কালপুরুষ-এর ব্লগ
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। নগর গবেষক ও পরিবেশবাদী। শখের বশে লিখি। তর্ক নয় বিতর্ক করতে পছন্দ করি। ফটোগ্রাফী ও রান্না করা আমার অন্যতম শখ। ছবি, চলচ্চিত্র ও অবসর সময়ে পুরোনো দিনের গান শুনতে বেশী পছন্দ করি। আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের অনেকেই বলে থাকে “জ্যাক অল ট্রেডস্”, আসলে আমি “মাস্টার অব নান”।
ভালবাসা
ভালবাসা-
সর্ষে ইলিশ,
আদর করে
তুই যদি দিস।
ভালবাসা-
কোর্মা কারি,
পেলে ভাল
গয়না শাড়ী।
ভালবাসা-
বিষের কাঁটা,
কপাল যদি
হয়রে ফাটা।
ভালবাসা-
মধুর ভীষণ,
পায় যদি কেউ
কারো মন।
ভালবাসা-
সুখের চাবি,
আপন ভেবে
করলে দাবী।
ভালবাসা-
বসন্তদিন
মনটা যদি
হয় রঙিন।
ভালবাসা-
আলোর মতো,
ঘুচায় মনের
আঁধার যতো।
ভালবাসা-
যায়না দেখা,
কপালে যেমন
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৭৮ শব্দ
সীমানা
একই আকাশের নীচে দুজনের বসবাস।
একই সমতলে দুজনের অবস্থান, সীমারেখা শুধু ভিন্ন।
স্থানিক দূরত্ব নির্ণয়ে শুধুই অক্ষাংশ আর দ্রাঘিমাংশের মাণগত পার্থক্য।
তাইতো, তোমার আকাশে যখন মেঘ ভাসে,
আমার আকাশে তখন জ্বলজ্বলে সূর্যটা হাসে।
তুমি যখন জোছনার পলল নির্যাসে
আমাকে ভেজাবে বলে দু’হাত বাড়াও,
আমি তখন
কবিতা
|
|
| ১৬৮ শব্দ
শশাঙ্ক
আমি শশাঙ্ক। জীবন খেয়া পারাপারে এখন এক ক্লান্ত মাঝি। যৌবনের দাঁড় বাইতে বাইতে একদিন টের পেলাম বার্ধক্য এসে দাঁড়িয়ে আছে দোর গোড়ায়। একটু অবাক হলাম বৈকি! আমি শশাঙ্ক অংকে ভীষণ কাঁচা। জীবনের সরল অংক তাই ক্রমশই জটিল হয়ে উঠলো। বেঁচে থাকার অনুকূল তাপামাত্রা হঠাৎ
জীবন
|
|
| ১৬৯ শব্দ
আমার রক্তের ইতিহাস
মাগো- একটু হাসো দেখি তোমায় দুচোখ ভরে,
বেহায়া এই আঁধার কেন যাচ্ছেনা আজ সরে;
চাঁদটা কেন ওঠেনি আজ থমথমে এই সাঁঝে,
তারারা কোথায় লুকিয়ে আছে দূর আকাশের মাঝে;
রক্তে ভেজা শরীর আমার ঢাকবো ক্যামন করে!
মাগো আমায় জড়িয়ে ধরো একটু
কবিতা
|
|
| ৪১৩ শব্দ
পরিমাপ
মানসিক দৈর্ঘে তুমি হয়তো আমার চাইতে
কিঞ্চিত বড়ই ছিলে, তাইতো আমার চটির উচ্চতায়
তোমাকে ছুঁতে পারিনি কখনো।
উদারতার প্রস্থে আমিই হয়তো কিছুটা এগিয়ে ছিলাম,
তাইতো আসতে যেতে প্রায়শই হোঁচট খেতাম,
পাশ কাটিয়ে যেতে পারিনি অনায়াশে।
বিশ্বাসের পরিমাপে আমি হয়তো সূক্ষ্ণ ধূলিকণা,
পড়ে থাকি তলানিতে, তাইতো
কবিতা
|
|
| ৮০ শব্দ
মানুষ, শুধুই ভালবাসার জন্য
যদি এমন হতো-
পৃথিবীর পথে প্রান্তরে ছড়িয়ে থাকা
সকল ভালবাসা একে অপরের নিবিড় আলিঙ্গনে
থোকায় থোকায় ফুল হয়ে ফুটে আছে
কোন এক ফুলের বাগানে;
তবে আমি সেই ফুল তোমার হাতে দিয়ে বলতাম-
এই নাও, আজ ভালবাসা দিবসে
আমার পবিত্র
কবিতা
|
|
| ১৩৯ শব্দ
ত্রিকাল
অতীত-
তোমার দেয়া আশ্বাসে,
ঘুমিয়ে ছিলাম বিশ্বাসে।
বর্তমান-
তোমার প্রতি নিঃশ্বাসে,
আমিই শুধু অবিশ্বাসে।
ভবিষ্যৎ-
আমার প্রতি সর্বনাশে,
সে এখন মুচকি হাসে।
বিবিধ
|
|
| ১৪ শব্দ
নিঃস্বতার উপমা
সবকিছু মিলিয়ে সত্যিই তুমি এক অসাধারণ মেয়ে,
তাইতো অতি সাধারণ এই আমার দিকে একবারও দেখোনি চেয়ে।
তোমার হরিণী চোখে মায়াবী দৃষ্টি, তাতে জ্বলজ্বলে উপেক্ষার আগুন,
আমি সর্বনাশা সেই আগুনে নীরবে পুড়েছি, হারিয়েছি তেরোটি ফাগুন।
তোমার চুলের ভাঁজে ভাঁজে অশান্ত ঢেউয়ের মোহনীয় নাচন,
আমি এলোমেলো হয়েছি
কবিতা
|
|
| ১০৮ শব্দ
তুমি কাঁদলেই
তুমি কাঁদলেই-
আমার বুকের ভেতর কেমন মোচড় দিয়ে ওঠে,
মনে হয় এই বুঝি ভালবাসার কোথাও চিড় ধরেছে।
তুমি কাঁদলেই-
সহসা আমি কেমন স্থবির হয়ে যাই,
মনে হয় পৃথিবীর সকল হাহাকার আমাকে গ্রাস করেছে।
তুমি কাঁদলেই-
আমি ব্যস্ত-ব্যাকুল, শিশুর কান্না থামাতে যেমন তৎপর মা,
অতটা মমতা কি জমা আছে
কবিতা
|
|
| ১৭৩ শব্দ
ঈদ স্পেশাল
তোমার বাসমতি চাল মনে
আমি পোলাও হলাম গলে,
তোমার ঝাঁঝাঁলো পেঁয়াজ প্রেমে
আমি বেরেস্তা হলাম জ্বলে।
তোমার রেজালা হাসি মুখে
আমি কোর্মা পাবার লোভে,
খেয়ে গরুর মাংশের ঝাল
এখন পুড়ছি দারুন ক্ষোভে।
তোমার জর্দা-সেমাই ঠোঁটে
দেখে জাফরানি রঙ বাহার,
আমার প্রেম লোভাতুর পেটে
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৯৩ শব্দ
তালা সমাচার
আদেশ দিলেন সাহারা খালা
ঘরের দরজায় লাগান তালা
জানালার গ্রীলে নাইরে তালা
উপায় কি হবে বলেননি খালা।
তালার বাজার বেজায় গরম
কিনতে গেলেও লাগে শরম
ঈদের কাপড় না কিনে তাই
তালা কিনতে বাজারে যাই।
ভাল তালার নাই গ্যারান্টি
বললেন হেসে পাশের আন্টি
গতবারের কোরবানী ঈদে
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ১১৫ শব্দ
হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে
মানুষ নক্ষত্র নয়,
তবুও কিছু কিছু মানুষ নিজ গুনে নক্ষত্র হয়ে যায়।
মানুষের নিজস্ব কোন আলো নেই,
তবুও কিছু কিছু মানুষ নক্ষত্রের মতোই আলো ছড়ায়।
এই ধরণীর বুকে অসংখ্য মানুষ,
কেউ কি নক্ষত্র হবার বাসনায় জন্ম নেয়?
হয়তো নয়, তবুও কেমন করে যেন
তোমার মতো কিছু মানুষ নক্ষত্র
কবিতা
|
|
| ১১১ শব্দ
বলদ-গাধা
বলদ বলে, আয়রে গাধা
আর কতকাল থাকবি বাঁধা
উপরে খুঁটি যাই পালিয়ে
দু’চোখ যেদিক যায়।
গাধা বলে, ভাইরে বলদ
জন্মই আমার গোড়ায় গলদ
ধোপার বোঝা কে টানবে
সবই পেটের দায়।
বলদ বলে, দেশটা আজব
লেগেই থাকে খোদার গজব
মানুষগুলো অধম বলেই
মার যে শুধুই খায়।
গাধা বলে, সত্যিই আজব
রাজাতো নাই রানীই সব
তারই দেয়া
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ১০১ শব্দ
নির্বাসন
আর লিখিনা কবিতা-ছড়া
হয়নাতো আর ব্লগ পড়া
সবাই বলে বদলে গেছি
আসলেই কী তাই?
হত্যা-গুমের খবর পড়ি
সাহস নেই যে কলম ধরি
চুপ থাকাটাই ভাল কাজ
চেঁচিয়ে লাভ নাই।
পুলিশ দিলে লাঠির বাড়ি
এই পিঠে কি সইতে পারি?
বসিয়ে দিলে দু’চার ঘা
দেখারতো কেউ নাই।
দেশটা কোথায় যাচ্ছে ভাবি
কেউ মানেনা কারো দাবী
কলি যুগের মগের
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ১০৪ শব্দ
বৃষ্টি,আমার ভালবাসা
আমি বৃষ্টিকে ভালবাসি। বৃষ্টি সেটা বুঝতে পারে। তাই মাঝে মাঝে আহ্লাদে আটখানা হয়ে হুটহাট আমার গায়ে এসে পড়ে। আমি কখনো নিজেকে আড়াল করি, কখনো ওর কাছে নিজেকে মেলেধরি। সে আমাকে ছুঁয়ে যায়। সে আমাকে ছুঁতে ভালবাসে, আমিও ওকে ছুঁতে ভালবাসি। আমার সাথে ওর
বিবিধ
|
|
| ৪১৪ শব্দ