চারুমান্নান-এর ব্লগ
creative writing!!!
সাঁঝের অমিয় আলোর ছোটা,খানিক স্বপ্ন বুনে !!
কবিতার মায়া জালে, আকন্ঠ নিমজ্জিত !
মেঘের ডানায় ভাসে জীবন ।
============
শুধু বেঁচে থাকার জন্য নির্মোহ নগর যাপন
গ্রীষ্মের প্রখর তাপে চৌচির মাটি,
আচমকা সদ্য বৃষ্টি ভেজা, নাকে ছুঁয়ে যায় না কত দিন?
সোঁদা মাটির সেই গন্ধ! কৃষকের তামাটে গা বেয়ে,
ঝরে পরা ঘামের সাথে বৃষ্টির ছিটে ফোটার অম্ল সুখ।
ঝড়বৃষ্টি রাতজুড়ে,
জমে থাকা কাদা মাটির রাস্তায়,
সম্মোহনের আঁজলা ভরা গ্রহণকাল সবটুকু চাওয়ার
ঐ যে উত্তরের সীমানায়,
উঁচু পাহাড়টার উপরে, বাঁধব বাসা পাখপাখালির মত
রাতভর চুম্বনের সন্ধিতে, গভীর থেকে গভীরতর,
আচানক এক স্বপ্ন মাতাল ভেলায়।
যেখানটায় শঙ্খচিল পাহারায়,
অমাবশ্যার কালো রাতেও, স্বপ্ন জালে জন্মান্তর বাঁধা
কালের গায়ে সেঁটে আছে, নগ্নতার আমুল কর্ষণ,
সেখানে শুধু বিপন্ন মর্তের
চিনা বাদামের সবুজ পাতা যেন স্বপ্ন আঁকা তেপান্তরের মাঠ
বসন্ত চলে গেল বলেই,
এমন খরায় তবু তার চিহ্ন মুছে না, বরং ছিটেফোঁটা ঝড় বৃষ্টি
তাতেই আবার আড়মোড়া ভাঙ্গে, শুকনা পুঁই মাচাটায়,
নতুন সবুজ পাতায় ভরে উঠেছে।
পুকুর তলায় শেওলা মাখা ঘোলা জলে,
তিরতিরে কাঁপা ঢেউয়ে, ছোট মাছ
সমুদ্রে আজ উথাল পাথাল
সমুদ্রে আজ উথাল পাথাল
বাতাস মাখা হাঁক,
ঝর ঝরে বৃষ্টি ঝরে
মেঘের ঘন ডাক।।
আসছে তুফান বান ডেকে
বইছে ঘূণি ঝড়,
ঘর বাড়ী সব যায়রে উড়ে
ভরছে নোনা জল।।
খোদা মোদের রক্ষা কর
চিৎকার করে কয়
প্রকৃতির খেলা ভেবে দ্যাখো!
আমরা বড়ই অসহায়।।
১৪২০@ ০২ জ্যৈষ্ঠ, গ্রীষ্মকাল।
মধু মাসে পাকা ফল
জ্যৈষ্ঠ মাসের গরম বানে
বকুল সুবাস বিলায়,
সোনালু ফুলের হলুদ আভা
প্রাণ জুড়িয়ে যায়।।
মধু মাসে পাকা ফল
গাছে গাছে ঝুলে,
পাখপাখালির কিচির মিচির
কাঠ বিড়ালী ছুটে।।
কালো জামে গাছ ভরেছে
পাখির ঠোঁট রাঙা,
পাকা আমে দিতেই ঠোকর
মাটিতে পরে সারা।।
1420@ 1 জ্যৈষ্ঠ,
আজ বোশেখের শেষ দিন
অনেক তো হল দিন ফুড়ালো,
আজ বোশেখের শেষ দিন, যেন চুইয়ে চুইয়ে পরা ঝরনার জল
শেওলার আদলে সাঁঝ ঘনাল, একটু আগেই কাল বৈশাখী মারিয়ে গেল,
উঠানে ডাল ভেঙ্গেছে সজনে গাছটার।
ক্ষেতের পাকা ইরি ধান শোয়ানো,
শিলা বৃষ্টি ঝরেছে সামান্য, আমতলায় থেঁতলে যাওয়া
শুধু চোখের কোণে অবশূন্য বির্মষ জল প্রিয়তা
এই তো সেদিন ঈশান কোণে,
ধূসর কালো মেঘের পাহাড়, গড় গড় সর সর গর্জন
আকাশ জুড়ে কড়াৎ কড়াৎ, সরাৎ সরাৎ চমকিত,
আলো ঝলশানো বিদ্যুত খেলে যায়।
উত্থলিত মেঘ আকাশ বেয়ে,
উদ্ধ মুখী ছুটে চলার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা, পিছে পিছে ছিটকে পরে
মেঘের
মায়ের সাথে ভুতু সোনা
না খাওয়ালে খাবে না ভাত
ভুতু সোনার আঁড়ি,
মায়ের হাতের দুধ ভাত
খেতে মিষ্টি ভারি।।
সারা দিন যায় রে কেটে
মায়ের বকুনি খেয়ে,
এটা কর সেটা করো না
বায়না কত মেয়ের।।
পড়তে বসে টিভি কেন?
রিমোটে অফ কর,
মা যে তোমার রাগ করেছে
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৬০ শব্দ
যে অভিমান একদিন ধ্বংসের অমৃত ছিল
মাঝে মাঝে থমকে যায় অভিমান,
আলিশান বিষণ্নতা জেঁকে বসে, আঁধারে পথের বাঁক ভুল হয়
পূণির্মার চাঁদের জন্য অপেক্ষা, ভুতুরে আকাশ মেঘে ঢাকা,
কখন ফিকে আলোয় ভেসে উঠবে মুখটি?
এমন ভাবনায় রাতের প্রথম প্রহর,
অভিমানে ক্ষয়ে যাওয়া স্বপ্ন, এখন যুগলবন্দি জোনাক সবুজ
হলুদ মুরগির ছানা
হলুদ ছানা দেখে মুরগির
গা ছুঁইতে চায়,
মনটা করে ইটিস পিটিস
মাকে পোষতে কয়।।
ভুতু সোনার পোষা এখন
হলুদ মুরগির ছানা,
হাই ব্রিড ফার্মের যে তাই
খায় না অন্য দানা।।
খাঁচায় থাকতে চায়না মোটেই
বাহিরে ঘুরতে চায়,
আলোর মাঝে ঘুম আসে না
টিউ টিউ ডেকে কয়।।
1420@26 বৈশাখ,গ্রীষ্মকাল।
যে জোনাক শুধু রাতে জ্বলে
যখন বৈষম্য আর শ্রেণী শোষণ,
পেষণে পুড়ছে ভোগবাদের উল্লাস, আর অন্যদিকে লোভের চাতুরতা
এই লোভে পুড়ছে মানুষ, তার নীতি দিচ্ছে বিসর্জন,
মনে প্রবল বাঁধভাঙ্গা স্বপ্ন যেখানে মৃত্যু নস্যি তুল্য।
ক্ষুধা মেটানোর দূর্লভ নেশা বাঁচার জন্য,
আর সেই বাঁচাকে নিয়ে খেলা, দুরন্ত প্রতাপ যে ভোগবাদী পুঁজির
এমন
কবিতা
|
|
| ৮৮ শব্দ
বোশেখের বৃষ্টিতে এখন লাশের গন্ধ ভাসে
বোশেখের বৃষ্টিতে এখন লাশের গন্ধ ভাসে,
ঝড়ের তান্ডবে থৈ থৈ বাতাসে, জ্বলে উঠে আগুন
আগুনে পুড়ে সভ্যতা, বি-নির্মাণের অস্তিত্বের পথ আজ অবরুদ্ধ?
মানুষের তাজা রক্তে ভাসে পিচঢালা পথ।
যে সভ্য মানুষ মানুষের জন্য,
জীবন বিলায়, সেই মানুষই আবার রক্তলোলুপ হায়না,
কবিতা
|
|
| ৮৯ শব্দ
মা, তোমার কাছে আর ফেরা হল না
যখন মৃত্যুপথে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছি,
একটা চিরকুট লিখে ছিলাম, আমার মা যেন আর অপেক্ষায় না থাকে,
তা চিরকুট বললে ভুল হবে; তা ছিল বুকে সাঁটা, কংক্রিটের মেঝে,
সেই রক্তে ডান হাতের আঙ্গুলে চেপে চেপে লেখা।
মা, তোমার কাছে আর ফেরা
কবিতা
|
|
| ১০৯ শব্দ
বোশেখের রোদে বেজায় তাপ
বোশেখের রোদে বেজায় তাপ
কাক তৃঞ্চায় হা,
শুকনা ডোবা থকথকে কাঁদায়
ঢেকেছে মাছের গা।।
ব্যাঙ মামারা লুকায় গর্তে
রাতের বেলা ডাকে,
মেঘ ঘনালে আকাশ জুড়ে
বৃষ্টির আশায় বাঁচে।।
কৃষকের গা তামাটে রোদে
নিড়ানি দেয় ক্ষেতে,
সবুজ মাঠ দোল খেলে
আকাশে ঘুড়ি উড়ে।।
১৪২০@
আর পুড়বে না আঁধার উল্লাসে জোনাক খুনসুঁটি
নেড়ি কুত্তার মত কুঁই কুঁই আওয়াজ করে,
আর বাঁচব না, এবার অধিকারে বজ্রমুষ্টি অঙ্গিকার
যেখানে তোষামোদে অধিকার হারা, সেখানেই প্রতিবাদ,
কাজের খাতিরে শ্রমের মূল্য চাই সুষম।
না হলে বন্ধ করে দাও কাজ!
কাজের জন্য অধিকার আদাই, না হলে শ্রেণী বৈষম্যের