বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে একটি ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে ইভ টিজিং। যা দিন দিন আরও বেশী ভয়ঙ্কর হয়ে যাচ্ছে। সারা দেশ জুড়েই এর বিস্তার ঘটছে, আর এর শিকার হচ্ছে কি গ্রাম কি শহর সব জায়গার মেয়েরাই। এর ভয়াবহতা সম্বন্ধে আমারা সবাই অবগত।
গত ২১ জুলাই ২০১২ তারিখে আমাদের একজন সহ ব্লগার মো. ফারুকুল ইসলাম “ইভটিজিং: শিক্ষিত সমাজ গঠনে বাধা” এই শিরোনামে একটি ব্লগ লিখেছিলেন যেখানে আমার মন্তব্যটি ছিল এরকম-
“আমরা যদি ইভটিজারদের সাথে সাথে তাদের ফ্যামিলিকেও বয়কট করি তাহলে চাপে পরেই তারা লাইনে চলে আসবে। সবাইকে জানিয়ে দিতে হবে এই পরিবারের এই ছেলে ইভটিজার, তখন সবাইকে ঐ পরিবারকে এড়িয়ে চলতে হবে। তাহলে কিছু একটা হতে পারে।
সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আইডিয়াটা অন্য কারও পছন্দ নাও হতে পারে।”
উল্লেখ্য যে আমার এই মন্তব্যের সাথে লেখকও একমত হয়েছিলেন এবং আমাদের সবার প্রিয় সহ ব্লগার আফরোজা হক লিখেছিলেন “পছন্দ হয়েছে। @ দীপক সাহা”।
সবাইকে আহবান জানাই এই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার।
আমার মনে হল যে, আমার মন্তব্যটি যদি পোষ্ট আকারে দেই তাহলে হয়তো অনেকেরই চোখে পরবে। তাই সবার উদ্দেশ্যে আমার এই পোষ্ট। প্রস্তাবনাটি ভাল লাগলে এবং সমর্থন করলে সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ করছি।



“যেখানে একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় হবে যে সে মানুষ…”</sষ…""—আমরা ক্রমশ সেই পরিচয়টাই ভুলে যাচ্ছি।
ধন্যবাদ দাউদ ভাই।
গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট ,

পোষ্টটি ভালো লাগলো ।
শুভকামনা রইলো ।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আগে সমাজের অবক্ষয় দুর করা খুবই জরুরী,,,,,,,,,,,,,,,
এই সব ঘটনা গুলোই তো সমাজের অবক্ষয় ঘটাচ্ছে।
আমি আপনার সাথে একমত নই কারণ একজনের দোষে আমরা সবাইকে দোষী করতে পারি না। আমরা সচেতনতা তৈরী করতে পারি। স্কুল কলেজ সব জায়গায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে আমাদের মেয়েদেরও একটু শালীন হতে হবে ।
ছেলেদর দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবতর্ণ করাতে হবে। এখন কিন্তু অনেক কমেছে বিয়ষটা আরো কমে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। আর যারা করছে তারা কিন্তু বেশীর ভাগই এলাকার উঠতি মাস্তান । হ্যা যারা এই কাজটি করে তাদের পরিবারকে শক্ত হতে হবে তার সন্তানের বিষয়ে সাথে পলিটিক্যাল দলকেও। যেনো তারা কোথাও আশ্রয় না পায়।
আপু, আমি আগেই বলে নিয়েছি এটি “সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আইডিয়াটা অন্য কারও পছন্দ নাও হতে পারে”।
ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য।
জরিপে আপনার প্রশ্নটি দিতে চাই। যদি আপনি অনুমতি দেন
রাজিন ভাই, অনুমতি চাওয়ার দরকার নাই। আমি আমার পোষ্টেই বলে দিয়েছি যদি আমার এই প্রস্তাব কারও পছন্দ হয় তাহলে যেন সবাই শেয়ার করে। সেটা যেভাবেই হোক…।
ধন্যবাদ আপনাকে।
সহমত।
তবে বখাটে ছেলে কি আর পরিবারের কথা চিন্তা করে? করে না। যাই হোক সহমত।
অনেক ধন্যবাদ জাকির ভাই, সহমত পোষণ করার জন্য।
ইভটিজিং যে করে, সে নিজের ইচ্ছেতেই করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ইভটিজারকে নিয়ে তার পরিবারও নানাভাবে বিব্রত থাকে। একজনের অপরাধে নিরপরাধ অন্যরা শাস্তি পাবে কেন?
তাই এই আইডিয়াটা সমর্থনযোগ্য নয়।
অনেক ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য। এটা ঠিক যে একজনের দোষে আরেকজন কেন দোষী হবে?
যেহেতু সচেতনতা মূলক প্রচার আর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছেনা, অহরহই ঘটছে এমন ঘটনা। ইভটিজারদের পরিবার থেকেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা। তখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাচ্ছে। এখনই সময় কিছু একটা করার।
পারিবারিক ভোগান্তি তাকে পথে আনতেও তো পারে!
আমিও ঠিক এই ব্যাপারটিই ভেবেছি।
ধন্যবাদ আপনাকে।
বন্ধ হোক
বন্ধ হোক, চিরতরে…