(ব্লগবুক স্ট্যাটাস যদি হইতে পারে, তবে ব্লগবুক নোট নয় কেন?? এই লেখাটা নোট হিসাবে দিলাম।)
গতকাল সন্ধ্যায় নারায়নগঞ্জ শহরের এক মার্কটে গিয়েছিলাম। সেখানে ‘এক থা টাইগার’ মডেলের জিন্স প্যান্ট দেখলাম দাম ৪৫৫০/= টাকা মাত্র। ইফতারির পর পর বলেই দোকান ফাঁকা ছিল। দোকানীর সাথে কিছুটা আলাপ করলাম। তার কাছ থেকে জানলাম সালমান খান নতুন ছবিতে এই প্যান্ট পরেছেন। এবারের ঈদে এই প্যান্টের বিশাল ডিমান্ড।
কথার মাঝখানে একজন লিকলিকে স্বাস্থ্যের তরুন ‘এক থা টাইগার’ জিন্স প্যান্ট কিনতে এলেন। আমি ভাবছিলাম সালমান খানকে যে প্যান্ট পরলে ভাল লাগবে, রোগা পটকা এই তরুণ’কে সেই প্যান্ট পরলে কেমন দেখাবে!! তরুণের কোমর(ওয়েস্ট) ছাব্বিশ। এই মাপের ‘এক থা টাইগার’ জিন্স না পেয়ে তিনি হতাশ হয়ে দাড়িয়ে রইলেন। সেই তরুণের সামনেই গম্ভীর হয়ে দোকানীকে জিজ্ঞেস করলাম, “এক থা কাছুয়া (কচ্ছপ)’ মডেলের জিন্স দেখাতে?” দোকানী অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন ‘ এই মডেল নাই।’ আমিও খুব হতাশ হয়ে দোকানীকে বললাম,”সবার জন্য সাইজ রাখবেন না, সব ধরেনর প্যান্টও রাখবেন না। খালি কাস্টমার দেখলে ডাকাডাকি করবেন- এইটা কিছু হইল!!” সেই তরুণও আমার সাথে গলা মিলিয়ে উপদেশ দিল দোকানীকে। একসাথে দু’জন বের হয়ে এলাম। এবার তরুণ জিজ্ঞেস করল, “ভাই আপনি যে মডেলটা’র কথা বললেন সেটার নাম কি?” আমি বললাম, “এক থা কাছুয়া”- সালমান খানের ‘এক থা টাইগার’ ছবির সিক্যুয়ালে ব্যবহার করবে। তরুণ বললেন,”সরাসরি ঢাকা যাইগা। এক ঘন্টার রাস্তা। যদি ‘এক থা টাইগার’ না পাই তবে ‘এক থা কাছুয়া’ জিন্সই কিনুম। কি কন বস্?” আমি বললাম, দুইটা মডেলই আপনাকে বেশ ভালো মানাবে।
তরুণ বিদায় নেয়ার পরে আমার বউ মানে মুরুব্বী আমাকে বলল, “এই ধরনের ফাজলামো গুলি না করলে হয় না!! আমার হাসি চাপতে অনেক কষ্ট হইছে। তুমি যদি আর কারো সাথে এমন কইরা ফাজলামো কর তবে সরাসরি বাড়ী চলে যাব।” আমি মনে মনে বললাম ‘এটাই’টো চাই। নো মোর শপিং। ওয়ান স্টোন, টু বার্ডস মানে এক ঢিলে দুই পাখি!!!”



ঈদ মোবারক।
সতত শুভ কামনা আপনার জন্য, সকলের জন্য।
এক থা কাছুয়া! চমৎকার!!
“ওয়ান স্টোন, টু বার্ডস মানে এক ঢিলে দুই পাখি!!!” দারুন!!
ঈদ মুবারাক।
“ভাই আপনি যে মডেলটা’র কথা বললেন সেটার নাম কি?” আমি বললাম, “এক থা কাছুয়া”-


সেই তরুণের সামনেই গম্ভীর হয়ে দোকানীকে জিজ্ঞেস করলাম, “এক থা কাছুয়া (কচ্ছপ)’ মডেলের জিন্স দেখাতে?”
বিশ্বাস করেন হাসতে হাসতে আমার বায়ু পানি ……গেলো
ঘুমের কন্যা উঠে গেলো!
বৌয়ের ধমক খাইলাম ঈদের দিনে
আপনি কন কামডা কেমন অইলো
আগের মন্তব্য টা আদা পড়েই করেছলাম

কারন হাসতে হাসতে ট-লেট……।।
ফিরে এসে বাকী টা পড়লাম, আবার হাসি …
এবার মুরুব্বী মানে বৌ কইলো ” এত্ত হাসির কি হলো দেখি”
বেচারী দেখে কইলো ” বৌ বাপের বাড়ী যাইবো কইছে? সে তো কইছে মার্কেট থেকে বাড়ী যাইবো মানে নিজের বাড়ী। তবে এত্ত খুশি হবার কি আছে?”
Dear All speaker,
all gun you made is very good, my darling calling me now, I come back later.
Now only eid mobarak.
এক থা টাইগার – ৪৫০০ টাকা মাত্র
এক থা কাছুয়া – ???
আমি মনে মনে বললাম ‘এটাই’টো চাই। নো মোর শপিং। ওয়ান স্টোন, টু বার্ডস মানে এক ঢিলে দুই পাখি!!!”
—-পুরাই জটিল।
ঈদ মোবারক।
এইসব হুজুগে পড়ি নাই কখনো। একবার সিলসিলা বইল্যা একধরনের পিস্লা স্ট্রাইপড কাপড় বাইর হইলো। পোলা-মাইয়া অনেকরেই দেখি পিন্দে, আমার আগ্রহই হয় নাই।
ইদানিং আপনি কিন্তু অনেক রাত জাগছেন… লক্ষণ কি?
খালি কি টাইগার, পুরো বলিউড এখন বাঙালীদের তরুন তরুনীদের শরীরে।
এই এক ঠিলে দুই পাখি মারার আইডিয়াটা দয়া করে অন্যরা প্রয়োগ করবে না আশা করি।

ও আরেকটা কথা এক থ্যা কাছুয়ার জিন্স কি আপনি সাপ্লাই দিবেন। দোকানের শুভ উদ্ধোধনে দাওয়াত দিয়েন কইলাম।
ওয়ান স্টোন, টু বার্ডস !
মজা পাইলাম। জম্পেস।
#এবার তরুণ জিজ্ঞেস করল, “ভাই আপনি যে মডেলটা’র কথা বললেন সেটার নাম কি?” আমি বললাম, “এক থা কাছুয়া”- সালমান খানের ‘এক থা টাইগার’ ছবির সিক্যুয়ালে ব্যবহার করবে। তরুণ বললেন,”সরাসরি ঢাকা যাইগা। এক ঘন্টার রাস্তা। যদি ‘এক থা টাইগার’ না পাই তবে ‘এক থা কাছুয়া’ জিন্সই কিনুম। কি কন বস্?” আমি বললাম, দুইটা মডেলই আপনাকে বেশ ভালো মানাবে।#
হাসা হাসি আপাতত শেষ। কিন্তু বড়’দা, এই ঘটনা কি বউ’দি জানে? মুহাহাহা