ব্লগার ডাঃ দাউদের সাক্ষাৎকার

ব্লগার ডাঃ দাউদের এই সাক্ষাৎকারটি আমি গ্রহণ করেছি প্রায় চার দিন ধরে অনলাইনে। ব্লগারদের স্বাক্ষাতকার ভিত্তিক নিয়মিত পোষ্ট শুরু হল ডাঃ দাউদের হাত ধরে।

daod
______________________

কবিরনি : কেমন আছেন?
ডাঃ দাউদ : শোকর আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালো আছি। আপনি?

কবিরনি : আমি ভাল। আপনাকে দেখলেই প্রথম যে কথাটা মনে আসে এই ব্লগারটির মন্তব্য সংখ্যা শব্দনীড় এ 9000 ছাড়িয়ে গেছে। কিভাবে সম্ভব হল?
ডাঃ দাউদ : ৯০০০ছাড়িয়ে গেছে নাকি? জানতাম না তো!!
আসলে এটি সম্ভব হয়েছে আপনাদের সকলের ভালোবাসায়,কারন এই ভালোবাসাই শেখালো যে ভালবাসা মানে দায়ীত্ব
ব্লগে লিখা ব্লগে পড়া এসবের মতই জরুরী হচ্ছে পোষ্টে যথাযত মন্তব্য করা। আমি সেই চেষ্টাই করি

কবিরনি : আপনি মন্তব্যের সাথে অধিকাংশ সময় একটা ছবি এট্যাচ করেন। এগুলো কি আগে থেকেই কোথাও রাখা আছে না ততখনাত খুজেঁ বের করেন।
ডাঃ দাউদ : হাহা, জানতাম জানতে চাইবেন। আসলে নেট থেকে পছন্দসই ছবি সংগ্রহ একটা নেশা হয়ে দাড়িয়েছে। জানেন সংগ্রহ কৃত ছবির সংখ্যা কত? থাক বলবোনা চেয়ে বসবেন হয়তো
মন্তব্যে ছবি যোগ হয় ছবির সেই ভান্ডার থেকে। এক টি মন্তব্য করতে কখনো দশ মনিট লেগে যায় এই চক্করে।

কবিরনি : হা হা। আপনার ভান্ডারের কথা শুনে সত্যিই লোভ হচ্ছে। আচ্ছা ইমোটিনের মাধ্যমে মন্তব্যকে কিভাবে দেখেন? আসলে মন্তব্য’র ব্যাপারে আরও কিছু জানতে চাচ্ছিলাম।
ডাঃ দাউদ : মন্তব্য হচ্ছে অলঙ্কার! সেটি যেমনই হোক পাঠক তার অনুভুতি জানায় এটাই লিখকের পরম প্রাপ্তি
আমার কাছে এটি কেবল ভালবাসা ভাললাগা খারাপ লাগা জানান নয় বরং পড়ার পড় মন্তব্য করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে! তাছাড়া ব্লগিং করার পেছনে অন্যতম কারন হচ্ছে মন্তব্য
যেমন আপনাদের মন্তব্য আমাকে অনেক শিখিয়েছে। ঘষা মাঝা করেছে। আমি ভুল শুদ্ধ শিখতে পারছি। আপন পর চিনতে পারছি।
চেষ্টা করি ইতিবাচক মন্তব্যে অন্যকেও উৎসাহ দিতে।
শুধু ইমো দিয়ে মন্তব্য মানে এক ধরনের অনিহা। দায় সারা ভাব কিংবা ব্লগবাজি বলা যায়।

কবিরনি : এত মন্তব্য করেন অথচ আপনি আপনার প্রথম পোষ্টে কারও মন্তব্যর জবাব দেন নি। কারনটা কি?
ডাঃ দাউদ : কারন কিছুইনা। বলতে পারেন তখনো একাত্ম হইনি
ঐ যে বল্লাম ভালোবসা মানে দায়ীত্ব সেটা তৈরী হয়নি তখনো…।

কবিরনি : তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন ভালবাসা মানেই দায়িত্ববোধ ঘাড়ে নেওয়া। আপনার কাছে ভালবাসার সংজ্ঞা কি?
ডাঃ দাউদ : ভালবাসার সংজ্ঞা একেক জনের কাছে একেক রকম এটা ঠিক! ভালোবাসা দায়ীত্বই তো
কিন্তু কখনো এটি শুধু দহন, কখনো খরা,কখনো শ্রোত!!

কবিরনি : একটু অসংলগ্ন প্রশ্ন আপনার জীবনে বিপরীত লিঙ্গের ভালবাসা কতবার এসেছে? প্রথম দর্শনেই ভালোবেসে ফেলেছিলেন এরকম কোন ঘটনা আছে নাকি ছোটবেলার?
ডাঃ দাউদ : না প্রথম দর্শনে ভালোবেসে ফেলেছি এমন টি হয়নি। আর প্রেম একবার এসে ছিলো নীরবে……
আর যা এসেছিলো সে সব ভালোবাসা বল্লে ভালোবাসাকে কি বলবো।

কবিরনি : আচ্ছা বাদ দি, অসংলগ্ন কথার চালাচালি না করাই ভাল। বরং ভাবীর ব্যাপারে আমাদের কিছু বলেন?
ডাঃ দাউদ : রোজী ওর নাম। আমাকে চেয়ে নিলো জীবনের জন্য। হলাম সংসারী কিন্তু আমি বরাবরই ভবঘুরে
মাঝে মাঝে মেনে নেয় এই যেমন রাত জেগে লিখা, পড়া,
বলে কবিতার জন্য ছাড় দিই তাই বলে…না আর বলবোনা। বেচারী শহর ছেড়ে মফস্বলে এসে ভালোই মানিয়ে নিয়েছে।

কবিরনি : কবিতার প্রসংগ যখন এল , “মিনিকবি”- আপনার আত্বীয় স্বজনরা নাকি এই নামে ডাকত আপনাকে? নামকরনের পিছনের ইতিহাসটা একটু বলবেন?
ডাঃ দাউদ : হাহাহা সে সময় হাফ পেন্ট পরে লিখতাম তো! আমার এক মামী আর সমবয়সী খালাতো বোন নতুন লিখা হলেই তাদের পড়তে দিতাম পড়ে যে মন্তব্যটা করতো তাহাই “মিনি কবি”

কবিরনি : তো সেই “মিনিকবি”র সময় কালের দু’ একটা কবিতা যদি শেয়ার করতেন? প্রথম কবিতার কথা কি মনে আছে।
ডাঃ দাউদ : বিপদে পেল্লেন!
মনে নাই, পুরোনো ডাইরি থেকে নিলাম
“আর কত কাল বাইবো বৈঠা
অকূল সাগর বুকে। ওরে
একলা যে আর পারিনা সইতে
ভাসি অতল সাগর জোয়ারে”
এটি ৮ অক্টোবর ১৯৯৪ সনে লিখা “একলা নৈরাজ্য” কবিতা থেকে নিলাম।

কবিরনি : আপনার অধিকাংশ পোষ্টই কবিতার। মোটাদাগে কবিতা বাদে আপনার পোষ্ট সংখ্য নিতান্তই অল্প। কেন কবিতা লেখেন?
ডাঃ দাউদ :আসলে মানুষ সব সময় চাইছে নিজেকে প্রকাশ করতে। অনেকেই বলে নিজেকে গুটিয়ে রাখি কিন্তু আসলে সেটি হচ্ছে প্রকাশের অক্ষমতা অথবা সীমাবদ্ধতা আমিও এক সময় গুটিয়ে রাখতাম নিজের এই বিষয় টুকু। তবে কেউ অনেক প্রকাশিত সেটা ভিন্ন কথা
আমি কবিতা লিখি কারন না লিখলে শব্দরা বুকের ভেতর চটপট করবে,মুক্তির জন্য বিদ্রোহ করবে
আর সবছেয়ে বেশী কষ্ট পাবে আমার মনুষত্ব যাকে আমি লালন করি নিবিড় যত্নে।

কবিরনি : এ কেমন অভিমান! কবিতাটি কি কারও জন্য লিখেছিলেন? আপনি কি ঘটনার মুখোমুখি হয়ে কবিতা লেখেন না এমনিতেই লেখেন?
ডাঃ দাউদ : আসলে কবিতা আসে তার মতোই। কারন কবিতা চায় মুক্তি চায় অবাধ বিচরন সাবলীলতা
লিখি কখনো কখনো ঘটনার চখে আঙ্গুল দিয়ে
“এ কেমন অভিমান ” যার জন্য তাকে আজো খুঁজছি, অদৃশ্য থেকেই যে অভিমান করে আত্মায়…

কবিরনি : আপনার কবিতায় যৌনতার সর্তক উপিস্থিতি আছে। এই সর্তকতা কেন?
ডাঃ দাউদ : সতর্কতাইতো অলঙ্কার কাব্যের। আর যৌনতা? আসলে সেটাইতো অর্চনা

কবিরনি : জানি প্রতিটি কবিতায় কবির কাছে সন্তানের মত তাও জিজ্ঞাসা করছি আপনার নিজের লেখা প্রিয় কবিতা কোনটি?
ডাঃ দাউদ :
আরোহনের অধিকার

কবিরনি : আপনার প্রিয় কবি কে?
ডাঃ দাউদ : মাহাদেব সাহা (অনেকের মাঝে একজন)

কবিরনি : দেবী ও কবি নামে বিশাল ক্যানভাসে কবিতা শুরু করছেন? এই কবিতাটির ব্যাপারে কিছু বলুন।
ডাঃ দাউদ : একটু পেছনে যাই, আমার ব্লগ ব্যানারে লিখা আছে-
-ছোট বেলায় কবিতা লিখতাম লুকিয়ে লুকিয়ে,পড়ার টেবিলে চুরি করে।তারপর একদিন যখন ধরা পড়লাম তখন থেকে আত্নীয় স্বজনরা ডাকতো মিনি কবি বলে- – – ।এরপর নিজের পড়ার চাপের কারনেই কবিতা থেকে হারিয়ে গেলাম,কিন্তু বুকের ইথারে সব সময় অনুভব করতাম এক্টি খোঁচা– —এখনো তা অনুভব করি
এখনো চলছে কবিতার সাথে জীবনের লুকচুরি
এমনি করে একদিন হয়তো কবি হয়ে জন্মাবো
একদিন এই ধরণীর ক্যানভাসে রচিত হবে কাব্যময় উচ্ছ্বাস
বোধ হচ্ছে আমার সেই কাব্যময় উচ্ছ্বাসের অনুঘটক হচ্ছে “দেবী ও কবি”
আসলে প্রতিটি কবির ভেতর এক টি উপাসনালয় থাকে তীর্থ থাকে, থাকে সমুদ্র জ্যোৎস্না পূর্নিমা অমানিশা
দেবী ও কবি সেই উপাসনালয়ের আবহ সঙ্গীত, সেই পূর্নিমার প্রভা, সেই সমুদ্রের ঢেউ…

কবিরনি : সম্প্রতি 300 পোষ্টও পূর্ণ করে ফেললেন শব্দনীড়ে। কেমন লাগে এত পোষ্টের মালিক হয়ে?
ডাঃ দাউদ : মালিক!! এভাবে ভাবিনি তো!! তবে সে দিন এত্ত বেশী ব্যাস্ত ছিলাম যে ৩০০ পোষ্ট পূরন হবার আনন্দটা উপভোগ করার সময় পাইনি। শুধু মনে মনে বলেছিলাম -শোকরান! শোকরান ৩০০ পোষ্ট!!

কবিরনি :বাংলা ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি? সমাজ বা জাতি গঠনে এটা কি কোন মাধ্যম বলে মনে হয়?
ডাঃ দাউদ : বাংলা ব্লগ ইতিমধ্যে প্রমান করেছে যে বর্তমান যুগে জ্ঞান বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি চর্চার জন্য একটি সর্বাধুনিক মাধ্যম। বাদ প্রতিবাদ চাওয়া পাওয়া এবং কি চেতনা বিস্তারেও এটি উল্ল্যেখ যোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আধুনিক ও ইতিবাচক দৃষ্টিভিঙ্গি সম্পর্ন জাতি গঠনের জন্য এর বিকল্প নাই।

কবিরনি : ব্লগে এসে প্রথম পোষ্টে আপনি ব্লগার মুরব্বির কথা বলে ছিলেন? আপনার অনেক পোষ্ট, মন্তব্যে ব্লগার মুরব্বি’র কথা ঘুরে ফিরে আসে। উনার সম্পর্কে কিছু বলুন।
ডাঃ দাউদ : মুরুব্বীকে নতুন করে প্রকাশ করার কিছুই নাই। তিনি তার আলোয় উজ্জল ! আজ যে ব্লগিং টাকে ভালবাসা হিসেবে পেয়েছি, দায়ীত্ব হিসেবে নিয়েছি এটা সূচনা হয়েছিলো মুরুব্বীর হাত দিয়েই। যার ফলে আমাদের ব্লগে এক ধরনের পরিবারিক আবহ অনুভব করা যায়, এক ধরনের মমতা শ্রদ্ধা দায়ীত্ব.. এসব আসলে কারোনা কারো হাত দিয়েই সুচিত হয় আর আমার চোখে সেটি সূচনা করেছেন মুরুব্বী। এছাড়া আমার লিখার পেছনে মুরুব্বীর ভূমিকা অস্বীকার করা যাবেনা।

কবিরনি : মুরব্বি ব্যতিত আর কারও প্রতি কি ব্লগেআপনার দূর্বলতা আছে?
ডাঃ দাউদ : আসলে শব্দনীড় এমন একটি পরিবার যেখানে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে আলাদা করা সম্ভব নয়, এখানে সবাই পারদের মতো একাত্ম যার ফলে এই পরিবারের প্রতিই আমার দূর্বলতা, ভালোবাসা,দাবী…

কবিরনি : আমার মনে হচ্ছে আপনি প্রশ্নটা এড়িয়ে গেলেন। মুরব্বি বাদে আমি ব্যক্তিগতভাবে ফিরোজ খানের প্রতি আপনার দূর্বলতা লক্ষ করেছি। আরও দু চারটা নাম যদি শুনতে পেতাম।

ডাঃ দাউদ : মরেছি!! আসলে দূর্ভলতার ব্যাপারে বেশ কিছু শ্রেনী রয়েছে, যেমন ব্লগের কবি হিসেবে কারো প্রতি দূর্বলতা, গল্পকার হিসেবে কারো প্রতি,শুধু ভালো ব্লগার হিসেবে…।।
কবি হিসেবে ফিরোজ খানের কথা আপনিই বলেছেন তাছাড়া মুরুব্বী,জামান আরশাদ, ছায়েদা আলী,ও সুমনের প্রতি দূর্বলতা আছে। মাহবুব আলী, আনন্দময়ীকে গল্পের জন্য মিস করি। রম্য আর সাহিত্য আলোচনার জন্য একমাত্র কবিরনি
আর ব্লগার কিংবা ভালো ব্লগার হিসেবে লুবনা আপার প্রতি দূর্বলতা ভীষণ।
আরো অনেকের প্রতি দূর্বলতা আছে যেমন জিয়া রায়হান ,শিবলী,নীল নক্ষত্র আর তাঁর মিসেস যাদের ভালোবাসার কাছে আমি সত্যি বিগলিত।

কবিরনি : আপনাকে দেখলেই আরও একটা কথা মনে হয় সেটি হল কোয়ান্টাম ব্লগার। কোয়ান্টাম নিয়ে কিছু বলুন। কিভাবে আপনি কোয়ান্টামে এলেন? এর সুফল।
ডাঃ দাউদ : আসলে কোয়ান্টাম আমার জীবনের ব্রত। এটি জীবনে না এলে আমি হয়তো ডাক্তার হতাম, কবি হতাম, কারো সন্তান কারো পিতা কারো প্রেমিক কারো বন্ধু হতাম কিন্তু আসলে সত্যিকার মানুষ হতাম না।
আসলে কোয়ান্টাম নতুন কিছুনা এটি জীবন যাপনের বিজ্ঞান।একজন মানুষ তত বেশী ভালো থাক্তে পারেন যতো বেশী
তিনি সময়ের সাথে একাত্ম হবেন। আসলে আমরা সব সময় অস্থির থাকি মন কখনো বর্তমানে থাকে সে হয় অতীত নিয়ে অনুসূচনা করে নতুবা ভবিষ্যত নিয়ে আশংকা করে দুঃচিন্তা করে উৎকন্ঠায় থাকে বর্তমান নিয়ে সে খুব কমই থাকে আর যে বুক্তি বর্তমানকে প্রজ্ঞার সাথে ব্যাবহার করেনি সে কখনো সফল হয়নি।
এরকম হাজারো সাফল্যের টেকনিক নিয়ে কোয়ান্টাম।
তাছাড়া রোগ নিরাময়ে মেডিটেশনের ভূমিকা এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রমানীত।
রোগ ও অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য প্রথম প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গি বা জীবন চেতনার পরিবর্তন। অপনাকে জানতে হবে যে, নিরাময়ের ক্ষমতা আপনার নিজের ভেতরেই আছে, ডাক্তার কেবল সহায়ক শক্তি মাত্র। যতক্ষণ নিজে বিশ্বাস করতে না পারছেন যে আপনিও সুস্থ হতে পারেন ততক্ষণ কোনো চিকিৎসাই আপনাকে সুস্থ করতে পারবেনা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, শতকরা ৭৫ ভাগ রোগের কারণই হচ্ছে মনোদৈহিক। অর্থাৎ কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে আপনার মানসিক প্রতিক্রিয়াই ৭৫ ভাগ রোগ সৃষ্টির কারণ। শতকরা ১৫ ভাগ রোগের কারণ হচ্ছে ইনফেকশন, ভাইরাস আক্রমণ, ভুল খাদ্য গ্রহণ ও ব্যায়াম না করা। শতকরা ১০ ভাগ রোগের কারণ হচ্ছে দৈহিক আঘাত, ওষুধ ও অপারেশনের প্রতিক্রিয়া। তাই শতকরা ৭৫ ভাগ রোগই শুধুমাত্র দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সুস্থ জীবনদৃষ্টি গ্রহণের মাধ্যমে নিরাময় হতে পারে। অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ, সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবনদৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কবিরনি : সুখি পরিবার, আলোকিত পরিবার আপনার প্রায় পোষ্টের উপজীব্য। ব্যক্তি জীবনে আপনি পারিবারিকভাবে কতটা সুখি? আপনার পরিবার নিয়ে কিছু বলুন।
ডাঃ দাউদ : এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন পরিবারি আমাদের আশ্রয়। সুখী পরিবার আল্লাহর অন্যতম নেয়ামত!
শোকর আলহামদুলিল্লাহ আমাই আমার পরিবারের সাথে অনেক সুখী।
আমার পরিবারের বলার মত কিছু নাই তিন ভাই দু বোন কে বাবা মা অনেক শ্রম দিয়ে মানুষ করেছেন। বোনেরা দুজনই বিবাহিত। হাউজ ওয়াইফ। আমি সবার বড় দু ছেলে এক মেয়ের গর্বিত বাবা হয়েছি ইতিমধ্যে, ছোট ভাইদের মধ্যে মেঝোজন খুব ডানপিটে ইতিমধ্যে প্রবাস গ্রহন করেছে। ছোটজন চট্টগ্রাম মেডিকেলের ৩য় বর্ষ শেষ করছে।
ঘরের সকলেই কোয়ান্টাম গ্র্যাজুয়েট!

কবিরনি : ঘরের সকলেই কোয়ান্টাম গ্রাজুয়েট! আপনারা তো দেখি পুরো কোয়ান্টাম পরিবার? পরিবার না সমাজ কোনটা মানুষকে প্রভাবিত করে বেশী। অনেক সময় দেখা যায় ভাল পরিবারের সন্তানেরাও বখে যাচ্ছে।
ডাঃ দাউদ : আসলে আমরা আমাদের পারিপার্শ্বিকতা দিয়েই প্রভাবিত হই বেশি। একটা শিশু জন্ম গ্রহন করে আসীম সম্ভাবনা নিয়ে, কিন্তু ধীরে ধীরে সে শিখে প্রথমে তার পরিবার তারপর তার চার পাশ থেকে।
তবে পরিবারই হচ্ছে প্রথম প্রায়োরেটি। আমেরিকায় শত করা ৯৫ ভাগ তরুন তরুনী বখাটেপনা শিখে কারন সে দেশে পারিবারিক সম্পর্কে মর্যাদা কম। বাবা মা ভাই বোন কেউ কারো পরোয়া করেনা। কিন্তু সেখান কার সমাজ ব্যাবস্থা অনেক উন্নত।

কবিরনি : বখেটাপানা যখন আসল তখন এখনকার আলোচিত ঈভ টিজিং নিয়ে আপনার ভাবনা কি? এর প্রতিকারে কি করা যেতে পারে।
ডাঃ দাউদ : বখাটে হয়ে কেউ জন্মায়নি। লক্ষ্য উদ্দেশ্য হীন এসব যুবকরাই শয়তানের পাল্লায় পড়ে।কিন্তু কে নেবে এদের দায়ীত্ব
সমাজের এক শ্রেনীর মানুষ তাদের পেলে পুষে রাখে, নোংরামী করার পর শেল্টার দেয়। ব্যাস লাই পেয়ে ওরা মাথায় উঠে। মেয়েদের উত্যক্ত করা এদের উদ্দেশ্য নয় উদ্দেশ্য হচ্ছে কোন না কোন ভাবে আলোচনায় আসা। কারন আলোচিত এসব যুবক রাই পরবর্তিতে সমাজের নেতা বনে যায়। ওয়ার্ড কমিশনার, মেম্বার……।
প্রতিকার একটাই কাজের মধ্যে ডুবিয়ে দিতে হবে। কারণ কর্ম্মব্যাস্ততা নেতিবাচকতা থেকে দূরে রাখে।

কবিরনি : সম্প্রতি কিছু পোষ্টে আপনাকে কোয়ান্টাম নিয়ে আলোচনায় বেশ উ্তেজিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। যা আপনাকে ইতিপূর্বে কখনো দেখিনি। কোয়ান্টাম কি আপনার ক্রোধকে বশ করতে হয় কিভাবে শেখাতে পারছে না।
ডাঃ দাউদ : উত্তেজিত অবস্থা বলতে যা বোঝায় তা হচ্ছে গামা লেভেল যেখানে পৌছালে মানুষ আর নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা একটা না একটা অঘটন করবেই, আমি শুধু দক্ষতার সাথে সত্য টূকু জোর গলায় বলেছি। সত্যের জোর তো থাকেই।
এর আগে আমার উত্তেজনার মাত্রা যা ছিলো এটি তার ১০০০ ভাগে দশমিক এক ভাগ মাত্র
বাকী টা কোয়ান্টামের কারনে শিথিল।

কবিরনি : মানে আপনি আগে অত্যন্ত উত্তেজিত হতেন এখন হন না। তা কি করলে আপনাকে সহজে রাগানো যায় বলে মনে করেন?
ডাঃ দাউদ : অনিয়ম! দেখলে এখনো ভেতরে ভেতরে জ্বলি, প্রকাশ করি কম। বেশী রাগ হলে মনে মনে তওবা তওবা বলি। (কোয়ান্টাম টেকনিক)
তবুও রাগি বৌ কে ফোন করলে দুচার বারেও যখন রিসিভ করেনা। হাহাহা

কবিরনি : আপনি পেশায় একজন ডাক্তারও বটে। ডাক্তারি কেন পড়লেন? অর্থ উপার্জনের জন্য না কোন নীতিবোধ থেকে?
ডাঃ দাউদ : আসলে আমার পেশাটি বলতে পারেন পারিবারিক সূত্রে, বর্তমান ডাক্তারদের তথা কথিত নীতি আদর্শের সাথে আমি লড়াই করছি আমার লিখনির মাধ্যমে, অপ্রয়োজনীয় ডায়াগনষ্টিক ও সিজারিয়ান বেবী ডেলিভারীর বিরূদ্ধে ইতিমধ্যে
বেশ ক’টি সভা সেমিনার ও আর্টিকেল লিখেছি। যা স্থানীয় ভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থ উপার্জন মূখ্য হলে বিদেশেই থেকে যেতাম।

কবিরনি : তার মানে আপনি প্রবাসেও ছিলেন। কোথায়? প্রবাস স্মৃতি একটু শেয়ার করেন?
ডাঃ দাউদ : থাইল্যান্ড, মালোয়শিয়া গিয়েছিলাম। ১৯৯৫এ ভিন্ন উদ্যেশ্য ছাড়াও পড়ার ইচ্ছা থাকলেও সে ভাবে সুযোগ পাইনি, ফিরে এলাম ৪মাস ঘুরে ফিরে, দেশেই পড়লাম তারপর দুবাইতে কাটালাম ৯৮ থেকে ২০০২ পর্যন্ত।
মালোয়শিয়ার একটা ঘটনা ৯৫ তে সেখানে বন্যা হয় শুনেছেন নিশ্চই, আমি পড়লাম বন্যার কবলে উচু ঘর ছিলো বলে বের হইনি ভেবেছিলাম অত টুকুতে পানি উঠবেনা কিন্তু রাতের মধ্যে পানি হামলা করলো, যে বাড়ীতে থাকি সে বাড়ীর মালিক মালোয়শিয়ান , তারাও যাচ্ছিলোনা আমরা ছিলাম তিন জন উদ্ধার কারী দল আশ পাশের অনেককেই উদ্ধার করলো আমাদের উদ্ধার করতে আসা বোট টিতে উঠতে গিয়ে আমি পানিতে পড়ে যাই তা দেখে বাড়ী ওয়ালার বৌ কেঁদে ফেল্লো টেনে উঠানো হলো আমাকে পাসপোর্ট টাকা পয়সা সব ভিজে সয়লাব। শেষে ঐ বাড়ী ওয়ালার আরেক আত্নীয়ের বাসায় আশ্রয় পেলাম। সারা রাত আড্ডা হলো মালোয় আর বাঙ্গালীতে। সকালে আমার এক বন্ধু এসে তার বাসায় নিয়ে গেলো।

কবিরনি : প্রবাসে থাকলে দেশপ্রেম বৃদ্ধি পাই – কতটা সহমত?
ডাঃ দাউদ : কিছুটা সহমত।

কবিরনি : কিছু মানুষকে দেশে থাকার পরিস্থিতি নাই এই যুক্তিবলে প্রবাসে জীবন যাপন করতে দেখা যায়, আপনার কি মনে দেশে থাকার পরিবেশ নেই।
ডাঃ দাউদ : আসলে পরিস্থিতি থাকেনা কোথাও, এটি করে নিতে হয়। প্রবাস তো কারাগারের মতোই
যদিও উন্নত জীবন উপকরন ও নিরাপত্তা ভালো কিন্তু পরাধীন।

কবিরনি : একটু অন্য প্রসংগে আসি “মানুষ দূর্ণিতি করেনা কারন সেটাও না করতে পারার অক্ষমতা। ভয় পাই।” – এই দর্শনের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?
ডাঃ দাউদ : দূর্নীতি করা মানে নিজেকে প্রকাশ করা এইটা মানলাম না। দূর্নীতি না করা বা করতে না পারা এর মধ্যে যদি ভয় কাজ করে আর সেই ভয় যদি শেষ বিচারের হয় তবে তা হলো তার সবছেয়ে বড় ক্ষমতা, ঈমানের ক্ষমতা।
গুটিয়ে রাখা মানে প্রকাশেরঅক্ষমতা এটি সব ক্ষেত্রে ঠিক নয়।এটা হতে পারে সীমাবদ্ধতা হতে পারে নিস্প্রয়োজন।

কবিরনি : মানে দূর্নিতির সুযোগ সুবিধা থাকলেও সবাই দূর্নিতি করে না। এমন দু একজনকে আপনি চিনেন। যদি আমাদের সাথে ঘটনাগুলো শেয়ার করতেন।
ডাঃ দাউদ : কেন ঢাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হেলাল বাকী আমার জানামত কখনো অন্যায় করেনি। অন্যায় সহ্য করেনি। আগ্রাবাদের এস আই নাদিম একটাকা ঘুষ খায়নি আজো।
তবে এরা হাজারে নয় লাখে এক জন। তবুতো আছে এখনো যারা আসলেই মানুষ।

কবিরনি : দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে দূর্ণিতির বিষ বাষ্প ঢুকে যাচ্ছে – এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন? কোয়ান্টামের মত কোন পদ্ধতিতে কি মানুষের এই নৈতিক অধঃপতন ঠেকানো যায়।
ডাঃ দাউদ : দৃষ্টিভঙ্গি! আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই এই অধঃপতন ঠেকাতে পারে।
আমদের যাদের কাছে কোন অভবা নাই তার দৃষ্টিভঙ্গিও যেমন “আরো চাই আরো চাই” আবার যার নুন আন্তে পান্তা ফুরায় তার দৃষ্টিভঙ্গিও একই, আমরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমান করি বস্তু দিয়ে কার কাছে কত আধুনিক মডেলের মোবাইল আছে, কত্তো লেটেষ্ট গাড়ী আছে, কোরবানীতে কত্ত দামী গুরু কিনলাম, ঈদে কোন শপিং সেন্টারে শপিং করলাম ইত্যাদি বস্তুগত পরিমাপ দিয়ে সুখ শান্তির পরিমাপ করি।
দূর্নীতির অন্যতম কারন এটাই
বছর বছর বাসার ফার্নিচার না বদলালে আর মান থাকেনা কিন্তু বছর বছর তা বদলাতে গেলে যে কি করতে হয় এটি হয়তো ঘরের বৌ জানেনা, সে অনর্গল চাপ দিয়ে যাচ্ছে বদলাও বদলাও ব্যাস স্বামী ব্যাচারাও এটাকে ফ্যাষ্টিস হিসেবে নেয় আর টু পাস কামাই করে।
কিন্তু যদি সকলের মাঝে শোকরের দৃষ্টিভিঙ্গি থাকতো তবে তার যা আছে তা দিয়েই সুখী হতো।
তাই কোয়ান্টাম এই শ্লোগান টাই আজ বিশ বছর যাবত দিয়ে যাচ্ছে ” দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে” আর সেই অনুযায়ী আজ বদলে গেছে লাখো জীবন।
ইতিমধ্যে দেশের অনেক মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী, সচিব, অর্থনীতিবিদ, আইনজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, আলেম ওলামা
ক্রিড়াবিদ, পুলিশ কর্ম কর্তা ইত্যাদি শ্রেনী পেশার মানুষ কোয়ান্টামে এসেছে এবং এক বাক্য বলে গেছে যদি দেশের সকল রাজনৈতীক গনকে এই কোর্স করানো যেতো তাহলে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা সফল হতো।
আর একজন অপরাধী যখন হাজার মানুষের সামনে বলে “আমি যদি দধ বছর আগে এই কোর্স করতাম তবে নিজের জন্য অন্যের জন্য কত উপকারইনা করতে পারতাম”।
এরকম বক্তব্য গত বিশ বছরে অনেকেই দিয়ে গেছেন কোয়ান্টামে এসে।

কবিরনি : আপনার পোষ্টের পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।
ডাঃ দাউদ : আমি কবি নই।কবির পূজক কবিতার পূজারী
জন্ম জন্মান্তর ধরে যেই সত্ত্বা লালন করে আসছি কবতার নাম করে আমি তা উগলে দিই
ধরে রাখতে পারিনা।
কখনো হয় কখনো হয়না
কিন্তু সত্য হচ্ছে এই যে আমার হাজারো নির্ঘুম রাত যে পূজায় ভোর হয়েছে তার নাম কবিতা
আপনারা প্রাজ্ঞ পাঠক,লিখক ,কবি
আপনাদের লিখায় পাই বলে আমি উৎসাহিত হই
কবিতার উপাসনালয়ে ছুটে যাই বার বার
আপনাদের পাই বলে আলো আঁধার চিনতে শিখি
ভুল শুদ্ধ উদ্ধার করি
আমি আপনাদের সকলের প্রতি আমার হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা জানাই শ্রদ্ধা জানাই।
শুভ কামনা সকলের জন্য
খোদা হাফেজ।

কবিরনি : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সময় দেবার জন্য। শুভ কামনা। শুভ ব্লগিং।
ডাঃ দাউদ : ধন্যবাদ প্রিয় আপনাকেও এই টুকু সন্মানের জন্য।
ভালো থাকুন। শুভ ব্লগিং

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 4.7/5 (6 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: +4 (from 4 votes)
ব্লগার ডাঃ দাউদের সাক্ষাৎকার, 4.7 out of 5 based on 6 ratings

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

৫০ টি মন্তব্য (লেখকের ১২টি) | ২০ জন মন্তব্যকারী

  1. নীল নক্ষত্র : ০৬-০৮-২০১২ | ১৭:৩৯ |

    আহারে দুই ডাক্তারে মিলা করছে কি? ডাঃ দাউদ প্রশ্নের বহর দেইখা ডরায় নাই?

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২০:৩৯ |

      থলের বিড়াল বের হলো বুঝি
      কবিরনি যে আমার জাতি ভাই তা তো জান্তাম না
      কারে কি বিলে ফেলি
      ইসস্রে আগে যদি জান্তাম!!

      দাদা ভাই প্রশ্নের বহর দেখে ডরাইতাম যদি আপনার নাতি না হতাম।
      হাহাহা

    • নীল নক্ষত্র : ০৬-০৮-২০১২ | ২২:৫৯ |

      হ্যা তাইতো বলি, আমার নাতি ভাই কেন ডরাইবে??? তবে কবিরনি যে দাক্তার তা কিন্তু আমি জানিনা। এই মানে একটু ইয়ে………… করে বলেছি। তা গুলি যদি লেগেই যায় মন্দ কি?

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৩৭ |

      আমি কিন্তু ডাক্তার না। গুল্লি ফসকায় গেছে।

  2. রাজিন : ০৬-০৮-২০১২ | ১৮:০৭ |

    পুরোটা পড়লাম। বাহ! চোখের সামনেই ঝলমলে টক শো দেখলাম মনে হল। সাক্ষাৎকারের আয়োজনের জন্য A+ দিলাম…

    সত্যিই বেশ উপভোগ করলাম এবং অনেক কিছু জানলাম Smile

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:০৮ |

      জানলেন ভালো কথা
      দূর্বলতার কথা কাউকে বলতে যাবেন না যেন Smile

    • রাজিন : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:১১ |

      হমম কিন্তু মনে করুন কারও দূর্বলতাই যদি তার অনুপ্রেরণার কারণ হয় Waiting

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৩৯ |

      Golden A+ না হুদা A+?

    • রাজিন : ১২-০৮-২০১২ | ১৭:১৭ |

      হুদাই গোল্ডেন দিলাম, যান Laugh

  3. নাজমুল হুদা : ০৬-০৮-২০১২ | ১৮:১৬ |

    দারুন উদ্যোগ! চমৎকার উদ্যোগ!! কবিরনির মাথা দিয়ে নতুন নতুন আইডিয়া বেরুতেই থাকে। ধন্যবাদ কবিরনি।
    সাক্ষাৎকার থেকে নতুন অনেক কিছুই জানা গেল। একত্রে ব্লগিং করতে এসে যাদের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধন গাঢ় হচ্ছে ক্রমেই, এমন সাক্ষাৎকার তাতে আরও সহায়ক হবে বলেই মনে হয়।
    কবিরনি আর ডাক্তার দাউদ দু’জনের জন্য অনেক শুভ কামনা।

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:২৮ |

      আসসালামুয়ালিকুম শ্রদ্ধেয় হুদাভাই
      আসলে শব্দনীড়ের শক্তি এখানেই- দৃঢ় বন্ধুত্বের বন্ধন
      আশা করি ক্রমেই এই বন্ধন আরো সুদৃঢ় হবে
      ভালো থাকুন
      দোয়া রাখবেন।

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৪১ |

      শুভ কামনা হুদা ভাই।

  4. ছায়েদা আলী : ০৬-০৮-২০১২ | ১৮:২৬ |

    কবিরনি কে অনেক শুভকামনা জানাই এমন একটি আয়োজনের জন্য ।
    এবং যাকে নিয়ে শুরু করেছেন তিনি অবশ্যই যোগ্য একজন ।
    খুব ভালো লেগেছে …অনেক সময় নিয়ে পড়লাম ।
    ডা দাউদ ওনাকে আরও সুন্দর ভাবে জানা হলও । তবে একজন ত আছেনই যাকে ঘিরে শুরু হয়েছিল কবি ও দেবীর লেখকের কবিতার যাত্রা … তাকে সযত্নে এড়িয়ে গেছেন … Smile যাক ডাক্তার সাহেবের অনুপ্রেরনা লিখার পেছনে যিনি ই থাকুক আমারা ত পেয়েছি অনেক …… এটাই আমাদের প্রাপ্তি ।
    তাঁর মঙ্গল কামনা রইবে সব সময় ই …… Smile

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২০:২৯ |

      বোধ হচ্ছে আমার সেই কাব্যময় উচ্ছ্বাসের অনুঘটক হচ্ছে “দেবী ও কবি”
      আসলে প্রতিটি কবির ভেতর এক টি উপাসনালয় থাকে তীর্থ থাকে, থাকে সমুদ্র জ্যোৎস্না পূর্নিমা অমানিশা
      দেবী ও কবি সেই উপাসনালয়ের আবহ সঙ্গীত, সেই পূর্নিমার প্রভা, সেই সমুদ্রের ঢেউ…

      জানি তবুও প্রশ্ন থেকে যায়
      কে গায় সেই আবহ সঙ্গীত
      কে ছড়ায় সেই পূর্নিমার প্রভা
      কার বুক থেকে উঠে সেই ঢেউ……

      জন্ম জন্মান্তর হতে আমি তারেই খুঁজছি
      তাই এড়িয়ে গেলাম
      খুঁজে দেবেন?
      আমার দেবী কে……

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৪৭ |

      অনেক ধন্যবাদ ছায়েদা আলী।

  5. অমানিশা : ০৬-০৮-২০১২ | ১৯:৫৯ |

    খুব ভাল লাগল।

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:৩৬ |

      প্রশ্ন না উত্তর?

      ধন্যবাদ আপনাকে

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৪৮ |

      Rose

    • অমানিশা : ০৭-০৮-২০১২ | ১৯:৩৯ |

      দু’টোই… Smile

  6. সুমন আহমেদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২০:৫৭ |

    আপনার নিত্য নতুন আইডিয়া থেকে জন্ম নেয়া পোস্টগুলো বেশ উপভোগ করছি। একরাশ ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম। Star Star Star Star Star Heart

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:৪০ |

      আর আমি যে এত্ত কষ্ট করে উত্তর গুলো দিলাম
      আমার জন্য বুঝি কিছুই নাই

    • সুমন আহমেদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:৫৫ |

      আপনার জন্য নিখাদ ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রইল। অনেক কিছুই জানলাম আপনার। এখানে না এলে অনেক সুন্দর মনের মানুষগুলো দেখা হতো না। তবে আজ একটা কথা বলেই ফেলি আপনার সুন্দর সুন্দর কমেন্টস পেয়ে কিন্তু আপনাকে দেখার ইচ্ছে আগেই জন্মেছে।…. শু।ভ।কা।ম।না। র।ই।ল…. Rose Rose Rose Rose Rose

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৫৪ |

      অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভ কামনা।

    • ডা. দাউদ : ১০-০৮-২০১২ | ২৩:৫০ |

      দেখা হবে হৃদয়ের খেরোখাতায়
      কথা হবে কবিতায়
      ভালোবাসা ও শুভ কামনায় Smile

  7. ভালবাসার দেয়াল : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:১১ |

    সুন্দর আইডিয়া Clap Clap Clap

    • ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২১:৪৫ |

      সালাম জাকির ভাই
      রনি ভাইয়ের খপ্পরে পড়বেন তখন বুঝবেন তালিয়া কাকে বলে Smile

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ০:৫৪ |

      Smile Rose

  8. ডা. দাউদ : ০৬-০৮-২০১২ | ২৩:৫৪ |

    আসলে সাক্ষাতকার হয় সেলিব্রেটিদের
    আমি সেলিব্রেটি না
    সামান্য ব্লগার !
    কবিরনি ভাইয়ের উদ্যোগ টি জানিয়ে মেইল পাঠালে
    লোভ সামলাতে পারলাম না
    একদিনের জন্য সেলিব্রেটির অনুভুতি আস্বাদন করি। হাহাহা
    কিন্তু পোষ্ট টি প্রকাশ হবার পর কেন জানি লজ্জা লাগছে
    ব্লগে আমার চেয়ে অনেক অনেক প্রাজ্ঞ ব্লগার আছেন, কবি গল্পকার, সাহিত্যিক, বিজ্ঞান আলোচক এবং কি অনেক মূল্যবান লিখক যাদের থেকে আমি শিখছি অনেক কিছু, শিখবো। তাদের কাউকে দিয়ে শুরু করলে এই পোষ্টের গুরুত্ব হয়তো আরো বৃদ্ধি হতো।
    তবু শুরু যখন হলোই তখন এই প্রয়াস টুকু অনেক দূর এগুবে আশা করছি।
    আর সেই সুবাধে ব্লগের অনেক বর্ণাট্য ব্যক্তিত্বকে জানার সুযোগ পাবো।

    সত্যি বলছি প্রিয় রনিভাই
    এটি আমার জীবনে দেয়া তিন টি সাক্ষাতকারের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও তথ্য বহুল
    আর যথেষ্ট সময় নিয়ে উত্তর দিতে পেরেছি বলে ভালো লাগছে খুব
    পোষ্ট আর প্রশ্ন গুলো সাজিয়েছেন দারুন ভাবে
    আমি বেশ গর্ববোধ করছি
    ধন্যবাদ

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ২:১১ |

      এই স্বাক্ষাতকারের ব্যাপারটা আমার মাথায় যেদিন এসেছে সেদিন আমি প্রথমেই আপনার কথা ভেবেছি। কেন ভেবেছি? আমার কাছে কারনটা খুব সাদামাটা শব্দনীড় ব্লগটাকে যারা প্রানবন্ত করে রেখেছেন তাদের মধ্যে আপনি প্রথম সারিতে।
      আপনি আমার প্রস্তাবে রাজী হওয়ায় আমার উদ্দ্যেগটি স্বার্থক হয়েছে। সাহস বেড়ে গেছে। আপনাকে জানার চেষ্টা করেছি। আরও অনেক প্রশ্ন করার ছিল। শুধু পোষ্ট আকারে বড় হয়ে যাচ্ছে তাই করা হয়ে উঠে নি। একই কারনে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্তরও বাদ দিতে হয়েছে। আপনি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন বলে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আরও কাউকে নিয়ে হাজির হবার ইচ্ছা থাকলো।
      শুভ কামনা। শুভ ব্লগিং।

  9. মুহাম্মদ সাঈদ আরমান : ০৭-০৮-২০১২ | ২:১৬ |

    কাব্যের দূত ডাক্তার দাউদ ।
    সুন্দর একটা সাক্ষাৎকার । দুরের মানুষকে আমরা জানতে চেষ্টা করি কিন্তু আপন মানুষ গূলোকে জানা হয় না। কবিরনিকে ধন্যবাদ সুন্দর এই পোস্টের জন্য । দাউদ ভাই আমার একজন প্রিয় মানুষ। তার সম্পর্কে জানা হল অনেক কিছু । শুভকামনা দাউদ ভাই

    • ডা. দাউদ : ০৭-০৮-২০১২ | ৩:২৭ |


      এই ভালোবাসার জন্যই আমি আজ আমি হলাম
      কৃতজ্ঞতা জানবেন প্রিয় সাঈদ ভাই
      ভালোবাসা নিন

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ৪:২১ |

      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

  10. আর. এইচ. মামুন : ০৭-০৮-২০১২ | ৩:০৯ |

    ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দুজনকে।
    আচ্ছা সাক্ষাৎকারের শেষে যদি সাক্ষাৎকারদাতার যোগাযোগের ঠিকানা/ ইমেইল/ফোন থাকে কেমন হয়?

    দাউদ ভাইয়ার কিন্তু আরো একটাগুন আছে। আমার মনে হয় কোন একসময় তিনি অভিনয়ও করেছিলেন।

    • ডা. দাউদ : ০৭-০৮-২০১২ | ৩:২৫ |

      দাউদ ভাইয়ার কিন্তু আরো একটাগুন আছে। আমার মনে হয় কোন একসময় তিনি অভিনয়ও করেছিলেন। Hiding Hiding Hiding Hiding

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ৪:৩২ |

      যোগাযোগের ঠিকানা/ ইমেইল/ফোন নম্বরের কথা মাথায় থাকল। সাক্ষাতকারদাতার অনুমতি পেলে না দেওয়ার কারন দেখছি না। শুভ কামনা।

  11. জুলিয়ান সিদ্দিকী : ০৭-০৮-২০১২ | ৬:৪১ |

    এইটা ইনডোরের ট্রায়াল ইন্টারভিউ নাকি?

    • কবিরনি : ০৮-০৮-২০১২ | ২:১৮ |

      ফাকাঁ গুলি তবে লক্ষ্য ভেদ করছে।

  12. সাইক্লোন : ০৭-০৮-২০১২ | ৯:১০ |

    চমৎকার
    একদম নতুন একটা থিম নিয়ে পোস্ট। ভাল লাগলো Yes Clap

    আশা করছি এটা সিরিজ হিসেবে চালাবেন…… অন্তত সপ্তাহে একদিন Grin

    • কবিরনি : ০৭-০৮-২০১২ | ১২:৪৫ |

      সর্বচ্চোপর্যায় থেকে উৎসাহ পাই না। আপনারা ব্লগাররা উৎসাহ দেন কিন্তু নীড় সন্চালক উৎসাহ দেন না ব্লগার সম্পর্কিত আমার পোষ্টগুলোকে (ব্লগালোচনা , ব্লগের কবি ব্লগার কবি , ফ্লপ শো)। উনি বোধহয় পছন্দ করেন না। Grin
      সপ্তাহে একদিন না হোক বছরে একদিন দিন বটেই Grin

  13. চারুমান্নান : ০৭-০৮-২০১২ | ১১:০৫ |

    প্রথমে শুভম অভিবাদন রনিদাকে,,,, Heart ,,,,, সুন্দর
    তার পর আমার প্রিয ডা. ভাই কবিকে,,,, Heart ,,,,,,,,,,,,,,,,,,

  14. দীপক সাহা : ০৭-০৮-২০১২ | ১৪:৪৫ |

    অসাধারণ একটা সাক্ষাতকার পড়লাম। কবিরনি ভাই এবং দাউদ ভাইকে ধন্যবাদ জানাই।

    খুবই ভাল লাগলো পুরো আয়োজন। Yes Rose Clover Coffee

  15. ফরিদুল আলম সুমন : ০৮-০৮-২০১২ | ১:৪৮ |

    আসলে প্রতিটি কবির ভেতর এক টি উপাসনালয় থাকে তীর্থ থাকে, থাকে সমুদ্র জ্যোৎস্না পূর্নিমা অমানিশা
    দেবী ও কবি সেই উপাসনালয়ের আবহ সঙ্গীত, সেই পূর্নিমার প্রভা, সেই সমুদ্রের ঢেউ

    বাহ!

    চমৎকার আলাপচারিতা। এর মাধ্যমে কবি দাউদ ভাইকে আরো একটু জানার সুযোগ হলো। খুব আনন্দ নিয়ে পড়েছি পুরো সাক্ষাৎকারটি।

    সুন্দর আয়োজনটির জন্যে কবিরনি ভাইকেও ধন্যবাদ। সবার জন্যে অশেষ শুভকামনা রইলো।

    • ডা. দাউদ : ০৮-০৮-২০১২ | ৩:০৫ |

      নিজেকে প্রকাশ করতে আসলেই বেশ আনন্দ
      ধন্যবাদ সকলকে

  16. সাহাদাত উদরাজী : ০৮-০৮-২০১২ | ১৪:৩৫ |

    গতকাল আমি এই পোষ্ট দেখে ভেবেছিলাম মনে থেকে নেয়া সাক্ষাতকার হবে তাই মন্তব্য করতে পারি নাই। আজ এসে দেখলাম, এটা একটা চরম প্রচেষ্টা। বেশ আনন্দদায়ক।

    আপনাকে অভিনন্দন। ডাক্তার সাহেবকেও অভিনন্দন। আলোচনা বেশ খোলামেলা।

    ব্লগিং এ নুতন আইডিয়ার জন্য সালাম।

    • সাহাদাত উদরাজী : ০৮-০৮-২০১২ | ১৪:৩৭ |

      হা হা হা… কয়েকদিন আগের সাক্ষাতকার নিয়ে আমার বেশ অভিজ্ঞতা হল…

      ৪৬৪।
      আপনার যারা পত্রপত্রিকা (নামকরা) পড়েন তারা বিভিন্ন ‘ইন্টারভিউ’ নামের কিছু কলাম লক্ষ্য করে থাকবেন। কি সুন্দর, কত কথা বলছেন ইন্টারভিউ দাতা! আজ একটা সত্য কথা বলে যাই, এই ধরনের ইন্টারভিউতে কিছু না কিছু লেনদেন হয়ই! গিভ এন্ড টেক! কোন না কোন কিছুর আদান প্রদান হয়ই হয়! হা হা হা…
      ছেলে হলে টাকা বা অন্য কোন অনুদান।
      আর মেয়ে হলে করতে হয় কাউকে না কাউকে __দান!

      (আমি জেনেই বলছি! সাংবাদিকতার খেলা!)

    • সাহাদাত উদরাজী : ০৮-০৮-২০১২ | ১৪:৩৮ |

      কবি ভাই, আপনার প্রচেষ্টা জমজমাট হবে বলে আমি মনে করছি। শুভেচ্ছা।

  17. নাজিয়া আক্তার (মম) : ০৮-০৮-২০১২ | ২০:৫০ |

    চমৎকার একটা সাক্ষাতকার পড়লাম। কবিরনি ভাই এবং দাউদ ভাইকে ধন্যবাদ জানাই। Rose Rose Rose

  18. বিষণ্ণময়ী : ১১-০৮-২০১২ | ১৬:১৫ |

    এতো বড় সাক্ষাতকান দিতে গিয়ে রুগী কয়েকশ হাতছাড়া হয় নাই তো।

    ডা: দাউদ এমন একজন ব্লগার যিনি খুব অল্প সময়ে নীড়ের প্রতিটি ব্লগারের ভালবাসা জয় করতে পেরেছেন, বিশেষ করে তার সহজ সরল হাসি আর শ্রদ্ধা করে কথা বলার কারণে। এই মানুষটি খুব অল্পতে খুশী হয়ে যায় এটা আমি তাকে দেখে অনুভব করেছি।
    ব্লগে আমার অনেক আদরের ভাই আছে যার মাঝে দাউদ ও একজন। যার অকৃতিম ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় আমি সব সময় পরাজিত থাকি। এই রকম ব্লগার থাকলে যে কোন ব্লগ প্রাণবন্ত এবং সুন্দর থাকে।

    কবিরনিকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন আয়োজনের জন্য। তবে এর পরে প্রতিটি প্রশ্ন এবং এর উত্তর আরেকটু সুন্দর করে দেয়ার অনুরোধ করছি এতে কারে পড়তে আরো সুবিধা হবে। প্রয়োজন হলে দুটো পর্বে একেকটি সাক্ষাতকার দেয়া যেতে পারে।

    তারপরেও এতো সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য কবিরনির।

    দুজনের জন্য রইল অনেক ভালবাসা আর শুভ কামনা।

  19. সকাল ‍রয় : ১২-০৮-২০১২ | ১৪:৫৩ |

    মনে হচ্ছিল যেন শফির রেহমানের টক শো দেখছি।
    আমার কাছে ব্যপারটা বেশ লাগলো। ডা: দাউদ খুব ভালো কবিতা লিখেন। আর উপস্থাপক হিসাবে কবির রনি’র আত্নপ্রকাশ সত্যিই প্রশঙসনীয়

  20. ফকির আবদুল মালেক : ১২-০৮-২০১২ | ২১:৫৮ |

    অসাধারন কবিরনি ভাই।

    শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।