

২০ বছরে লাখে জীবনে প্রশান্তির উচ্ছ্বাস উপহার দিয়ে কোয়ান্টাম মেথড আজ পৌঁছেছে এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস সৃষ্টির দোরগোড়ায়। আয়োজন করতে যাচ্ছে কোয়ান্টাম মেথডের ৩৫০ তম কোর্স। এককভাবে একজন প্রশিক্ষকের পরিচালনায় জীবনকে সুন্দর করার এমন কোনো আয়োজনন সারা পৃথিবীতে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই শুভ মুহূর্তে আমরা পরম করুণাময়ের কাছে জানাই গভীর শুকরিয়া। কোয়ান্টাম পরিবারের সদস্য হিসেবে এ সৌভাগ্যের আপনিও একটি উজ্জ্বল অংশ। সবার প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণেই আজ কোয়ান্টামের এ সাফল্য।


মেডিটেশন কী? মেডিটেশন করলে কী লাভ?
মেডিটেশন বা ধ্যান মনের এমন এক অবস্থা যখন মন অপ্রয়োজনীয় সবকিছু থেকে নিজেকে আলাদা করে নির্দিষ্ট বিষয়ে নিমগ্ন হয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ও নিখুঁতভাবে ব্যবহার করতে পারে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন ধ্যানাবস্থায় ব্রেনে আলফা ওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি থাকে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৮-১৩ সাইকেল। তারা বলেন এই ফ্রিকোয়েন্সিতেই ব্রেন সবচেয়ে সুন্দরভাবে কাজ করে। আসলে প্রতিভার রহস্য এখানেই। আমরা যাকে প্রতিভা মনে করি, তা অলৌকিক কিছু নয়। প্রতিভা মানে ইচ্ছেমতো তৎক্ষণাৎ মনে ‘ধ্যানাবস্থা’ সৃষ্টি করার ক্ষমতা, সবার অলক্ষ্যে মুহূর্তে তন্ময় ভাবনায় নিমগ্ন হয়ে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেয়ার সামর্থ্য।
আসলে ধর্মবেত্তা দার্শনিক দরবেশ ঋষি কবি সাহিত্যিক বিজ্ঞানী সবাই মনের ধ্যানাবস্থার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন, বরণীয় হয়েছেন। সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। কারণ মনই সূচনা করেছে চিন্তা বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও সভ্যতার। মনের ধ্যানাবস্থা তথা তন্ময় ভাবনার মধ্যেই আবিষ্কৃত হয়েছে বৈজ্ঞানিক সত্য। মনোশক্তির সৃজনশীল প্রয়োগে উদ্ভাবিত হয়েছে নতুন প্রযুক্তি। নীরব মুহূর্তেই সৃষ্টি হয়েছে অমর কাব্য, সাহিত্য, সংগীত। আত্মনিমগ্ন অবস্থায়ই মহাপুরুষেরা দুনিয়াকে দিয়েছেন নতুন দর্শন, ধর্ম, জীবনবিধান।
পৃথিবীর সকল বড় বড় বিপ্লবের সূচনা হয়েছে মৌনতার মাঝে মনের ধ্যানাবস্থায়। দুনিয়ায় মানুষের তৈরি দৃশ্যমান সবকিছুই প্রথম বাস্তবতা লাভ করেছে মনে।
কেন আমি কোয়ান্টাম মেথড করবো?
কোয়ান্টাম মেথড হলো জীবন যাপনের বিজ্ঞান। অর্থাৎ জীবনকে কীভাবে সুন্দর করা যায়, জীবনে ভুল কত কম করা যায়- জীবনের কাজগুলোকে কত সহজে করা যায়- জীবনের অংক কীভাবে মেলানো যায়- জীবনকে কীভাবে শান্তিময়, আনন্দ ও সাফল্যময় করা যায়। কারণ জীবনের ৫টি মৌল প্রয়োজন- ১. মানসিক প্রশান্তি ২. শারীরিক সুস্থতা ৩. আর্থিক সচ্ছলতা ৪. পারিবারিক সমৃদ্ধি ৫. আত্মিক পূর্ণতা- এই উপকরণগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে কোয়ান্টাম চেতনায় সন্নিবেশিত হয়েছে।
কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে একজন মানুষ যে যে উপকারগুলো লাভ করতে পারেন তা হলো:
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব : টেনশন নার্ভাসনেস ভয়-ভীতি হতাশা বিষণ্নতা রাগ-ক্ষোভ ও বদমেজাজ থেকে মুক্তি। নিজের ওপর পূর্ণ আস্থা, মানসিক প্রশান্তি ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। আমরা আমাদের কোয়ান্টাম সূত্রে বলি সমস্যা+টেনশন=সংকট। সমস্যা+মেডিটেশন=সমাধান। সমস্যা আসবে জীবনে। কিন্তু প্রশান্তভাবে কীভাবে সমস্যার মোকাবেলা করবেন সেই সূত্র আপনি পাবেন।
সম্পর্ক উন্নয়ন- ব্যক্তিগত, দাম্পত্য, পারিবারিক, পেশাগত, সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন। ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে ঠান্ডা মাথায় সংলাপে বসা প্রয়োজন।
আত্মশক্তির বিকাশ : আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য, সাহস, মনোযোগ, একাগ্রতা, মানসিক দৃঢ়তা, মেধা ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি।
সুস্বাস্থ্য : রোগ নিরাময়ে মনের ক্ষমতা বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক স্বীকৃত সত্য। মনের শক্তি দিয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় ক্ষমতা বাড়িয়ে পেতে পারেন রোগ-ব্যাধিমুক্ত সুস্থ, সুন্দর, দীর্ঘ জীবন।
লেখাপড়ায় সাফল্য : জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ, অখণ্ড মনোযোগ সৃষ্টি ও বিশেষ প্রক্রিয়ায় লেখাপড়ার মাধ্যমে অল্প সময়ে পড়া তৈরি, পরীক্ষাভীতি দূর ও আত্মবিশ্বাসের সাথে পরীক্ষা দিয়ে অসাধারণ ফল।
অর্থ-বিত্ত-খ্যাতি-প্রতিপত্তি : ব্রেনের ডান ও বাম বলয়কে সমন্বয় এবং ব্রেনকে বেশি পরিমাণে ব্যবহার করে পেশাগত সাফল্য, পদোন্নতি, ব্যবসা, অভিনয়, ক্রীড়া ও জনপেশায় জনপ্রিয়তা ও অর্থ-বিত্ত-খ্যাতি-প্রতিপত্তি লাভ।
সম্পর্ক উন্নয়ন : ব্যক্তিগত, দাম্পত্য, পারিবারিক, পেশাগত ও সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন, অন্যকে বোঝা ও তার উপকার করার ক্ষমতা।
বদ-অভ্যাস দূর: ধূমপান অ্যালকোহল ড্রাগ নেশা ও মাদকদ্রব্য বর্জন এবং যেকোনো বদ-অভ্যাস থেকে মুক্তি।
অতিচেতনা : অতিচেতনা, প্রজ্ঞা অর্থাৎ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, মুক্ত বিশ্বাস ও প্রশান্ত প্রত্যয়।
ইবাদতে একাগ্রতা : একাগ্রচিত্তে ইবাদত বা প্রার্থনা, দোয়া, জিকির, আরাধনা বা নামজপের মাধ্যমে স্রষ্টার নৈকট্য লাভ।
আমি কীভাবে কোয়ান্টাম মেথড শিখতে পারি?
কোয়ান্টাম মেথড ৪ দিনব্যাপী একটি কোর্স। বাংলাদেশের ঢাকায় প্রতিমাসেই অনুষ্ঠিত হয় এ কোর্স। এছাড়া চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, যশোর ও অন্যান্য জেলাশহরেও নিয়মিত বিরতিতে কোর্স হয়। কোর্সের সময়সূচি জানতে পারবেন এখান থেকে। আর কোর্সে অংশ নেয়ার ফরম সংগ্রহ ও অন্যান্য প্রস্তুতির জন্যে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন এখানে। তবে কোর্সে আসার আগ পর্যন্ত আপনি অংশ নিতে পারেন আমাদের সাপ্তাহিক সাদাকায়ন ও আলোকায়ন প্রোগ্রামে। আর সে পর্যন্তও অপেক্ষা করতে না চাইলে ওয়েবসাইট থেকে মেডিটেশন ডাউনলোড করে এক্ষুণি বসে পড়তে পারেন মেডিটেশনে।
ধর্মের সাথে কি কোনো বিরোধ আছে?
কোয়ান্টাম মেথেডর সাথে ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্মের কোনো বিরোধ নেই। আমাদের দেশের বহু বিশিষ্ট আলেম এ কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তারা সবাই এক বাক্যে বলেছেন যে কোয়ান্টামের কোনো সূত্রের সাথে আমাদের ঈমান-আকিদার কোনো বিরোধ নাই। বরং অধিকাংশই খুব দুঃখ করে বলেছেন যে, আমরা তো বলি হুদরিল ক্বালব ছাড়া নামাজ হয় না। নামাজের জন্যে প্রয়োজন হুদরিল ক্বালব, একাগ্রচিত্ততা। শুধু রুকু-সিজদা দিলে নামাজ হয় না। শুধু সূরা- কেরাত পড়লে নামাজ হয় না। নামাজের জন্যে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একাগ্রচিত্ততা, হুজরে ক্বালব। এই হুজরে ক্বালব কীভাবে সৃষ্টি করতে হয় এখানে এসে শিখে গেলেন। যারা এ কোর্সে অংশ নিয়েছেন, প্রত্যেক আলেম একটি কথা বলেছেন যে তাদের নামাজের একাগ্রচিত্ততা, মনোযোগ আগের চেয়ে বেশি। অতএব যারা ইবাদত-বন্দেগী, উপাসনা-আরাধনায় একাগ্রচিত্ত হতে চান কোয়ান্টাম মেথড তাদেরকে চমৎকারভাবে সাহায্য করবে।
৪ দিনে কি কোয়ান্টাম মেথড শেখা সম্ভব?
অবশ্যই সম্ভব। অসংখ্য মানুষ ইতোমধ্যেই তা সম্ভব করেছেন। সহজ ও কার্যকর প্রশিক্ষণ পদ্ধতির কারণেই তা সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতেই প্রতিটি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার পরেই হয় মেডিটেশন। মেডিটেশন চলাকালে প্রশিক্ষকের ধ্যানশক্তি-তরঙ্গের প্রভাবে অংশগ্রহণকারীরা সহজে মেডিটেটিভ লেভেলে পৌঁছে যান। তৈরি হয় কোয়ান্টাম চেতনা বলয়। জ্ঞান তখন শুধু শব্দ দ্বারা বাহিত হয় না, জ্ঞান ও অনুভব তখন সঞ্চারিত হয় মন থেকে মনে। কোয়ান্টাম কোর্সে মন থেকে মনে অনুভব সঞ্চারণ ও মনের গভীরে নিমগ্ন হওয়ার পরিমাণ এত ব্যাপক যে, প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেরাই বিস্মিত হন।
কোয়ান্টাম ওয়েব সাইট থেকে সংগ্রহ করে শেয়ার করা হলো।



Audio clip: Adobe Flash Player (version 9 or above) is required to play this audio clip. Download the latest version here. You also need to have JavaScript enabled in your browser.
সময় তো ঠিকই চলে যায়,
এক কালের প্রত্যয়!!!!!!!!!!!!!!!
চুড়ান্ত দিবসে কাল যখন জিজ্ঞেস করবে সময় (হায়াত) কি ভাবে
ব্যায় করেছো?
যা সত্য বলে জেনেছো তা কত টুকু মেনেছো?
- কি জবাব দেবেন?
পড়িনি তবে পড়বো।
কেমন আছেন?
শোকর আল হামদুলিল্লাহ বেশ ভালো আছি
আপনি ভালো আছেন আশা করছি।
পোষ্ট পড়ার সময় না পেলেও দয়া করে ভিডিও টা দেখবেন আবং অবশ্যই
ভাবী আর বাচ্চা দের নিয়ে দেখবেন।
আবংএবংআজকাল সবসময় মেডিটেশন অবস্থায় থাকি
এই কারণেই এত্ত সুন্দর সুন্দর কবিতা উপহার পাচ্ছি
ভালো থাকুন অবিরাম
দাউদ ভাই এই ৪দিনের কোর্স কখন করানো হয়, কতো টাকা দিতে হয় একটু জানাবেন। আর এর পরে কবে আবার কর্মশালা আছে তা জানালে আমি চেষ্টা করতাম। আমি বুঝতে পারছি আমার এই ট্রিটমেন্টটা জরুরী।
আপা আসসালামুয়ালিকুম

আপনার আগ্রহই প্রমান করে আপনি সৃজনশীল মানুষ
আর কোয়ান্টামেই ৩৫০ তম ব্যাচটি হবে গত ৩৪৯টি ব্যাচের যেই সাফল্যে সেই ইতিহাস সেই ইতিহাস ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়ার কোর্স।
আর এটি আগামী ১৫ই জুন অনুষ্টিত হবে
ঢাকার কাকরাইলস্থ আইডিইবি হলে
কোর্স ফি- ৮০০০ হাজার টাকা ( এই ফি-তে এটিই শেষ কোর্স)
উপরের ছবি গুলোর শেষটিতে -শোকরান শোকরান ৩৫০ লিখা ফোল্ডিং কার্ড টির নিচে যে কার্ড টি তাতে সব লিখা আছে
আমার খুব প্রিয় দুজন ফ্রেন্ড রায়হান আলী রনি এবং ফারুক মজুমদার ফারুক।এরং তারা নিজেরাও খুব অন্তরঙ্গ।
রায়হান কোয়ান্টাম এর খুব ভক্ত ।প্রায় কোর্স করার চেষ্টা করে , হাতে মাদুলী পড়ে ,মাটির ব্যাংকে টাকা জমায় ।
ফারুক তবলিগে (অবশ্য রনিও) সময় দেয়।
ফারুক এটা তীব্র প্রতিবাদ জানায় ।কারন তার মতে , একটা ছেলে যখন খুব অসহায় হয়ে যায় ,তখন তার একমাত্র আল্লাহর ধ্যান করা উচিত (যদি মুসলমান হয়,আবার মুসলিম বলতে মুসলামান জাতি নয় বরং যে মুসলিম রীতি নীতি মানার চেষ্টা করে )।তার সমাধান আল্লাহর কাছে চাওয়া উচিত আল্লাহর মনোনীত পথে (নামজ,রোজা,)।কিন্তু কোয়ান্টাম একটা ছেলের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যে আল্লাহর কাছে আসার একটা সুযোগ ছিল তা থেকে দূরে সরে দেয় । হয়ত সে আর কখনও এ পথটা খুজেই পায় না।
এ রকম অবস্থায় আমি কাধ ঝাকাই,
আপনার মতামত কি ?
পোষ্টে দেয়া ভিডিও টা দেখেন নি মনে হয়।
আসলে যারা কোর্স করেন নি তারা কোন দিন ও এর বাস্তবতা
উপলব্দি করতে পারবেন না
ধারনা করে কোন কথা বলা মহা পাপ-
কোয়ান্টাম নিয়ে আপনাদের উচ্ছাস ভাল লাগে। আপনাদের শুভেচ্ছা।
সতত শুভ কামনা আপনার জন্য, সকলের জন্য।
বি:দ্র: তবে কোয়ান্টামের কিছু বিষয় নিয়ে যৌক্তিক কারণেই আমার নেতিবাচক (প্রচন্ড) ধারনা আছে। সময় নিয়ে লিখবার ইচ্ছা রইল।
কোয়ান্টামের শুরু থেকে এই পর্যায়ের উত্তরণ পর্যন্ত আর কোয়ান্টামের প্রথম দিকে যুবক-এর সহযোগিতা আর মার্কেটিং সম্পর্কে কি আপনার কোন ধারনা আছে দাউদ ভাই!!
স্যার সালাম জানিবেন
কোয়ান্টামের যাত্রা শুন্য থেকে
শুধু মাত্র বিশ্বাস মেধা আর শ্রম দিয়েই আজকের এই অবস্থান।
যুবকের সাথে এর কোন সম্পৃক্ততা নাই ছিলোওনা
অনেক ধান্ধা বাজ আছে যারা আজকাল কোয়ান্টাম কোর্স করছে নিজেদের হীন উদ্দ্যেশ্য নিয়ে , যারা কোয়ান্টামের কিছু কথা বা বানীকে নিজেদের কোম্পানীর সাইনবোর্ডে লাগিয়ে পায়দা লুটতে চায়,
কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের কেউই সফল হয়নি আগামীতেতো আসম্ভব!
আর হ্যাঁ কোয়ান্টাম সম্প্ররকে লিখুন কিন্তু তার আগে কোর্স টা করুন
আর কোন উপকার না হোক শরীরের সুস্থ্যতা মনের প্রশান্তি আর জীবনের মানে খুজে পাবেন। এর ব্যাতিক্রম হলে আমি আপনাকে কোর্স ফী বাবদ যা যাবে তা ফেরত দেবো।