শ্রাবণের নির্মল বৃষ্টির গন্ধ মেখে
ছইনৌকা ভিড়েছে বাড়ির উঠান ঘেঁসে।বানের জলে চারিদিক থৈ থৈ।মাঠের পর মাঠ সবুজ ধান ঢেউ খেলে যায়।গ্রামগুলো যেন জলের উপর ভাসছে।খাল, মাঠ,বিল ভাসান জলে একাকার।ঢেউয়ে রা খেলছে যেন সাগরে।বাড়ন্ত বানের জলে সাথে পাল্লা দিয়ে,বাড়ছে সবুজ ধান, আগাছা, শাপলা দল। ভাসছে বেওয়ারিশ কচুরি পানার দল।কলমির লতানো ডগায় বেগুনি ফুল ফুটে ঢেউয়ের কাঁপনে দুলে।পানকৌড়ি ঝাঁক বেঁধে, বানের নতুন জলে ডুবে ডুবে মাছ ধরে।ছোট নায়ে জেলেরা সুতায় বর্শি ফেলে মাছ ধরে সারা বেলা, শ্রাবণ জলে ভিজে ভিজে ঢেউয়ের তালে ভেসে ভেসে।পারা পারের নাও এদিক ওদিক যায় ছুটে।হাট বারে হাটে নাও যাচ্ছে দল বেঁধে।
ছইনৌকা নাইওর বাড়ির নাও।চোখে মুখে সবার অকৃত্রিম হাসি, অনেক দিনের পর। আত্মীয়াকে নিবে ঘরে।স্বপ্নবোনা বৌ,ঝি অপেক্ষায় বসে ছিল, এই শ্রাবণে জন্য।ভাসান নাওয়ে যাবে নাইওর।শ্রাবণের জলে ভেজা উনুন চালে উঠছে ধুঁয়া।খাবারের আয়োজনে হইহুল্লোড় বাড়িজুড়ে।ঢলে পরা বেলায়,ছইনৌকা নাইও রি বসে শত কদম বুচি সমীপে।মাঝি ছাড়ান দেয় নাও।ভাটিতে বর্ষার অমোঘ শুদ্ধতায়, ভেসে চলে নাও,শ্রাবণের নির্মল বৃষ্টির গন্ধ মেখে।
1419@17 শ্রাবণ,বর্ষাকাল।



বুঝি এখন আর নদী কুলকুল ধ্বনিতে মন কেড়ে নেয় না। পালতোলা নৌকো আর সারি বেঁধে চলে না। অতিত অতিতই। ভালো লিখেছেন। মন কাড়ার মতো।
অনেক ভালোবাসা জানবেন,,,,,,,,,,,,,,
বর্ষাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বৃষ্টি বৃষ্টি একটা ভাব।
খিচুড়ি খেতে মন চাইছে। এখন কী হবে?
শ্রাবণেই তো খিচরি খাওয়া সময় সুমন ভাই
ভালো লিখেছেন। মন কাড়া বর্ষা কাব্য

ধণ্যবাদ ডা. ভাই,,,,,,,,,,,,,,,,
ভালো লিখেছেন ,ভালো লাগলো কবিতাটি ।
শুভকামনা রইলো ।
সতত শুভকামনা,,,,,,,,,
আবার ইমুর পদক যেন না জুটে,,,,,,,
,,,,,,,
সত্যি করে বলুন দেখি এমন বর্ষা দেখেছেন কি কখনো! আমি দেখেছি বৈ কি, তবে বাস্তবে নয় টেলিভিশনে
দেখেছি মেডাম,,,,,,,,,,,,তয় সামন্য,,,,,,,,,,,,,,,,সতত শুভকামনা,,,,,,,,,,,