অফিসের কাজে অনেক বাইরে থাকি তা সবাই কম বেশী জানেন। আজকের পর্বটা মূলত ছবি পোষ্ট। গত কয়েকদিনে যা ভাল লেগেছে আমার মোবাইলের ক্যামেরায় তাই বন্দি করেছি, আজ তা শেয়ার করছি।
এই ছবিটা মহানগড় প্রজেক্ট থেকে তোলা। একটা জায়গা দেখতে গিয়েছিলাম, ফেরার পথে দেখি এই মহাশয় এইভাবে ঝুলে আছেন বেশ মজার লাগলো তাই তুলে নিলাম

কয়েকদিন থেকেই বৃষ্টি পড়ছে, আমার প্রজেক্টের সামনে পানি জমে থাকে সেই পানিতে দেখি এই রাজহাস পরিবার মনের সুখের স্নান করছিল, আমার ক্যামেরা সেই মুহুর্তটাকে ছাড়তে চাইলো না।
এই বৃষ্টির মাঝেও কেউ কি আকাশে তাকিয়ে দেখেছেন মেঘের খেলা, এই ঘন মেঘ, এই কালো মেঘ আবার মেঘ সরে গিয়ে নীল আকাশ উকি দিচ্চে

মেঘের ছবি নিতে না নিতেই ঝুম করে শুরু হলো বৃষ্টি

এবার যে ছবিগুলো দেখবেন সব গুলো আফতাব নগড় প্রজেক্ট থেকে তোলা। আজ সকালে গিয়েছিলাম কয়েকটা জমি দেখতে, খালি জায়গায় এই জংলী ফুল গুলো এতো চমৎকার হয়ে ফুটে ছিল যে সেই সব ফুলের ছবি না তুলে আর থাকতে পারিনি। খালি জমিতে শুধু ফুল ই নয় বড় বড় ঘাসও জন্মেছে বাতাসে দোল খাচ্ছিল দেখতে মনটা ভরে উঠছিল আনন্দে। ফুলগুলোর নাম জানিনা, তাই নাম লিখতে পারলাম না, নাই বা জানলাম নাম, এর সৌন্দর্য্যতো দেখতে পেলাম সেটাই বা কম কিসের??
এই ছবিটা লটকন ফলের ছবি গত মাসে বাড়ী গিয়েছিলাম আমার দেবরের গাছে দেখলাম বেশ সুন্দর লটকনগুলো ধরেছে ভাল লাগলো তুলে নিলাম ছবিটা
মাঝে মাঝে সবাই কিন্তু শেয়ার করতে পারেন এই ধরনের পোষ্ট। কারণ ছবিপোষ্ট কিন্তু সবারই পছন্দের। আপনাদের পোষ্ট দেখার অপেক্ষায় রইল।
সবাই ভাল থাকুন।



















মেঘ এবং বৃষ্টির ছবিগুলো আমার অসাধারণ লাগলো। কেমন কাব্যে মোড়ানো মনে হলো।
শুভ কামনা কিছু সুন্দর ছবির জন্যে।
ধন্যবাদ আপনাকে। মেঘ আর আকাশ বরাবরই আমার প্রিয়।
এমন পোস্ট দিতে খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু সময়, সুযোগ কোনটাই হয়না।
এই কথা বললেতো মানবো না। ইচ্ছা করলে সবই সম্ভব। পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম।
আহা শৈশব! প্রথম ছবিটা দেখে বুকটা মোচর দিয়ে উঠলো। ঢাকার আকাশও এতোটা নীল? খেয়াল করা হয়নিতো।
মাহমুদ ভাই,,,,,,,,,,কে স্বাগতম,,,,,,,,,,,,
মাহমুদ ভাই ভাল করে তাকিয়ে দেখলেই দেখবেন আকাশ কতো নীল। আমি তো অবাক ঠিক শরতের মেঘের মতো মেঘগুলো নীল আকাশে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে।
খুব খুব দারুন,,,,,,,,,,,,,,,, ছবিগুলো,,,,,,,,,,,,,,,
খুব খুব ধন্যবাদ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,ছবিগুলো দেখার জন্য,,,,,,,,,,,,,,,,
সবগুলো ছবিই সুন্দর তবে তিন নং (মেঘের) ছবিটা অসাধারণ। সাদা মেঘের শীর্ষ যেন অলিম্পাসেরই চূড়া। সুনীল আকাশের চিত্রপটে শুভ্র দেবালয়।
ভালো থাকুন বড়াপা
সাদা মেঘের মতন ভালো
সুনীল আকাশের মতন ভালো।
আপনিও ভালো থাকুন সাদা মেঘের বুকে হেসে উঠা নীল আকাশের মতো।
কান্তার জন্য আদর রইল।
নীলাকাশ আর সাদা কালো মেঘের যেন লুকোচুরি খেলা।
আকাশের নীল চোখে যেন সুপ্রিয় প্রাণবন্ত বন্ধু হয়ে কাছে টানে।
কত মেগাপিক্সেলের মুবাইল ক্যাম? ছবি খুব ভালো উঠেছে।
শুভেচ্ছা জানবেন
৫মেগা পিক্সল ক্যামেরা। এই মোবাইলটা শুধু ক্যামেরার কারণেই কেনা। তবে দু:খের বিষয় কাল পোষ্টটি দেয়ার পরেই ক্যামেরার স্ক্রিন অকেজো হয়ে গেছে। জানিনা ঠিক হবে কি না।
নীল আকাশে মেঘের ভেলা দারুন দারুন

নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আজো উড়ছে পুরো আকাশ জুড়ে। সময় পেলে দেখে নিবেন।
দেখ চেয়ে ওই রঙ লেগেছে মৌসুমী ফুলে ফুলে
নীল আকাশে সাদা মেঘেরা কি কথা যায় বলে?(আমার গান নয়)।
উপরের দুই্টা ফুল চিনতে পারিনি,
৩, ৪, ৫- আকন্দ
৬, ৭- বন বেগুন
৮, ৯, ১০, ঝুনঝুনি। এই ফুল থেকে যে সীম হয় ওগুলি পাকলে ঝুনঝুন করে বাজে।
১১, ১২- সম্ভবত কাশ বন।
১১ ১২ কাশ বণ নয় ঘাসের বন। লম্বা লম্বা ঘাস, গরুকে কেটে খাওয়ায়। ফুলগুলোর নাম জানা হলো। ধন্যবাদ নীল ভাই।
সারাদিন এতোই কাজের মাঝে ডুবে থাকি যে,বুঝতেই পারিনা কখন রাত হয়ে যায়।
উঁকি দিয়ে যখন দেখি বাহিরে সোড়িয়াম লাইট গুলো আলো দিচ্ছে তখন বুঝতে হয় রাত হয়েছে।
ইচ্ছে করে ব্লগে সবার সাথে নিজেকে শেয়ার করি, সে সময় টুকু ও হয়ে উঠেনা।
আমার ও ছবি তোলার খুব নেশা ছিল।আপনার ছবি গুলো দেখে সে নেশা মাথায় যেন ঘুয়পাক খাচ্ছে।
ছবি গুলো খুব ভালো লাগলো।
ভালো থাকবেন সব সময়।
এরই মাঝে সময় বের করুন নিজেকে সময় দিন। আর সৃষ্টিকর্তা আমাদের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস সৃষ্টি করেছেন তা দেখুন মন ভাল থাকবে।
শুভ কামনা রইল।
আপা, খুব ভালো লাগল আপনার পোষ্ট। আসলে সবার সৌভাগ্য হয় না এমন সব মুহুর্ত জীবনের সিমাহীন ব্যস্ততার মাঝে একটুর জণ্য হলেও দৃষ্টিতে নিযে আসা। আপনি সে দিক অনেক সৌভাগ্যবান। ভালো থাকুন সতত।
ব্যস্ততা সবারই থাকে তবু তার মাঝে একটু সময় নিজের জন্য বের করা উচিৎ। যদো আপনি প্রফুল্ল থাকবেন ততো আপনার কাজ করার স্পৃহা বাড়বে তা না হলে অল্পদিনে ঝিমিয়ে পড়বেন।
আসলে আমরা নিজেদের কখনো ঠিক মতো দেখিনা
আমাদের নিজেদের চার পাশ টায় যে দেখার আছে অনেক কিছু
শিখার আছে অনেক কিছু
আপনার ক্যামরাই তা প্রমান করলো
অনেক অনেক অভিনন্দন আপা
আর আশা করছি এই পোষ্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন
খুব উপভোগ করছি
ধন্যবাদ
আমার নিজেকে দেখার সময় হয় না কিন্তু রাস্তা, মেঘ আকাশ পাখী দেখার সময় হয় কেনো জানেন এরা আমাকে খুব টানে। আমার বাসার জানালার পাশে একটা নারকেল গাছ আছে মাঝে মাঝে মিষ্টি সুরে দোয়েল পাখী ডাকে আমি কতোবার যে ছুটে যাই জানালার কাছে পাখীটাকে দেখতে । আর সূর্যাস্তের সময় আমার জানালা দিয়ে দূরের আকাশ দেখা যায় অসাধারণ লাগে ওই সময়টা। আমি একা প্রতিদিন এই দৃশ্যটা উপভোগ করি।
আাপনাদের হলো কাজের অজুহাত, আপনি আপনার দুলাভাই সবাই সমান। আরে ভাই আমরা কি এতো টাকা চাই?? মোটেও না, আমার বাইরে ঘুড়ে বেড়ানোর মতো আনন্দ আর অন্য কিছুতে লাগে না।
একটু মনটাকে অবসর দিন তাকে সময় দিন পৃথিবীর কতো যে সুন্দর জিনিস আছে তা দেখুন মনটা ভাল থাকবে।
প্রতিটি ছবিই প্রশংসার দাবীদার।
আমার লাফাতে ইচ্ছা করছে আপনার প্রশংসা মানে ছবিগুলো তবে ভালই তুলেছি।

আমার যদি ক্ষমতা থাকতো আপনাকে ফটোগ্রাফির জন্য একটা পুরস্কার দিতাম
সত্যিই ছবি গুলো দারুণ হয়েছে । এক নম্বর ছবিটা তো প্রতিযোগিতায় দিবার মত ।
আপনার এই ভাবে পথ চলা যেন না থামে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আই পথ চলার কথা ছবি মিলে সৃষ্টি হবে বড় কিছু ।
ধন্যবাদ আপু
মরু ভাই কাল ছবিগুলো ল্যাপটপে নেয়ার পরেই মোবাইলের স্ক্রিন আর কাজ করছে না মনটা খুব খারাপ। রাত দুইটা পর্যন্ত চেষ্টা করেছি ঠিক করার হয়নি। দোকানে দিয়ে আসবো দেখি ঠিক হয় কি না।
আমি বাইরে যতোক্ষন থাকি এদিক সেদিক বার বার তাকাই কোন কিছু ভাল লাগে ক্যামেরা বন্দি করে ব্লগে দেই আর আপনাদের মতামত নেই।
এক সময় ইচ্ছা ছিল ফটোগ্রাফির কোর্স করি কিন্তু সময় আর আথিক অস্বচ্ছলতার কারণে হয়ে উঠে নি।
সখে যা তুলি আপনাদের ভাল লাগে তাতে আমার ছবি তোলা ধন্য। তবে আমার ছবি তোলার অনেক ধারনা জামানের কাছ থেকে নেয়া। তার ছবি তোলার হাত অসাধারণ।
সুন্দর তুলেছেন ছবিগুলো
ধন্যবাদ জাকির ভাই। ভাল থাকুন সব সময়।
বুনো ফুলের দলে ২নং চিত্রের গাছটাকে আমি চিনি কালাকুচ্চা নামে। এর মূল-এর রস হাম আর পক্সের মহোঔষধ।
৩নং চিত্রে আকন্দ গাছ। পাতা গরম করে বাতাক্রান্ত স্থানে সেক দিতে দেখেছি।
দেখতে টমেটো গাছের মতো গাছটাতে সত্যিই টমেটোর মতো টক স্বাদের গোলগোল ফল হয়। পাকা ফলটি টমেটোর মতো। আমরা ছোটবেলায় খেতাম বলে মা বলতেন, এইসব পাগলা টমেটো খাইলে মানুষ পাগল হয়। কিন্তু আমি কেমন পাগল আজও জানা হইলো না।
ঘাস বলতে যা বোঝালেন, এগুলো শন গোত্রের। ছোট-বড় আকৃতির দুটো জাত। গ্রামাঞ্চলে ঘরের চাল ছাওয়া হয় এসব দিয়ে।
জুলিয়ান ভাই আমি কোনটা গাছের নাম জানিনা যেটাকে বুনো বেগুন বলে ওটা ছোট বেলায় কুড়িয়ে রান্না বান্না খেলতাম। আর ঘাস গুলোকে ওখানকার লোকেরা কেটে না কি গরুর খাদ্য বানায়।
আমার মোবাইল নষ্ট হয়ে গিয়েছে জানিনা ঠিক হবে কি না। আর ছবি তুলতে পারবো না মনটা খুব খারাপ তাই।
ছবির গুলা দেখে মন বেশ ভালো হয়েগেছিল -কত বিচিত্র সুন্দের এই বাংলাদেশ। আবার মনটা খারাপও হলো যখন প্রজেক্ট এর কথা শুনি।
প্রজেক্ট মানেই আর্থমুভার এর ঘুরাঘুরি
প্রজেক্ট মানেই রাজহাসের ডাঙায় দিন যাপন:
প্রজেক্ট মানেই বুনো ফুলের মরণ,
প্রজেক্ট মানেই বন্ধ হলো প্রজাপতির উড়াউড়ি।
প্রজেক্ট মানেই টাকার ছড়াছড়ি,সীমানার কাড়াকাড়ি।
ডেবলপারদের কল্যানে রাজ হাসের ঐ এক চিলতে জলা থাকবে না
ডেবলপারদের কল্যানে রকমারী বুনোফুলগুলা আর কোনদিন জাগিবে না।