মুক্তিযোদ্ধার রক্ত কথন
রক্তমাখা পিরান, আমার বন্ধুর বাহে
সেই একাত্তরে যুদ্ধে গিছুনু হামরা।
বন্ধুরা ৬/৭ জন আইছিনু এক দলে,
সমুখ যুদ্ধ হানাদার সাথে;
কার্তুজের বিদীর্ণ আওয়াজ
হটাত এক বন্ধুর গাওত লাগল হানাদারের গুলি,
লুটে পরল ঘাসত।
সবুজ ঘাসত রক্তের ছোপ ছোপ দাগ,
দানা বেঁধে আজও মুক্তির গান গায়।
ঐ বন্ধু পিরান নিয়া গেনু বন্ধুর বাড়ী,
স্বাধীন পতাকা লিয়া
তয় বন্ধুর ঘর নাই,
পুরে ছাই,বাবারে খুঁজলাম,মারে খুঁজলাম, ভাইবোন-রে
কেই আর এই দুনিয়ায় নাই!
হানাদার কুত্তারা বংশ সাবার কইরা দিছে বাহে।
সেই দিন থেকে বন্ধুর পিরান,আমার কাছত
এত বছর পরও বন্ধুর পিরান থেকে
বন্ধুর শরীরের রক্তের উৎকট গন্ধ
স্বাধীনতার গাওত! মুক্তির উন্মাদনা জেগে উঠে।
১৪১৮@২৬ অগ্রহায়ণ,হেমন্তকাল
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



কবিতায় ব্যবহৃত ভাষা আমার অতি কাছের বলেই
আজকের এই প্রয়াস হৃদয়ে রাখলাম বন্ধু। গ্রেট।
বিজয়ের গন্ধে জীবন সুন্দর হউক বন্ধু!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
দোস্ত তুমি সকল মুক্তিযোদ্ধার মনের কথা বলেছো। ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাই না। ভালো থেকো।
মুক্তির উন্মাদনায় জীবন সুন্দর হউক
মুক্তিযোদ্ধের ছবি ফুটে উঠল কবিতায়।

বিজয় শুভেচ্ছা ভাই
বেশ জম্পেস কবিতা। আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ চমৎকার। অভিনন্দন।
িবজয শুভেচ্ছা আলী ভাই
দারুণ

সতত শুভকামনা কবি
বিজয় আর মুক্তির মায়ায় জীবন সুন্দর হউক
আঞ্চলিক কিছু শব্দের প্রয়োগ ঠিক মতো হয়নি বলে মনে হচ্ছে, কারণ আমি ওই এলাকার ভাষা এতো শুনেছি তাই আমার কাছে মনে হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে লেখা দারুন লাগল। ভাল থাকুন।
ওস্তাদ নতুন চমকের মতো লাগলো তবে দিদিভাইয়ের কথাটার সাথে সহমত…. একটু ভেবে দেখবেন আশা করি।
ওস্তাদ আরো নতুন আইডিয়া বাইর করেন …. এই কামনা সাথে রইলো…