


মিরসরাইয়ের আবু তোরাব থেকে বড়তাকিয়ার দিকে এগোলে সৈদালীতে সড়কের পাশেই নির্মাণ করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ ‘অন্তিম’। এক বছর আগে ঠিক ওই স্থানেই ঝরে গিয়েছিল ৪৫টি তাজা প্রাণ, যাদের বেশিরভাগই ছিল স্কুলছাত্র।
২০১১ সালের ১১ জুলাই দুপুরে মিরসরাই স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের খেলা দেখে ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিল তারা। কিন্তু সৈদালী এলাকায় ট্রাকটি উল্টে পাশের ডোবায় পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৩৯ জন।
পরে বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
আমরা তাদের কোন এই ভাবে চলে যাওয়া কোন ভাবেই ভুলতে পারছিনা।
বুকের ভেতর গভীর ক্ষতের মতো যেই দাগ তা কোনদিন হয়তো মুছতে পারবোনা। কিন্তু এই দোয়া করি যাতে এই দেশের আর কোন স্কুল এমন শোকের স্তম্ভ তৈরী করতে না হয়। যেন আর কোন মায়ের কান্নায় বাতাসের ওজন ভারী না হয়।
আজকের এই শোকাহত দিনে সেই সব নিস্পাপ শিশুদের আত্মার শান্তি কামনা ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি
সকলে তাদের জন্য দোয়া করবেন।



যতদিন বাংলা বাঁচবে ততদিন এই শোক,,,,,,,, সবাইকে আহত করবে,,,,,,,,
দোয়া করবেন
এই শোক আজীবন আমাদের কাদিয়ে যাবে কারণ এই শোকটা বড় নির্মম। আল্লাহ এই কোমল শিশুদের অবশ্যই খুব ভাল রেখেছেন।
শোকার্ত পরিবারকে এই শোক ভুলার শক্তি আল্লাহ দান করুন।
আসলে এই শোক টা আর দশটা শোকের থেকে ভিন্ন
এক বাড়ীতে এক ঘরে শোক হলে পাশের বাড়ীর লোকজন আত্মীয় স্বজনরা সান্তনা দেয়
কিন্তু এখানে যারা সান্তনা দেবে তারাও শোকার্ত
চারদিকে শুধু কান্নার রোল
শোকের মাতম
এত্ত শোক এত্ত কান্না কেউ কখনো একত্রে দেখেনি
আমি সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম
কষ্ট বয়ে চলছে…
বুকের ভেতর গভীর ক্ষতের মতো যেই দাগ তা কোনদিন হয়তো মুছতে পারবোনা। কিন্তু এই দোয়া করি যাতে এই দেশের আর কোন স্কুল এমন শোকের স্তম্ভ তৈরী করতে না হয়। যেন আর কোন মায়ের কান্নায় বাতাসের ওজন ভারী না হয়।
ওরা আমাদের ভাই, আজ ওদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। তবে ড্রাইভার ভাইদের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আমরা সভা, সেমিনার ও ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে পারি আর এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে আমাদের তরুণ সমাজকে।
গুরুপূর্ন পোষ্ট দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, সুখে থাকুন প্রতিটি দিন প্রতিটি সময়।
এম্পিথ্রি গুলো পেয়েছেন কিনা জানান নি
পেলে শুনেছেন কিনা জানবেন
শুনলে কেমন লাগেছে তাও জানাবেন
দুঃখিত, এম্পিথ্রি গুলো আমার ইমেলে তো আসে নি। আমি তো বার বার ইমেল চেক করছি আপনি পাঠিয়েছেন কি না তা
দেখার জন্য। বার বার বিরক্ত করা আমার স্বভাব বিরুদ্ধ তাই সংশয়ে আমি জানাই নি। আমাকে এত ভালোবাসার জন্য আমার
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিবেন প্রিয়।
আমার ইমেল ID আবার দিলাম সাথে আরও একাটি দিলাম।
[email protected]
অথবা
[email protected]
আঙ্কেল, আসসালামুআলায়কুম।
এখনো থামেনি সেই বুক ফাটা কান্না
এ কান্না মূলত: থামবার কথা না!
তরুণ-তরুণী আর বসে থেকো না
সুষ্ঠু সড়ক ব্যবস্থাপনায় সভা-সেমিনার
বলো কেনো জোরেসোরে করা হয় না!
মায়ের কান্নায় দেখো আকাশ কতো ভারী
ওঁদের স্মরনে হয়েছে শোকের স্তম্ভ তৈরী।
আঙ্কেল, অতীব মূল্যবান পোষ্ট। দুয়া করি মহান আল্লাহ ঐ ছাত্রদের সকলকেই যেনো পরকালে চিরকাল অপার সুখ (জান্নাত) দান করেন।

হ্যাঁ আঙ্কেল দোয়া ছাড়া আর তো কিছুই করার নাই
ভালো থাকবেন।
খুবই মর্মান্তিক আর বেদনাদায়ক…!!!
দোয়া করবেন দাদা
দেখতে দেখতে একটি বছর!!!
ওদের আত্বার শান্তি কামনা করছি। শোকাহত পরিবারগুলো না জানি কেমন আছে এখন
হ্যাঁ হয়ে গেলো এক বছর
কিন্তু শোকটা এখনো সেই একিই রকম
স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ দাউদ ভাই ।
ওদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
ভুলতে পারলে ভালো হতো
কিন্তু ভুলার মতো নয়
দোয়া করবেন সাঈদ ভাই
শোকগুলো শোকই থেকে যাবে, যদি না আমরা এর প্রতিকার করতে না পারি। হোক সে রিক্সাচালক বা ট্রাক অথবা বাসের ড্রাইভার স্ব স্ব ক্ষেত্রে সবাইকে সুশিক্ষিত হতে হবে। দায়িত্ববোধের দায় সম্পর্কে সচেতন হবে হবে। সরকারের সদিচ্ছা আর আমাদের সচেতনতা পারে এ রকম অযাচিত দূর্ঘটনা অনেকটা রোধ করতে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
কিছুই বলার ভাষা নেই।
আমার বাড়ি মিরসরাইয়ের ইছাখালী ইউনিয়নে।ঐ দিন আমি বাড়িতে ছিলাম।খবর পেয়ে চুটে গেলাম ঘটনাস্হলে।গিয়ে দেখি অনেক গুলো কচি নিথর দেহ রাখা আছে সারিবদ্ধ ভাবে।চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না।আজ আপনার লেখাটি পড়ে পুরো দৃশ্যটা আবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে।আজও চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
পরিশেষে এটাই প্রার্থনা করি যেন আল্লাহ শোকার্ত পরিবার গুলোকে শোক সইবার তৌফিক দান করেন।
আলো ভাই আমার সালাম নিন।
আপনার বাড়ী মিরসরাইতে যেনে খুব ভালো লাগছে
নিজের আপনা আপানা মনে হয়
এম্নিতে শব্দনীড়ের ব্লগারদের সকলের মাঝে এক পারিবারের মত
সম্পর্ক’
আপনি বর্তমানে কোথায় আছেন জানাবেন।
ভালো থাকবেন
দোয়া করি মহান আল্লাহ যেন তাদের ভাল রাখেন পরপারে।আর পরিবারের সকলকে শোক বইবার শক্তি দান করেন।
দোয়াই এখন ওদের প্রয়োজন
দোয়া করবেন পলাশ ভাই
আল্লাহর রহমতে জায়গায় আছেন, ওখান থেকে দোয়া করলে অনেক অনেক বরকত হবে।
আজকের এই শোকাহত দিনে সেই সব নিস্পাপ শিশুদের আত্মার শান্তি কামনা ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি
আমিন।
1/11, 9/11, 7/11
এই এগার তারিখ মানেই কুফা,
সত্যই এত গুলা কোমল প্রাণ এক সাথে চলে যাওয়া কারো পক্ষেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সে সময়ের ঘটনা প্রবাহতে একটা বিষয় আমাকে বেশ কষ্ট দিয়েছিল -সেটা হলো-নিহতের অভিভাবকদেরকে শোকসভার মঞ্চে ডেকে নিয়ে টাকা/চেক প্রদান। কেন তাদের একাউন্ট নাম্বার নিয়ে কি সেটা একাউন্ট পেয়ি চেকের মাধ্যে দেয়া যেত না? মাইকে ঘোষনা দিলেই হতো।সবাইকে দেখিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে চেক গুলা? তাও মৃত্তুর পরদিন যেখানে তারা শোক কাটিয়ে উঠার সময়ও পায়নি!!
সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
—
.
ফিরে গেছি পোষ্ট দেখে বারবার
পারিনি কোন কথা বলতে
এমন আরো যে কত হবে দেখতে,
এই পৃথিবীর পথ চলতে?
দুর্ঘটনা রোধে সরকারকে আইন প্রয়োগ ও বাস্তবায়নই আমাদের আগামী প্রজন্মকে এ ধরনের অপ্রত্যাশিত
দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে। আর তার সাথে চাই রাস্তা ও ব্রীজের যথাযথ সংস্কার তাহলেই রোধ করতে পারে এ ধরনের অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা।
ওদের জন্য দোয়া ও ওদের পরিবারের জন্য সমবেদনা জানাই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
এই শোক ভুলে যাবার নয়। চিরকাল হৃদয়ে দাগ কেটে যাবার মত। আমাদের কারো না কারো মায়ের কোল আজ শূন্য।
তবুও কত সহজেই আমরা ভুলে যাই। দোয়া করি, শান্তিতে ঘুমাক ওরা। শোকসন্তপ্ত সকল পরিবারকে আল্লাহ হেফাজত করুন, এমন দূর্ঘটনা কখনো যেন নেমে আর না আসে।