গতকালের শব্দনীড়ে প্রথম পোষ্ট “আক্ষেপের অট্টহাসি” লিখেছেন খেয়ালী মন। খেয়ালী মনের কবিতায় ছন্দের কাজ পাওয়া যায়। ছন্দের তালে পড়তে ভালই লাগল।
“চিকন চোখের গাঢ় কাজল
তোর ঘরে বিন্যাস….
আমার শুধু ধুত্রা ফুলে
জীবন হা হুতাস।”
শব্দনীড় মানেই কবিদের আড্ডা। খেয়ালী মনের কবিতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ছ’টি কবিতা প্রকাশ পেয়েছে। লিখেছেন নাজিয়া আক্তার মম, ঐশী, ফকির আব্দুল মালেক, নীল নক্ষত্র, ডাঃ দাউদ এবং আচার্য।
মমের কবিতার নাম “মা“। মা কে নিয়ে যেকোন লেখায় একটা বাড়তি আবেগ কাজ করে। তাছাড়া উনি আজই প্রথম নীড়ে পা রাখলেন। তাই শুভ কামনা জানিয়ে আর কিছু আলোচনা করলাম না। ঐশী’র “পড়া লেখা” ছড়া নিয়েও আলোচনার কিছু নেই। সে লিখুক শুধু এটাই মনে প্রানে চাওয়া। বরং ফকির আব্দুল মালেক এর কবিতা “ঘাস” নিয়ে কিছু সময় ব্যয় করা যাক।
কবিতাটা ব্লগে পূর্ব প্রকাশিত। ফকির আব্দুল মালেক কে নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে গিয়ে তার পুরনো লেখার অনেকগুলোর সাথেই আমার পূর্ব পরিচয় আছে। রূপকের আড়ালে পাঠককে প্রশ্নবানে ক্ষতকরাই কবিতার উদ্দেশ্য মনে হয়েছে। কবিদের একটা নিশ্চিত লক্ষন এই যে তারা প্রচলিতকে অতিক্রম করে গিয়ে নতুন মূল্যবোধের অনুসন্ধান করেন। আমেরিকান কবি স্যান্ডবার্গ এর বিখ্যাত কবিতা গ্রাস ছিল এরকম -
PILE the bodies high at Austerlitz and Waterloo.
Shovel them under and let me work—
I am the grass; I cover all.
And pile them high at Gettysburg
And pile them high at Ypres and Verdun.
Shovel them under and let me work.
Two years, ten years, and passengers ask the conductor:
What place is this?
Where are we now?
I am the grass.
Let me work.
মনুষ্য সৃষ্টি ভয়াবহ কার্যকলাপের অনেক কিছুই প্রকৃতি ঢেকে দেই তাই নিজস্ব কায়দায় মোটামুটি এই ছিল কবিতার আলেখ্য। মালেক দেখিয়েছেন ঘাসের সাথে আমাদের বেড়ে উঠা চুলের মিল। জীবনের ভিতরে থেকেও মৃতের ভ্রুক্ষেপহীন বেড়ে উঠা মৃত্যূর ব্যাপারে তার মনে প্রশ্নের উদ্দেক করে। তবে এই ভাববাদী কবিতার শুরুটা অসাধারন হয় নি এটা বলতে বাধ্য হচ্ছি। শুরুর দু’টো লাইন পড়ে কেউ গতানুগতিকতার কাতারে ফেললে দোষ দেওয়া যাবে না। শুরুতে আর একটু চমক থাকতে পারতো।
মেজ মেয়েকে উৎসর্গকৃত নীল নক্ষত্রের “মেঝ মনি” পড়ে সবচেয়ে যেটা ভাল লাগল সন্তানের প্রতি পিতা মাতার স্নেহসুলভ দৃষ্টি, যা হারিয়ে যাচ্ছে সমাজ থেকে। জানা গেল এটা একটা গান। শুনতে পেলে মন্দ হতো না।
ডা : দাউদের কবিতা “স্রোতের বুকে উত্তাপ” যেন হৃদয়ের উত্তাপ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস। প্রয়াস ভাল লেগেছে, এক টানে পড়া গিয়েছে কিন্তু দীর্ঘক্ষন খেলা করবে মানসপটে এমনটি লাগে নি।
“গলিত লাভায় তোমার ক্ষেপাটে যৌবন
ছুঁতে পারিনি খুঁত খুঁতে দ্বিধায়” – এই খানে আমার চিন্তা আর কবির চিন্তা বোধহয় এক না। অনেক সময় এমন হয় কবি হয়ত লিখেছে এক কথা ভেবে কিন্তু পাঠক ভাবছে আরেক কথা। আমি খুব নিষিদ্ধ ব্যাপার ভেবেছি সেটা নিশ্চয় ভেঙে বলতে হবে না।
কবিতার নাম “সুখ-দুঃখ“। লিখেছেন ব্লগার আচার্য। সুখ আর দুঃখ মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এই চির সত্যটিই ফুটে উঠেছে ছত্রে ছত্রে। ছন্দের মিল শেষ অবধি ধরে রাখতে পারলেও আমার কাছে কবিতাটির গঠণ প্রনালী পাচঁ মিশালী মনে হয়েছে। কখনো হেটেঁছে আঠারো শতকে কখনো বা উনিশের গোড়ায় অবশ্য শেষ অবধি বর্তমান যুগের তালের ছোয়াও রয়ে গেছে।
কবিতা নিয়ে একটা এক্সপেরিমেন্ট করেছেন ঘাস ফড়িং। নাম দিয়েছেন “ত্রিষ্টুভ” জানতে পারা গেল এটি একটি একাদশাক্ষরের সংস্কৃত ছন্দের নাম…যদিও বলেছেন যুক্ত অক্ষরসহ এখানে প্রতিটা লাইনে এগারোটি করে শব্দ আছে কিন্তু তৃতীয় লাইনে এগারোটির বেশী অক্ষর আছে।
“অরুন্ধতী আমি, ক্ষীণ তারা” – যদি ‘ক্ষ’ কে যুক্তাক্ষর ধরি তবে ক্ষ ভাঙলে অক্ষর সংখ্যা এগারো ছাড়িয়ে যায়। তবে এসবের বাইরে আমার কবিতাটি বেশ লেগেছে। শেষ লাইনের ” তুমি দেবযানী ও আমি কচ ” মহাভারতের বৃহস্পতি পুত্র কচ ও শুক্রাচার্য্য কন্যা দেবযানীর গল্প মনে করিয়ে দিল।
শুধু কবিতা নয় কবি নিয়ে একটা পোষ্ট এসেছে। কবি ফররুখ আহমেদ স্মরনে। লিখেছেন পথিক 804। ফররুখ আহমেদ এর ইসলাম প্রেম বা ব্যক্তি ফররুখ আহমেদ লেখার উপজীব্য হয়ে ওঠায় তার কবিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেল না।
ইসলামের উপর তিনটি পোষ্ট এসেছে। মুখে সশব্দে নিয়ত পড়া প্রসঙ্গ এবং
কুরআনের কয়েকটি বিশেষ সূরা ও আয়াতের ফযীলত এ দুটো বিষয়ের উপর লিখেছেন ব্লগার সাঈদ আলী হাছান। পবিত্র সূরাগুলোর বেশ কিছু ফজিলত জানা গেল। তবে নিয়ত প্রসঙ্গে কিছুটা বির্তক রয়েও গেল। সবাই সবারটা সহীহ বলে ইসলামের এই দিকগুলো নিয়ে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কিছুদিন আগে শব এ বরাতের পক্ষে বিপক্ষেও বেশ কিছু তর্ক বির্তক দেখলাম। ইসলামী দাওয়াত, দাওয়াতের কৌশল ও ইসলাম প্রচারকের গুনাবলী নামে সিরিজ পোষ্ট শুরু করেছেন সীমান্ত ঈগল। বিস্তারিত জানার জন্য পরের পোষ্টগুলোতে চোখ রাখতে হবে।
নৈতিক শিক্ষামূলক গল্প অনুবাদ করে প্রায়ই উপহার দিয়ে আসছেন ব্লগার সেতুন্ধন। তার এই প্রয়াস অনবদ্য। আজ প্রকাশিত হয়েছে অকৃতজ্ঞ এবং স্বার্থপরের ব্যর্থতা গল্পটি। গল্পটি পড়ে এটির মূল গল্পটি কোন ভাষার জানতে ইচ্ছা করল।
এমন আরেকটি নৈতিক শিক্ষার পোষ্ট দিয়েছেন ফৈরা দার্শনিক। মনুষত্ব vs পশুত্ব। পিতা মাতার প্রতি সন্তানের অবহেলা তুলে আনতে চেয়েছেন। কিন্তু কথার বুনন ততটা আর্কষিক না হওয়ায় মনের গভীরে আঘাত করতে পারেন নি।
জনসংখ্যা বৃদ্ধি না সু সন্তান কোনটি নিয়ে বিশেষ চিন্তায় আছেন ব্লগার নাজমুল হুদা ঠিক বোধগম্য হল না তার সুসন্তান একটিই (?) যথেষ্ট পোষ্টটি পড়ে। পুরোটা পড়ে একটা অসম্পূর্ণ পোষ্ট পড়লাম মনে হল।
অ্যালফাবেট | বর্ণমালা নামে একটি সংগঠনের জন্য আর্থিক, মানসিক, শারিরিক তিন ধরনের যেকোন একটি সাহায্য চেয়েছেন ব্লগার সতত মানবিক তার তারুণ্যের জয়গান! পোষ্ট এ। তাদের কার্যক্রম পড়ে শুভ কিছুই মনে হল করতে যাচ্ছেন। তাদের জন্য রইল শুভ কামনা। প্রতিটা শুভ কাজে আর কিছু পারি না পারি অন্তত শুভ কামনা জানিয়ে রাখি সব সময়।
স্মৃতিকথা লিখেছেন হামিদুর রহমান পলাশ ভাই। “আমি কি সত্যিই তাই?” নামে। একাকিত্বের কথামালা দারুন সাজান তিনি। লেখায় অ্যান ব্র্যাডস্ট্রিট কবিতার দুটি লাইন
Then while we live, in love lets so persever,
That when we live no more, we may live ever.”
আবার পড়তে পেরে বেশ লাগল।
সমাজ এবং সাংবাদিকতার উপর দু’টি গুরত্বপূর্ণ লেখা এসেছে ব্লগে। একটি একটি ফরিদুল আলম সুমনের “দ্রব্যমূল্য এবং ধোঁয়া ওঠা দেবদাস-পার্বতী” আরেকটি মাহবুব আলীর “বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বনাম খবরের প্রতিবাদ” শিরোনাম এ। ফরিদুল আলম সুমন সরকার এবং রাষ্ট্রের দায়ের সাথে ভোক্তার দায় যোগ করে এক্সর্টা বেনিফিসিয়ারি করার চেষ্টা করল মনে হল দ্রব্যমূল্যের উধ্বর্গতিতে সরকারের ব্যর্থতাকে। যে কোন পরিসরেই সরকার একটি বড় এবং শক্তিশালী মাধ্যম। এ পারে না এমন কোন কাজ আছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। সবাই যদি ধর্য্য ধারন করে তিন দিন পরে শসা খেতে যায় তবে তিন নম্বর দিনে দেখা যাবে শসার কেজী 100 টাকা দাড়িয়েছে প্রচুর ক্রেতা দুই দিন ধরে অভুক্ত আছে এই বিবেচনায়। তাই মূল না উপড়ে ডাল পালা কাটার প্রয়াস খুব একটা ভাল লাগল না। নিজেকে বদলানো শ্লোগানটা থেকে সবাই কে বদলাতে বাধ্য করা শ্লোগানটা বেশী উপযোগী।
হলুদ সাংবাদিকতা, সংবাদপত্রের গ্রহন যোগ্যতা নিয়ে কথা চালাচালি বেশ হচ্ছে। তবে মোটা দাগে এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে ক’টি প্রতিষ্ঠান আম জনতার প্রতিনিধি হিসাবে টিকে আছে তার মধ্যে সংবাদ পত্র অন্যতম। হলুদ, নীল ,কালো দাগ যুগে যুগেই সংবাদপত্রে ছিল। এটা পাঠকের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল সে হলুদ সংবাদ পড়বে কি পড়বে না। জনগণের সচেতনতাই পারে হলুদ সংবাদের বীজ রুখতে। আশার কথা সকল প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আম জনতার সচেতনেতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শব্দনীড়ের সঞ্চালক মহাদয় দীর্ঘদিন পড়ে পোষ্ট দিয়েছেন। শব্দনীড় ঈদ আয়োজন: ঈদের স্মৃতি কথা। ঈদ উপলক্ষে শব্দনীড় এর এই প্রয়াসের সাথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করলাম। যদিও ভোট প্রদানের জন্য ঠিকানা [email protected] এর hayoo.com নিয়ে বেশ চিন্তায় আছি।



দারুন ব্যাপার। এরকম পোস্ট দিতে থাকলে ব্লগে সবসময় একটা প্রাণ থাকবে। ভবিষ্যতেও ব্লগালোচনা কন্টিনিউ কোরেন
দারুণ ভাবে সহমত এবং লিখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
দেখা যাক!!!
অনেক ধন্যবাদ কবিরনি ভাই। দারুন একটা কাজ করেছেন। এমন নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ লেখক ও পাঠক উভয়ের জন্যই উপকারি। বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে এমন গঠনমূলক আলোচনা ব্লগের গতিপ্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। ব্লগালোচনা চলবে আশা করি।
আমি কোন কিছুই খুব বেশী দিন কন্টিনিউ করতে পারি না। এবারো পারব বলে মনে হচ্ছে না। তবে আরও অন্যান্যরাও যদি এগিয়ে আসে তবে এরকম প্রয়াস ব্লগে চলতে থাকবে…
অভিনন্দন! দারুণ এক প্রয়াস। প্রতিদিন এরকম হবে কিনা জানি না, তবে সাপ্তাহিক হলে মন্দ হয় না। আমার মনে হয় এ ধরণের গঠনমূলক সমালোচনা আসলেই খুব বেশি প্রয়োজন লেখার জন্য। সহনশীল গঠনমূলক সমালোচনাই একজন লেখকের লেখার উন্নতি ঘটাতে পারে।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।
প্রতিদিন বোধহয় সম্ভব না। তবে স্বাপ্তাহিক চালানো যেতে পারে।
কবিরনি’র পোষ্ট মানেই আমার কাছে অন্যরকম কিছু, এই ভেবেই পোষ্টে ঢুকলাম, ঢুকে দেখলাম এ যে বিশেষ ভাবে অন্যরকম কিছু।
এই পোষ্টের জন্য আপনাকে বেশ একটু কষ্ট করতে হয়েছে, আমি জানি এ কষ্টটা একেবারেই নি”স্বার্থভাবে করা এবং শব্দনীড়ের প্রতি ভালবাসার বহি:প্রকাশ। আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে নিজে খাটো হতে চাই না। শুধু একটা অনুরোধ থাকলো যদি সম্ভব হয় রাখবেন, এই ধরনের প্রয়াম যদি প্রতি সাপ্তাহের পোষ্টগুলি থেকে নিয়ে অব্যাহত রাখেন এটা এক বিশাল কাজ হবে।
শুভ কামনা।
বি: দ্র: ফকির আবদুল মালেকের ঘাস কবিতাটি নিয়ে আলোচনা করার জন্য নিজেকে বেশ কবি কবি মনে করতে পারছি। ওরে বাপরে এই অলোচনায় আবার পৃথিবী বিখ্যাত কবির কবিতার অবতারনা।
এ আনন্দ রাখি কোথায়!!!!
সপ্তাহে এক দিনই করতে হবে।
অফটপিক : কবিতা না বুইঝাও আমারও তো আলোচনা করার পর নিজেরে বিরাট কাব্য সমালোচক মনে হচ্ছে – তাই বলে কি আমি জনসম্মুখে ব্যাপারটা জাহির করেছি?
হা হা হা … না করেন নাই

এই পোস্টের জন্য একটা স্যলুট রেখে গেলাম রনি ভাই।

অসাধারন কাজ
এটা পাঠকের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল সে হলুদ সংবাদ পড়বে কি পড়বে না।–না ভাই মানতে পারলাম না পুরাপুরি।
সব পাঠকইতো আর কবিরনির মতো উর্বর নয় যে হলুদ আর মরিচের পার্থক্য সহসা বুঝবে।
মনে রাখা উচিত এই দেশে এখনো বেশীর ভাগ লোকই জানে “ছাপার অক্ষর মিথ্যা হতে পারে না। তাই আমি ছাপার অক্ষরের সৌন্দর্য্য চাই, ছাপার অক্ষরের সত্যতা চাই। যে সব পত্রিকা দলীয় লেজুড় ভিত্তি করে তারা তাদের পত্রিকার নামের উপরে লিখে রাখুক অমুখ দলের মুখপাত্র। বাংলাদেশের অধিকাংশ দেয়ালে সাঁটা থাকে “সংগ্রাম” পত্রিকাটা। সকালে অফিসে আসতে দেখি কেউ কেউ গোগ্রাসে গিলছে মৌলবাদ।কারণ এ যে ছাপার অক্ষরে লিখা! ছাপার অক্ষরের মহার্থেই সপ্তমনৌবহর চট্রগ্রাম বন্দরে না থাকলে এখনো অনেকের মনে ভাসছে। বাসে করে আসার সময় একজনের আলোচনায় শুনলাম সেটা।
দেশে প্রকৃত শিক্ষার হার বাড়িয়ে দেন, সচেতনেতা বাড়বে। হুলুদতাও থাকবে না সংবাদে।
অভিনন্দন!
আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি-
আসলে কোন লিখার পর লিখকের নিজের কাছে প্রথম প্রাপ্তি হলো সেই লিখার গঠনমূলক আলোচনা সমালোচনা
একজন প্রকৃত বন্ধু কিংবা শুভাকাঙ্ক্ষীই এটি করতে পারে
সত্যি খুব ভালো লাগছে আলোচনায় নিজের লিখাটা দেখে
এমন একটি প্রয়াস যদি আরো আগে থেকে সৃষ্টি হতো, তবে অনেক ভুল করা থেকে বেঁচে যেতাম।
সহনশীল গঠনমূলক সমালোচনাই একজন লেখকের লেখার উন্নতি ঘটাতে পারে।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।

শুভ কামনা, চলছে চলবে..
এমন পোস্ট বিশেষ জরুরী। আমি আমার নিজের একটা ব্লগে বিভিন্ন ব্লগ নিয়ে রিভিউ লেখা শুরু করেছিলাম কিন্তু সময়ে কুলিয়ে উঠতে না পেরে একটা লেখার পরেই তা থেমে গেছে।
খুব ভাল লাগল। চালিয়ে যাবার অনুরোধ জানাচ্ছি।
অনন্ত শুভ কামনা।
চেষ্টা থাকবে। শুভ কামনা
কিছু বলার নেই আপনাকে সেলুট জানাই
আশাকরি এমন লেখার ধারাবাহিকতা থাকবে
সুন্দর ও শ্রমঘন একটি পোস্ট। এমন লেখা সবসময়ই উৎসাহব্যাঞ্জক
আমার লেখার বিষয়ে আপনার সমালোচনার জবাবে বেশ কিছু কথা বলার ছিলো। সময় করে কোনোদিন হয়তো পোস্ট আকারেই দেবো।
ব্লগালোচনাটা সুন্দর হয়েছে নিঃসন্দেহে।