জুলাই ৬, ২০১২
বিভাগের সব লেখা
বলি সত্যের চেয়ে নেই
আর কিছু সুউচ্চে সেই।
সৎ লোকের তুলনা
কারো সাথে হয় না।
বিশ্বে আর কিছুই নেই
সত্যের চেয়ে সুউচ্চে সেই।
তুষ্ট হৃদয় সবচে’ গরীয়ান
সৎজন গুণে বড়োই বলিয়ান।
সব সময় সন্তুষ্ট পরিপূর্ণ
হতে পারে সে ব্যক্তি নিরন্ন!
সে নাও হতে পারে ধনবান
তবুও
ব্যক্তিত্ব
|
|
| ৯৭ শব্দ
আমি সবার আগে হতে চাই পাঠক
এনিয়ে করব না কোন নাটক,
আমি হতে চাই সত্যিকারের পাঠক
নইলে হয়ে যাব আমি তাদের কাছে আটক,
আমি সবার আগে হতে চাই অকৃত্রিম পাঠক।
করব না কোন অবহেলা, নয় কোন ঝামেলা,
যা বলব, সবিই বলব আলোরমত খোলামেলা।
আমার পাঠের
বিবিধ
|
|
| ৮৪ শব্দ
এই আমি প্রতিদিনই তার প্রতীক্ষায় থাকি,তার কলেজ ফেরার সময়ে-তাকে এক নজর দেখব বলে।
সে আমার দিকে তার পাওয়ারফুল চশমার কাচ গলিয়ে দৃষ্টি ফেলে আমায় দেখে,তারপর মৃদু হাসে,অতঃপর গটমট করে চলে যায়।আর,আমার বুকটা ফাইট্যা যায়।
ব্যাপারটা তেমন কিছু না,”হাল্কার উপর ঝাপ্সা” হৃদয়ঘটিত ব্যাপার।কিন্তু সুন্দরী চশমাওয়ালী্র
রম্য
|
|
| ৫০৭ শব্দ
ফিরে আসি তাই প্রিয় প্রলোভনে
তুমি ডেকেছ বলে; একদিন ডেকেছিল
মেঘেরা অমোঘ।
দেখেছি কি করে কবিতা হয়ে ওঠে
মেঘের আলিঙ্গনে তোমার শৈল্পিক ভিটে;
তুমি নীলাভ আকাশ হয়ে মেঘের নামতা শেখ
মেঘের প্রণয়ী ঠোঁটে আঁক কামনার কারুকাজ,
এদিকে দারুণ দাবদাহ চেতনার শেকড়ে
কি দিয়ে নেভাই নারী;
আচার্য | জুলাই ০৬, ২০১২ | ১৯:৩৬
বাবা-মায়ের চোখের মণি
তুমি বুকের ধন,
উদ্ভাবিত হয় অগ্নি
অমূল্য সেই ক্ষণ
যেমন মানব কূলের তরে
তুমি মোদের তাই,
মন দিলে আনন্দে ভরে
খুশীর সীমা নাই!
এমন একটি দিনে তুমি
চারটি বছর আগে
হরেছিলে হৃদয়ভূমি
ভাবতে কী সুখ
ছড়া ও পদ্য
|
অগ্নির জন্মদিন
|
|
| ৮৩ শব্দ ১টি ছবি
খাপ খাইয়ে চলতে পারিনা বলে
তোমাদের কাছে আমি বেখাপ্পা জীব
সজীব মনের আয়নায় নির্জীব প্রতিচ্ছবি
বলে দেয় তোমাদের এই বেলাজ্ব চরিত্র কথা
আমার খুব ব্যথা লাগে
মানুষ হয়ে মানুষের পূজা করতে দেখে;
গাঁজাখুরি প্রশংসায় পঞ্চমুখ হইনা বলে
তোমরা আমাকে বঞ্চিত কর আমার প্রাপ্য থেকে
অথচ জীবনের এক একটি মুহূর্ত
কবিরনি | জুলাই ০৬, ২০১২ | ১৭:১৯
রেজা কোলকাতায়। কোলকাতায় অনেক পূর্ব পাকিস্থানের মানুষ। তাদের চোখে মুখে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের রেখা পড়া গেলেও মৃত্যূ ভয়ের চিহ্ন নেই। যা রেজা দেখেছে ভারতে ঢুকতে বাংলার পথে পথে। রেজা যুদ্ধ শুরু হবার পরও চট্টগ্রামে বেশ ছিল। নিয়মিত রেল চাকরীতে এ যাচ্ছিল। কিন্তু হঠ্যাৎ কিভাবে যেন
গল্প
|
|
| ৯২১ শব্দ
তোমার ছায়াতে আমার হাঁসিতে
আঁকিতেছি মনে ছবি,
আমার প্রাণে আজ তাই নিয়ে
জেগেছে আমার কবি!
নিভৃত নিজুম আলোতে,
আজ মন শুধু চায় তোমাকে।
কি দারুন সৃষ্টি,
কি অপূর্ব উত্কৃষ্টি,
তোমার হাঁসিতে!
স্বপ্নের মর্মরে আপনালয়ে
আজ রাখতে চাই তোমাকে।
দিনের শেষে সন্দ্যার দেশে
যেতে চাই
কবিতা
|
|
| ৮০ শব্দ
একটি ছেলে একটি মেয়েকে খুব ভালবাসে কিন্তু
কিছুতে বলতে পারছে না। তারা দুজন খুব ভাল বন্ধু।
একদিন রাতে ছেলেটা ভাবল যে কি করে প্রস্তাব
দেয়া যায়। অনেক ভাবার পর হঠাৎ তার
মাথাতে একটা বুদ্ধি আসল। পরের দিন ছেলেটা ওই
মেয়েটার সাথে দেখা করল এবং বলল—
ছেলেঃ তুমি
বিবিধ
|
|
| ১০৩ শব্দ ২টি ছবি
কিছু বলতে ইচ্ছে করে
কিছু লিখতে ইচ্ছে করে
আমাকেই নিয়ে
আমার পশুত্বকে নিয়ে
যখন কোন এককালে দিয়েছিলেম
স্নেহ মায়া মমতার বিসর্জন;
এখন সেই পুরোনো দিনের কথাগুলো মনে পড়ে
সেদিন গুলোই যেন আজ আমার নিজের জীবনে
বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।
আজ আমার সময় হয়েছে তোমাদের ছেড়ে চলে যেতে
নির্বাসনে একা একা সময় কাটাতে
হয়তো কিছু আমারই
কবিতা
|
|
| ৩৭০ শব্দ
শবে-বরাতের মাঝ রাত্রিতে পূর্ণিমায়–মেঘনা বক্ষে
কবিতা
|
|
| ২৪৮ শব্দ
১। আচ্ছা, কনতো দেহি এই এত্ত রাস্তা থাকতে মাইনসের জন্যে ফুটপাথ বানান লাগব কেন?
২। আমরা গরু দেইহা কি গাড়িতে চরার ইচ্ছা নাই নাকি?
রাস্তার পাশে জনতার ভিড় ঠেলে কী হচ্ছে তা দেখবার আগ্রহ যাদের আছে, কোন না কোন সময়ে শতমূলী নিশ্চয়ই তাদের চোখে পড়েছে। নানান জাতের গাছ-গাছড়া, লতা-পাতা, ছোট ছোট বয়ামে নানা প্রকার বীজ সাজিয়ে ক্যাসেট রেকর্ডার বাজিয়ে বা হ্যান্ড মাইকে ছন্দময় বাক্য বিন্যাসে দুনিয়ার তাবত রোগের
অর্ধমানব;
আমায় তুমি এই নামেই তো ডাকো, তাই না?
কেন ডাক?
আমি কি আসলেই অর্ধমানব?
অর্ধমানবের সংজ্ঞা যে আমি জানি না।
কি জানি?
হয়তো বা হতেও পারি আমি অর্ধমানব;
তুমি বলেছ যখন।
জানো, মাঝে মাঝে তোমার এই ডাক শুনে
আমি নিজের দিকে তাকাই
নিজেকে বুঝতে চেষ্টা করি
মাঝে মাঝে
কবিতা
|
|
| ১৮১ শব্দ