১.
দমাদম দমাদম
কিল-ঘুষি বৃষ্টি
জ্বীন-ভূতে সংঘাত—
বিপাকেই কৃষ্টি!
নাম নিয়ে আল্লাহর
জ্বীন কাটে কল্লাহ
ভূতগুলো ঘুতঘুতে
মোটে নেই জেল্লাহ।
জ্বীন আলো আগুনের
চেহারাটা নূরানী
ভূতগুলো কালো আর
কুতকুতে চাহনি।
লেগে গেল জ্বীনে-ভূতে—
কেন তাহা জান কি?
বিরোধের মূলে ছিল
নাকি এক জোনাকি!
জোনাকির রূপে এক
মিশমিশে পেত্নি।
প্রেমে পড়ে জপ করে,
রাব্বানা জিদনি।
জ্বীন আর পেত্নি—
এ তো মহাকলংক!
জ্বীনের সর্দার ছাড়ে
সুখপালংক।
খড়্গ হস্তে ভূতেরাও
হলো তৎপর।
হারিয়েছে তাহাদের
বোন, নিশাকর!
লড়ে ধুন্ধুমার আর
হাঁক ছাড়ে ওংকার।
‘আমরাই আদিবাসী,’
ভূত বলে, ‘বাংলার।’
গোলযোগ বেধে ওঠে
লঙ্কায় ডঙ্কায়।
প্রেমিক প্রেমিকা তাই
থাকে ভারি শঙ্কায়!
আলো আর কালো—
আঁটে ভয়ানক যুদ্ধ।
অসহায় এমনকি
মহামতি বুদ্ধ।
কেন এই সংঘাত—
কেন-ওগো নীল পরী?
‘হোক না পেত্নি, কালো খুব;—
জরুর সে সুন্দরী!’
২.
আগডুম বাগডুম
ছড়া লিখে ক্লান্ত
তাকদুম তাকদুম
নাচে ভূত জ্যান্ত
ডুমতাক ডুমতাক
ছড়া লেখা বন্ধ
‘উঁকি দিয়ে শিখে যাক’
ভূত যত ছন্দ।
এপ্রিল, ২০১২



ভালো হয় নাই….

কথায়, না কি ছন্দে?
অথবা, দু-ই মন্দে??
কহিলেন কী ছাই!
রহিলাম যে দ্বন্দ্বে!!
চমৎকার হয়েছে।