শব্দনীড় প্রাণের নীড়
উপচে পড়া
কলোকাকলির ভিড় ।
নতুন পাতার সুবাসে
রঙ তুলির আঁচড়ে
সাজলো হৃদয় আকাশে ।
হাযার প্রাণের মেলা
সৃজন আর মননে
মিলনের অপরূপ মেলা।
বর্ণমালার ঐশ্বর্য্যে
বিকশিত কালি
ছড়ায় সম্ভার।
দিকে দিকে আজি
শুনি প্রতিধ্বনি
মাতৃভাষার।
রক্তের আচঁড়ে লেখা
মায়ের ভাষা
মুক্ত সুমহান।
ভূলি
কবিতা
|
|
| ৭৫ শব্দ
‘‘আমার দেশের মাটির বুকে
মনটা আমার গাঁথা
দেশকে নিয়ে সকল সময়
ঘামাই শুধু মাথা।’’
“সভা সেমিনারর করছি কত
বলছি উন্নযনের কথা
তারপরেও বাড়ছে কেনো
গরীব দুঃখির ব্যাথা।”
“অভাব অনটন বেকার জীবন
যেথায় শিকলে বাধা
উচ্চাভিলাশ আর দুর্নীতিতে
লাগছে গোলক ধাঁধাঁ। ”
“লোভ হিংসা আর রেষারেষি
বাড়ছে নানা বেশে
সুস্হ মানুষ ফিরছে লাশ
কোন অজ্ঞানতার বশে।”
“দেশটাকে আজ ঢেলে সাজাবো
মেধা শ্রম
কবিতা
|
|
| ৫০ শব্দ
হেমন্তের জোছনা রাতে,
রূপালী নরম আলোতে,
চাঁদ এসে দাঁড়ায় শিয়রে।
হিম ঝিরি বাতাসে,
ঘুম ঘুম আবেশে,
শার্ষীতে প্রতিবিম্ব।
মনের অব্যাক্ত কথাগুলি,
উথলে উঠে কেবলি,
বেদনার পান্ডুলিপি।
মধ্যরাতের নিরবতা,
গেয়ে উঠে রাতের পাখিরা,
কোন মায়াবী সুরে।
মায়াবী চাঁদের সাথে,
খুঁজি তোমাকে পাশে,
হাত বাড়াতেই আলেয়া।
সুখ স্বপ্ন টুটে।।
কবিতা
|
হেমন্ত
|
|
| ৩২ শব্দ
ঈদের দিন অনেক মেহমান আসে । এক একজন এক এক রকম করে তার আগমন জানান দেয় । কেউ বেলটা অনেক ক্ষন চেপে রাখে,কেউবা একবার ,কারো বা তাড়া থাকলে ধমাধম দরজার উপরেই দেয় শক্তির পরিচয়।
কাল ঈদের পর দিন তেমন ই একজন এসে দরজায়
বিবিধ
|
|
| ১১১ শব্দ ১টি ছবি
জন মানব শুন্য মরু প্রান্তরে বানিয়েছেন কা’বা হযরত ইব্রাহীম।
আদেশ করেছিলেন আল্লাহ রহমানুর রহীম।
আজান দিয়েছেন অনাগত মানুষকে আল্লাহর ঘর জিয়ারতে।
দেখিয়েছেন পথ একাত্ববাদের ধ্যানে জ্ঞানে ফিতরতে।
ইসলামের পাঁচটি রোকনের মধ্যে হজ্ব উত্তম এবাদত।
ইসলামের অমীয় বানী শোনাতে বিশ্ব ভাতৃত্ব রক্ষার্থেই এই জমায়েত।
রাসুল সঃ বিদায় হজ্বে পূরণ করেছেন দ্বীনের
কবিতা
|
কোরবানীর ঈদ
|
|
| ১৬০ শব্দ
ছাগল গরুকে বলে
এই শোন দাদারে।
আকাশেতে জেগে উঠা
দেখ ঐ চাঁদারে।
চাঁদ যেনো নয় সে
গলা কাটা ছুরি যে।
ত্যাগে নয় ভোগে সব
উবে যাবে প্রাণ যে।
শানদার শান দেয়
দা বটি ছুরিতে।
মুগুরের সারি দেখ
তেতুলের গুড়িতে।
বেপারির তোড়জোড়
গলেতে মালা মোর।
চাঁদাবাজের চালে বাড়ে
হিসাবের ঘোর।
ক্রেতা দেখে বেপারি
হাঁকে মোর দামটা।
দেখে শুনে
স্বর্গ থেকে খসে পড়া হিম বুড়ি
হিমেল পরশ বুলিয়ে দেয় সবুজ গালিচায়।
পাহাড়, গীরি, কোন্দর স্নাত হয়
সিক্ত হয় তরুলতা বাগ-বাগিচায়।
শান্ত হয় উত্তাল সাগর, নদী
হিমের আবেশে।
তারা ভরা জোসনা ঝরা
ভরা প্রকৃতি অফুরন্ত আমেজে।
অতিথি পাখিদের গুঞ্জরণে
টুটে নিশিথের সুপ্তি।
হাওর ,বাওর, বিলে কল কাকলিতে মুখোরিত
সকাল, সন্ধ্যা ব্যাপ্তি।
নতুন ফসলের মৌ মৌ গন্ধে
ভরে
কবিতা
|
ঋতু
|
|
| ৬৩ শব্দ
পাষানের আশ্রু ঝর্না হয়ে একেঁ বেঁকে নেমে আসে।
পাহাড়ের গন্ড বেয়ে গিরি উপাত্যকা ঘেষে।
পথ চলতে চলতে দেখা হয় পাইন,হিজল,তমালের সাথে।
মঠ, মসজিদ, মন্দিরের পুরোহিতের সাথে।
কত তাবিচ ,কবচ তন্ত্র মন্ত্র অসার করে।
ছুটে চলেছে নৃত্যের ঝংকারে।
নীল সামিয়ানার নীচে, মেঘেরা দল বেঁধে চলে।
মাঝে মাঝে তরঙ্গে তারারা লুকোচুরি খেলে।
আরশিতে চাঁদ
কবিতা
|
|
| ১০১ শব্দ
E যুগের বদৌলতে বিশ্ব দ্রুত এগোচ্ছে।
ক্রমেই পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে।
আসছে নতুন নতুন চিন্তাধারা।
পাল্টেছে ক্রাইমের ও ধারা।
রাজনৈতিক ব্যবসায়িক ,পারিবারিক,ব্যক্তিগত ।
শত্রুতা উদ্ধারে অপরাধীরা সাম্যক অবগত।
মাস্টার মাইন্ডের পৃষ্ঠপোষকতায়,
অপরাধী চক্র আরও সক্রিয়ো আধুনিক উপায়ে।
টাইম বোমা, মাইন বয়ে আনে শত শত হত্যা।
গুপ্ত
কবিতা
|
|
| ২২১ শব্দ
শতাব্দীর শ্রেষ্ট সন্তান ডাঃ সৈয়দা ফিরোজা বেগম নারী জাতির আর এক গৌরব ।
চান্দিনার গোলাপ বিশ্বের দিকে দিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভ।
কুসংস্কারাছন্ন অনেক পথ পেরুতে হয়েছে তাকে।
চড়াই উৎরাই বহু পথ পেরিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেন নিজেকে।
মানব কল্যানের স্বপ্ন দেখেছিলেন যিনি।
সেবার মাধ্যমে তা বাস্তবায়িত করেছেন তিনি।
দুঃখি দুঃস্হদের প্রতি প্রসারিত
কবিতা
|
|
| ১২৫ শব্দ
সেদিন ও ছিলো মেয়েটি,ফুট ফুটে হাস্যোজ্জল।
হাসি আর গানে আনন্দ উচ্ছল।
সবার কাছে মিষ্টি মেয়ে বলে যার কদর ছিলো,
স্কুলে মেধাবী ছাত্রী হিসাবে যার সুনাম ছিলো।
কত স্বপ্ন ছিলো চোখে ,
কত আশা ছিলো বুকে।
বাঁধন হারা জীবন,
পুলকিত মন।
ফুলকলি যেনো ফোটার অপেক্ষায়,
দুরন্ত সেই মেয়েটি অশুভ এক প্রচন্ড থাবায়,
লন্ড ভন্ড হয়ে
কবিতা
|
|
| ৭১ শব্দ
শ্যামলা মুখো শরৎ আকাশ
কাঁদছে ক্ষনে ক্ষনে।
বিজলি চমক ঝলসে গেলো
বিষন্ন বদনে।
ডুমরু দেখে উদাস লাগে
ডানায় উড়ে পাখি।
ঝর্ণা ধারা ঝরছে অঝোরে
ছল ছল আঁখি।
পেখম খুলে নাচছে ময়ুর
বৃষ্টি ধারার ছন্দে।
মন ময়ূরী উতলা যে
উড়লো আকাশে আনন্দে।
মাছের ছানারা নতুন পানিতে
ডিগবাজী খায় সুখে।
মাছরাঙারা
বিবিধ
|
|
| ১২১ শব্দ
বিজ্ঞানের উৎকষর্তায়,
অনেক অজ্ঞাত বিষয় আজ জ্ঞানের সীমায়।
প্রতিদিন নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কৃত হচ্ছে।
মানুষের মনের রুদ্ধদ্বার উন্মোচিত হচ্ছে।
চাঁদে যাওয়া ছিলো একদিন কল্পলোকের স্বপ্ন।
চাঁদের বুকে পড়েছে মানুষের পদিচহ্ন।
বিজ্ঞানের জয়যাত্রার ফলে, প্রমানিত হচ্ছে হাতে কলমে।
১৪শ বছর পূর্বে উম্মী নবীর কাছে এসেছিলো ঐশী মহাবিজ্ঞান।
রহস্যাবৃত নিখিল বিশ্বের রব সবই তার
কবিতা
|
|
| ২৩৭ শব্দ
শাওয়ালের নতুন চাঁদ যেনো উদ্ভাসিত
শিশুর প্রাণখোলা হাসিতে।
পশ্চিম দিগন্তে ধরা দেয়
মেলে থাকা রাশি রাশি দৃষ্টিতে।
ঈদের খুশিতে মেতে উঠে
আবাল বৃদ্ধ বনীতা।
ঈদের খুশি মুঠি মুঠি
সবার তরে বিলিয়ে দিও তা।
ঘরের কোনে কান্না রত
ছোট্ট শিশুটি।
হয়তো পায়নি নতুন জুতো
নয়তো জামাটি।
কিম্বা বৃদ্ধ গায়ে ময়লা বসন
চেহারাটি রুক্ষ।
রোগ শোক
কিম্বা বুভুক্ষ।
সাধ্য মত সাহায্য
কর তাদের।
নয়তো
কবিতা, ধর্ম
|
|
| ৫৭ শব্দ
দিগন্ত রেখায় সোনালী আবিরে এক অনাবিল হাসি।
প্রসন্ন হৃদয়ে প্রতীক্ষায় তব দেখে আসন্ন রোজাবাসি।
রহমত বরকত আর নাজাতের অভিলাসি।
মাগফেরাত যেনো জুটে ইহলোকে পরলোকে জান্নাতবাসি।
কেটেছে মাস সংযম আর সিয়াম সাধনা।
সেহেরী ইফতার আর রাত জেগে আরাধনা।
তারাবী কেয়ামুল লাইল্ আর অশ্রুঝরা প্রার্থনা
তেলাওয়াতুল কোরআন নাই যার তুলনা।
সহিষ্ণু হতে,
কবিতা
|
|
| ১৪৩ শব্দ