১.
পদ্মাসেতু নির্মাণে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন গং কর্তৃক মাত্র ১০%-ঘুষ বা উৎকোচ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংক অবশিষ্ট ৯০% অর্থায়ন বাতিল করে দেয়ায় স্পষ্ট হলো যে এটি ডিজিটাল গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে একটি গভীর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।
২.
চরম দূর্ণীতিগ্রস্থ কানাডা পুলিশের তথাকথিত তদন্ত ও প্রমানের উপর নির্ভর করে চমক মন্ত্রী পরিষদের অন্যতম চমকদার মন্ত্রী আবুল হোসেন ১০%-এর হকদার। অথচ দাবীকৃত ১০%-কে দূর্নীতি হিসাবে চিহ্নিত করে বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু নির্মাণে অর্থায়ন বাতিল করায় প্রমানিত হয়েছে যে তারা জামাতের হাতে বন্দী। বিশ্বব্যাংক নিয়ে সমগ্র দেশবাসীর মত আই এ্যাম একদম ফেডআপ।
দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলুন:
বিশ্বব্যাংকের কালো হাত
ভেঙে দাও…গুড়িয়ে দাও…
আবুলের হক মারা চলবেনা চলবেনা…
আবুল তোমার ভয় নাই
১০% এর ক্ষয় নাই…
৩.
আপনারা জানেন যে, আবুল হোসেন দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে যোগাযোগ মন্ত্রী হয়েছিলেন। তার সদা হাস্যময় ডায়নামিক নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংককে দৌড়ের উপর রাখা এখন আমাদের প্রধান কর্তব্য ও পবিত্র দায়িত্ব।
৪.
যে দেশের নামের আগেই কানা লিখা সেই কানাডা পুলিশের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত কখনই সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্বব্যাংক দুদকের কথা শুনলেন না, তারা শুনলেন কানাডা’ পুলিশের কথা…।
৫.
এবারের সংগ্রাম বিশ্বব্যাংককে দৌড়ের উপ্রে রাখার সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম আবুলের হক আদায়ের সংগ্রাম…
ক্ষমতাসীন দলের সকল কালো বিড়ালই মূলত সাদা। সার্টিফাইড বাই দুদক।
====================================
এই পোস্টটির সাথে সহমত পোষণ করলে লিখাটি শেয়ার করুন।
ফেসবুক আইডি Abu Sayeed Ahamed




এক মত। এ ভাবে অপরের অধিকারে হস্তক্ষেপ করার অধিকার বিশ্বব্যাঙ্ক কোথায় পেলো? এতে বিরোধী দলের কোন মদদ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার! এই পোস্ট শেয়ার করা ছাড়া কোন উপায় নাই।
ধন্যবাদ।
এ কি শুনছি,,,,,,,,,,,,,,,,,,এই বুঝি পুঁজিবাদ?????
বিশ্বব্যাংকের কালো হাত
ভেঙে দাও…গুড়িয়ে দাও…
আবুলের হক মারা চলবেনা চলবেনা…
আবুল তোমার ভয় নাই
১০% এর ক্ষয় নাই…
আওয়ামী ক্ষমতায় এলে কেবল উন্নয়ন আর উন্নয়ন।
ঢাকা, জুলাই ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম বিশ্বব্যাংক বিশ্বের মধ্যে ‘সবচেয়ে অকার্যকর’ একটিতে পরিণত হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা ব্যবসায় বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস এর একটি প্রতিবেদনে সংস্থাটির ‘ব্যাপক অনিয়মের’ কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করা হয়েছে।
দীর্ঘ ওই প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকে ‘নিয়মতান্ত্রিক চ্যুতি’ রোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সদ্য বিগত প্রেসিডেন্ট রবার্ট জেলিকের প্রতি অভিযোগের তীর নিক্ষেপ করা হয়েছে।
সাময়িকীটি বলছে, “অতিরাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকারী এ প্রতিষ্ঠান কার্যত একটি ক্রমবিস্তৃত প্রায় জাতিরাষ্ট্র হয়ে উঠছে। ২০১১ সালে এর তহবিলের পরিমাণ ৫৭ বিলিয়ন ডলার, যার উপর যোগানদাতা সরকারগুলোর কোনো নজরদারি নেই বললেই চলে।”
“গত কয়েক সপ্তাহের অনেক ও তার আগের পাঁচ বছরের শতাধিক সাক্ষাৎকার এবং হাজার পৃষ্ঠার একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক দশকের বেশি সময় ধরে নানা সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব্যাংকের অবস্থার উন্নতি হয়নি। বরং এর সমস্যাগুলো আরো বাজে রূপ ধারণ করেছে।”
ফোবর্স ম্যাগাজিনের ১৬ জুলাই সংখ্যার ওই প্রতিবেদন এমন এক সময় প্রকাশিত হলো যখন প্রতিষ্ঠানটির ওয়াশিংটন কার্যালয় থেকে এক বিবৃতি দিয়ে ‘দুর্নীতির নির্ভরযোগ্য প্রমাণ’ থাকার কথা বলে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের ঋণচুক্তি বাতিল করা হলো।
ব্যাংকের ভেতরে সাংস্কৃতিক সংকটের শেকড় আরো গভীরে প্রোথিত।
“ভেতরের এবং বাইরে সবাই বলেন, বিশ্বব্যাংক তার সুখ্যাতির ঝুঁকি নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকে যে নেতিবাচক কোনো কিছু সামনে এলেই তাকে মোকাবেলা না করে যান্ত্রিকভাবে চেপে যায়।”
ফোবর্স সাংবাদিক রিচার্ড বেহার গত পাঁচ বছর ধরে বিশ্বব্যাংক নিয়ে প্রতিবেদন করেছেন এবং প্রায়ই জেলিক ও তার দলের উপেক্ষার হয়েছেন। তিনি ব্যাংটির ঋণ কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেছেন।
“এর অর্থায়ন, অনুদান ও ঋণদানের প্রক্রিয়াগুলো অবিশ্বাস্যরকম জটিল। কিন্তু, মূলত এটা দাতা দেশগুলো থেকে সম্মিলিত পুঁজি এবং বন্ড বিক্রির মাধ্যমে স্বোপার্জিত আয় থেকে পরিচালিত হয়।”
বিশ্বব্যাংক জানলো না সে কী হারাল
কি সব বলেন! দুদক সাটুফিকেট আছে না!
এক তরফা সরকার কে শুধু দোশলে হবে না, বিশ্ব ব্যাংকও আজ চরম দূর্নীতি গ্রস্ত, নিচের লিং টি পডে দেখুন
Your text to link…
বিশ্ব ব্যাঙ্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ঙ কিঙ। জিম ইয়ঙ কিঙ এর জায়গায় আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ ছিল ডঃ মোহম্মদ ইউনুস। তাই বিশ্ব ব্যাঙ্ক আমাদের বিরুদ্ধে আজ উঠে পড়ে লেগেছে।
আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
আমাদের নিজের সামর্থ্য বাড়ানো উচিত যেন আর বেশিদিন বিশ্বব্যাংকের কাছে হাত পাততে না হয়। ধন্যবাদ।
এখন আবুল গং কি করে তাই দেখার পালা। ওয়েট এন্ড সি।
ক্ষমতাসীন দলের সকল কালো বিড়ালই মূলত সাদা। সার্টিফাইড বাই দুদক।
আবুল গং এর উন্নয়নের জোয়ারে ক্যানাডা সহ বিশ্বব্যাংক দৌড়ের উপর থাকবে।
আমাদের দুদক ও ডিজিটাল সরকারের ক্ষমতা কী এতোই সাধারণ মনে করছেন!
একটি আবুল মার্কা বিরহের কবিতা-
ইচ্ছে ছিল মন্ত্রী হব,
পদ্মা সেতুর ১০% খাব,
মালকে দিব ২%, আর ৩ দিব রেলের কাল্লুকে!
কিন্তু একি হয়ে গেল
আজ দেখি মন্ত্রিত্ব আছে,
মন্ত্রনালয় আছে
শুধু ১০% অন্য ঘরে…।