বর্তমান সময়টা হলো স্পেশাইজেশনের যুগ।আপনি হয়তো অনেক কিছু জানেন কিন্তু কোন বিষয়ে আপনার দক্ষতা নেই তাহলে সেটিকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন না। অন্যদিকে পেশাগত দিকে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে, এসেছে অনেক নতুন ধরনের পেশা যার এক সময় কোন অস্তিত্ব ছিল না। একজন সদ্য পাশ করা গ্রজুয়েট, কিংবা এক জন ছাত্র যে কিনা তথ্য প্রযুক্তি পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় স্বভাবতই তার মধ্যে দ্বিধার সঞ্চার হয়। তখন সে ছোটে তার পরিচিত কোন বড়ভাই বা বন্ধুর কাছে। কিন্তু দেখা গেল বন্ধুটি নিজে নিট্ওয়ার্ক কর্মকর্তা হয়ে তাকে পরামর্শ দিল ডট নেট শিখতে। সে ডট নেটে কোর্স করলো কিন্তু এক বছর কিংবা ছয় মাস কোর্স করার পর তার মনে হলো প্রগ্রামিং তার ভালো লাগে না অথবা সে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করে ব্যর্থ হলো। আমার এমন অনেক বন্ধু আছেন যারা কম্পিউটারে গ্রজুয়েশন করেও এই পেশায় নেই। কারণ এই পেশায় তেমন কোন ভাল চাকুরি না পেয়ে তারা অন্য পেশায় চলে গেছেন। এর পিছনে সব চেয়ে বড় কারণ ছিল তারা সঠিক দিক নির্দেশনা পাননি।
তথ্য প্রযুক্তিগত পেশার সব চেয়ে বড় সুবিধাটি হলো আপনার চাকুরির ক্ষেত্রটি কোন ভৌগলিক সীমা রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ব জুড়েই কাজের সুযোগ রয়েছে। এর যেমন একটি সুবিধা হলো আপনি ভিসা ছাড়াই ইউ এস এর এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন তাও আবার ঘরে বসে অন্য সুবিধাটি হলো আপনি যথেষ্ঠ ভালো বেতন পাচ্ছেন অনেক কম পরিশ্রেমে। উপরন্ত আপনার পরিবারের সাথে অনেক বেশি সময় কাটাতে পাচ্ছেন। আর অসুবিধাটি হলো আপনার যোগ্যতাটা হওয়া চাই বিশ্বমানের।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমাদের দেশে ভাল মানের কম্পিউটার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত তেমন একটা নেই যেখানে একটি কোর্স করে সহজেই আপনি আপনার যোগ্যতাকে বিশ্বমানের মাপকাঠিতে উঠাতে পারবেন। তবে হতাশার কিছু নেই, আমাদের সামনে রয়েছে বিশাল তথ্য ভান্ডার – ইন্টারনেট।
কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় কোন কোন বিষয়ের উপর আপানার জোর দেয়া দরকার, কতটুকু জানা দরকার এবং চাকুরির ক্ষেত্রে কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন তার জন্য এই দিক নির্দেশানা আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে। প্রথমত আমি তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন পেশার অবতারনা করবো এবং সেক্ষেত্রে দক্ষ তথ্য প্রযুক্তির পেশাজীবিদের মতামত সাপেক্ষে বেশ কয়েকটি পেশায় দিক নির্দেশনার অবতারনা করবো।
কোন কাজ থেকে আনন্দ পেতে চাইলে সেই কাজকে ভালবাসা জরুরি। কোন কাজ শুধু অর্থের প্রয়োজন মেটাতে করলে তা দিয়ে আপনি বেশি দূর এগুতে পারবেন না। তাই কোন কাজ শুরুর আগে প্রথমে নোট প্যাড নিয়ে বসে পড়ুন। লিখতে থাকুন আপনার কি কি ভাল লাগে।আপনার মতামত গুলো কমেন্ট বক্সে পেষ্ট করুন।
চলবে…



আর অসুবিধাটি হলো আপনার যোগ্যতাটা হওয়া চাই বিশ্বমানের।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমাদের দেশে ভাল মানের কম্পিউটার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত তেমন একটা নেই যেখানে একটি কোর্স করে সহজেই আপনি আপনার যোগ্যতাকে বিশ্বমানের মাপকাঠিতে উঠাতে পারবেন। তবে হতাশার কিছু নেই, আমাদের সামনে রয়েছে বিশাল তথ্য ভান্ডার – ইন্টারনেট।’
চমৎকার উপস্থাপনা। এ ছাড়াও মিডিলম্যানের দৌরাত্ম্য অনেক। ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ মুক্তিযোদ্ধা ভাই।
শুভ কামনা।
আমাদের সময় শেষ যারা তাদের ক্যারিয়ার এই ক্ষেত্রে গড়তে চান তাদের অনেক কাজে আসবে।
যে কোণ পেশায়ই এখন তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। আপনার এই সিরিজ লিখাটির প্রতি আগ্রহ রইলো। সাথেই আছি পাঠক হিসেবে এবং জানার জন্য।
এই সিরিজের দিকে নজর রইল।
শুভ কামনা সব সময়।
এসো উচ্ছ্বল তরুণ দল,,,,
,,,,,