাব লেগেছে। কিছু লেখা ফিরে পাব না। তবে বেশিরভাগ লেখা হারায়নি। কেননা লেখা হারানোর অভিজ্ঞতায় একটি বিষয়ে সতর্ক থাকার চেষ্টা করি যে, লেখার কপি যাতে থাকে। অন্যদিকে ব্লগে দেয়া বিভিন্ন পোস্ট যার বেশিরভাগ কোনো সাহিত্য আসরে পঠিত বা প্রকাশিত। দুঃখ এই যে, শব্দনীড়ের পাতায় আমার ৮৬টি পোস্ট দেয়া হয়েছিল। বেশ উৎফুল্ল ছিলাম, এক শত পোস্ট খুব শিগগীর পূরণ হবে। এখন সেটি হতে আরও দেরি হয়ে যাবে। আপশোস যে, কেউ কেউ আমাকে ভুল বুঝতে পারেন। তাদের বলি, এটি আমার কাজ নয়। এমন ছেলেমানুষি কাজ করার মতো কোনো অভিমান আমার মধ্যে নেই। এই ব্লগে এসে আমি অনেক লেখক বন্ধু পেয়েছি তাঁদের কেউ আমার অনেক শ্রদ্ধাভাজন-কেউ স্নেহাষ্পদ। এমন সক্রিয় সহযোগিতা পাওয়া আমার জন্য অনেক। খারাব লাগছে, আমার লেখা তাঁদের পড়ানোর এবং তাঁদের মূল্যবান ফিডব্যাক নেয়ার সুযোগ মিস হয়ে গেছে। তাই নিজেই নিজেকে ক্ষমা করতে পারছি না।



আসসালামু আলাইকুম মাহবুব ভাই
ব্লগ জগতে কয়েকজনকে আমি অগ্রপথিক মনে করি । তাদের মধ্যে আপনি একজন।
পোস্টটি পড়ে কিভাবে নিজের অনুভুতি ব্যক্ত করবো বুঝতে পারছি না। লেখা হারিয়ে যাবার ঘটনা কম বেশী অনেকের জীবনে ঘটেছে । ব্লগের পোস্ট হারিয়ে যাওয়ার অনুভুতি ভিন্ন। লেখার চেয়ে সহ ব্লগারদের কিছু মন্তব্য আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় । মন খারাপ হলে অনেক সময় এই মন্তব্য গুলো পরে প্রশান্তি পাই ।
পোস্ট গুলো উদ্ধার করার জন্য টেকপ্রশাসক বা সঞ্চালকের সহযোগিতা কামনা করতে পারেন । তিনি চাইলে ডাটার ব্যাকআপ রিস্টুর দিলে পোস্ট গুলো ফিরে আসবে।
সর্দি জ্বরে ভোগছি । আপনার এই পোস্ট দেখে লগিন না করে থাকতে পারলাম না ।
ভাল থাকুন । সুস্থ থাকুন ।
ওয়াআলায়কুম আসসালাম।
আমিও কয়েকদিন ধরে জ্বর কাশিতে ভুগলাম। শুকনো কাশ এখনো ছাড়েনি। মাথা ভার। সঞ্চালকের কাছে মেইল করেছি; এখনো কোনো উত্তর পাই নাই। ভালো থাকুন।
খুব খারাপ লাগল জেনে ।
পিসি থেকে কমেন্টস করতে পারছি না মোবাইলে তাই একসাথে বলি ,
নিষিদ্ধ গন্ধমের ফল এর স্টাইলে একটা লেখা শুরুতে লিখতে গিয়ে আমি ফেইল করেছিলাম আপনি অনেকটাই সফল ।ইর্ষনীয় লেখনী । হারামখোড়ের পেট দারুন লেগেছে ।
আমি আপনার লেখা পড়ি…চমৎকার লেখেন। আপনার সম্পর্কে এক আগ্রহ আছে…কী করেন, কোথায় থাকেন এসব। ইদানীং লিখতে শুরু করি শেষ করতে পারছি না। খুব শিগগীর নতুন গল্প দেব। কেনাবেচা দরদাম রিপোস্ট করে শেষ করব।
প্রচলিত একটা বিশ্রী নাম আছে আমি কি করি মানে আমার পেশার । তা হলো গৃহিনী । গৃহের দেখাশোনা পেশার মধ্যে পড় বলে আমি মনে করি না । ওটা আলাদা ব্যাপার ।তবে এর বাইরে পেশা বিচারে আমি তালেবর গোছের কেউ না ।
।মানে বেকার ।
ঢাকাতেই থাকি ।
@রা-রা, গৃহিনী মানে ঘরণী মানে ঘরে থাকেন মানে ঘরের মালকিন মানে তার একটি ছোট হোক আর বড় হোক সাম্রাজ্য আছে, আছে প্রজা পাইক পেয়াদা, অনেক কিছুই তার হুকুমের অপেক্ষায় থাকে, সেই সাম্রাজ্যের সবাই গৃহিনীর মন যোগাইয়া চলতে বাধ্য, এমনকি গৃহকর্তা নামের বড় পেয়াদা বা খানসামাটাও এই রাজ্যে অসহায়।
কাজেই গৃহিনী পদটা খারাপ বা বেকারত্বের সেই কথার জোর প্রতিবাদ জানাই!
ভাইজান আপনার বর্ণনায় আসলেই এখন ভালো লাগছে ।
সাম্রাজ্য ! এটাতো মাথায় আসেনি । আমাকে কেউ পেশা জিজ্ঞেস করলে বা কোথাও লিখতে হলে মনটা খারাপ হয়ে যায় । আবার বাচ্চা সামলে চাকুরী করাও আমার জন্য সম্ভব নয় । ব্লগে দেখি সবার পেশায় চাকচিক্য আছে । আমিই বলতে গেলে কিছু করি না ।
এই দৃষ্টিতে ভেবে মনে হচ্ছে একশো ভাগ ঠিক বলেছেন ।মনটা ভালো হয়ে গেল ।
@রা-রা,
কাজেই নিজেরে ছোট ভাবার কারণ নাই।
আমার আর ব্যাখ্যা দেয়ার দরকার নেই। ঘরণীর পাওয়ার অনেক।
আমি জানি না সন্চালকের কাছে কোন সমাধান আছে কিনা। কিন্তু খুব করে চাচ্ছি সমাধানটা থাকুক।
আপনার দেয়া গান ভালো লাগল। গানটি আছে। গান আর ছবির প্রতি আমার প্রচণ্ড নেশা। কিছু ছবি সাযযাদ কাদির এবং অন্যান্যদের দিলাম। আপনার কাছে hell raiser ছবি আছে? আমি ঢাকা তন্ন তন্ন করে খুজে পাই নাই। ডিভিডি বা ব্লু রে নেই। শুভেচ্ছা রইল।
রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো এক ষাঁড়, সবাই ওকে মাহরাজ বলে ডাকে। সে ষাঁড় এসে আমার খামটি খেয়ে ফেলল। তখন এক হাস্যকরুণ দৃশ্যের অবতরণা হয়। খামের একাংশ আমি টেনে ধরেছি আর মহারাজ তা ঝটকিয়ে টেনে নিয়ে খেয়ে ফেলছে। আমি বোকার মতো দেখছি, আমার সাধের লেখা ষাঁড়ের পেটে চলে গেল। হারিয়ে গেল আমার সাধের স্ক্রিপ্ট। এই ঘটনা নিয়ে আমাকে পরে অনেক কথা আর কৃত্রিম ঠাট্টা শুনতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে যে, মহারাজ তোমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়নি এটিই ঢের। তা সত্য বটে!
এটি অবশ্যই আফসোসের বিষয়
কিন্তু জানেন ইমাম গাজ্জালী কেন ইমাম গাজ্জালী হতে পেরেছেন…।।সে অনেক কথা জানেন নিঃশ্চই
সতুরাং মন কারাপ করতে নাই
মেধার ব্লগে রক্ষিত সকল পোষ্ট হারাবেনা কোন দিন
শুভ কামনা শ্রদ্ধেয় মাহবুব ভাই
ইমাম গাজ্জালী-র ইতিহাসটি জানান। একটি পোস্ট দিতে পারেন। আমার তেমন জানা নেই। শুভেচ্ছা রইল।
-কিন্তু ভাইজান, সেই সব লেখা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে যে আনন্দটুকু জড়াইয়া আছে, তার কি কোনো তুলনা দিতে পারবেন জাগতিক অন্য কোনো আনন্দের সাথে? জানার ইচ্ছা থাকলো।
দুঃখেরা তাদের নৃত্যমঞ্চ হিসেবে পছন্দ করে লেখকের জীবনের চত্বরটিকে। আর তাই লেখকের সখ্য হয়তো দুখের সঙ্গেই বেশি। সম্প্রতি ছুটিতে দেশে গিয়ে জেনেছি আমার আঠারো বছরের লেখালেখির পেপার কাটিং সহ একটি নিউজপ্রিন্টের ঢাউস খাতা যার ভেতরে ছিলো হুমায়ূন আহমেদের একটি চিঠি প্রাপক মোস্তাক আহাম্মদ আবু নামের একজন, সেই সম্পদ কোথায় আমার পরিবারের সদস্যরা বলতে পারে নাই। সেই খেদ প্রকাশের কোনো মাধ্যম নাই- হজম করা ছাড়া।
সত্যিই তখনকার আনন্দ ভোলা যায় না। একটু ইগো এসে যায় আর কি! old days are gold days and fool days also. ভালো থাকুন।
ব্লগ থেকে লেখা হারাবে কেনো বা মুছবেই বা কেনো। আপনার নোট বুক হারানোর সাথে কোন কিছুই হারানোর নয়। আপনি কি টেক প্রশাসককে মেইল দিয়েছেন। না দিলে একটা মেইল দিন। এমনটা হবার কথাতো নয়।
আমি ব্লগে লিখি কয়েকজন জানে। এদের মধ্যে একজনকে সন্দেহ হয়…আমার অনুপস্থিতিতে সব ডিলিট করেছে। ধারনা করছি। খুব ঈর্ষা। মেইল করেছি। উদ্ধার না হলেও লিখব এবং দু তিন মাসের মধ্যে শতক পুরিয়ে দেব।
আমি নিজেই নিজের সকল লেখা নীড়ে থেকে হেরিয়ে দিয়েছি
হা ভগবান কেন?! আপনি তো চমৎকার লেখেন!
মাহবুব ভাই, ঈদ মুবারাক।
আজ এই খুশির দিনে আপনার এই পোষ্ট পড়বার সময় পেলাম, পড়লাম, দুঃখে মরে যাচ্ছি এখন! এমনও হয়? ঈর্ষা মানুষকে এত নিচে নামায়? ষাড়ের কাজ ষাড়ে করেছে, কিন্তু এমন বলদের মত কাজ যে করেছে সে তো বলদেরও অধম! তাকে ধিক! শত ধিক!!
এই হারিয়ে যাওয়ার মাঝে কোন মঙ্গল নিহিত আছে কিনা কে জানে?
আপনি ভালো থাকুন।