ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১২
বিভাগের সব লেখা
জীবনপ্রবাহে ক্লান্তিহীন ছুটে চলা
অস্থির বিষাদের প্রতিটি ক্ষণ
অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে রোদ্দুর পথ পাড়ি দেওয়া
আর নাগরিক জীবনের দীর্ঘশ্বাস
ভুলে যেতে চাই দেখে দেখে অরণ্য প্রকৃতি।
হঠাৎ করে ছায়াতরু,ঝাউবন,একটি ফুলবাগান
স্মৃতির আঙ্গিনায় শান্ত মনে গভীর সুখের
হারিয়ে যাওয়া শৈশবটাতে ঝড় তোলে।
স্বর্গছুঁয়ে নেমে আসা
কবিতা
|
|
| ১১৭ শব্দ
মাননীয় জাতির আম্মা ,
আশাকরি দাদাবাবুদের আশির্বাদে আপনি এবং আপনার ১৪গুষ্টির সবাই কুশলে আছেন । আপনি আছেন বলেই এই দেশটার উপর এখনো উপরওয়ালার রহমত আছে । আপনি না থাকলে এই অভাগা জাতিকে দেখবে কে এই ভয়ে গত কয়েকবছর ধরে একটায় প্রার্থনা , আমার ১৪গুষ্টির সবার
রম্য
|
|
| ৭০২ শব্দ
দিন গুলি গড়িয়ে গড়িয়ে জল হলো আর জল গুলো গড়িয়ে গড়িয়ে একটা নদী। নদীতে স্রোত বইবার আগেই তাতে বাঁধ দেয়া হলো। এখন তা বদ্ধ জলের ডোবা বা আধুনিক ভাষায় বলা চলে লেক। লেকের পানি স্বচ্ছ হয় জানি। এই বদ্ধ নদীর
কবিতা
|
|
| ১৪৯ শব্দ ২টি ছবি
সুপ্রিয় সকল ব্লগার ও পাঠক বন্ধু ,
ব্লগারস ফোরাম আনন্দের সাথে জানাচ্ছে যে, এ বছর থেকে ব্লগারস ফোরাম সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক ও মানবতার সেবায় নিবেদিত একজন মহতপ্রান ব্যক্তিকে ব্লগারস ফোরাম পদক ও সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে এবং এই সিদ্ধান্তের বাস্তব রুপ
আলোকচিত্র, জীবন
|
|
| ১৫৪ শব্দ ১৬টি ছবি
মিট মিট করে প্রদীপ জ্বলে একচালা এক ঘরে
চারিদিকে মাটির দেয়াল চালটা তাহার খড়ে,
এক দিকে তার পুকুর আছে করে মাছে খেলা
অপর দিকে ঝোপ ঝাড়ে জোনাকিদের মেলা।
শাশুড়ি বেড়াতে গেল তাহার বোনের বাড়ি
ননদ গেল সইয়ের লগে আসবেনা আজ ফিরি,
বিকাল
উইক এন্ডের ঘুম ভাঙল সহকর্মী ভায়লিতার এস এম এস পেয়ে, সে আমার সাথে কখনোই ইংরেজি বলেনা তার উদ্দেশ্য হচ্ছে তিন বছরে সে আমাকে ফ্রেঞ্চ শিখায়েই ছাড়বে। আমিও ঠিক করেছি তাই হোক ফ্রেঞ্চ আমি শিখেই ছাড়ব। তার এস এম এস পড়ে যা বুঝলাম তা হচ্ছে
বিবিধ
|
|
| ৭৭৪ শব্দ
গত ২০শে জানুয়ারিতে গিয়েছিলাম সামুরিক যাদুঘর দেখতে। সেদিন সেখানে বেশ কিছু ডালিয়া ফুলের ছবি তুলেছিলাম। সেখান থেকে ১০টি ছবি আজ দেখুন।
১
২
৩
৪
আলোকচিত্র
|
|
| ৪৮ শব্দ ১১টি ছবি
আর তারা জানে সেই সন্ধ্যায়
এহাত ছুঁয়েছে দ্বিধা
তাই
বড় অল্পে আঙুল কেঁপে যায়।
শূন্যে থাবা তুলে যে ছায়া কাছে আসে
তাকে চিনি বলে ভয় হয় খুব
সরে যেতে যেতে সীমানা ছাড়ালে
খরচোখ বলে “একদম চুপ!”
পাঁজরে আর্তনাদ তবু নির্বাক
ডুবে যাই অভ্যস্ত অন্ধ তীব্র কামে
অথচ রাত্রি গোপন আমারই মতন
ডানায় সর্বনাশ
কবিতা
|
|
| ৪৭ শব্দ
২১শে ফেব্রুয়ারী শহীদ দিবস, এই দিনটিতে আমরা বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা জানাই মহান ভাষা আন্দোলনে আত্নত্যাগকারী সকল শহীদদের প্রতি, যাদের এই আত্নত্যাগের কারণে আমরা আমাদের নিজের ভাষায় কথা বলি। শুধু বাংলাদেশে নয় এই দিবসটি এখন আর্ন্তজাতিক ভাবে স্বিকৃত, বিশ্বের সব দেশ যেখানে এই দিনটির
বিবিধ
|
|
| ৯৪০ শব্দ ৩টি ছবি
আজ প্রথম আলো পত্রিকার চতুর্থ পৃষ্ঠায় বিশাল বাংলা পাতায় ‘নেতা এখন বানিয়ে দেওয়া হয়’ শিরোনামে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদের একটি বক্তব্য ছাপা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (২৬/০২/২০১২) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলী আহম্মদ চুনকা স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে
রাজনীতি
|
নেতা, নেতৃত্ব
|
|
| ৬৬৬ শব্দ
বুড়ো আঙ্গুলের বুকে তুলে আনবো তোমার
চোখের কোণে জমাট যত টলটল অভিমান।
ডান হাতের আদর বিলুনি এনে দেবে তোমার
চোখের চোখবন্ধ সুখ অসুখের যত উপাখ্যান।
প্রিয়, প্রতীক্ষায় থেকো কোন এক অজানা আজান ভোরে।
বিরহী দীর্ঘশ্বাস আর জমানো অযুত ভালোবাসা মুঠোপুরে।
প্রিয়, যদি নাই পার নিতে এক আঁজলা শিশির ধোয়া শিউলি-বকুল
তবে
কবিতা
|
|
| ১১৩ শব্দ
রাত যখন আঁধার মহাযোগ্যে, সুঁপেছে প্রাণ
রাত যখন আঁধার মহাযোগ্যে, সুঁপেছে প্রাণ। আর তখন আমিও, আঁধারে নিয়েছি আশ্রয়। বিছানায় চাদর আর বালিশের উমে, আক্রান্ত স্বপ্নবান। মহুর্তে ঘটে গেল,স্বপ্নদম্ভ দ্বারিয়ে আমার সিঁথানে। যেন পৃথিবীর সব আলো, খাচ্ছে গিলে। আঁধারে ঢেকে যাচ্ছে,পৃথিবীর পুর্বপশ্চিম,উত্তরদক্ষিণ। পৃথিবীটা কৃঞ্চ গ্রহ, সংকট
বুকের ভেতর
শব্দ শুনি, শব্দ শুনি
হৃদয় কাঁপন বেড়ে গিয়ে
ঘোড় দৌড়ের খুরের ধ্বণি
শব্দ শুনি, শব্দ শুনি।
কানের ভেতর ঘুর্ণায়মান
দমকা বাতাস আছড়ে পড়ে
ঊদ্ভান্ত অবুঝ মনে
তছনছ সব শব্দ ঝড়ে,
শব্দ শুনি, শব্দ শুনি।
বাইরে তখন ভীষণ গরম
ভিজছে তনু রোদ্র-ঘামে
মনের মাঝে মেঘলা আকাশ
হুড়হুড়িয়ে বৃষ্টি নামে,
শব্দ শুনি, শব্দ শুনি।
কবিতা
|
|
| ৪০ শব্দ
সেদিনের সেই পড়ন্ত বেলায়
ম্লান আলোর আবরণ জড়িয়ে
তুমি বললে-ভালো নেই
কোথাও কোন আলো নেই।
বলতে গিয়ে
তুমি কি কেঁদে ফেলেছিলে? জানিনা
হঠাৎ করেই অন্ধকার গ্রাস করেছিল
তোমাকে।
তুমি তোমার সাতকাহন গাইছিলে
আর বলেছিলে
ভালো নেই;
কোথাও কোন আলো নেই।
চৈত্রের মাতাল বাতাসে
চুলগুলি তোমার উড়ছিলো
আর নিস্তব্ধতার মাঝে
ক্ষণে ক্ষণে তোমার চুড়িগুলো বাজছিলো;
হয়তো চোখ মুছছিলে বারবার।
আমি এক অসহায়
কবিতা
|
|
| ৬৭ শব্দ
প্রায় ৩৫বছর,সেই ১৯৭৭ থেকে চাকুরীসূত্রে ঘুরে বেড়িয়েছি বিভিন্ন স্থানে!বাংলাদেশের আনাচে কানাচেও গেছি পোস্টিং নিয়ে!আজকালকার ডাক্তার ছেলে মেয়েদের মতো গ্রামে পোস্টিং নিয়ে ঢাকায় বসে চাকরী করার মানসিকতা ছিলো না!কর্মস্থলে থেকেই চাকরী করেছি।ছেলেমেয়েরাও গ্রামে পড়াশোনা করেই মানুষ হয়েছে!যদিও আমরা জন্ম থেকেই শহরে মানুষ!আমার তো বরং খুবই
বিবিধ
|
|
| ৩১০ শব্দ